আলবুখারী মসজিদ (কুয়ালালামপুর)
| আলবুখারী মসজিদ (কুয়ালালামপুর) | |
|---|---|
Masjid Albukhary | |
কুয়ালালামপুরে আলবুখারী মসজিদের প্রধান সম্মুখভাগ | |
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | সুন্নি ইসলাম |
| অবস্থা | সক্রিয় |
| অবস্থান | |
| অবস্থান | জালান হাং তুয়াহ, কুয়ালালামপুর |
| দেশ | মালয়েশিয়া |
| স্থানাঙ্ক | ৩°০৮′২৩.০″ উত্তর ১০১°৪২′১৭.৩″ পূর্ব / ৩.১৩৯৭২২° উত্তর ১০১.৭০৪৮০৬° পূর্ব |
| স্থাপত্য | |
| ধরন | মসজিদ |
| প্রতিষ্ঠাতা | তান শ্রী সৈয়দ মোখতার আলবুখারী |
| অর্থায়নে | আলবুখারী ফাউন্ডেশন |
| ভূমি খনন | সেপ্টেম্বর ২০০৪ |
| সম্পূর্ণ হয় | ২০০৬ |
| বিনির্দেশ | |
| ধারণক্ষমতা | ১,৬০০–৩,০০০ |
| গম্বুজসমূহ | ১ |
| মিনার | ২ |
| ওয়েবসাইট | |
| masjidalbukharykl | |
আলবুখারী মসজিদ (মালয়: Masjid Albukhary) হলো মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত একটি মসজিদ। এটি জালান হাং তুয়াহ-তে অবস্থিত, যা ভিক্টোরিয়া ইনস্টিটিউশন-এর সংলগ্ন এবং হাং তুয়াহ স্টেশন-এর বিপরীতে অবস্থিত।
এটি কেদাহ রাজ্যের আলোর সেতারে অবস্থিত ফাউন্ডেশনের প্রধান মসজিদ আলবুখারী মসজিদের সাথে নাম শেয়ার করে। উভয় মসজিদই আলবুখারী ফাউন্ডেশনের মালিকানাধীন ও তাদের দ্বারা পরিচালিত।[১]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]এই মসজিদটি ১৪৭ বছরের পুরনো সুরাউ বাবুল জান্নাহ-এর স্থলে নির্মিত হয়েছে, যা জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল।[২] ১৯২২ সালে ব্রিটিশ সরকার এই স্থানটিকে মূলত একটি ইসলামি কবরস্থান হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
২০০১ সালে মসজিদ প্রকল্প কমিটি ফেডারেল টেরিটরির মুফতির অনুমোদন নিয়ে নতুন মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাব দেয়।[২] ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বরে নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে তা সম্পন্ন হয়। নির্মাণে ব্যয় হয় ১২ মিলিয়ন রিঙ্গিত, যা সম্পূর্ণভাবে তান শ্রী সৈয়দ মোখতার আলবুখারীর নেতৃত্বাধীন আলবুখারী ফাউন্ডেশন বহন করে।[৩]
২০০৭ সালের ২৫ মে মসজিদটি আনুষ্ঠানিকভাবে ফেডারেল টেরিটরি ইসলামিক রিলিজিয়াস ডিপার্টমেন্ট (JAWI)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়।[২] ইয়েমেনের বিখ্যাত ইসলামি পণ্ডিত হাবিব উমর বিন হাফিজ এখানে প্রথম জুমার নামাজ পরিচালনা করেন।
স্থাপত্য ও বৈশিষ্ট্য
[সম্পাদনা]মসজিদটি প্রায় ২,৭০০ মি২ (২৯,০০০ ফু২) এলাকা জুড়ে অবস্থিত। এর স্থাপত্যে ধ্রুপদী ইসলামি শৈলীর সংমিশ্রণ দেখা যায়:
- গম্বুজ: প্রধান প্রার্থনা হলের উপরে একটি নীল রঙের "পেঁয়াজ-আকৃতির" গম্বুজ রয়েছে। এতে ইরানের ইসফাহানের শাহ মসজিদের অনুপ্রেরণায় জটিল জ্যামিতিক নকশা করা হয়েছে। গম্বুজের বাইরের অংশে ইতালি থেকে আমদানিকৃত গ্লাস সিরামিক ব্যবহার করা হয়েছে।[৩]
- মিনার: মসজিদটিতে দুটি উচু মিনার রয়েছে, যার নকশা মদিনার মসজিদে নববী (নবীর মসজিদ) দ্বারা অনুপ্রাণিত।[৩]
মসজিদটির দুটি প্রার্থনা হলে একসাথে প্রায় ১,৬০০ থেকে ৩,০০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।[২] কমপ্লেক্সের অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে কমিউনিটি হল, শ্রেণীকক্ষ, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম এবং শেষকৃত্য ব্যবস্থাপনার জন্য মর্গ।
চিত্রশালা
[সম্পাদনা]- মসজিদের প্রবেশপথ
- মিনার এবং গম্বুজের দৃশ্য
- মসজিদের সম্মুখভাগ
- রাস্তার পাশ থেকে দৃশ্য
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]- আলবুখারী মসজিদ – আলোর সেতারে অবস্থিত বোন মসজিদ।
- মালয়েশিয়ায় ইসলাম
- মালয়েশিয়ার মসজিদের তালিকা
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "About Us - masjidalbukharykl.com" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- 1 2 3 4 "About Us"। Masjid Albukhary Kuala Lumpur। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- 1 2 3 Ku Hussain, Ku Seman (২৩ আগস্ট ২০২৪)। "Di sebalik Masjid Albukhary"। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫।