ইউসুকে হাগিহারা
ইউসুকে হাগিহারা | |
|---|---|
১৯৫৪ সালে হাগিহারা | |
| জন্ম | ২৮ মার্চ ১৮৯৭ ওসাকা, জাপান |
| মৃত্যু | ২৯ জানুয়ারি ১৯৭৯ টোকিও, জাপান |
| মাতৃশিক্ষায়তন | টোকিও ইম্পেরিয়াল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসসি ১৯২১) টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় (ডিএসসি ১৯৩০) |
| বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন | |
| কর্মক্ষেত্র |
|
| প্রতিষ্ঠানসমূহ | টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় টোকিও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক মানমন্দির জাপান অ্যাকাডেমি |
| উল্লেখযোগ্য শিক্ষার্থী | ইয়োশিও ফুজিতা |
ইউসুকে হাগিহারা (萩原 雄祐, Hagihara Yūsuke, ২৮ মার্চ ১৮৯৭ ওসাকাতে – ২৯ জানুয়ারি ১৯৭৯ টোকিওতে) ছিলেন একজন জাপানি জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তিনি মহাজাগতিক বলবিদ্যায় অবদানের জন্য বিখ্যাত।[১]
জীবনী
[সম্পাদনা]হাগিহারা ১৯২১ সালে টোকিও ইম্পেরিয়াল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জ্যোতির্বিদ্যায় ডিগ্রি অর্জন করেন এবং দুই বছর পর সেখানে জ্যোতির্বিদ্যার সহকারী অধ্যাপক হন। [২] ১৯২৩ সালে জাপান সরকার তাকে ভ্রমণকারী পণ্ডিত হিসেবে বিদেশে পাঠায়। হাগিহারা ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতবিদ হেনরি ফ্রেডেরিক বেকারের অধীনে ব্যবকলনীয় সমীকরণ[২] এবং জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী স্যার আর্থার স্ট্যানলি এডিংটনের অধীনে পল ডিরাকের সাথে আপেক্ষিকতা অধ্যয়ন করতে যান।[১] তিনি ফ্রান্স, জার্মানি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একজন ভ্রমণকারী পণ্ডিত ছিলেন।[১]
১৯২৫ সালে তিনি জাপানে ফিরে আসেন কিন্তু তিন বছর পর রকফেলার ফাউন্ডেশন ফেলোশিপে জর্জ ডেভিড বার্কহফের অধীনে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গতিশীল ব্যবস্থার টপোলজি অধ্যয়নের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান।[৩]
হাগিহারা ১৯২৯ সালে হার্ভার্ড থেকে তার পড়াশোনা শেষ করেন এবং আবার টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসেন। এখানে তিনি ১৯৩০ সালে তিনি ডি.এসসি. ডিগ্রি অর্জন করেন স্যাটেলাইট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা সম্পর্কিত গবেষণাপত্রের মাধ্যমে। [২] ১৯৩৫ সালে, তিনি একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। এখানে দেখানো হয় যে শোয়ার্জচাইল্ড মেট্রিকে একটি পরীক্ষামূলক কণার গতিপথ উপবৃত্তাকার ফাংশনের মাধ্যমে প্রকাশ করা যেতে পারে।[৩] ১৯৩৭ সালের পর এক দশকেরও বেশি সময় ধরে, তিনি গ্রহীয় নীহারিকাতে ইলেকট্রন বেগের বন্টন নিয়ে গবেষণা করেন।[৩]
১৯৩৫ সালে তিনি টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। [২] ১৯৪৫ থেকে ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত তিনি টোকিও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক মানমন্দিরের পরিচালক ছিলেন এবং পরবর্তীকালে তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক (১৯৫৭-১৯৬০) এবং উতসুনোমিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি (১৯৬১-১৯৬৭) ছিলেন। [৩] ১৯৬১ সালে তিনি আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়নের সহ-সভাপতি এবং আইএইউ-এর মহাকাশীয় বলবিদ্যা কমিশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। [২]
১৯৬৭ সালে তিনি জাপান একাডেমি ব্যতীত তার সমস্ত দাপ্তরিক দায়িত্ব থেকে অবসর গ্রহণ করেন এবং তার বক্তৃতা নোটের উপর ভিত্তি করে তার পাঁচ খণ্ডের বিস্তৃত গ্রন্থ, সেলেস্টিয়াল মেকানিক্স লেখার জন্য নিজেকে নিবেদিত করেন। [২]
হাগিহারাকে একজন শান্ত ও সংস্কৃতিবান ভদ্রলোক, একজন চমৎকার শিক্ষক এবং একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে বিবেচনা করা হত। [১][২]
তিনি জর্জি মানেভ কর্তৃক বিকশিত মহাকাশীয় বলবিদ্যার জন্য নিউটন-পরবর্তী মডেলগুলির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
সম্মাননা
[সম্পাদনা]- তার সম্মানে মেইন-বেল্ট গ্রহাণুর নামকরণ করা হয়েছিল ১৯৭১ হাগিহারা ।[৪]
- রয়েল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির সভ্য
- জাতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞান কমিটির চেয়ারম্যান (জাপান)
- জাপান একাডেমির সদস্য
- জাপানের বিজ্ঞান পরিষদের সদস্য
- সাংস্কৃতিক মেধাক্রম (জাপান)
- মার্কিন জাতীয় বিজ্ঞান একাডেমি থেকে জেমস ক্রেগ ওয়াটসন পদক প্রাপক (১৯৬০)
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 Herget, Paul (১৯৭৯)। "Yusuke Hagihara"। Physics Today: ৭১। ডিওআই:10.1063/1.2995600।
- 1 2 3 4 5 6 7 Kozai, Yoshihide (১৯৭৯)। "Yusuke Hagihara": ৩২৫–৮।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - 1 2 3 4 Kozai, Yoshihide (১৯৯৮)। "Development of Celestial Mechanics in Japan": ১০৩১–৩৬। ডিওআই:10.1016/s0032-0633(98)00033-6।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Schmadel, Lutz D. (২০০৩)। Dictionary of minor planet names। International Astronomical Union (5th rev. & enlarged ed সংস্করণ)। Berlin ; New York: Springer। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৫৪০-০০২৩৮-৩।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|edition=-এ অতিরিক্ত লেখা রয়েছে (সাহায্য)