বিষয়বস্তুতে চলুন

আলীকে অভিশাপ দেওয়ার উমাইয়া ঐতিহ্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

আলীকে অভিশাপ (আরবি: سب علي بن أبي طالب) দেওয়া ছিল উমাইয়া খিলাফতের একটি রাষ্ট্রীয় নীতি, যেখানে নবী মুহম্মদের চাচাতো ভাই ও জামাতা, সুন্নিদের চতুর্থ খলিফা (শা. ৬৫৬–৬৬১) ও শিয়াদের প্রথম ইমাম, আলী ইবনে আবী তালিবতাঁর পরিবারকে প্রকাশ্যে গালিগালাজ ও অভিসম্পাত করা হত।[] প্রথম উমাইয়া খলিফা মুয়াবিয়া ইবনে আবী সুফিয়ান (শা. ৬৬১–৬৮০) এই নীতির প্রবর্তন করেছিলেন।[][] মুয়াবিয়া ছিলেন সিরিয়ার গভর্নর, যিনি আলীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন পূর্ববর্তী খলিফা উসমান ইবনে আফফানের (শা. ৬৪৪–৬৫৬) হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অজুহাতে। আলী ও মুয়াবিয়া ৬৫৭ সালে সিফফিনের যুদ্ধে লড়াই করেন, যা ফলাফলবিহীন ছিল এবং ৬৬১ সালে আলীর হত্যার আগ পর্যন্ত তারা একে অপরের শত্রু ছিলেন। এই হত্যাই মুয়াবিয়ার খেলাফতের পথ খুলে দেয়।[] মুয়াবিয়ার পরও আলীকে গালি দেওয়ার প্রথা চলতে থাকে এবং ৬০ বছর পর খলিফা উমর ইবনে আবদুল আজিজ (শা. ৭১৭–৭২০) এটি বাতিল করেন। কিন্তু তাঁর শাসনকাল সংক্ষিপ্ত ছিল বিধায় তা উমাইয়া রাষ্ট্রনীতিতে ঐকান্তিক কোনো পরিবর্তন আনতে পারেনি। ফলে আলীর ওপর অভিসম্পাত বর্ষণের এই চর্চা উমাইয়া শাসনের পতনের আগ পর্যন্ত জারি ছিল। এই নীতিটি একটি প্রোপাগাণ্ডামূলক কৌশল ছিল[] এবং এটি একইসঙ্গে আলীপন্থীদের উস্কানো, চিহ্নিতকরণ ও দমনের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করত,[] উমাইয়াদের জন্য যারা ছিল হুমকিস্বরূপ।

পটভূমি

[সম্পাদনা]

তৃতীয় খলিফা উসমানের বিতর্কিত নীতিগুলোর ফলে বিদ্রোহ সৃষ্টি হয়, যার ফলশ্রুতিতে ৬৫৬ খ্রিস্টাব্দে তাকে হত্যা করা হয়।[] এরপর মদিনাবাসী ও বিদ্রোহীদের দ্বারা আলী খলিফা নির্বাচিত হন[][১০][১১][১২][১৩] এবং সর্বস্তরের অবহেলিত জনগোষ্ঠী তার চারপাশে একত্রিত হয়।[১৪][১১] তবে কুরাইশ গোত্রের প্রভাবশালী সদস্যদের মধ্যে আলীর সমর্থন সীমিত ছিল, কারণ তাদের অনেকেই খিলাফতের আশা করেছিলেন।[১৫] কুরাইশদের মধ্যে মুহম্মদের স্ত্রী আয়িশা, সাহাবি তালহাজুবাইর আলীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।[১৬] একইভাবে সিরিয়ার গভর্নর ও উসমানের আত্মীয় মুয়াবিয়াও আলীর খিলাফতের বৈধতা অস্বীকার করেন। তিনি উসমানের খুনিদের প্রতিশোধ দাবি করেন।[১৭]

আলী ৬৫৬ সালের উটের যুদ্ধে আয়েশা, তালহা ও জুবাইরের বিদ্রোহ দমন করেন। পরের বছর সিফফিনের যুদ্ধে মুয়াবিয়ার সঙ্গে লড়াই হয়, যেখানে মুয়াবিয়া কুরআনের মাধ্যমে সালিশির প্রস্তাব দেন[১৮][১৯][২০] এবং আলীর সৈন্যদের শান্তিচেতনা তাঁকে রাজি করায়।[২১] এভাবে আলী ও মুয়াবিয়ার প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সালিশ কমিটি গঠন করা হয়, যাদেরকে কুরআনের চেতনা অনুসারে বিরোধ নিষ্পত্তির দায়িত্ব দেওয়া হয়।[২২] এরপর সালিশি ব্যর্থ হলে ৬৫৯ সালে মুয়াবিয়া সিরীয়দের সমর্থন নিয়ে নিজেকে খলিফা ঘোষণা করেন[২৩][২০] এবং আলীর বেসামরিক অনুসারীদের উপর হামলা ও হানা শুরু করেন।[২৪] অন্যদিকে, সালিশিতে রাজি হওয়ায় খারিজি নামক কিছু চরমপন্থী আলীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় এবং তাঁকে, তার অনুসারীদের ও মুয়াবিয়াপন্থী সিরিয়াবাসীদের কাফির ঘোষণা করে।[২৫] তারা এই কথিত কাফিরদের রক্তকে হালাল গণ্য করে[২৫] এবং বহু হত্যাকাণ্ড চালায়।[২৬] আলী ৬৫৮ সালের নহরওয়ান যুদ্ধে এদের দমন করলেও[২৭] পরের বছর খারিজি গুপ্তঘাতক ইবনে মুলজাম কর্তৃক নিহত হন।[২৮] এরপরই মুয়াবিয়া উমাইয়া খিলাফত কায়েম করেন।[২৯]

এই প্রথা

[সম্পাদনা]

খিলাফতে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর মুয়াবিয়া আলীকে গালি দেওয়া বাধ্যতামূলক করেন, যা মুসলিম অঞ্চলের সকল মসজিদে জুমার খুৎবা এবং সমষ্টিগত নামাজের অংশ হয়ে যায়।[৩০][৩১][৩২] এটি শিয়াঘেঁষা ঐতিহাসিক ইয়াকুবী (মৃ.৮৯৭  ) ও মাসউদি (মৃ.৯৫৬) এবং সুন্নি ঐতিহাসিক তাবারি (মৃ.৯২৩) ও আবুল ফিদার (মৃ.১৩৩১) বর্ণনায় পাওয়া যায়।[৩৩][] তাবারির মতে, মুয়াবিয়া বিশেষত কুফার গভর্নর মুগীরাকে আলীকে গালি দিতে এবং তার অনুসারীদের হয়রানি করতে আদেশ দেন, অথচ উসমানের প্রশংসা করতে বলেন।[][৩৪][৩৫] মুগীরার পুত্রের এক বর্ণনা মতে, মুগীরা মুয়াবিয়াকে এই প্রথা পরিত্যাগ করতে বোঝাতে চেয়েছিলেন, কিন্তু মুয়াবিয়া প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, “মুহম্মদের (মক্কার কাফিরদের মাঝে পরিচিত ইবনে আবু কবশা নামে অবিহিত করেন) পরে কারও দীর্ঘস্থায়ী খ্যাতি থাকবে না।” এরপর গভর্নর তার ছেলেকে বলেন, এখন থেকে তিনি মুয়াবিয়াকে একজন অবিশ্বাসী মনে করেন, যা সুন্নি ইতিহাসবিদ জুবাইর ইবনে বক্কারের (মৃ.৮৭০) বর্ণনায় পাওয়া যায়। যদিও সম্ভবত এই বিবরণটি নির্ভরযোগ্য নয়, তবুও এতে প্রাথমিক সুন্নি ঐতিহাসিকদের মধ্যে মুয়াবিয়ার প্রতি মনোভাব প্রতিফলিত হয়।[৩৬]

এই গালি দেওয়ার প্রথা প্রায় ষাট বছর ধরে চলে, এমনকি উমাইয়া খলিফারা হজ্জ পালনের সময় আরাফাতের দিনেও আলীকে অভিশাপ দিতেন।[][৩৭] আলীর স্ত্রী ফাতিমা ও তাঁদের পুত্র হাসানহুসাইনকেও গালি দেওয়া হত, যাঁরা ছিলেন যথাক্রমে নবীর মেয়ে ও নাতি।[৩৭] অষ্টম উমাইয়া খলিফা উমর ইবনে আবদুল আজিজ (শা. ৭১৭–৭২০) এই প্রথা বন্ধ করে এর পরিবর্তে কুরআনের ৫৯:১৫১৬:৯০ আয়াত পড়ার নির্দেশ দেন।[][৩১][৩৮] দশম খলিফা হিশাম ইবনে আবদুল মালিকও (শা. ৭২৪–৭৪৩) পরবর্তীতে একই পদ্ধতি অনুসরণ করেন এবং আরাফাতে আলীকে অভিশাপ দেওয়া থেকে বিরত থাকেন, কিন্তু এতে উসমানের নাতি আবদুল্লাহ ইবনুল ওয়ালিদ প্রতিবাদ জানান ও আলীকে গালি দিতে উদ্বুদ্ধ করেন।[]

শিয়ারা এই প্রথাকে প্রতিষ্ঠিত ও সুদূরপ্রসারী মনে করলেও[৩৯] অধিকাংশ সুন্নি পণ্ডিত তা অস্বীকার করেন। তবে জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠাতা আবুল আ'লা মওদুদী (মৃ.১৯৭৯) এর সত্যতা স্বীকার করতেন৷[৩৭] তাঁর মতে এমনকি মসজিদে নববীতেও মুহম্মদের কবরের পাশে আলীকে গালি দেওয়া হত, খোদ তাঁর বংশধরদের উপস্থিতিতেই।[৩৭] ইতিহাসবিদ হুসাইন এম. জাফরী (মৃ.২০১৯) একে প্রোপাগাণ্ডামূলক কৌশল বলে মনে করেন।[] ইসলামবিদ উইলফ্রেড ম্যাডেলুং মনে করেন উসমানের হত্যার প্রতিশোধের মাধ্যমে মুয়াবিয়ার শাসনকে বৈধতা দেওয়া হয়েছিল,[] যার জন্য মুয়াবিয়া প্রকাশ্যে আলীকে দোষারোপ করতেন।[৪০][৪১] সুন্নি ইতিহাসবিদ আল বালাজুরি (মৃ.৮৯২) ও ইবনে আসাকিরের (মৃ.১১৭৬) বর্ণনায় এসেছে যে, উমাইয়া নেতা মারওয়ান ইবনুল হাকাম আলীর প্রপৌত্র ও শিয়াদের চতুর্থ ইমাম আলী আস-সাজ্জাদকে বলেন যে, আলী উসমানের প্রতি সবচেয়ে সহনশীল ছিলেন, তবু তাকে গালি দেওয়া হয়েছে, কারণ না দিলে উমাইয়া শাসন চলত না।[] এছাড়াও এই প্রথা সম্ভবত আলীর সমর্থকদের উস্কে দিয়ে চিহ্নিত করা এবং অতঃপর দমন করার কৌশল ছিল।[][৩৫] এর প্রথম ভুক্তভোগীদের একজন ছিলেন হুজর ইবনে আদি[][৩৫] ইসলামবিদ মারিয়া ডাকাকের মতে, আলী তার সমর্থকদের চাপের মুখে তাঁকে অভিশাপ দেওয়াকে মার্জনীয় মনে করতেন, কিন্তু স্পষ্টতই তিনি তাদের তাঁর থেকে বিচ্ছিন্ন (বারাআত) হতে দিতেন না।[৩২]

হুজর ইবনে আদি

[সম্পাদনা]
সিরিয়ায় হুজর বিন আদির মাজার

হুজর ছিলেন মুহম্মদের একজন সাহাবি ও আলীর একনিষ্ঠ সমর্থক।[৩০] তিনি কুফার কিন্দা গোত্রের প্রখ্যাত সদস্য ছিলেন।[৩০][৩৪] মুয়াবিয়ার ক্ষমতারোহণের পরে তাঁর মসজিদে আলীকে গালি দেওয়ার নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেন, যা গভর্নর মুগীরা সহ্য করতেন, কিন্তু ৬৭১ সালে নিযুক্ত তার উত্তরসূরী জিয়াদ ইবনে আবিহি করেননি।[৩৪] জিয়াদ হুজরকে গ্রেফতার করে মুয়াবিয়ার কাছে পাঠান, যিনি রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে তাঁকে বিচার করে কয়েকজনসহ হত্যা করেন। মৃত্যুর আগে তাকে জীবন বাঁচাতে আলীকে গালি দিতে বলা হয়, কিন্তু তিনি অস্বীকার করেন।[৪২][৪৩][৪৪] এই ঘটনা ছিল সম্ভবত ইসলামের ইতিহাসে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে প্রথম বিচারিক হত্যাকাণ্ড এবং এটি তৎকালীন সমাজে ব্যাপক নিন্দিত হয়।[৪৫][৪৬] এমনকি আলীর প্রতি শত্রুতাপরায়ণ আয়িশাও এর সমালোচনা করেছিলেন।[৪৭][১৫][৪৮] পরবর্তীতে সুন্নি মনীষী হাসান বসরি (মৃ.৭২৮) এই হত্যাকে জঘন্য অপরাধ বলেন।[৩০] তবে প্রাচীন ঐতিহাসিকদের মধ্যে হুজর সম্পর্কে মতভেদ আছে।[৪৯] সুন্নি ঐতিহাসিক ইবনে হিশাম তাঁকে অপছন্দ করলেও শিয়া মনোভাবাপন্ন আবু মিখনাফ (মৃ.৭৭৩  ) ও মাসউদি তাকে সহানুভূতির চোখে দেখেন।[৫০] আধুনিক ঐতিহাসিক ম্যাডেলুং ও মুসলিম লেখক তারেক ফাতাহ (মৃ.২০২৩) এর নিন্দা করেন,[৫১][৫২] যদিও ভেলহাউজেন মুয়াবিয়ার পক্ষে মত দেন।[৫৩]

অন্যান্য ঘটনা

[সম্পাদনা]

উমাইয়া আমলে বহু শিয়াকে জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়ে আলীকে গালি দিতে হত।[৩৯] এমন একজন ছিলেন হাদিস বর্ণনাকারী আতিয়াহ ইবনে সাদ (মৃ.৭২৯)। তিনি ৭০১ সালের দিকে উমাইয়া গভর্নর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ কর্তৃক ইবনে আশআসের বিদ্রোহ দমিত হলে সিন্ধুতে পালিয়ে যান। সেখানে তাকে উমাইয়া সেনাপতি মুহাম্মাদ বিন কাসিম গ্রেফতার করেন এবং খলিফা আল-হাজ্জাজের আদেশে আলীকে গালি দিতে বলেন। তিনি অস্বীকার করলে তাকে প্রহার করা হয়, তবে তিনি বেঁচে যান।[৫৪]

পাদটীকা

[সম্পাদনা]
  1. Badruddīn, Amir al-Hussein bin (১৮ ডিসেম্বর ২০০৮)। The Precious Necklace Regarding Gnosis of the Lord of the Worlds। Imam Rassi Society।
  2. Landau-Tasseron, Ella (২০১৫), History of al-Tabari Vol. 39, The: Biographies of the Prophet's Companions and Their Successors, SUNY Press, p. 228, note 992, আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৩৮৪-০৯৯৮-৬: "Here the curse is used as a test of loyalty to the Umayyads."
  3. 1 2 Momen 1985, পৃ. 28।
  4. Crow 2015, পৃ. 56।
  5. Veccia Vaglieri 2012a
  6. 1 2 Jafri 1979, পৃ. 157।
  7. 1 2 3 4 5 6 7 8 9 Madelung 1997, পৃ. 334।
  8. Glassé 2001, পৃ. 423।
  9. Madelung 1997, পৃ. 141, 142।
  10. Jafri 1979, পৃ. 63।
  11. 1 2 Momen 1985, পৃ. 24।
  12. Jafri 1979, পৃ. 64।
  13. Kennedy 2016, পৃ. 65।
  14. Shaban 1970, পৃ. 72।
  15. 1 2 Donner 2010, পৃ. 158।
  16. Madelung 1997, পৃ. 107, 157।
  17. Madelung 1997, পৃ. 204  5।
  18. Kennedy 2013, পৃ. 7–8।
  19. Madelung 1997, পৃ. 172, 173, 238।
  20. 1 2 Anthony 2013, পৃ. 31।
  21. Madelung 1997, পৃ. 241।
  22. Madelung 1997, পৃ. 243।
  23. Madelung 1997, পৃ. 257।
  24. Donner 2010, পৃ. 165।
  25. 1 2 Donner 2010, পৃ. 163।
  26. Levi Della Vida 2012
  27. Kennedy 2013, পৃ. 10।
  28. Veccia Vaglieri 2012b
  29. Hinds 2012
  30. 1 2 3 4 Madelung 2016
  31. 1 2 O'Leary 2013, পৃ. 98।
  32. 1 2 Dakake 2007, পৃ. 67।
  33. Tabatabai 1975, পৃ. 49, 65n72।
  34. 1 2 3 Wellhausen 1975, পৃ. 96।
  35. 1 2 3 Jafri 1979, পৃ. 167।
  36. Madelung 1997, পৃ. 335।
  37. 1 2 3 4 Fatah 2008, পৃ. 159।
  38. Shah-Kazemi 2007, পৃ. 62  3।
  39. 1 2 Tabatabai 1975, পৃ. 49।
  40. Madelung 1997, পৃ. 190।
  41. Rahman 1989, পৃ. 58।
  42. Wellhausen 1975, পৃ. 96  101।
  43. Madelung 1997, পৃ. 334  9।
  44. Jafri 1979, পৃ. 159  65।
  45. Madelung 1997, পৃ. 338  9।
  46. Wellhausen 1975, পৃ. 100  1।
  47. Wellhausen 1975, পৃ. 101।
  48. McHugo 2018, §1.III।
  49. Dakake 2007, পৃ. 78।
  50. Dakake 2007, পৃ. 78  81।
  51. Madelung 1997, পৃ. 338।
  52. Fatah 2008, পৃ. 159  60।
  53. Wellhausen 1975, পৃ. 100।
  54. MacLean 1989, পৃ. 126।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]