আলাপ:দেহব্যবসায় শিশু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(আলাপ:দেহব্যবসায়ে শিশু থেকে পুনর্নির্দেশিত)

পতিতাবৃত্তি বনাম বেশ্যাবৃত্তি বনাম দেহব্যবসায়[সম্পাদনা]

এ কথা সত্য দেহব্যবসায় বা বেশ্যা/বেশ্যাবৃত্তি বোঝাতে অহরহ পতিতা ও পতিতাবৃত্তি শব্দদ্বয় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অথচ ব্যুৎপত্তিগতভাবে ‘পতিতা’ শব্দটি কেবল মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ‘পুরুষ পতিতা’ শব্দটি একটি হাস্যকর ভ্রান্তি। যৌনব্যবসায়ে শিশুদের ব্যবহার যখন আলোচনা করা হয় তখন নারী ও পুরুষ উভয় লিঙ্গের শিশুদের কথা ইঙ্গিত করা হয়। বলাবাহুল্য, শিশু শব্দটি লিঙ্গনিরপেক্ষ। পতিতা’র ন্যয় বেশ্যা শব্দটিও স্ত্রীবাচক। তাই শিশুদের ক্ষেত্রে “দেহব্যবসায়” শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করাই উপযুক্ততর। সেই হিসাবে শিরোনাম উপযুক্ততর করা হলো। —Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ০৩:৪৫, ১৩ অক্টোবর ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

@Faizul Latif Chowdhury নিবন্ধের শিরোনাম হিসাবে দেহব্যবসায় শিশু অধিক অর্থপূর্ণ হবে বলে আমার মনে হয় —শাকিল (আলাপ · অবদান) ১৭:২৫, ১৪ অক্টোবর ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
আমরা সচরাচর ‘ব্যবসায়’ শব্দটিকে ‘ব্যবসা’ বলি। শব্দটি সংস্কৃত থেকে আগত। তবে, জীবিকা অর্থে ‘ব্যবসায়’ লেখাই সঠিক। ‘ব্যবসা’ ধরলে ‘দেহব্যবসায় শিশু’ লেখা ঠিক। কিন্তু ‘ব্যবসায়’ ধরে ‘দেহব্যবসায়ে শিশু’ লেখা সমীচীন মনে হয়েছে। ধন্যবাদ। -- Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ১৭:৩৮, ১৪ অক্টোবর ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

সূচনাংশ পরিবর্তনের ব্যাখ্যা দাবী[সম্পাদনা]

এ নিবন্ধের শিরোনাম দেহব্যবসায়ে শিশু। এর সূচনাংশ ছিল নিম্নরূপ:

দেহব্যবসায়ে শিশু বলতে সম্মতির আইনি বয়সের চেয়ে কম বয়সী কোনও বালক বা বালিকার অর্থের বিনিময়ে যৌনকর্মে অংশগ্রহণ বোঝায়। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে দেহব্যবসায় যেমন আইনগতভাবে নিষিদ্ধ, তেমনি শিশুদের দেহব্যবসাও অবৈধ। বিশেষ করে দেহব্যবসায়ে শিশুদের ব্যবহার একটি দণ্ডনীয় অপরাধ বলে বিবেচিত। দেহব্যবসায়ে শিশুদের ব্যবহার এদের যৌনশোষণের একটি পন্থা। কার্যত, সারা পৃথিবী জুড়ে দেহব্যবসায়ীদের একটি অংশ বয়সের মাপে শিশু। ঐতিহাসিকভাবে দেহব্যবসায়ে প্রধানেত নারীশিশুরাই জড়িত। কিন্তু সারা পৃথিবীতেই কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুরুষশিশুও অর্থের বিনিময়ে দেহব্যবসায় করে থাকে। পৃথিবীর বহুমানুষ শিশুকামী। তাদের চাহিদার যোগান দিতেই দেহব্যবসায়ে শিশুদের অংশগ্রহণ। দেহব্যবসায়ে শিশুদের ব্যবহার একদিতে শিশুদের অপহরণপাচার অন্যদিকে শিশু পর্নোগ্রাফির বিকাশে সম্পৃক্ত।যৌনব্যবসায়ে শিশুদের ব্যবহার করে এদের শোষণ করাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মূল উদ্দেশ্য। দরিদ্র ও অভিভাবকহীন শিশুরা বেঁচে থাকার প্রয়োজনে দেহব্যবসায়ে লিপ্ত হয়ে পড়ে। একই কারণে এরা পর্নোগ্রাফিতে অভিনয় করে। যে দেশ বা শহর দেহব্যবসায়ে শিশুদের ব্যবহারের জন্য প্রসিদ্ধ, শিশুকামীরা ঐসব দেশে ভ্রমণ করে থাকে।

এই সূচনাংশ ফেলে দিয়ে করা হলো নিম্নরূপ:


শিশু পতিতাবৃত্তি হচ্ছে শিশুর সাথে জড়িত পতিতাবৃত্তির এবং শিশুদের বাণিজ্যিক যৌন শোষণের একটি রূপ। শব্দটি সাধারণত সম্মতির আইনি বয়সের চেয়ে কম বয়সী কোনও নাবালক বা ব্যক্তির পতিতাবৃত্তিকে বোঝায়। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে, পতিতাবৃত্তির উপর সাধারণ নিষেধাজ্ঞার অংশ হিসেবে শিশু পতিতাবৃত্তি অবৈধ।সাধারণত যৌন পাচারের আকারে প্রকাশ পায়, যেখানে একটি শিশুকে অপহরণ করা হয় বা যৌন ব্যবসা, বা বেঁচে থাকার জন্য যৌনক জড়িত হওয়ার জন্য প্রতারিত করা হয়, যেখানে শিশু খাদ্য এবং আশ্রয়ের মতো মৌলিক প্রয়োজনীয়তা অর্জনের জন্য যৌন ক্রিয়াকলাপে লিপ্ত হয়। শিশুদের পতিতাবৃত্তি সাধারণত শিশু পর্নোগ্রাফির সাথে যুক্ত, এবং তারা প্রায়ই ওভারল্যাপ হয়। কিছু লোক শিশু যৌন পর্যটনের জন্য বিদেশে ভ্রমণ করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, বিশ্বব্যাপী প্রায় ১০ কোটি শিশু পতিতাবৃত্তির সাথে জড়িত থাকতে পারে। এই প্রথাটি দক্ষিণ আমেরিকা এবং এশিয়ায় সর্বাধিক বিস্তৃত, কিন্তু শিশুদের পতিতাবৃত্তি বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান। অনুন্নত দেশগুলির পাশাপাশি উন্নত দেশেও এই সমস্যা বিদ্যমান। ব্যবসার ক্ষেত্রে অল্প বয়সী ছেলেদের সংখ্যা বৃদ্ধি সত্ত্বেও পতিতাবৃত্তির সাথে জড়িত শিশুদের অধিকাংশই মেয়ে।

সম্পাদনার সময়: উইকি সম্পাদকদের কতগুলি বিষয় লক্ষ্য করা দরকার:

  • আমি কি কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ দিচ্ছি?
  • আমি কি কোনো ভুল করছি?
  • আমি কি দুর্বোধ্য ও অস্পষ্ট কিছু লিখছি?
  • আমার ব্যাকরণ, সিনট্যাক্স ও শব্দচয়ন ঠিক আছে তো?
  • আমার বাক্যের পরম্পরা যুক্তিযুক্ত তো?
  • আমার অনুবাদ ঠিক আছে? বোঝা যাচ্ছে?

এ ধরণের বিষয়গুলো লক্ষ্য না-করা হলে বাংলা উইকির গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। দেখতে পাচ্ছি গত কয়েক বছরে হাজার হাজার নিবন্ধ লেখা হয়েছে যার বাক্য ঠিক নেই, ব্যাকরণ ভুল, বক্তব্য অস্পষ্ট; অনেক ক্ষেত্রে বাংলা ভাষা বলেই মনে হয় না। অত্যন্ত আনাড়ীভাবে ইংরেজী থেকে অনুবাদ করা হয়েছে। এই প্রবণতা সামলানো দরকার। একটি বিশ্বকোষের ক্ষেত্রে ‘‘নেই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো’’ নীতি প্রয়োগ করা হবে, নীরদ চৌধুরীর ভাষায়, আত্মঘাতী। — Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ১৭:৪১, ১৪ অক্টোবর ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]