আরব নিউজিল্যান্ডার
| মোট জনসংখ্যা | |
|---|---|
| ১২,০০০[১][২]টেমপ্লেট:তথ্য যাচাইকরণে ব্যর্থ | |
| উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার অঞ্চল | |
| অকল্যান্ড, ওয়েলিংটন, ক্রাইস্টচার্চ | |
| ভাষা | |
| আরবি ভাষা, নিউজিল্যান্ড ইংরেজি | |
| ধর্ম | |
| ৭৫.৭% মুসলমান ৯.৭% খ্রিস্ট ধর্ম ৭.৮% কোন ধর্ম নেই[৩] | |
| সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠী | |
| আরব, আরব প্রবাস, আরব অস্ট্রেলীয়, আরব আমেরিকান, আরব আর্জেন্টাইন, আরব ব্রাজিলীয়, আরব কানাডীয়, আরব মেক্সিকান, ব্রিটিশ আরব, জার্মানিতে আরব |
আরব নিউজিল্যান্ডার বলতে আরব দেশসমূহ, বিশেষ করে লেবানন, সিরিয়া, ফিলিস্তিন, ইরাক এবং জর্ডান এবং এছাড়াও মিশর, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, মরক্কো, লিবিয়া, ইয়েমেন ও সুদান থেকে আসা ছোট গোষ্ঠীভুক্ত মানুষদের বোঝায়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] তারা তাদের মাতৃভূমি থেকে অভিবাসিত হয়ে বর্তমানে নিউজিল্যান্ড-এ বসবাস করছেন। এই শব্দটি প্রবাসী আরবদের বংশধরদেরও বোঝায়, যেমন এশীয় দেশগুলিতে আরব বণিকদের বংশধর এবং তাদের বংশানুক্রমিক উৎস দক্ষিণ আরবীয় দেশ যেমন ইয়েমেন ও ওমান এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলির বণিকদের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। বেশিরভাগ আরব নিউজিল্যান্ডার লেবানিজ এবং ইরাকি বংশোদ্ভূত কারণ তারাই প্রথম আরব যারা নিউজিল্যান্ডে এসেছিলেন। অতএব, একজন আরব নিউজিল্যান্ডার হলেন নিউজিল্যান্ড-এর আরব সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত ঐতিহ্য বা পরিচয় ধারণকারী ব্যক্তি যার পূর্বপুরুষ আরব বিশ্বের অন্তর্ভুক্ত বিশটি দেশের এক বা একাধিক দেশ থেকে আসা বিভিন্ন অভিবাসন তরঙ্গের মাধ্যমে নিউজিল্যান্ডে এসেছেন।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে আরব বিশ্ব থেকে মানুষ নিউজিল্যান্ডে অভিবাসী হতে শুরু করে এবং তাদের মধ্যে লেবাননের লোকেরাই প্রথম।[৪] ১৯৩৬ সালে নিউজিল্যান্ডে ১,২৬১ জন লেবানিজ বংশোদ্ভূত লোক ছিল; অনুমান করা হয় যে ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে লেবানিজ বংশধরদের সংখ্যা ৫,০০০-এ পৌঁছেছিল। এদের অনেকেই দেশের অন্যান্য অংশে স্থানান্তরিত ও স্থানীয় সংস্কৃতিতে মিশে গিয়েছিল।[৪] ১৮৯০-এর দশকে লেবানিজ অভিবাসন বন্ধ এবং ইতিমধ্যেই বসবাসকারীদের পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ করার জন্য আইন প্রবর্তনের একটি প্রচেষ্টা হয়েছিল। এটি সফল প্রমাণিত হয়েছিল এবং এর ফলে লেবানন থেকে খুব কম অভিবাসী এসেছিল।
বর্তমান
[সম্পাদনা]সাম্প্রতিককালে নিউজিল্যান্ডে ইরাকিরা লেবানিজদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে, যাদের সংখ্যা আনুমানিক ১,০০০।[১] ৬,৫০০-এর বেশি ইরাকি প্রধান কেন্দ্রগুলোতে বসতি স্থাপন করেছে এবং তারাই এখন সবচেয়ে বড় আরব অভিবাসী গোষ্ঠী।[২]টেমপ্লেট:তথ্য যাচাইকরণে ব্যর্থ পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে ১৯৯৭ সাল থেকে প্রায় ১৫,০০০ মধ্যপ্রাচ্যীয় অভিবাসী (ফার্সি বংশোদ্ভূত সহ) নিউজিল্যান্ডে এসেছে।[২]টেমপ্লেট:তথ্য যাচাইকরণে ব্যর্থ তবে, জাতিগতভাবে আরব পটভূমির নিউজিল্যান্ডবাসীর সংখ্যা সম্ভবত আরও বেশি, কারণ অনেক অভিবাসীর নিউজিল্যান্ডে সন্তান হয়েছে। এই অভিবাসীদের অনেকেই নিউজিল্যান্ডে বসবাসের জন্য মানবিক শ্রেণীতে প্রবেশ করেছে।
ধর্ম
[সম্পাদনা]লেবানিজরা তাদের সাথে খ্রিস্টান ও মুসলিম উভয় ধর্মবিশ্বাস নিয়ে এসেছিল। তিনটি প্রধান খ্রিস্টান সম্প্রদায় হলো মারোনীয়, প্রাচ্য সনাতন এবং মেলকাইট (গ্রিক ক্যাথলিক)।[৫] তিনটি প্রধান মুসলিম সম্প্রদায় হলো শিয়া, সুন্নি এবং দ্রুজ। তবে অন্যান্য আরবদের মধ্যে অনেকেই মূলত ইসলাম অনুসরণ করে এবং ধারণা করা হয় যে আরব বিশ্ব থেকে আসা মোট অভিবাসীদের অর্ধেকেরও বেশি মুসলিম।
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব
[সম্পাদনা]- ববি চিন, শেফ
- বেন এলিস (রাগবি লিগ) (জন্ম ১৯৮২), প্রাক্তন রাগবি লিগ খেলোয়াড়
- শিরেফি কুরি (আনুমানিক ১৮৬৫–১৯৫০), ব্যবসায়ী
- আসিদ কোরবান (১৯২৫–২০১৮), রাজনীতিবিদ
- জো কারাম (জন্ম ১৯৫১), নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন রাগবি খেলোয়াড়
- রাঙ্গিনুই ওয়াকার (১৯৩২–২০১৬), শিক্ষাবিদ ও লেখক
- আসিদ আব্রাহাম কোরবান (১৮৬৪–১৯৪১), আঙ্গুর চাষী ও ওয়াইন প্রস্তুতকারক
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "Arab, Lebanese in New Zealand"। Joshua Project। ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০১৬।
- 1 2 3 "Residence Decisions by Financial Year" (পিডিএফ)। Immigration New Zealand। ৫ জুন ২০১২। ২৮ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০১৩।
- ↑ "2018 Census ethnic group summaries | Stats NZ"। www.stats.govt.nz। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২২।
- 1 2 Veitch, James; Dalia Tinawi (১৩ জুলাই ২০১২)। "Middle Eastern peoples - Assimilation and recent arrivals"। Te Ara - the Encyclopedia of New Zealand। teara.govt.nz। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০১৬।
- ↑ Veitch, James; Dalia Tinawi (১৩ জুলাই ২০১২)। "Middle Eastern peoples - Christian religions"। Te Ara - the Encyclopedia of New Zealand। teara.govt.nz। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০১৬।