বিষয়বস্তুতে চলুন

আসামের জীববৈচিত্র্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
একটি সোনালী বানর
বাদি হাঁস বা দেওহা‍ঁহ
সুপারি গাছ বা তামুল গছ

আসাম উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি রাজ্যআসামের জীববৈচিত্র্য এটিকে অনেক বিরল এবং স্থানীয় উদ্ভিদ ও প্রাণী প্রজাতির সাথে একটি জৈবিক হটস্পটে পরিণত করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আসামের সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানে ভারতীয় গণ্ডার সংরক্ষণ, কিন্তু আসামে মানব জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধি অনেক উদ্ভিদ, প্রাণী এবং তাদের আবাসস্থলকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

গন্ডার, বাঘ, হরিণ বা চিত্রা হরিণ / ফুটুকীহরিণা (Axis axis), বারশিঙ্গা বা দলহরিণা (Cervus duvauceli duvauceli), মেঘলা চিতা (Neofelis nebulosa), উল্লুক, বেঁটে শূকর বা নল-গাহরি (Porcula salvania), আসামি খরগোশ, সোনালী বানর (Trachypithecus geei), এশীয় সোনালী বিড়াল, বড় বাঘডাশ, বিন্টুরং, হগ ব্যাজার, সজারু এবং ভাম এর মতো বহু উল্লেখযোগ্য স্তন্যপায়ী প্রাণী আসামে পাওয়া যায়। তাছাড়া, এখানে প্রচুর পরিমাণে গাঙ্গেয় ডলফিন, বেজি, বিশাল কাঠবিড়ালি এবং অজগর রয়েছে। আসামে বুনো মহিষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।[]

আসামের প্রধান পাখিগুলোর মধ্যে রয়েছে বড় বসন্ত বৌরি বা হেটুলুকা (Megalaima asiatica), বাদি হাঁস বা দেওহা‍ঁহ (Asarcornis scultulata), কুড়া বা কুরুওয়া (Haliaeetus leucoryphus), রাজ ধনেশ (Buceros bicornis homrai), হিমালয়ী কাঠঠোকরা বা বাঢ়ৈটোকা (Dinopium shorii shorii) এবং পরিযায়ী পেলিকান ইত্যাদি।

আসাম অর্কিড এবং মূল্যবান উদ্ভিদ ও বনজ পণ্যের জন্যও পরিচিত।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Choudhury, A.U. (2010)The vanishing herds : the wild water buffalo. Gibbon Books, Rhino Foundation, CEPF & COA, Taiwan, Guwahati, India.

আরও পড়ুন

[সম্পাদনা]
  • Biodiversity of Assam: Status Strategy & Action Plan for Conservation, eds A K Bhagabati, M C Kalita, S Baruah, Eastern Book House, New Delhi (2006)

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]

"Brahmaputra Valley semi-evergreen forests"Terrestrial Ecoregions। World Wildlife Fund।