আলেক্সঁদ্র দ্যুমা
আলেক্সঁদ্র দ্যুমা | |
|---|---|
দ্যুমার আলোকচিত্র, ১৮৫৫ | |
| জন্ম | দ্যুমা দাভি দ্য লা পাইয়্যত্রি ২৪ জুলাই ১৮০২ ভিলের কত্যরে, অ্যান, প্রথম ফরাসি প্রজাতন্ত্র |
| মৃত্যু | ৫ ডিসেম্বর ১৮৭০ (বয়স ৬৮) প্যুই, স্যান মারিতিম, তৃতীয় ফরাসি প্রজাতন্ত্র |
| পেশা | নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক |
| জাতীয়তা | ফরাসি |
| সময়কাল | ১৮২৯–১৮৬৯ |
| সাহিত্য আন্দোলন | রোমান্টিকতা ও ঐতিহাসিক কল্পকাহিনী |
| উল্লেখযোগ্য রচনা | দ্য কাউন্ট অব মন্টি ক্রিস্টো থ্রি মাস্কেটিয়ার্স |
| আত্মীয় |
|
| স্বাক্ষর | |
আলেক্সঁদ্র দ্যুমা[১] (ফরাসি: Alexandre Dumas, আ-ধ্ব-ব: alɛksɑ̃dʁ dyma; ২৪ জুলাই ১৮০২ – ৫ ডিসেম্বর ১৮৭০)[২][৩] ছিলেন একজন বিখ্যাত ফরাসি ঔপন্যাসিক যিনি মূলত ইতিহাস আশ্রিত রোমাঞ্চ উপন্যাস লেখক হিসেবে খ্যাতি কুড়িয়েছিলেন। তার পুরো নাম দ্যুমা দাভি দ্য লা পাইয়্যত্রি। তার লেখা উপন্যাসগুলো প্রায় ১০০টি ভাষায় অনুদিত হয়েছে যা তাকে ফরাসি লেখকদের মধ্যে বহির্বিশ্বে সবচাইতে বেশি পরিচিত লেখক করে তুলেছে। তার লেখা অনেক উপন্যাস প্রথমদিকে মূলত ধারাবাহিক হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল। এইসব উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে দি কাউন্ট অব মন্টি ক্রিস্টো, দ্য থ্রি মাস্কেটিয়ার্স, টোয়েন্টি ইয়ার্স আফটার, দ্য ভিকন্ট অব ব্রাজলন: টেন ইয়ার্স লেটার ইত্যাদি। তার লেখা উপন্যাসসমূহের অবলম্বনে প্রায় দু’ শতাধিক চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। দ্যুমা তার শেষ উপন্যাস "দ্য নাইট অফ সেইন্ট হেরমাইন" সম্পূর্ণ করে যেতে পারেননি। অসম্পূর্ণ উপন্যাসটি পরবর্তীতে ২০০৫ সালে সম্পূর্ণ করা হয় এটি সেই বছরের সর্বাধিক বিক্রিত উপন্যাসের মর্যাদা লাভ করে। তার লেখা বেশিরভাগ উপন্যাসগুলি ছিল আইডেন্টিফিকেশন মিস্ট্রি ,২০০৮ সালে "দি লাস্ট ক্যাভেলিয়ার" নামে এর ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয়। ওনার আর একটা বিশেষ বৈশিষ্ট ছিলো, যে তিনি যখনই লিখতে বসতেন তখন নতুন কলম দিয়ে লেখা শুরু করতেন।
তার লেখা কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাস হল:
- দ্য কাউন্ট অব মন্টি ক্রিস্টো
- থ্রি মাস্কেটিয়ার্স
- দ্যা ম্যান ইন আইরন মাস্ক
- টোয়েন্টি ইয়ার্স আফটার
- টেন ইয়ার্স লেটার
- black Tulip
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ এই ফরাসি ব্যক্তিনামটির বাংলা প্রতিবর্ণীকরণে উইকিপিডিয়া:বাংলা ভাষায় ফরাসি শব্দের প্রতিবর্ণীকরণ-এ ব্যাখ্যাকৃত নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে।
- ↑ Wells, John C. (২০০৮)। Longman Pronunciation Dictionary (3তম সংস্করণ)। Longman। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪০৫৮-৮১১৮-০।
- ↑ Jones, Daniel (২০১১)। Roach, Peter; Setter, Jane; Esling, John (সম্পাদকগণ)। Cambridge English Pronouncing Dictionary (18তম সংস্করণ)। Cambridge University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-১৫২৫৫-৬।
{{citation}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটার রয়েছে:|(empty string)=(সাহায্য)