আলাপ:চুড়িহাট্টা মসজিদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ভালো নিবন্ধ চুড়িহাট্টা মসজিদ দর্শন এবং ধর্মবিষয়ক ভালো নিবন্ধের মানদণ্ড অনুসারে একটি ভালো নিবন্ধ হিসেবে চিহ্নিত। আপনি যদি নিবন্ধটির আরো উন্নয়ন করতে সমর্থ হন, তবে অনুগ্রহপূর্বক তা করুন। আপনি যদি মনে করেন যে নিবন্ধটিতে মানদণ্ড অনুসৃত হয়নি তাহলে এটির পুনঃপর্যালোচনা আহবান করতে পারেন।
নভেম্বর ৩০, ২০১৫ প্রস্তাবিত ভাল নিবন্ধ তালিকাভুক্ত

আমার ভালো লাগলো[সম্পাদনা]

বাংলা উইকিপিডিয়ার প্রশস্তি কীর্তণে সম্প্রতি ডয়চে ভেলে'র ওয়েব এডিশন এই সংবাদে চুড়িহাট্টা মসজিদের তথ্য ব্যবহার করায় ব্যক্তিগতভাবে আমার ভালো লাগলো। :)  —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ১৭:৩৩, ২ নভেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

shate ahkter mosjid te amar valo lagasa Shate akther (আলাপ) ০১:০৭, ৩১ আগস্ট ২০১৬ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

shate akther akhana ame video keso dakta chila dehka jaina keno Shate akther (আলাপ) ০১:১১, ৩১ আগস্ট ২০১৬ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

এরশাদ সাহেবকে ধন্যবাদ (ঈশ্বর তাঁর মঙ্গল করুন)[সম্পাদনা]

এরশাদ সাহেবকে অসংখ্য ধন্যবাদ, তাঁর তোলা ছবিগুলো আমার অনুরোধে তিনি মুক্ত লাইসেন্সের অধীনে উইকিপিডিয়ার স্বার্থে দিয়েছেন, কোনো দ্বিরুক্তি না করেই। তাঁর শরীর বয়সের ভারে ন্যুব্জ। সবার কাছে তাঁর জন্য দোয়া প্রার্থণা করছি। —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ১৭:২৮, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

আলাপ:চুড়িহাট্টা মসজিদ/ভাল নিবন্ধ১

প্রধান পাতার জন্য সূচনাংশ[সম্পাদনা]

চুড়িহাট্টা মসজিদ

প্রাচীন চুড়িহাট্টা মসজিদ বা চুড়িহাট্টা মসজিদ বাংলাদেশের অন্যতম একটি পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন, যা ঢাকা মহানগরের পুরোন ঢাকার উমেশ চন্দ্র দত্ত লেন ও হায়দার বকশ লেনের তেমাথায় অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে মসজিদটি চুড়িহাট্টা শাহী মসজিদ নামে পরিচিত ছিল। মসজিদটির প্রকৃত অবস্থান ছিল চকবাজারের সামান্য পশ্চিম দিকে ২৬-২৭ শেখ হায়দার বকশ লেন। ঐতিহাসিক তথ্যমতে মসজিদটি ৩৬০ বছর পুরোন (২০০৮ খ্রিস্টাব্দ)। তবে প্রাচীন মসজিদ স্থাপত্যটি বর্তমানে বিলুপ্ত, সে জায়গায় গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক স্থাপত্য। চুড়িহাট্টার ঐতিহাসিক মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল না। মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব না জেনেই মসজিদ কমিটির লোকজন অপেক্ষাকৃত বৃহদাকৃতির বহুতল মসজিদ নির্মাণের লক্ষ্যে পুরোন মসজিদটি ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেন। জানা যায় ২০০৮ খ্রিস্টাব্দের প্রথম দিকেই মসজিদটি ভাঙার কাজ শুরু হয়, এবং জুলাই মাস নাগাদ পুরো মসজিদটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। পুরোন, ধ্বংস করে দেয়া মসজিদটির জায়গায় নির্মিত হয়েছে নতুন মসজিদ ভবন। নতুন ভবনের দোতলার মিহরাবে আদি মসজিদের ফলকটি স্থাপন করা হয়েছে। (বাকি অংশ পড়ুন...) ~ মহীন (আলাপ) ১৩:৫৯, ৩০ নভেম্বর ২০১৫ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]