আলেকসান্দ্র দুগিন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
Aleksandr Dugin
New Horizons International Conference 04 (cropped).jpg
জন্মAleksandr Gelyevich Dugin
(1962-01-07) ৭ জানুয়ারি ১৯৬২ (বয়স ৫৮)
Moscow, Russian SFSR, Soviet Union[১]
যুগContemporary philosophy
অঞ্চলRussian philosophy
ধারাNeo-Eurasianism (Eurasia Movement)
আগ্রহSociology, geopolitics, philosophy
প্রতিষ্ঠানMoscow State University (2008–2014)
অবদানNeo-Eurasianism, fourth political theory, the tellurocracythalassocracy distinction[২]
ওয়েবসাইটwww.4pt.su

আলেকসান্দর গেলিয়েভিচ দুগিন (আলেক্সান্ডার দুগিন) (রুশ: Алекса́ндр Ге́льевич Ду́гин; জন্ম:৭ জানুয়ারি ১৯৬২) রাশিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী দার্শনিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কৌশলী।[৫] তিনি তার তথাকথিত ‘উগ্রবাদি’ চিন্তাধারার জন্য পশ্চিমা মিডিয়ায় অধিক পরিচিত। সিরিয়ান গৃহযুদ্ধে রাশিয়ার সরাসরি প্রবেশ, রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে ২০১৪ সালে সংগঠিত দোনবাস যুদ্ধ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২০১৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে রাশিয়ার প্রভাব, পশ্চিমা বিশ্বজুড়ে নব্য ডানপন্থী ও অন্যান্য মূল ধারার রাজনৈতিক আদর্শ বিরোধী লোকরঞ্জনবাদি মতাদর্শের প্রসার ঘটানো সহ বর্তমান বিশ্বরাজনীতির বহু আলোচিত ঘটনায় যার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদ রয়েছে। ক্রেমলিন ও রাশিয়ান মিলিটারির সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক। সেজন্য তাকে পুতিনের ডানহাত ও পুতিনের রাসপুতিন বলা হয়ে থাকে। এভাবে পুতিন-দুগিন রাজনৈতিক জুটি কে সর্বশেষ রাশিয়ান সম্রাট জার ২য় নিকোলাস রোমানভ ও রাসপুতিনের রাজা-উপদেষ্টা জুটির সাথে তুলনা করা হয়ে থাকে।

তিনি বিশ্বায়নের ঘোরবিরোধী এবং বহুপাক্ষিকতাকে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার মূলমন্ত্র হিসাবে মনে করেন। তার প্রবর্তিত ধারণাসমূহের মধ্যে অন্যতম হল নব্য-ইউরেশীয়বাদ, চতুর্থ রাজনৈতিক তত্ত্ব, ভূমি সভ্যতা ও সমুদ্র সভ্যতা পার্থক্য। তার চিন্তাভাবনায় বিংশ শতাব্দীর জার্মান দার্শনিক ফ্রিডরিখ নিৎশে, কার্ল শ্মিট, মার্টিন হাইডেগার, ইতালীয় ফ্যাসিবাদী দার্শনিক জুলিয়াস ইভোলা, ফ্রেঞ্চ ধর্মতত্ত্ববিদ ও সুফি মুসলিম দার্শনিক রেনে গুয়েনন, সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্ট্যালিন ও হালের ফ্রেঞ্চ দার্শনিক অ্যালেন ডি বেনোয়াদের গভীর প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। রাজনৈতিক জীবনে তিনি জাতীয় বলশেভিক দল (যার মূল আদর্শ নাৎসিবাদ ও কমিউনিজম উভয়ের মৌলবাদী দিকগুলোর সংমিশ্রণ) ও ইউরেশিয়া দল প্রতিষ্ঠা করেন। এখন পর্যন্ত তার ৩০টির অধিক বই প্রকাশিত হয়েছে। যার মধ্যে Fourth Political Theory ও Foundations of Geopolitics অন্যতম যা বর্তমানে রাশিয়ান মিলিটারীর প্রধান আদর্শগত পাঠ্যবই।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Борис Исаев (২০০৫)। Геополитика: Учебное пособие (Russian ভাষায়)। Издательский дом "Питер"। পৃষ্ঠা 329। আইএসবিএন 978-5469006510 
  2. Lukic, Rénéo; Brint, Michael, সম্পাদকগণ (২০০১)। Culture, politics, and nationalism in the age of globalization। Ashgate। পৃষ্ঠা 103। আইএসবিএন 9780754614364। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-১০-১২Dugin defines 'thalassocracy' as 'power exercised thanks to the sea,' opposed to 'tellurocracy' or 'power exercised thanks to the land' .... The 'thalassocracy' here is the United States and its allies; the 'tellurocracy' is Eurasia. 
  3. "Alexander Dugin's "The Fourth Political Theory""4pt.su 
  4. "Dugin's Occult Fascism and the Hijacking of Left Anti-Imperialism and Muslim Anti-Salafism" 
  5. Shekhovtsov, Anton (2009). "Aleksandr Dugin's Neo-Eurasianism: The New Right à la Russe". Religion Compass: Political Religions. 3 (4): 697–716. doi:10.1111/j.1749-8171.2009.00158.x.