আলাপ:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

Good work[সম্পাদনা]

খুব ভাল কাজ হয়েছ। লেখকরা অনুগ্রহ করে "আপনি জানেন কি"র জন্য মনোনয়ন দিন। ধন্যবাদ--তারিফ এজাজ ১৯:২৭, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭ (UTC)

দয়া করে লেখকরা একটি মনোনয়ন দিন। নতুন বিভাগটি ঠিকভাবে এগিয়ে নিতে সবাই সাহায্য করুন।--তারিফ এজাজ ১৭:৪৩, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৭ (UTC)

প্রথমদিকের অধ্যাপক[সম্পাদনা]

প্রথমদিকের অধ্যাপকদের প্রত্যকের জন্য আলাদা আলাদা অনুচ্ছেদ না রাখাই ভাল। তাদের মধ্যে যারা বিশেষ অবদান রেখেছেন, তাদের নামে লিংক দিয়ে তাদের নিজিস্ব নিবন্ধ রাখলেই ভাল হয়। মুনতাসির ১০:২৩, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭ (UTC)

আপাতত অনুচ্ছেদই ঠিক আছে, অধ্যাপকদের সম্পর্কে বিস্তারিত লেখা হলে তবেই নতুন পাতায় লেখা নেওয়া উচিত।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১৮:১৯, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৭ (UTC)
প্রথম যুগের অধ্যাপকদের মধ্যে মোটামুটি বিশেষ অবদানকারী শিক্ষকদের নামই উল্লেখ করার চেষ্টা করা হয়েছে , কিন্তু একমাত্র সত্যেন বোস ছাড়া আর কারও সম্পের্কে নিজস্ব নিবন্ধ তৈরির উপযোগী বিস্তারিত তথ্য না থাকায় নতুন নিবন্ধ আপাতত তৈরি করতে পারছি না।বিস্তারি তথ্য যোগার হলে অবশ্যই নতুন নিবন্ধ তৈরি করা যাবে।--ফজলে রাব্বি দায়ীন ০৫:০১, ১ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)
ঠিক আছে। তবে যাদের ব্যাপারে জানা আছে তাদের প্রত্যেকের জন্য আলাদা অনুচ্ছেদ না করে, প্রথমদিকের অধ্যাপকদের জন্য একটি অনুচ্ছেদ করলেই কি ভাল হয় না। আমি বলতে চাচ্ছি, জ্ঞান ঘোষ, সত্যেন বোস, অধ্যাপক জেনকন্স প্রমুখের জন্য আলাদা অনুচ্ছেদ না রেখে একটি অনুচ্ছেদে রাখলে কেমন হয়। মুনতাসির ০৬:২২, ১ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)
হ্যা এক অনুচ্ছেদেই দেওয়া যায়। সেটাই চেষ্টা করুন। ধন্যবাদ।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ০৭:৫৫, ১ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)

লেখা ভাল হচ্ছে, অনুগ্রহ করে আরো নির্দিষ্ট করে তথ্যসূত্র যোগ করুন। যদি কোন বই থেকে তথ্য নিয়ে থাকেন তবে বইয়ের পাতার নাম্বার, প্রকাশনা, মুদ্রণ সংখ্যা, লেখকসহ প্রত্যেক ক্ষেত্রে যোগ করুন। ধন্যবাদ--তারিফ এজাজ ১২:৩৬, ১ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)

পুনঃলিখন প্রয়োজন[সম্পাদনা]

ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার তার আত্মস্মৃতিতে লিখেছিলেন ১৯১৯ সালের নতুন আইন অনুসারে বাংলার শিক্ষামন্ত্রী প্রভাসচন্দ্র মিত্র শিক্ষকদের বেতন কমানোর নির্দেশ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয প্রতিষ্ঠার সময় রিজার্ভ ফান্ডে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা ছিল। বাংলা সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রদত্ত সরকারী ভবন বাবদ সেগুলো কেটে নেয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রতিবছর মাত্র পাঁচ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করে। ফলে শিক্ষকদের বেতন কমিয়ে দিতে হয়। ১৯৭৪ সালে কলকাতায় অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদের পুনর্মিলনী উপলক্ষে প্রকাশিত “আমাদের সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়” স্মরণিকায় “ঢাকার স্মৃতি” প্রবন্ধে লিখেছিলেন,  

এই সমুদয় গোলমালের মূল কারন হিন্দুরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরোধী এবং শিক্ষামন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের লোক হওয়ায় তার পূর্ব বঙ্গের প্রতি সহানুভূতির যথেস্ট অভাব ছিল। ঢাকাবাসী হিন্দু শিক্ষিত সম্প্রদায়ও কোনদিনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সুনজরে দেখেনি। যে সব হিন্দু প্রফেসর ও রিডার ছিলেন সকলেই ঢাকার বাইরে থেকে এসেছিলেন- তারা এত মোটা মাইনে পাবে, এত বড় বড় বাড়িতে থাকবে এটা কোনদিনই তারা সহ্য করতে পারেন নি।


রেফারেন্স তথ্যসূত্র আকারে দেওয়া উচিত, নিবন্ধের সাথে মিলিয়ে তথ্যসূত্র দেওয়া উচিত নয়। মানে অমুক লেখক লিখেছিলেন... এভাবে না লিখে শুধু তথ্যটুকু লিখুন এবং সূত্র সমূহ উইকিপিডিয়ার তথ্যসূত্র দেওয়ার স্টাইলে দিন। আর তথ্যসূত্রের নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে বইয়ের পাতার নম্বর, প্রকাশ কাল, সংস্করণ ইত্যাদি তথ্য যোগ করুন। ধন্যবাদ।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১৬:১৫, ১ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)

কপিরাইট সংরক্ষিত উক্তি[সম্পাদনা]

১৯৭৪ সালে কলকাতায় অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদের পুনর্মিলনী উপলক্ষে প্রকাশিত “আমাদের সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়” স্মরণিকায় “ঢাকার স্মৃতি” প্রবন্ধে লিখেছিলেন,

এই সমুদয় গোলমালের মূল কারন হিন্দুরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরোধী এবং শিক্ষামন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের লোক হওয়ায় তার পূর্ব বঙ্গের প্রতি সহানুভূতির যথেস্ট অভাব ছিল। ঢাকাবাসী হিন্দু শিক্ষিত সম্প্রদায়ও কোনদিনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সুনজরে দেখেনি। যে সব হিন্দু প্রফেসর ও রিডার ছিলেন সকলেই ঢাকার বাইরে থেকে এসেছিলেন- তারা এত মোটা মাইনে পাবে, এত বড় বড় বাড়িতে থাকবে এটা কোনদিনই তারা সহ্য করতে পারেন নি।


অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম তার “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশি বছর” গ্রন্থে এই সম্পর্কে লিখেন,

ঢাকা শহরের বিদগ্ধ সমাজ এই নতুন বিশ্ববিদ্যালয়টিকে ঢাকায় উচ্চশিক্ষার একটি অন্তরায় বলে মনে করলেন। ঢাকা নগরে রব উঠল: They have killed a good college (Dhaka college) to make a bad university” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌভাগ্য যে, এর প্রাথমিক কর্ণধারগণের প্রত্যেকের এমন একটি উদারচিত্ত ও সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণতা হতে সম্পূর্ণ বিমুক্ত প্রকৃত শিক্ষকের বিশুদ্ধ academic spirit ছিল, তাদের পরিচালনায় প্রথম থেকেই নতুন বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি প্রবিত্র বিদ্যামন্দিরে পরিণত হল। তাদের চোখে হিন্দু ও মুসলমান ছাত্রদিগের মধ্যে কোন প্রভেদ ছিল না। তারা সব ছাত্রকেই সমান দরদ ও ভালবাসা দিয়ে নিরপেক্ষ ভাবে শিক্ষাদান করেন এবং তাদের এই মহৎ সংকল্পে হিন্দু-মুসলমান ছাত্রদের মধ্যেও গড়ে উঠল এক প্রীতি ও বন্ধুত্বের বন্ধন এফ রহমান, রমেশচন্দ্র মজুমদার, জ্ঞান ঘোষ, শহিদুল্লাহ, নরেশ সেনগুপ্ত শুধু তাদের ঔদার্য ও ব্যক্তিত্বের প্রভাবে এই অসম্ভবকে সম্ভব করলেন। মুসলমান শিক্ষক ও ছাত্রদের সে বিশেষ সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হল তা হিন্দু শিক্ষক বা ছাত্রদের মধ্যে কোনো ইর্ষার উদ্রেক করল না। হিন্দু শিক্ষকেরা একটি Missionary spirit এ তাদের ব্রত পালন করলেন”

<ref>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশি বছর; [[রফিকুল ইসলাম]], পৃষ্ঠা:১৬-১৭</ref>


কপিরাইটকৃত বই থেকে হুবুহু উক্তি তুলে দিলে তা অবশ্যই কপিরাইটের লঙ্ঘন। তা যদি আবার বইয়ের লেখকের উক্তি হয়।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১৬:২৬, ১ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)

বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশাসন ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

এ বিভাগের লেকচারার হিসেবে যোগদেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রথম কমপারেটিভ ফিললজি বা তুলনামূলক ভাষাতত্ত্ব বিভাগের প্রথম ছাত্র ও এম এ রিসার্চ এসিসটেন্ট মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ও বিশিষ্ট লিপি বিশারদ শ্রী রাধাগোবিন্দ বসাক।

এই মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ কি ডঃমুহাম্মদ শহিদুল্লাহ ? এ দুজন কি একই ব্যক্তি?--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১৬:৩৬, ১ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)
হ্যা, এই মুহম্মদ শহীদুলাহ্‌-ই ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে ঢোকার পর, পিএইচডি করেন এবং এর পর থেকেই তিনি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। মুনতাসির ১৭:৫৬, ১ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)

নামের বানানটা কি হ্রস্ব ই, নাকি দীর্ঘ ঈ? মানে শহিদুল্লাহ নাকি শহীদুল্লাহ? --রাগিব (আলাপ | অবদান) ২১:৩৮, ১ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)

নামের আসল বানান মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। মুনতাসির ১৭:২৯, ২ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)

গ্যালারি এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গ[সম্পাদনা]

গ্যালারিতে ব্যবহৃত মনোগ্রামগুলো আমার মনে হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিবন্ধে যোগ করলে ভালো হত। এবং এই নিবন্ধে গ্যালারি যোগ করতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব স্থান এখনও ইতিহাস বহন করে চলেছে সেসব ছবি যোগ করলে সম্ভবত যুক্তিযুক্ত হত। স্বাধীনতা সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনচ্ছেদ আলাদ না করে একাত্তরের কাল রাত্রির সাথে যোগ করে দিলেই মনে হয় বেশি ভালো হয়। কারণ দুটি অনুচ্ছেদের বিয়য়বস্তু একই।--ফজলে রাব্বি দায়ীন ০০:০১, ২ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস নিয়ে ভিডিও দেখুন[সম্পাদনা]

এখানে ভিডিও আপলোড করা হবে... Sweetrana215 (আলাপ) ০৭:৫৭, ২ আগস্ট ২০১৮ (ইউটিসি)