আলাপ:হিযবুত তাহরীর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

জিহাদী সংগঠন[সম্পাদনা]

জিহাদ বলতে আল্লাহর জন্য যুদ্ধ করাকে বোঝায়। হিযবুত তাহরীর আল্লাহ বা ইসলামের জন্য সত্যিকারের যুদ্ধ করুক বা না করুক, তারা ইসলাম কায়েমের চেষ্টা চালাচ্ছে, তা তাঁরা দাবী করে। অর্থাৎ সে অনুসারে তাঁরা জিহাদ করে এবং তাই তাঁরা জিহাদী সংগঠন। এছাড়া এ সংগঠনের কর্মীরা নিজেদের জিহাদী কর্মী বলে পরিচয় দিয়েছেন। জিহাদী কর্মী তো জিহাদী সংগঠনের হয় বলেই জানি। জিহাদের নাম দিয়ে ধর্মীয় উগ্রবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে এই সংগঠনগুলো বিভিন্ন দেশে নিষিদ্ধ হয়েছে। তাই আমার মতে এটি একটি জিহাদী সংগঠন। নামের খোলোসে এটা একটা রাজনৈতিক সংগঠনও বটে। — তানভির আলাপ অবদান ১৫:৪৬, ২৪ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)

তানভির ভাইয়ের সাথে একমত। revedit এর সাম্প্রতিক সম্পাদনাগুলো সম্পূর্ণভাবে এই সংগঠনের প্রচারণা/প্রোপাগান্ডামূলক লেখা। "ইহুদী-ভারতীয় ষড়যন্ত্র" এই ধরণের কথা মৌলবাদীদের পুরানো ডায়ালগ। প্রশাসকদের এই পাতার দিকে নজর রাখার অনুরোধ করছি। --WikiJoddha (talk) ১৫:৫৬, ২৪ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)

এছাড়া বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী হিজবুত তাহরীর একটা নিষিদ্ধ সংগঠন। বাংলা উইকিতে এই নিষিদ্ধ দলের প্রচারণা থাকা উচিৎ নয়। --১৫:৫৯, ২৪ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)— WikiJoddha (আলাপঅবদান) এই স্বাক্ষরহীন মন্তব্যটি যোগ করেছেন।

তানভীর ভাই:

আপনার প্রথম কথাটি ঠিক। ইসলামে জিহাদ বলতে আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করা বুঝায়। আর যুদ্ধ বলতে সামরিক/সশস্ত্র যুদ্ধ বুঝাচ্ছি। শরীয়াহর পরিভাষা তাই বলে [দেখুন: সহীহ বুখারীর ব্যখ্যা: ফাতহুল বারী, জিহাদ অধ্যায়, ইমাম ইবনে হাজার আসকালানী, আরবীর জন্য: www.islamport.com]

কিন্তু সামরিক/সশস্ত্র কর্মকাণ্ডের বাইরে অন্যান্য যেকোনো কর্মকাণ্ড তা অনেকের চোখে যতই তীব্র ভাষা বলে মনে হোক না - তা ইসলামে যে জিহাদের সংজ্ঞা রয়েছে তার মধ্যে পড়ে না। রুপক অর্থে কেউ কেউ তা বলতে পারেন কিন্তু এর আইনগত কোনো বৈধতা নেই। যেমন বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছিলেন - তাই বলে আপনি কি বাংলাদেশ আর্মিকে এবং জেনারেল মইন কে জিহাদী সংস্থার অন্তভূক্ত করবেন নাকি।

হিযবুত তাহরীরের প্রতিষ্ঠিত কোনো কর্মী নিজেদের জিহাদী বলে দাবি করেছে - এরকম কোনো অকাট্য প্রমাণ নেই। আমি এ ব্যাপারে নিশ্চিত। ইন্টারনেটের সকল প্রবন্ধ ভিত্তিহীন। আমি এ দলটি সম্পর্কে অনেকদিন ধরেই অনুসন্ধান করেছি। কেউ আজ পর্যন্ত প্রমাণ করতে পারেনি যে তারা প্রকাশ্যে কোথাও দলগতভাবে জিহাদের ঘোষনা দিয়েছে। বরং তারা নিজেদের সবসময়ই রাজনৈতিক দল হিসেবে দাবী করেছে। হিযবুত তাহরীরের কোনো নেতাই কখনো দাবী করেনি যে তারা জিহাদী সংগঠন বা জিহাদকে তারা উস্কে দেয়। পৃথিবীতে বেশ কিছু জিহাদী সংগঠেনর নাম ও তথ্য পাওয়া যায় এবং এদের সাথে হিযবুত তাহরীরের কর্মপদ্ধতির সাথে মৌলিক পার্থক্য খুজে পাওয়া যায়। সুতরাং আমাদের উচিত নয় তাদেরকে জিহাদী সংস্থা হিসেবে লেবেলিং করা। বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য মানবাধিকার সংস্থা "অধিকার" - হিযবুত তাহরীর-কে নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে - এবং তারা এটিকে গণতন্ত্র বিরোধী আচরন মনে করছেন, যেহেতু হিযবুত তাহরীর একটি পরিচিত রাজনৈতিক দল যারা সাধারন নিরীহ জনগনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসকে প্রত্যাখ্যান করে এবং রাজনীতিকেই সমাধান মনে করে।

সম্পাদক হিসেবে আমাদের উচিত objectivity maintain করা। আর আমাদের কখনো দ্বিমুখী নীতিও অবলম্বন করা উচিত নয়। চিন্তা করে দেখুন, হিযবুত তাহরীরের ব্যাপারে পৃথিবী কোনো আদালত আজ পর্যন্ত সন্ত্রাসের অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। অথচ বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কর্মীদের সুস্পষ্ট সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ বহুবার আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। অথচ আমরা তাদের সন্ত্রাসী দল হিসেবে কখনো কি লেবেলিং করি?

Revedit— Revedit (আলাপঅবদান) এই স্বাক্ষরহীন মন্তব্যটি যোগ করেছেন।

হিযবুত তাহরীরের প্রতিষ্ঠিত কোনো কর্মী নিজেদের জিহাদী বলে দাবি করেছে - এরকম কোনো অকাট্য প্রমাণ নেই।। না ভাই, Revedit, প্রমাণ একটা আছে। জনকণ্ঠের এই রিপোর্টটি দেখুন। শেষ থেকে তিন নম্বর প্যারার ছয় নম্বর লাইন। কর্মীরা নিজেদের জিহাদী বলে দাবী করছে। এখন যদি ইন্টারনেটের সকল প্রবন্ধ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন, তবে বলতে হয়, ইন্টারনেট তথ্যের অনেক বড় একটা সোর্স। এই সোর্সের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা অধিকাংশ নিবন্ধই যে ভিত্তিহীন হয়ে যাবে। আপনার রেফারেন্সগুলোও কিন্তু ইন্টারনেট থেকেই আসা। ওগুলোও কী ভিত্তিহীন হবে?

আমি এ দলটি সম্পর্কে অনেকদিন ধরেই অনুসন্ধান করেছি। কিন্তু আপনার অনুসন্ধানের ফল, তা যতোই সত্যি হোক; তা উইকিপিডিয়ায় দেওয়াটা উইকিপিডিয়ার নীতির সাথে যায় না কোনো ভাবেই। No Original Research বা কোনো মৌলিক বা ব্যাক্তিগত গবেষণা বা মতামত নয়; উইকিপিডিয়ার একটি অন্যতম মৌলিক নীতি। এখন রেফারেন্স আমাদের মন মতো না হলেও তাই যে লিখতে হবে। আর "অধিকার" যে হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধের প্রতিবাদ জানিয়েছে তা অবশ্যই আপনি যথাযথ তথ্যসূত্র সহকারে নিবন্ধে যোগ করতে পারেন। সেটা নিবন্ধের নিরপেক্ষতা আরো বাড়াবে।

আপাতত সম্পাদনা যুদ্ধ বাদ দিয়ে আসুন, আমরা যা লিখতে চাই তা আগে আমাদের মতো করে আলাপ পাতায় লিখি ও সবার মতামত নিয়ে তা মূল নিবন্ধে যোগ করি, তবে এটা মূল নিবন্ধ থেকে কেউ সরাতেও পারবে না। লেখাটা তখন পোক্ত হবে। — তানভির আলাপ অবদান ১৭:১৪, ২৪ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)

সবাইকে উইকিপিডিয়ার নীতিমালা এবং প্রচলিত আইনকানুন মেনে চলার অনুরোধ জানাই। তানভির উপরে মৌলিক গবেষণা নয় - এই নীতিমালাটি উল্লেখ করেছে। একইভাবে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংস্থার তৎপরতাও এখানে চলতে দেয়া যাবে কি না, তা নিয়ে ভাবার অবকাশ রয়েছে। তাই আপাতত আমি নিবন্ধটি প্রটেক্ট করে রাখছি, আলাপ পাতায় আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৭:২৪, ২৪ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)

@Wikijoddha[সম্পাদনা]

উইকিযোদ্ধাকে বলছি: একইভাবেতো আমিও বলতে পারি যে আপনার সম্পদনাগুলো একজন ভারতীয় এজেন্ন্ট, ইসলাম বিরোধী বা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধীদের মতো শোনায়, খুজে খুজে শুধু negative তথ্যগুলোই add করছেন। যদিও আমি তা বলবো না। কারণ আমি সুন্দর সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করি। with all due respect, এভাবে আপনি বলতে পারেন না।

মনে কষ্ট পেয়ে থাকলে - my apology :)— Revedit (আলাপঅবদান) এই স্বাক্ষরহীন মন্তব্যটি যোগ করেছেন।

Revedit, অনুগ্রহ করে উইকিপিডিয়াতে শিষ্টাচার বজায় রাখুন এবং কোনো ব্যবহারকারীকে কোনো রকমের ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে বিরত থাকুন। ব্যক্তিগত আক্রমণ সুস্থ আলোচনাকে অসুস্থ করে এবং উইকিপিডিয়ায় আলোচনার পরিবেশ নষ্ট করে। এতে উইকিপিডিয়ার অগ্রগতি ব্যাহত হয়। উইকিপিডিয়ার স্বার্থে এ ধরনের কর্মকান্ডের জন্য আপনাকে সতর্ক করছি। আর অনুগ্রহ করে আপনার আলোচনা পাতায় আপনার সম্পর্কে তথ্য দিন। এতে অন্য ব্যবহারকারীর আপনার সাথে আলোচনা/কথোপকথনে সহজ হবে। কোনো তথ্য বিহীন অ্যাকাউন্ট এবং বেনামী (অ্যাকাউন্ট বিহীন) ব্যবহারকারীদের উইকিপিডিয়াতে সন্দেহের চোখেই দেখা হয়। তাই আপনার প্রতি অনুরোধ সুস্থ আলোচনা এবং সুন্দর সম্পাদনার স্বার্থে আপনার অ্যাকাউন্টে নিজের সম্পর্কিত তথ্য সন্নিবেশ করুন। ধন্যবাদ।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১৭:৪০, ২৪ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)
ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হচ্ছে উপরের কমেন্টে। প্রশাসকদের আশু পদক্ষেপ কামনা করছি। হিজবুত তাহরীরের মতো নিষিদ্ধ দলের প্রচারণার বিরোধিতা করলে কেউ "ভারতীয় এজেন্ট" হয় না, আর বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী তো নয়ই। এই নিষিদ্ধ দলের প্রচারণা অচিরেই বন্ধ করার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হোক। --WikiJoddha (talk) ১৭:১২, ২৪ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)

My apology to all concerned[সম্পাদনা]

আমার শেষ কমেন্টটিতে আমি ব্যক্তিগত আক্রমন করতে চাইনি ঠিক। তবে হয়তো তা একটু কড়া কথা হয়ে গেছে। তবে আমি নিজেও ব্যক্তিগতভাবে আহত হয়েছি যখন এর আগে একটি মন্তব্যতে আমার সম্পাদনা সম্পর্কে বলা হয়েছে- "ইহুদী-ভারতীয় ষড়যন্ত্র এই ধরণের কথা মৌলবাদীদের পুরানো ডায়ালগ". এটি আমাকে উদ্দেশ্যে করে বলা হয়েছিল বলে আমি মনে করেছিলাম, তাই একটু আহত হয়েছিলাম। যাই হোক - No Hard feelings, please. আমি আশা করবো আমরা ভবিষ্যতে একে অপরে প্রতি আরো সহনশীল হবো। ভিন্নমত থাকবেই, তবে mutual respect ও থাকতে হবে। সবশেষে, বাংলা এ ধরনের প্লাটফর্ম করে দেবার জন্য উইকিপিডিয়াকে ধন্যবাদ।

হিযবুত তাহরীর-এর সংক্রান্ত জনকণ্ঠ-এর রিপোর্ট[সম্পাদনা]

তানভীর ভাই,

আপনি যে রিপোর্ট দেখিয়েছেন, তাতে কোনো অকাট্য প্রমাণ নেই। উড়ো চিঠিতো যে কেউ যে কারো নামে পাঠাতে পারে। আর হিযবুত তাহরীর-তো এর দায়িত্ব স্বীকার করেনি। আর চিঠির ভাষা দেখলেও তো ধারণা করা যায় যে এটি হিযবুত তাহরীরের পক্ষ থেকে আসেনি। যে বা যারা চিঠিটি পাঠিয়েছে তারা সংগঠনের নামের বানানটি পর্যন্ত ভূল লিখেছে (তাহরীর-কে লিখেছে তেহরীর)। আর উপাচার্য আরেফিন সিদ্দিকীও টিভি মিডিয়ার সাক্ষাতকারে সরাসরি এ চিঠির ব্যাপারে হিযবুত তাহরীর-কে দোষারোপ করেননি (হয়তো তিনিও বুঝতে পেরেছেন যে কাজটি আসলে অন্য কেউ করেছে)। বাংলাদেশে হিযবুত তাহরীর করেছে হাজারো পাবলিক ও প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির মেধাবী ছাত্র ও শিক্ষকগণ যা মিডিয়া ও বিশিষ্টজনেরা স্বীকার করেছেনে। সুতরাং, তারা এ ধরনের চিঠি লেখার মানসিকতা বহন করে বলে আমার মনে হয়না। তারপরও, তদন্ত করে যদি এ বিষয়টি কেউ প্রমাণ করতে পারে, আমার মেনে নিতে কোনো সমস্যা নেই।

আপনি ঠিকই বলেছেন- ইন্টারনেট তথ্যের বিশাল ভান্ডার। আমি ইন্টারনেটের সকল তথ্যকে ভিত্তিহীন বলছিনা ভাই। শুধুমাত্র এই বিষয়টি যে, হিযবুত তাহরীর সন্ত্রাসের ডাক দিচ্ছে - এটা আমি আজ পর্যন্ত প্রমাণিতভাবে কোথাও পাইনি, আপনি যদি পেয়ে থাকেন তবে অনুগ্রহপূর্বক জানাবেন।

ইন্টারনেট তথ্যের বিশাল ভান্ডার, তবে এটাও ঠিক যে সকল তথ্যই সত্য নয় এবং সকল তথ্যই প্রমানিত নয়। তাই কারো সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত দেবার পূর্বে অভিযোগটি ভালোভাবে যাচাই করে প্রমান বের করে নেয়া আমাদের দায়িত্ব। সুতরাং আমাদের একই সাথে প্রমাণ এবং রেফারেন্স নির্ভর হওয়া উচিত। শুধুমাত্র রেফারেন্স-নির্ভর হলে সত্য আড়ালে রয়ে যেতে পারে এবং উইকিপিডিয়া মানুষের কল্যাণকামী যে প্রচেষ্টা, তা ব্যহত হতে পারে। হিযবুত তাহরীরের ব্যাপারে আমরা প্রবন্ধের ভিতরে রেফারেন্সসহ এ ধরনের অভিযোগ (জিহাদী সংস্থা etc) তুলতে পারি কিন্তু এ বিষয়টি লেবেলিং করাটা সঠিক হবে বলে মনে হচ্ছে না। যেহেতু উইকিপিডিয়া অসংখ্য মানুষ পড়ে থাকে, তাই এসব ব্যাপারে আমাদের অনেক বেশি সতর্ক হওয়া। হতে পারে কোনো প্রবন্ধে উদ্ধৃত ভুল তথ্যের কারণে অনেক ভুল ধারনা ও ক্ষতির জন্ম হতে পারে।

মৌলিক গবেষনা নয় - এ বিষয়ে আমি আপনার সাথে একমত। আমি আমার নিজস্ব কোনো গবেষণা এখানে চালিয়ে দিতে চাচ্ছি না। আমরা প্রত্যেকে এখানে contributor। আর আমি আমাদের এ আলোচনাকে ঠিক সম্পাদনা-যুদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করতে চাচ্ছি না। আসুন আমরা এটাকে পারস্পরিক আলোচনা, মতামত বিনিময় - এধরনের কিছুতে পরিনত করি। ধন্যবাদ - revedit is mukhles Revedit (talk) ২০:৩৯, ২৪ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)

এইটার উপরে আরো রিপোর্ট নিচে দিলাম

দৈনিক আজাদী

জানা যায়, হিজবুত তাহরীর একটি আন্তর্জাতিক ইসলামী জঙ্গি সংগঠন। এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাদের সাংগঠনিক তৎপরতা পরিচালনা করছে। দীর্ঘদিন যাবত এই সংগঠনটি বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সংগঠনটি বাংলাদেশে তাদের দাওয়াতী কাজের পাশাপাশি জঙ্গি তৎপরতা চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সূত্র আরো জানায়, হিজবুত তাহরীর বাংলাদেশ সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশে জঙ্গি ও মৌলবাদী কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য রয়েছে। সংগঠনটি তাদের কর্মীদের দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সন্ত্রাসী ও জঙ্গি প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। ইসলামী মূল্যবোধের নামে সংগঠনটি কর্মী-সমর্থকদেরকে জিহাদী ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার মনোভাব তৈরি করে থাকে। এ দলের সমর্থকরা ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে সর্বত্র জিহাদ ঘোষণার জন্য উদ্বুদ্ধ হয়ে থাকে। তারা প্রচলিত সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে না। রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে জিহাদ করে প্রচলিত আইনের জীবন ব্যবস্থা ধ্বংস করে আল্লাহর আইন কায়েম করতে চায়।


"হিযবুতের এবারের টার্গেট শেখ হাসিনাকে হত্যা?", দৈনিক জনকণ্ঠ

আন্তর্জাতিক জঙ্গী সংগঠনের আদলে সংগঠিত হচ্ছে নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন হিযবুত তাহরীর। বর্তমানে তারা এদেশে আন্তর্জাতিক জঙ্গী গোষ্ঠীর পেইড এজেন্ট হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের এবারের টার্গেট শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। আনর্্তজাতিক জঙ্গী সংগঠনগুলোর মতো শক্তি অর্জন করতে রীতিমতো মরিয়া হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি আল-কায়েদার মতো আন্তর্জাতিক জঙ্গী সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশের জঙ্গীবাদের আধুনিক সংস্করণ বলে নিশ্চিত হয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। হিযবুত তাহরীর উলফা, লস্কর-ই-তৈয়বা, জইশ-ই-মোহাম্মদ, হরকত-উল-জিহাদ, জেএমবি ও রোহিঙ্গাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েছে।
গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, হিযবুত তাহরীর বর্তমানে একাধিক আন্তর্জাতিক জঙ্গী গোষ্ঠীর পেইড এজেন্ট। হিযবুত তাহরীরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে বড় ধরনের অঘটন ঘটে যেতে পারে। সম্প্রতি বিদেশে আন্তর্জাতিক জঙ্গী সংগঠনের এক গোপন বৈঠক হওয়ার খবর দিয়েছে আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। বৈঠকে আল-কায়েদা, পাকিস্তান ও ভারতের একাধিক আন্তর্জাতিক জঙ্গী সংগঠনের প্রতিনিধি ছাড়াও বাংলাদেশী জঙ্গী সংগঠনগুলোর পক্ষে হিযবুত তাহরীরের একাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিল। আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বাংলাদেশকে বিষয়টি জানিয়েছে। এমন খবরে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। জঙ্গীরা বাংলাদেশের শেখ হাসিনাসহ বেশ কয়েক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে আভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনাটি দীর্ঘ মেয়াদী। তবে সুযোগ পেলে হামলা করা হবে।

এই রকমের জঙ্গী সংগঠনের প্রচারনার কাজে উইকিপিডিয়াকে ব্যভার করতে না দেওয়ার জন্য তানভির ভাই বেলায়েত ভাই ও রাগিব ভাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি। বাংলাদেশ সরকারের ২২শে অক্টোবরের প্রজ্ঞাপন অনুসারে এই সংগঠন ও তার সকল কার্যক্রম বাংলাদেশে নিশিদ্দ। কাজেই এখানে এই দলের হয়ে লেখালেখি করা বাংলাদেশের প্রচলিত আইন বিরোধি হবে। --WikiJoddha (talk) ২১:০৭, ২৪ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)

অনুগ্রহপূর্বক এ বিষয়ে পরিষ্কার প্রমাণ পেশ করবেন[সম্পাদনা]

আগেই যা বলেছি, এ বিষয়ে পরিষ্কার প্রমাণ পেশ করুন, শুধুমাত্র কিছু পত্রিকার প্রমাণবিহীন অভিযোগ যথেষ্ঠ নয়।

বাংলাদেশে কিছু পত্রিকার এডিটোরিয়াল পলিসি হিযবুত তাহরীর-বিরোধী যার কারণ আমি এই আলাপে বলতে চাচ্ছি না, রাজনৈতিক সচেতন ব্যক্তিরা তা জানেন। কিন্তু অন্যান্য পত্রিকাও রয়েছে যারা হিযবুত তাহরীরের বিষয়টি অনেক সচেতনতার সহিত লিখে থাকেন। নিচে আমি আরো কিছু পত্রিকা ও বিশিষ্টজনের মন্তব্য দিচ্ছি-

youtube এ বাংলাভিশন-এর একটি টকশো-এর কিছু অংশ দেখুন -

Part1 [১] Part2 [২] Part3 [৩] Part4 [৪] Part5 [৫]

youtube এ হিযব -এর যুগ্ম-সমন্বয়কারীর সাক্ষাতকার দেখুন [৬]

পড়ুন: ১. আমার দেশ ২৪ অক্টোবর, ২০০৯ হিযবুত তাহরীরের সংবাদ সম্মেলনে বাধা ২. আমার দেশ ২৫ অক্টোবর, ২০০৯ বাংলাদেশে হিযবুত তাহরীর কী করছে ৩. আমার দেশ ২৬ অক্টোবর, ২০০৯ [৭] ৪. আমার দেশ ২৭ অক্টোবর, ২০০৯ সপরিবারে গৃহবন্দি অধ্যাপক মহিউদ্দিন ছেলেমেয়েদের স্কুলে যেতে দেয়া হচ্ছে না

আর আমরা এখানে কেউ হিযবুত তাহরীরের পক্ষে বিপক্ষে প্রচারনা চালানোর জন্য আসিনি। আমাদের দায়িত্ব বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা। যেভাবে বলা হচ্ছে যে উইকিপিডিয়ায় হিযবুত তাহরীরের প্রচারনা চালানো হচ্ছে - এভাবে বলা কি ঠিক হবে?উইকিপিডিয়া ইংরেজি ও আরবী ভাষায়ও হিযবুত তাহরীর-এর পেজ রয়েছে। আর, মত প্রকাশের স্বাধীনতা কখনোই বাংলাদেশের আইন পরিপন্থী নয়। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭-৩৮ আর্টিকেলগুলো দেখুন। বাংলাদেশের বিভিন্ন পেপার ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া হিযবুত তাহরীর আলোচনার বিষয়বস্তু হতে পারলে, উইকিপিডিয়ায় কেন হিযবুত তাহরীর-এর আলোচনা আসতে পারবে না! পেপার ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাথে উইকিপিডিয়ার পার্থক্য রয়েছে এবং আমরা সেই পার্থক্য মেনেই প্রবন্ধটি নিয়ে অগ্রসর হবো।

আমি এডমিনিষ্ট্রেটর ভাইদের অনুরোধ করবো হিযবুত তাহরীর পাতাটি সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত করা হোক। প্রচারনামূলক কিছু পেলে উইকিপিডিয়ার নিয়ম অনুযায়ী চ্যালেঞ্জ করতে পারেন অথবা কেটে দিতে পারেন।

নোট: সম্পাদনার সময় হিযবুত তাহরীর নিষিদ্ধ হবার মাসটির ক্ষেত্রে অক্টোবর মাস এর পরিবর্তে নভেম্বর লিখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ আশা করি পরিবর্তন করে দিবেন। ধন্যবাদ Revedit (talk) ০৭:০৬, ২৫ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)

কোনো বিষয়ে তদন্ত এবং গবেষণা করা উইকিপিডিয়ার দায়িত্ব বা কাজ নয়। উইকিপিডিয়াতে প্রচলিত তথ্যসূত্রের উপর ভিত্তি করেই তথ্য সন্নিবেশিত হয়। কোনো পত্রিকা বা মিডিয়া যদি কোনো বিষয়ের উপরে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করে, তার জন্য উইকিপিডিয়া কোনো ভাবেই দায়ী নয়। এর জন্য প্রমাণ আপনি ঐ মিডিয়ার কাছে চাইতে পারেন উইকিপিডিয়ার কাছে নয়। তবে তথ্যকে যথাসম্ভব নির্ভরযোগ্য এবং সত্য প্রমাণ করতে উইকিপিডিয়া একাধিক নিরপেক্ষ নির্ভরযোগ্য এবং যাচাইযোগ্য তথ্যসূত্র দাবি করে। এখানে যাচাইযোগ্য বলতে তথ্যটি দাবিকৃত উৎসে রয়েছে কিনা তা সহজেই যাচাই করা যাবে। আপনার দাবিকৃত তথ্যগুলোর যদি নিরপেক্ষ, যাচাইযোগ্য এবং নির্ভরযোগ্য একাধিক তথ্যসূত্র থেকে থাকে তাহলে অনুগ্রহ করে তা যোগ করুন। এখানে যে তথ্যসূত্র সহযোগে তথ্য যোগ করা হয়েছে এর বিপক্ষে আপনার আরও একাধিক এবং জোড়দার কোনো তথ্যসূত্র থাকলে তা সহযোগে আপনার তথ্য যুক্ত করুন। আপনার উপরের বার্তা থেকে দেখতে পাচ্ছি যে আপনার তথ্যসূত্রটি একটি মাত্র পত্রিকা আমার দেশ থেকেই উদ্ধৃত করেছেন। যেখানে অন্যরা একাধিক তথ্যসূত্র পেশ করেছেন। অনুগ্রহ করে একাধিক নিরপেক্ষ তথ্যসূত্র পেশ করুন। তা আপনার দেওয়া তথ্যগুলোর নির্ভরযোগ্যতা অর্জনে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১৬:৪৩, ২৫ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)

হিযবুত তাহরীর-এর কর্মকাণ্ড ও বিশিষ্টজনদের মতামত সম্বলিত আরো কিছু তথ্য :

১. বিবিসি প্রকাশিত একটি আর্টিকেলে বলা হচ্ছে: “Many experts agree that it is a purely ideological movement focused on its intellectual messages” Q&A on Hizb ut-Tahrir

২. হিযবুত তাহরীরের কারো কাছ থেকে একটি ছোড়া উদ্ধারের রেকর্ডও নেই, দৈনিক নয়াদিগন্ত, ৩০শে অক্টোবর, ২০০৯ পড়ুন

৩. হিযবুত তাহর্রীর বৃটিশ পার্লামেন্টে আলোচিত : ৪ জুলাই ২০০৭ – “there is insufficient evidence to ban it” UK Parliament Website

মৌলবাদ প্রসংগে[সম্পাদনা]

ইংরেজী উইকিপিডিয়াতেও অনেক নিবন্ধ আছে। যা সাম্রাজ্যবাদ বিরোধীদের চোখে নিরপেক্ষ নয়। তবে উগ্রবাদ বিষয়ক নিবন্ধগুলিকে সুরক্ষিত রাখাই যুক্তিযুক্ত। কারো সম্পাদনা করার ইচ্ছা হলে আলাপ পাতাতেই তথ্য রাখুন। প্রশাসকগণ বিবেচনা করে সম্পাদনা করবেন।Mzsabusayeed (talk) ০৪:২৯, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১০ (UTC)

স্থানান্তর[সম্পাদনা]

“হিযবুত তাহরীর” এর সঠিক বানান হল হিজবুত তহরীর, তবে পাতাটা এই নামে স্থানান্তর করা হোক?

@Shohure Jagoron: "হিবুত তহরীর" বানানটি বাংলায় তেমন প্রচলিত নয়, সর্বত্র "হিবুত তাহরীর" বানানটি ব্যবহৃত হতে দেখা যায়। এই কারণে প্রস্তাবিত বানানে নিবন্ধটি স্থানান্তরে আমি আপত্তি জানাচ্ছি। --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ১৯:১৮, ২৩ মে ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]