আলাপ:গীতাঞ্জলি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

সং অফারিংস-এর জন্য পৃথক পৃষ্ঠা[সম্পাদনা]

মূল গীতাঞ্জলি ও ইংরেজী গীতাঞ্জলি নামে প্রচলিত সং অফারিংস অভিন্ন নয়। এ দুটো নিয়ে পৃথক নিবন্ধ থাকলেই ভাল দেখায়। দুটো নিয়েই অনেক কিছু বলবার আছে।-- Faizul Latif Chowdhury (talk) ০২:৩৫, ৪ জানুয়ারি ২০১০ (UTC)

আপাতত দুটো আলাদা অনুচ্ছেদে সমৃদ্ধ করার অনুরোধ করছি। পর্যাপ্ত তথ্য যুক্ত হলে পরে সরিয়ে নেওয়া যাবে।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ০৪:৪৫, ৪ জানুয়ারি ২০১০ (UTC)
আমার মনে হয়, ফয়জুল সাহেবের প্রস্তাবটি যথাযথ। মূল বাংলা গীতাঞ্জলি আর ইংরেজি গীতাঞ্জলি দুটি আলাদা বই, তাতে সংকলিত কবিতাগুলিতেও পার্থক্য আছে। তাই পর্যাপ্ত তথ্য যোগ করার পর, দুটি বই সম্পর্কে আলাদা নিবন্ধ করলে মন্দ হবে না। যদিও ইংরেজি উইকিপিডিয়ায় তেমনটি করা হয়নি। --অর্ণব দত্ত (talk) ০৫:২৮, ৪ জানুয়ারি ২০১০ (UTC)
আলাদা নিবন্ধ নির্ভর করে এর কণ্টেন্টের পরিমানের উপর। কোনো নিবন্ধ যখন অতিরিক্ত বড় হয়ে যায় তখন আমাদের পরামর্শ নিবন্ধকে কয়েক ভাগে ভাগ করে নেওয়া। তাই আলাদা নিবন্ধ হওয়া উচিত এ যুক্তিতে না গিয়ে ইংরেজী উইকিপিডিয়াতে কন্টেন্টের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে তা করা হয়েছে। আশা করি আমরা এটাই চেষ্টা করবো।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ০৫:৩২, ৪ জানুয়ারি ২০১০ (UTC)

অসম্পূর্ণতা দূরীকরণ, ২০১০-এ প্রথম পাতার জন্য মনোনয়ন[সম্পাদনা]

২০১০ খ্রিস্টাব্দে এই নিবন্ধটি উইকিতে নির্বাচিত প্রবন্ধ হিসাবে মনোনীত হলে ভালো হয়, যদি সেটা ৩০-এ ডিসেম্বরও হয়। গীতাঞ্জলি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১০০ বৎসর আগে ;- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে। এ বছর ১০০ বৎসর পূর্ণ হলো। প্রথমত এর অসম্পূর্ণতা দূর করতে হবে। ইংরেজী গীতাঞ্জলি অর্খাৎ সং অফারিংস-এর বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রায় সকল তথ্য আছে, কেবল ইয়েটস্‌ এর ভূমিকা বিষয়ে অনুচ্ছেদটি সম্পূর্ণ করা আবশ্যক। আরো যদি কোনো অসম্পূর্ণতা থাকে তবে সেগুলোও দূরার উদ্যোগ নেয়া যায়। বাংলা মূল গীতাঞ্জলি বিষয়ে তথ্য সংযোজন ও আলোচনা বৃদ্ধির সুযোগ আছে। এই অসম্পূর্ণতা দূরীকরণের পর সার্বিক সম্পাদনার প্রয়োজন পড়বে। শেষত: লাল লিংকগুলি সবুজ করার ব্যবস্থা নিতে হবে। হয়তো সব মিলে অনেক কাজ। ১০ দিনে শেষ হওয়ার মতো নয়। আমরা কি সবাই মিলে চেষ্টা করবো একবার? - Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ১৭:২০, ১৭ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

সাধু প্রস্তাব। তবে ২০১০ সালে এই নিবন্ধের কাজ শেষ হবে বলে মনে হয় না। সেই কারণে আমরা যদি রবীন্দ্রনাথের সার্ধশতর্বর্ষে (২০১১) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিবন্ধটিকে প্রথম পৃষ্ঠায় উত্তরণের জন্য বিশেষ মনোযোগ দিই, তাহলে ভাল হয়। ভবিষ্যতে গীতাঞ্জলি এই গ্রন্থের নোবেল পাওয়ার শতবর্ষেও দেওয়া যেতে পারে। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৭:২৮, ১৭ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
দ্বিমত প্রকাশের মতো মনের জোর নেই, সময় অতীব সংকীর্ণ। তথাপি কিছু কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করি। অনুরোধ, সময় পেলে আপনিও একটু হাত লাগাবেন। সুযোগ থাকলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিবন্ধটিতে আমিও যৎকিঞ্চিৎ মনোমনোনিবেশ করবো বৈকি। - Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ১৭:৫৬, ১৭ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিবন্ধটি পর্যালোচনা করার কাজটি জরুরি। গীতাঞ্জলি সংক্রান্ত যা কিছু তথ্য আমার সংগ্রহে রয়েছে, তা দিতে আমি কসুর করব না। প্রতিশ্রুতি দিলাম। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৮:১০, ১৭ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
ধন্যবাদ। পর্যালোচনা আগামীকাল বিকেল থেকে অবশ্যই। - Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ১৮:১৭, ১৭ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

বাংলা গীতাঞ্জলি সংক্রান্ত প্রস্তাব[সম্পাদনা]

এই নিবন্ধটির সিংহভাগ জুড়ে আছে ইংরেজি গীতাঞ্জলির কথা। অথচ বাংলা উইকিপিডিয়ায় মূল বাংলা বইটিকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া উচিত। ইংরেজি গীতাঞ্জলির তথ্য থাকবে, তবে সেটা বাংলা গীতাঞ্জলির তথ্যের পরিমাণকে ছাপিয়ে যাবে না। এটি অবশ্য আমার অভিমত। অন্যান্যদের মতামত জানার অপেক্ষায় রইলাম। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:১১, ১৮ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

দুটি তথ্য[সম্পাদনা]

১. গীতাঞ্জলির প্রথম সংস্করণে "বাঁচান বাঁচি মারেন মরি" গানটি ছিল। কিন্তু পরবর্তী কোনো সংস্করণে সেটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

২. গীতাঞ্জলির অধিকাংশই গান। সবগুলি নয়। গানগুলির স্বরলিপি প্রথম মুদ্রিত হয় শেফালি, কেতকী, কাব্যগীতি, সংগীত-গীতাঞ্জলি প্রভৃতি গ্রন্থে।

উপরিউক্ত তথ্য দুটি গীতাঞ্জলির বিশ্বভারতী সংস্করণে গ্রন্থপরিচয় অংশে চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য লিখেছেন। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:১৭, ১৮ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)