আলাপ:ইসলামি যৌন আইনশাস্ত্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

নিবন্ধের সঠিক শির:নাম[সম্পাদনা]

এই নিবন্ধের নাম যৌনচার বিষয়ে ইসলাম বা ইসলামের দৃষ্টিতে যৌনাচার রাখা সমীচীন হবে। "ইসলামী যৌন আইনশাস্ত্র" সঠিক হবে না কেন না ইসলামে ঠিক "যৌনশাস্ত্র" নামে কিছু নেই। -- Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ১৭:২৮, ১১ এপ্রিল ২০১৪ (ইউটিসি)

যাচাইকরণ[সম্পাদনা]

আজ ১৪ই এপ্রিল ২০২০ তারিখে আমি ফেসবুকে নিবন্ধটি কুষ্টিয়ায় বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিকহের অধ্যাপক আবু বকর মুহাম্মদ জাকারিয়া মজুমদারকে নিবন্ধটি দেখিয়েছি। তিনি নিবন্ধ দেখে বলেছেন, নিবন্ধের সব লেখা ঠিক আছে। Lazy-restless (আলাপ) ০৬:২৫, ১৪ এপ্রিল ২০২০ (ইউটিসি)

সম্পাদনার অনুরোধ, ২৫ মে ২০২০[সম্পাদনা]

এই নিবন্ধের বয়ঃসন্ধি অনুচ্ছেদে মূল নিবন্ধ টেমপ্লেটের প্রথমে বালিগ নিবন্ধের উইকিসংযোগ যুক্ত করার অনুরোধ করছি। 119.30.38.232 (আলাপ) ১১:২৮, ২৫ মে ২০২০ (ইউটিসি)

সম্পাদনার অনুরোধ, ১৬ আগস্ট ২০২০[সম্পাদনা]

রক্ষণশীলতা অনুচ্ছেদের সর্বশেষে এই হাদিসটি যোগ করার অনুরোধ করছি,

‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সময়ে কিছু ব্যক্তিকে ওয়াহীর ভিত্তিতে পাকড়াও করা হত। এখন যেহেতু ওয়াহী বন্ধ হয়ে গেছে, সেহেতু এখন আমাদের সামনে তোমাদের যে ধরনের ‘আমাল প্রকাশ পাবে, সেগুলোর ভিত্তিতেই তোমাদের বিচার করব। কাজেই যে ব্যক্তি আমাদের সামনে ভালো প্রকাশ করবে তাকে আমরা নিরাপত্তা দান করব এবং নিকটে আনবো, তার অন্তরের বিষয়ে আমাদের কিছু করণীয় নেই। আল্লাহই তার অন্তরের বিষয়ে হিসাব নিবেন। আর যে ব্যক্তি আমাদের সামনে মন্দ ‘আমাল প্রকাশ করবে, তার প্রতি আমরা তাদের নিরাপত্তা প্রদান করব না এবং সত্যবাদী বলে জানব না; যদিও সে বলে যে, তার অন্তর ভালো। সহিহ বুখারিঃ ২৬৪১,সহীহ বুখারী, ৩:৪৮:৮০৯ (ইংরেজি)

43.245.120.178 (আলাপ) ১২:৫৫, ১৬ আগস্ট ২০২০ (ইউটিসি)

সম্পাদনার অনুরোধ, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০[সম্পাদনা]

রক্ষণশীলতা অনুচ্ছেদের আরও দেখুন টেমপ্লেটে বর্ণানুক্রম অনুযায়ী দাইয়ুস সংযোগটি যুক্ত করার আবেদন করছি। 116.58.200.168 (আলাপ) ০৩:১৫, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)

করা হয়েছে। --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ২০:১৪, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)
ধন্যবাদ। 116.58.205.38 (আলাপ) ১২:৩৬, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)

সম্পাদনার অনুরোধ, ৯ অক্টোবর ২০২০[সম্পাদনা]

ধর্ষণ অনুচ্ছেদে হিরাবাহ নিবন্ধের উইকিসংযোগ যোগ করার অনুরোধ করছি। 45.125.220.162 (আলাপ) ১১:৪৬, ৯ অক্টোবর ২০২০ (ইউটিসি)

 করা হয়েছেআল রিয়াজ উদ্দীন (আলাপ) ১২:২৫, ৯ অক্টোবর ২০২০ (ইউটিসি)

সম্পাদনার অনুরোধ, ১২ অক্টোবর ২০২০[সম্পাদনা]

এই নিবন্ধে উক্তির ভেতরের সাঃ আঃ ও অপসারণ করা হয়েছে, কিন্তু নীতিমালায় আছে উক্তিতে উল্লেখিত সম্মানসূচক শব্দ অপসারণ করা যাবে না, কুরআনের আয়াতে সাঃ না থাকলেও হাদিসে সাঃ হল হাদিসের উক্তির অবিকৃত অংশ, তাই হাদিসের উদ্ধৃতিতে সাঃ আঃ রাঃ সম্মানসূচক শব্দগুলো ফিরিয়ে আনার অনুরোধ করছি। 45.125.220.162 (আলাপ) ০৬:০৮, ১২ অক্টোবর ২০২০ (ইউটিসি)

সম্পাদনার অনুরোধ, ৬ নভেম্বর ২০২০[সম্পাদনা]

আরও দেখুন অনুচ্ছেদে আয়াতুল কুরসী যোগ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। 45.125.220.162 (আলাপ) ০৫:৩০, ৬ নভেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)

সম্পাদনার অনুরোধ, ২৮ নভেম্বর ২০২০[সম্পাদনা]

এই নিয়ম-বহির্ভূত সম্পাদনাটি বাতিল করার আবেদন করছি। 103.67.157.219 (আলাপ) ১৮:০৬, ২৮ নভেম্বর ২০২০ (ইউটিসি) 103.67.157.219 (আলাপ) ১৮:০৬, ২৮ নভেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)

সম্পাদনার অনুরোধ, ১ ডিসেম্বর ২০২০[সম্পাদনা]

পশুকামিতা অনুচ্ছেদের নিচে নিম্নের অনুচ্ছেদটি যুক্ত করার অনুরোধ জানাচ্ছি। @আফতাবুজ্জামান, Yahya, এবং Al Riaz Uddin Ripon:

জীনদের সঙ্গে সঙ্গম[সম্পাদনা]

পিয়েরে লরির মতে, কিছু জীনদের মধ্যে মানুষের সাথে যৌন সম্পর্ক করার প্রবণতা থাকে।[১] এই দৃষ্টিভঙ্গির সমর্থনে কিছু হাদিস রয়েছে। এর মধ্যে একটি হল:

নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি বিসমিল্লাহ না বলে তার স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করে, তার শিশ্নে শয়তান প্রবেশ করে উক্ত সঙ্গমে অংশগ্রহণ করে।

— জালালুদ্দিন সুয়ুতি, লাক্ত আল-মারজান: ৩১[১]

লরি দাবি করেন যে, মানুষ এবং জীনের মাঝে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পেছনে অন্যতম কারণ হল প্রেম। সিলভেইন ক্যামেলিন ইয়েমেনের হারদামাউত প্রদেশে ঝাড়ফুঁক নিয়ে তার গবেষণায় লেখেন যে[১]:

মানুষ এবং জীনের সংস্পর্শের পেছনে সবচেয়ে বেশি যে কারণটি কাজ করে তা সম্ভবত প্রেম। কোন পুরুষ জীন কোন নারীর সাক্ষাত লাভ করে এবং তার প্রেমে পড়ে, অথবা বিপরীতভাবে, কোন নারী জীন কোন পুরুষের সাথে সাক্ষাতপ্রাপ্ত হয় আর তার প্রেমে পড়ে। এমন ক্ষেত্রে, জীন উক্ত মানবের উপর ভর করতে চায়। সে উক্ত মানুষের দেহে প্রবেশ করে। এই ভর করা লক্ষণীয়ভাবে প্রকাশ পায় তখন, যখন জীনটি তার ভর করা লোকের সঙ্গে যৌনসঙ্গম করে। এক্ষেত্রে, পুরুষটি (বা মহিলাটি) এমন অঙ্গভঙ্গি ওঁ কথাবার্তা বলতে থাকে যেন সে যৌনসংগম করছে, যদিও ঐ মুহূর্তে ঐ ব্যক্তিটি স্পষ্টতই ঘরে একলাই অবস্থান করতে থাকে। পাশাপাশি, উক্ত ব্যক্তি হঠাৎ করেই তার পরিবেশের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে-বিশেষ করে তার স্ত্রীর (বা স্বামীর) প্রতি এবং নিজের মাঝেই বিচরণ করতে থাকে।"[১]

অধিকাংশ পণ্ডিতই দাবি করেন যে, এমন সঙ্গম দ্বারা সন্তানসম্ভবা হওয়া সম্ভব নয়, কারণ মানুষ ও জীন দুটি আলাদা প্রজাতি আর এক্ষেত্রে সঙ্গমটি বন্ধ্যা হয়ে থাকে।[১][২][৩] কিন্তু সুয়ুতি সহ অল্প কিছু পণ্ডিত দ্বারা ও অসংখ্য আরব উপকথার বর্ণনায় দাবি করা হয় যে, এমন মিলনের ফলে সন্তান ধারণ করা সম্ভব।[১] উক্ত বিতর্ক সত্ত্বেও, কিছু পণ্ডিত জীন ও মানুষের বৈবাহিক সম্পর্ককে বৈধতা দিয়ে একে অপছন্দনীয় বা মাকরুহ বলে মত দেন, অপরদিকে বাকিরা কঠোরভাবে মত প্রকাশ করেন যে, এমন বিবাহ সম্পূর্ণরূপে হারাম, কারণ কোরআন ও হাদিসে এ ব্যাপারে কোন ইঙ্গিত বা নির্দেশনা দেওয়া হয় নি।[১][২][৩] জীনের এমন ভর করাকে দুর করতে, প্রায় সকল ঐতিহ্যবাহী ইসলামী পণ্ডিত ও আইনবিদ ইসলামী ঝাড়ফুঁক করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই করা হয় আয়াতুল কুরসি, সূরা বাকারা, সূরা ফাতিহা, সূরা জিন এবং তিন ক্বুল (সূরা নাস, সূরা ফালাকসূরা ইখলাস) পড়ার মাধ্যমে।[৪][৫][৬] 43.245.121.156 (আলাপ) ১২:০১, ১ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)

তথ্যসূত্র

  1. Hanegraaff, Wouter J.; Kripal, Jeffrey (২০০৮)। Hidden intercourse : eros and sexuality in the history of Western esotericism (ইংরেজি ভাষায়)। Leiden: Brill। পৃষ্ঠা 57–64। আইএসবিএন 978-90-474-4358-2। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০২০ 
  2. "How the Shaytaan has a share in people's children - Islam Question & Answer"islamqa.info (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ আগস্ট ২০০১। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০২০ 
  3. "She Claimed to Be Impregnated by Jinn - Islam web - English"www.islamweb.net। ২১ অক্টোবর ২০০১। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০২০ 
  4. Rayan, Abu। Ruqyah - Islamic Exorcism (ইংরেজি ভাষায়)। Abu Rayan। পৃষ্ঠা 120। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০২০ 
  5. BALI, WAHID ABDULSALAM (২০১৪)। MAN'S PROTECTION AGAINST JINN AND SATAN: وقاية الإنسان من الجن والشيطان إنكليزي/عرب (ইংরেজি ভাষায়)। DMC। পৃষ্ঠা 132। 
  6. Bowen, John R. (২০২০)। Muslims through Discourse: Religion and Ritual in Gayo Society (ইংরেজি ভাষায়)। Princeton University Press। পৃষ্ঠা 167। আইএসবিএন 978-0-691-22158-8। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০২০ 
করা হয়েছে। --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ১৮:২২, ২ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)

সম্পাদনার অনুরোধ, ৮ ডিসেম্বর ২০২০[সম্পাদনা]

জীনদের সঙ্গে সঙ্গম অনুচ্ছেদের শেষের লাইনের আগে নীচের লাইনটি যোগ করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর তার বই রাহে বেলায়েত বইতে বলেছেন যে, দুষ্ট জিনরা মানুষের মনকে প্রভাবিত করার সুযোগ পায়, যখন তা পাপকাজে লিপ্ত অবস্থায় থাকে অথবা কোন গভীর আবেগ যেমন গভীর আনন্দ, গভীর দুঃখ, গভীর ক্রোধ, গভীর হতাশা এবং গভীর যৌন আকাঙ্ক্ষার দশায় থাকে।[১] 103.67.158.37 (আলাপ) ১৮:৫২, ৮ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)

@আফতাবুজ্জামান: 103.134.25.90 (আলাপ) ০৬:৩৮, ২৮ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)

সম্পাদনার অনুরোধ, ২৭ জানুয়ারি ২০২১[সম্পাদনা]

পর্নোগ্রাফি অনুচ্ছেদে এই লেখা যোগ করার অনুরোধ জানাচ্ছিঃ


পর্নোগ্রাফি থেকে রক্ষা পেতে মুহাম্মাদ অনেক দোয়া শিখিয়েছেন, এর মধ্যে দুটি হল:[২]

আহমদ ইব্‌ন হাম্বল (রহঃ) ..... শাক্‌ল্‌ ইব্‌ন হুমায়েদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামের খিদমতে আবেদন করি যে, আমাকে দু’আ শিক্ষা দেন। তখন তিনি বলেনঃ তুমি বল, ইয়া আল্লাহ! আমি কর্ণের অপকর্ম হতে, চোখের দুষ্টামি হতে, যবানের ধৃষ্টতা হতে, কলবের অপসৃষ্টি হতে, বীর্যের অপব্যবহার হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।/হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কানের অশ্লীল শ্রবণ, চোখের কুদৃষ্টি, জিহবার কুবাক্য, অন্তরের কপটতা ও কামনার অনিষ্টতা হতে আশ্রয় চাই। ”।

— আবু দাউদ, ১৫৫১, তিরমিযী, নাসাঈ[২]

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির যাম্বী- ওয়া ত্বহহির ক্বলবী- ওয়া হাছছিন ফারজী- (অর্থ: হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন। আমার অন্তরকে পরিষ্কার করুন এবং আমার চরিত্র রক্ষা করুন।)

— আহমদ (২২২১১) ও আল-তাবারানী। আল -হায়সামী, আল-আলবানী (সিলসিলাহ সহিহাহ ৩৭০)[২]

116.58.201.244 (আলাপ) ১১:৩৭, ২৭ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)

তথ্যসূত্র

  1. Abdullah Zahangir, Khondokar (২০১৩)। Rahe Belayet (PDF) (3rd সংস্করণ)। As-Sunnah Publications। পৃষ্ঠা 581। আইএসবিএন 9789849005315। সংগ্রহের তারিখ ৮ ডিসেম্বর ২০২০ 
  2. Rayan, Abu (২০১৮)। Ruqya: Islamic Exorcism (ইংরেজি ভাষায়)। Klaus Neven। পৃষ্ঠা 82, 83। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০২১ 
@আফতাবুজ্জামান: 103.134.25.90 (আলাপ) ০৬:৩৮, ২৮ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)
X mark.svg করা হয়নি কিসের সাথে কি মিলিয়ে দিলেন! ওখানে লেখা, জিনা থেকে বাচার জন্য মুহাম্মাদ একজনকে ঐ দোয়া পড়তে বলেছেন। আর আপনি বানিয়ে দিলেন "পর্নোগ্রাফি থেকে রক্ষা পেতে মুহাম্মাদ অনেক দোয়া শিখিয়েছেন"(?)। --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ২১:২৬, ২৮ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)
@আফতাবুজ্জামান:, দ্বিতীয় না হলেও প্রথম দোয়াটি নিশ্চই পর্নোগ্রাফি থেকে বাচার দোয়া, পর্নকে আরবিতে বলা হয় ফাহিশা। এখন তাহলে আরও ভালো হয়, দ্বিতিয় অনুচ্ছেদটি আপনি ব্যভিচার ও পরকীয়া অনুচ্ছেদে যুক্ত করে দিন। 103.134.25.90 (আলাপ) ০১:৪৪, ২৯ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)