ইউকে ব্ল্যাক প্রাইড
| ইউকে ব্ল্যাক প্রাইড | |
|---|---|
২০১৯ সালের পোস্টার | |
| অবস্থা | সক্রিয় |
| ধরন | ইউকে ব্ল্যাক প্রাইড |
| পুনরাবৃত্তি | বার্ষিক |
| ঘটনাস্থল | কুইন এলিজাবেথ অলিম্পিক পার্ক |
| স্থানাঙ্ক | ৫১°৩২′৪৬″ উত্তর ০°০০′৪৬″ পশ্চিম / ৫১.৫৪৬১৫° উত্তর ০.০১২৬৯° পশ্চিম |
| দেশ | যুক্তরাজ্য |
| গঠিত | ২০০৫ |
| অতি সাম্প্রতিক | ১৪ আগস্ট ২০২২ |
| পরবর্তী ঘটনা | ১৯ আগস্ট ২০২৩ |
| উপস্থিতি | ২৫,০০০ (২০২২) |
| ওয়েবসাইট | |
| দাপ্তরিক ওয়েবসাইট | |
ইউকে ব্ল্যাক প্রাইড (ইউকেবিপি ) হল লন্ডনের একটি কৃষ্ণাঙ্গ সমকামী প্রাইড অনুষ্ঠান যেটি ২০০৫ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এটি ইউরোপের বৃহত্তম আফ্রিকীয়, এশীয়, মধ্যপ্রাচ্য, লাতিন মার্কিন এবং ক্যারিবীয় ঐতিহ্যবাহী লেসবিয়ান, গে, উভকামী, ট্রান্সজেন্ডার এবং কুইয়ার (এলজিবিটিকিউ) মানুষের উৎসব, যা প্রতি বছর প্রায় ৮,০০০ মানুষকে আকর্ষণ করে।
ইভেন্টের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হলেন ফিলিস আকুয়া ওপোকু-গিমাহ, যিনি লেডি ফিল নামেও পরিচিত। তিনি এর নির্বাহী পরিচালক।[১]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]২০০৫ সালে অনলাইন সামাজিক মাধ্যমের ব্ল্যাক লেসবিয়ানস ইন দ্য ইউকে (বিএলইউকে) এর সদস্যদের সাউথ এণ্ড-অন-সি-তে একটি দিনের ভ্রমণ হিসেবে ইউকে ব্ল্যাক প্রাইড উৎসব শুরু হয়েছিল।[২]
২০১৮ সালের ৮ জুলাই তারিখে, রবিবারে, ভক্সহল প্লেজার গার্ডেনে ইউকে ব্ল্যাক প্রাইডে প্রায় ৭,৫০০ জন অংশগ্রহণ করেছিলেন।[১]
ইউরোপের বৃহত্তম এলজিবিটি অধিকার দাতব্য সংস্থা স্টোনওয়াল, ২০১৮ সালে প্রাইড ইন লন্ডন উৎসব থেকে তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয়, তাদের উদ্বেগের কারণ ছিল অনুষ্ঠানের "বৈচিত্র্যের অভাব"।[৩] এর পরিবর্তে, এই দাতব্য সংস্থাটি ইউকে ব্ল্যাক প্রাইডের সাথে অংশীদারিত্ব শুরু করে। তারা ২০১৯ সালে একটি যৌথ কর্মসূচীতে সম্মত হয়। সেগুলির মধ্যে একটি ছিল ইউকে ব্ল্যাক প্রাইড এবং বিএএমই সম্প্রদায় গোষ্ঠীগুলির সাথে কাজ করার জন্য স্টোনওয়াল কর্তৃক একজন পূর্ণ-সময়ের কর্মী নিয়োগ।[৪]
২০১৯ সালের জুলাই মাসে ব্রিটিশ ভোগ পত্রিকা ইউকে ব্ল্যাক প্রাইডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা লেডি ফিল ওপোকু-গিমাহর সাথে একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে যার শিরোনাম ছিল "প্রাইড ইজ নট জাস্ট এ সেলিব্রেশন, ইট'স অ্যাবাউট চেঞ্জ", সেখানে তিনি যুক্তরাজ্যে একটি কৃষ্ণাঙ্গ এলজিবিটি প্রাইড ইভেন্টের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।[৫]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 Rorison, Alex; Okundaye, Jason (৬ জুন ২০১৯)। "Why Hackney Is the Perfect New Home for UK Black Pride"। Vice (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০১৯।
- ↑ "UK Black Pride: 'Shades from the Diaspora'"। LambethLife (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ৬ জুন ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০১৯।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ Khomami, Nadia; agency (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)। "Stonewall withdraws from Pride in London over 'lack of diversity'"। The Guardian (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0261-3077। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০১৯।
- ↑ "UK Black Pride and Stonewall announce ground-breaking partnership"। Gay Times (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০১৯।
- ↑ ""Pride Is Not Just A Celebration, It's About Change": Why Black Pride Matters"। British Vogue (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ৭ জুলাই ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০২০।