আলাপ:বাঙালি জাতি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

This article is completely POV. Needs to be scrapped and written from scratch. --রাগিব (আলাপ | অবদান) ২২:০৬, ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৬ (UTC)

This article is indeed a point of view with "original research" style without giving any reference.. There are a few correct facts but that is diluted by lot of irrelevant facts and some untenable fiction.

I got hold of "বাংলা ও বাঙলীর বিবর্তন" by ডঃ অতুল সুর.. He has given very good references.. Since the discussion is not part of encyclopedia I am taking the liberty to quote him: "নানা সুধীজনের প্রয়াসে আজ বাংলা ও বাঙলীর এক গৌরবময় ইতিহাস রচিত হয়েছে। এবিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক প্রচেষ্টা ছিল রাজশাহীর "বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির"। ১৯১২য় ওই Societyর পক্ষ থেকে রমাপ্রসাদ চন্দ্র লেখেন "গৌড়রাজমালা" ও অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় প্রকাশ করেন "গৌড়লেখমালা"। তারপর রাখলদাস বন্দ্যোপাধ্যায় রচনা করেন তাঁর "বাংলার ইতিহাস"। কিন্তু রাখলদাসের বইখানা ছিল রাষ্ট্রীয় ইতিহাস, বাঙালীর জীবনচর্যার ইতিহাস নয়। তিনের দশকে বাংলার ইতিহাসের একটা কঙ্কাল ধারাবাহিকভাবে উপস্হাপিত করেন বর্তমান লেখক (Atul Sur) মহাবোধি সোসাইটির মুখপত্র মহাবোধিতে। চল্লিশের দশকের গোড়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বের করে তাদের "হিস্ট্রি অভ্ বেঙ্গল"। এই বইটাতেই প্রথম প্রদত্ত হয় বাঙালীর জীবনচর্যার বিভিন্ন বিভাগের ইতিহাস। এর ছবছর পর ডঃ নীহাররঞ্জন রায় অসামান্য গৌরব অর্জন করলেন বাঙলা সাহিত্যের অনবদ্য সৃজন তাঁর "বাঙালীর ইতিহাস - আদিপর্ব লিখে। কিন্তু বাংলার ইতিহাসের প্রাগৈতিহাসিক যুগটা শূণ্যই থেকে গেল। ষাটের দশকে বর্তমান লেখক (Sur) তাঁর "হিস্ট্রি অ্যাণ্ড কালচার অভ্ বেঙ্গল" (১৯৬৩) ও "প্রি-হিস্ট্রি অ্যাণ্ড বিগিনিংস অভ্ সিভিলাইজেশন ইন বেঙ্গল" (১৯৬৫) বই দুটি লিখে বাঙলার প্রাগৈতিহাসিক যুগের একটা ইতিহাস দেবার চেষ্টা করেন।... (I am skipping some parts)... রাজ্য (WB) প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধিকর্তা পরেশচন্দ্র দাসগুপ্ত বের করেন "এক্সক্যাভেশন্স অ্যাট পাণ্ডুরাজার ঢিপি" ও "প্রাগৈতিহাসিক বাঙলা"। এরপর (১৯৭১) রমেশচন্দ্র মজুমদার সম্পূর্ণ করেন চার খণ্ডে তাঁর "বাংলার ইতিহাস"। ... ...১৯১৬ খ্রীঃ রমাপ্রসাদ চন্দ্র তাঁর "ইন্দো এরিয়ান রেসেস" বইয়ে বাঙালির বোহিক গঠনে আল্পীয় উপাদানের কথা বলেন। এর ১৫বছর পর ডঃ বিরজাশঙ্কর গুহ .. আল্পীয় রক্ত ছাড়া দিনারিক রক্তের কথাও তুললেন।...." Does somebody know what "দিনারিক" means? I will reqrite the main entry of the article based on what Atul Sur writes afterwards.. --সপ্তর্ষি(আলাপ | অবদান) ০৬:২১, ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৬ (UTC)


দিনারিক = Danish? I also got a big load of books from my univ library on the history of Bengal. Will write something when I have time. --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৬:২৪, ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৬ (UTC)
I had the same guess going by the .. But I wonder how on earth should we have Danish blood.. ?! Old Norse is an ancient language no doubt.. But do we have anything to do with them? What would Zaheen Bhai have to say about this? --সপ্তর্ষি(আলাপ | অবদান) ০৬:৪০, ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৬ (UTC)


No idea ... though in coastal areas, it is quite common to see people of mixed races. But even then, having Danish sailors come in the Bay of Bengal before the 16th century would be just fiction. I do know that the Portuguese colonized some islands in the Megna মোহনা (সন্দ্বীপ) , and the DAnish did have an East India company. But still ... no idea. --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৬:৫০, ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৬ (UTC)
Well, Bengalees were supposed to be great sailors.. They used to have big harbors like তাম্রলিপ্ত (now তমলুক in মেদিনীপুর).. Later one there were newer ones like সপ্তগ্রাম.. And they had marine marchindise exchange with the Indus valey and even went to europe.. Will give some references shortly.. But I am still not sure whether that related to mixing with Scandinavians--সপ্তর্ষি(আলাপ | অবদান) ০৮:৩৯, ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৬ (UTC)

এই নিবন্ধটির উপর অনেক মেরামত করা দরকার[সম্পাদনা]

কেউ একটু সময় করে নিবন্ধটিকে মেরামত করুন। নাহলে আপাতত বাঙালি জাতির আপাতত খুবই করুণ দৃশ্য। --সপ্তর্ষি(আলাপ | অবদান) ১৯:৫৩, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ (UTC)

I suggest starting from scratch. en:Bengali people can be a good starting point. --রাগিব (আলাপ | অবদান) ২০:১২, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ (UTC)
ঠিক আছে। আমার একটু পরে কয়েক ঘন্টা লম্বা ট্রেন সফর আছে। ইন্টারনেট থাকবে না। কিন্তু টেক্সট অনুবাদ করতে পারব। দেখি কতটা করতে পারি। --সপ্তর্ষি(আলাপ | অবদান) ২১:০৩, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ (UTC)
সপ্তর্ষি ভাই, চমৎকার হচ্ছে। আমার কাছে আর সি মজুমদারের হিস্ট্রি অফ বেঙ্গল (১৯৪৩), আর নীহাররঞ্জন রায়ের বাংলার ইতিহাস আদি পর্ব আছে। একটু সময় পেলে ওখান থেকে তথ্য যোগ করবো। কিন্তু আপনার পুনর্লিখন চমৎকার হয়েছে। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০১:৫৭, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ (UTC)
আমি সব যে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতে তথ্যসূত্র আছে, ঐগুলো আমি বাংলা উইকিপিডিয়ার নিবন্ধে কপি করে দিয়েছে। --উল্‌ফআলাপ ১৫:১৬, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ (UTC)