আলা মসজিদ
| আলা মসজিদ | |
|---|---|
Ala Camii | |
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | ইসলাম |
| শাখা/ঐতিহ্য | সুন্নি ইসলাম |
| অবস্থান | |
| পৌরসভা | কাদিরলি |
| রাজ্য | ওসমানিয়ে |
| দেশ | তুরস্ক |
| স্থানাঙ্ক | ৩৭°২২′২৩″ উত্তর ৩৬°০৬′১০″ পূর্ব / ৩৭.৩৭৩১° উত্তর ৩৬.১০২৮° পূর্ব |
| স্থাপত্য | |
| ধরন | মসজিদ |
| প্রতিষ্ঠার তারিখ | ১৪৮৯ |
| সম্পূর্ণ হয় | ৫ম শতক |
| বিনির্দেশ | |
| দৈর্ঘ্য | ৩৩ মিটার |
| প্রস্থ | ১৯.৫ মিটার |
| মিনার | ১ |
আলা মসজিদ (তুর্কি: Ala Camisi) তুরস্কের ওসমানিয়ে প্রদেশের কাদিরলি শহরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ।
আলা মসজিদ কাদিরলি শহরের ইলচে (জেলা)-তে অবস্থিত। মসজিদের পূর্ব দিকে একটি রোমান সমাধিক্ষেত্র রয়েছে।[১]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]এই মসজিদটি মূলত একটি বাইজেন্টাইন গির্জা ও আশ্রম ছিল, যা ৫ম শতকে নির্মিত হয়। ১৪৮৯ সালে দুলকাদিরিদ রাজ্যের কাসিম বেই কাদিরলি দখল করার পর এটি মসজিদ ও মাদ্রাসায় পরিণত করা হয়। দুলকাদিরিদের শাসনামলে এখানে একটি মিম্বার ও মিনার যুক্ত করা হয়।[২] প্রথমে এর নাম রাখা হয় আলাউদ্দেভলে মসজিদ, যা কাসিম বেইয়ের পিতা আলাউদ্দেভলে বোজকুরতের নামে ছিল।[৩] পরবর্তীতে এর নাম সংক্ষিপ্ত হয়ে "আলা" হয়।
১৯শ শতকে মসজিদটি অটোমান সেনাবাহিনীর গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ১৮৬৫ সালের পর এটি পুনরায় মসজিদে পরিণত হয়। তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার পর, ১৯২৪ সালে এটি পরিত্যক্ত হয়।[২] ২০১২ সাল থেকে এটি পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু হয়,[১] যা ২০২০ সালের জুলাই মাসে সম্পন্ন হয়।[৪]
রিচার্ড বেইলিসের গবেষণা অনুযায়ী, মূল ভবনটির আকার ছিল ৩৩ বাই ১৯.৫ মিটার (১০৮ বাই ৬৪ ফুট)।