আলাপ:আবু নছর মোহাম্মদ এহিয়া (খান বাহাদুর)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

একীকরণ[সম্পাদনা]

বেলায়েত ভাই, জিতু মিয়ার বাড়ী এবং আবু নছর মোহাম্মদ এহিয়া (খান বাহাদুর) দুটি আলাদা বিষয়। জিতু মিয়ার বাড়ী নিবন্ধটি হচ্ছে একটি স্থানের (বাড়ী) বর্ণনা এবং আবু নছর মোহাম্মদ এহিয়া নিবন্ধটি হচ্ছে একটি মানুষের জীবনী। তাই আমার মতে দুটিকে একত্র না হোক। --- ইয়াহিয়া (আলাপ) ২০:১১, ৮ ডিসেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)

ইয়াহিয়া, এ দুটো নিবন্ধ এক করার কারণ হল এরা একে অন্যের সাথে সম্পর্কিত। জিতু মিয়াকে সবাই জিতু মিয়ার বাড়ির জন্যেই চেনেন। জিতু মিয়ার মূলত তেমন কোন উল্লেখযোগ্যতা নেই, দর্শনীয় স্থান হিসেবে যতটুকু জিতুমিয়ার বাড়ীর রয়েছে। গুরুত্বের দিক দিয়ে জিতু মিয়ার উপরে আলাদা নিবন্ধ উইকিপিডিয়ায় প্রয়োজন কম। তাই এই নিবন্ধ দুটোকে একত্র করা প্রয়োজন।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১২:৫০, ৯ ডিসেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)
বেলায়েত ভাই, দুটি নিবন্ধ হিসেবেই থাকা উচিৎ বলে আমার মনে হয়। কারন, সিলেটের ব্যক্তিত্ত্ব অংশে আপনি তার নাম দেখতে পাবেন; আবার, দর্শনীয় স্থান হিসেবে তার বাড়ীকেও তালিকায় দেখতে পাবেন। আর আপনি যে প্রসঙ্গ বলেছেন সেক্ষেত্রে বলা যায়, শহীদ সালাম/বরকত/রফিক/শফিক-এদেরকে কি আমরা ভাষা আন্দোলন ছাড়া আর অন্য কোনো কারণে বিশেষ ব্যক্তিত্ত্ব হিসেবে চিনি? ধন্যবাদ।--Ashiq Shawon (আলাপ) ২২:৪৫, ৯ ডিসেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)
আসিক, ভাষা আন্দোলন আর জিতু মিয়ার বাড়ী এ দুটো বিষয় একই রকম নয়। বাড়ীটি জিতু মিয়ার ব্যাক্তিগত সম্পত্তি, আর ভাষা আন্দোলন একটি জাতীয় বিষয়। জিতু মিয়ার বাড়ীর সাথে শুধু জিতু মিয়াই সম্পর্কিত, কিন্তু ভাষা আন্দোলনের সাথে শহীদের ছাড়াও আরও অনেক বিষয় জড়িত রয়েছে। তাই এ দুটো বিষয় এক করে ফেলা কোন কারণ নেই।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ০৪:১৯, ১০ ডিসেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)
বেলায়েত ভাই, আমি কিন্তু ভাষা আন্দোলনের কথা বলিনি; বলেছি সালাম-বরকতের সম্পর্কে। আমরা এখন তাঁদের জীবনী পড়ি; তাঁরা কিন্তু কেবল এই একটি কারণেই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ - এটাই বোঝাতে চেয়েছি আমি। --Ashiq Shawon (আলাপ) ২০:৫৬, ১৫ ডিসেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)
সালাম-বরকত ভাষা আন্দোলনে ভাষার জন্য প্রান দিয়েছেন। জিতু মিয়াতো আর বাড়ির জন্য প্রান দেয়নি। এ দুটো ব্যাপার এক নয়। একটু চিন্তা করুন, আশা করি বুঝতে পারবেন।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ০৫:১৭, ১৬ ডিসেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)