আর্থ্রস্কোপি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

আর্থ্রস্কোপি হল খুবই ক্ষুদ্রায়তনের অস্ত্রোপচার পদ্ধতি যেখানে হাড়ের সংযোগস্থলে খুব ছোট ছিদ্র দিয়ে আর্থ্রোস্কোপ প্রবেশের মাধ্যমে সমস্যা নিরূপণ ও কিছু কিছু সময় ক্ষয়ক্ষতিও সারানো হয়। আর্থ্রোস্কোপ হল এক ধরণের এন্ডস্কোপ বা সিলিন্ডার অথবা টিউবাকৃতির আলোক যন্ত্র বিশেষ, যা হাড়ের সংযোগস্থলের খুব ছোট ছিদ্রের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করানো হয়। হাঁটুর লিগামেন্ট (এন্টেরিওর ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট বা এসিএল) পুনর্গঠনের সময় আর্থস্কোপি করা হয়ে থাকে।

ধরণ[সম্পাদনা]

হাঁটু[সম্পাদনা]

নী আর্থ্রস্কোপি, বা হাঁটুর আর্থ্রস্কোপি অস্ত্রোপচার, এক ধরণের অস্ত্রোপচার যা আরথ্রস্কোপিরমাধ্যমে করা হয়ে থাকে।

এটা পূর্বে ব্যবহৃত আর্থ্রটমি বা ধ্রুপদী মুক্ত অস্ত্রোপচার (ক্লাসিক ওপেন সার্জারী) কে প্রতিস্থাপন করেছে। হাড়ের চিকিৎসার ক্ষেত্রে আর্থ্রস্কোপিক হাঁটুর অস্ত্রোপচার খুবই প্রচলিত একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। প্রতি বছর প্রায় ২০ লক্ষ আর্থ্রস্কোপিক হাঁটুর অস্ত্রোপচার করা হয়। হাঁটুর মেনিসকাসে আঘাতপ্রাপ্তি এবং এসিএল বা হাঁটুর লিগামেন্ট পুনর্গঠনে বহুল ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি হল আর্থ্রস্কোপি।

মধ্যবয়স্ক থেকে বৃদ্ধবয়স্ক লোকের ছিঁড়ে যাওয়া মেনিসকাস অপসারণে যদিও আর্থ্রস্কোপি বহুল ব্যবহৃত হয়, তবুও এর মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফলের উপযুক্ততা সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক প্রমাণের অভাব রয়েছে।

একটি সাধারণ হাঁটুর আর্থ্রস্কোপিক অস্ত্রোপচারে হাঁটুর হাড়ের সংযোগস্থলের খুব ছোট ছিদ্র দিয়ে ফাইবার অপটিক্যাল ক্যামেরা (আর্থ্রস্কোপ) প্রবেশ করানো হয়। ছিদ্রের দৈর্ঘ্য হয় ৪ মিলিমিটার (১/৮ ইঞ্চি)। চাক্ষুষ অনুসন্ধানের জন্য এবং অস্ত্রোপচার চালাবার জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র যন্ত্রপাতি প্রবেশের জন্য আরো বড় ছিদ্র করা হতে পারে।

পশ্চাৎদেশ[সম্পাদনা]

প্রথমদিকে পশ্চাৎদেশের কোন অজানা বা অনির্ণীত ব্যথার পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পশ্চাৎদেশে আর্থ্রস্কোপি করা হত। তবে বর্তমানে পশ্চাৎদেশের হাড়ের সংযোগের ভিতর ও বাহির উভয়ের সমস্যার চিকিৎসায় আর্থ্রস্কোপি বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়।

কাঁধ[সম্পাদনা]

কবজি[সম্পাদনা]

মেরুদন্ড[সম্পাদনা]

চোয়াল ও খুলির সংযোগস্থল[সম্পাদনা]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]