ইউরেশীয় সোনাবউ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ইউরেশীয় সোনাবউ
Oriole 2.jpg
বয়স্ক সোনাবউ
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: প্রাণী
শ্রেণী: পাখি
বর্গ: প্যাসারিফর্মিস
পরিবার: Oriolidae
গণ: Oriolus
দ্বিপদী নাম
Oriolus oriolus
(Linnaeus, 1758)
Oriolus oriolus distribution map.png

ইউরেশীয় সোনাবউ বা ইউরেশিয়ান গোল্ডেন ওরিওল (Oriolus oriolus) উত্তর গোলার্ধীয় নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে প্রজননকারী পাসেরিন পাখির ওরিওল পরিবারের একমাত্র সদস্য। একে সোনালি বেনেবউ বলেও ডাকা হয়

এটি গ্রীষ্মকালে ইউরোপ এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিযায়ী হয় এবং মধ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকায় শীতের মৌসুম কাটায়। ইউরেশীয় সোনাবউয়ের বৃহত জনগোষ্ঠী অত্যন্ত বিশাল পরিসীমায় বিস্তৃত রয়েছে যা দৃশ্যত স্থিতিশীল।

শ্রেণিবিন্যাস ও বাস্তুতন্ত্র[সম্পাদনা]

ইউরেশীয় সোনাবউকে ১৭৫৮ সালে সুইডিশ প্রকৃতিবিদ কার্ল লিনিয়াস তার সিস্টেমা ন্যাচারের দশম সংস্করণে বর্ণনা করেছিলেন এবং এর দ্বিপদী নাম দিয়েছিলেন Coracias oriolus[২] ইউরেশীয় সোনাবউ এবং ভারতীয় সোনাবউকে পূর্বে একই প্রজাতি হিসাবে বিবেচনা করা হত, তবে ২০০৫ সালে পাখি বিশেষজ্ঞ পামেলা রাসমুসেন এবং জন অ্যান্ডারটন "দক্ষিণ এশিয়ার পাখি" গ্রন্থের প্রথম সংস্করণে এদেরকে পৃথক প্রজাতি হিসাবে বিবেচনা করেছিলেন।[৩][৪] এই পার্থক্যের স্বপক্ষে প্রমাণটি ২০১০ সালে প্রকাশিত একটি আণবিক ফাইলেজেনেটিক গবেষণা দ্বারা সরবরাহ করা হয়েছিল[৫] এবং বেশিরভাগ পক্ষিবিদই এখন ভারতীয় সোনাবউকে একটি পৃথক প্রজাতি হিসাবে বিবেচনা করে।[৬]

ইউরেশীয় সোনাবাউ বা ইউরেশিয়ান গোল্ডেন ওরিওলের বিকল্প নামের মধ্যে রয়েছে ইউরোপীয় গোল্ডেন ওরিওল এবং পশ্চিম ইউরেশিয়ান গোল্ডেন ওরিওল। এটি একটি মনোটাইপিক প্রজাতি।[৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. BirdLife International (২০১৭)। "Oriolus oriolus"বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা (ইংরেজি ভাষায়)। আইইউসিএন2017: e.T103692938A111783061। ডিওআই:10.2305/IUCN.UK.2017-1.RLTS.T103692938A111783061.enঅবাধে প্রবেশযোগ্য 
  2. Linnaeus, Carl (১৭৫৮)। Systema Naturae per regna tria naturae, secundum classes, ordines, genera, species, cum characteribus, differentiis, synonymis, locis (Latin ভাষায়)। Volume 1 (10th সংস্করণ)। Holmiae:Laurentii Salvii। পৃষ্ঠা 107। 
  3. Rasmussen, Pamela C.; Anderton, John C. (২০০৫)। Birds of South Asia. The Ripley Guide। Volume 2। Washington D.C. and Barcelona: Smithsonian National Museum of Natural History and Lynx Edicions। পৃষ্ঠা 586। আইএসবিএন 978-84-87334-66-5 
  4. Mayr, Ernst; Greenway, James C. Jr, সম্পাদকগণ (১৯৬২)। Check-list of birds of the world। Volume 15। Cambridge, Massachusetts: Museum of Comparative Zoology। পৃষ্ঠা 127। 
  5. Jønsson, K.A.; Bowie, R.C.K.; Moyle, R.G.; Irestedt, M.; Christidis, L.; Norman, J.A.; Fjeldså, J. (২০১০)। "Phylogeny and biogeography of Oriolidae (Aves: Passeriformes)"। Ecography33 (2): 232–241। ডিওআই:10.1111/j.1600-0587.2010.06167.xঅবাধে প্রবেশযোগ্য 
  6. Lepage, Denis। "Indian Golden-Oriole Oriolus kundoo Sykes, 1832"। Avibase। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  7. Gill, Frank; Donsker, David, সম্পাদকগণ (২০১৭)। "Orioles, drongos & fantails"World Bird List Version 7.3। International Ornithologists' Union। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৭