সূরা আল-জাসিয়াহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(আল জাসিয়াহ থেকে পুনর্নির্দেশিত)
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
আল জাসিয়াহ
الجاثية
শ্রেণী মক্কী সূরা
নামের অর্থ নতজানু হওয়া
হাঁটুতে ভর দেয়া
পরিসংখ্যান
সূরার ক্রম ৪৫
আয়াতের সংখ্যা ৩৭
পারার ক্রম ২৫
রুকুর সংখ্যা
সিজদাহ্‌র সংখ্যা নেই
শব্দের সংখ্যা ৪৮৮
অক্ষরের সংখ্যা ২০১৪
পূর্ববর্তী সূরা সূরা আদ-দোখান
পরবর্তী সূরা সূরা আল-আহ্‌ক্বাফ

আরবি পাঠ্য · বাংলা অনুবাদ


সূরা আল জাসিয়াহ (আরবি ভাষায়: الجاثية) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৪৫ নম্বর সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৩৭ এবং এর রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ৪। সূরা আল জাসিয়াহ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

অনুবাদ[সম্পাদনা]

  1. হা মিম ।
  2. পারাক্রান্ত , প্রজ্ঞাময় আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ এ কিতাব ।
  3. নিশ্চয়ই নভোমণ্ডল ও ভু মন্ডলে মুমিনদের জন্য নির্দেশনাবালি রয়েছে ।
  4. আর তোমাদের সৃষ্টিতে ও চারদিকে ছড়িয়ে থাকা জীব জন্তুর সৃজনের মধ্যেও নির্দেশনাবালি রয়েছে বিশ্ববাসীর জন্য ।
  5. দিবারাত্রির পরিবর্তনে আল্লাহতালাহ আকাশ থেকে রিজিক বর্ষণ করেন অতপর পৃথিবীকে তার ম্রিত্যুর পড় পুনরুজ্জীবিত করেন , তাতে এবং বায়ুর পরিবর্তনে বুদ্ধিমানদের জন্য নির্দেশনাবালি রয়েছে ।
  6. এগুলো আল্লাহর আয়াত যা আমি আপনার কাছে আবৃত করি যথারুপে ।অতপর আল্লাহ ও তার আয়াতের পর তাড়া কোন কথায় বিশ্বাস স্থাপনা করবে ?
  7. প্রত্যেক মিথ্যাবাদী পাপাচারীর দুর্ভোগ ।
  8. সে আল্লাহর আয়াতসমুহ শুনে অতপর অহংকারী হয়ে জেদ ধরে যেন সে আয়াত শুনেনি । অতঃপর তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দিন ।
  9. যখন সে আমার কোন আয়াত অবগত হয় তখন তাকে ঠাট্টা রুপে গ্রহন করে । এদের জন্যই রয়েছে লাঞ্চনাদায়ক শাস্তি ।
  10. তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নাম , তারা যা উপার্জন করেছে তা তাদের কোন কাজে আসবে না । তারা আল্লহর পরিবর্তে যাদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহন করেছে তারাও নয় । তাদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি ।
  11. এটা সৎপথ প্রদর্শন আর যারা তাদের পালনকর্তার আয়াতসমুহ অস্বীকার করে তাদের জন্য রয়েছে কঠোর যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি ।
  12. তিনি আল্লাহ যিনি সমুদ্রকে তোমাদের উপকার্থে আয়ত্বাধিন করে দিয়েছেন । যাতে তার আদেশেক্রমে তাতে জাহাজ চলাচল করে । এবং যাতে তোমরা তার অনুগ্রহ তালাশ কর ও তার প্রতি কৃতজ্ঞ হও

নামকরণ[সম্পাদনা]

এই সূরাটির ২৮ নং আয়াতের وَتَرَى كُلَّ أُمَّةٍ جَاثِيَةً বাক্যাংশ থেকে جَاثِيَةً অংশটি অনুসারে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে الجاثية (‘জাসিয়াহ’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা।[১]

নাযিল হওয়ার সময় ও স্থান[সম্পাদনা]

শান-এ-নযূল[সম্পাদনা]

বিষয়বস্তুর বিবরণ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "সূরার নামকরণ"www.banglatafheem.comতাফহীমুল কোরআন, ২০ অক্টোবর ২০১০। সংগৃহীত : ২২ জুলাই ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]