আরবোরেটুম নর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আরবোরেটুম নর
Baggböle herrgård 2011-08-31.jpg
বাগবোলে প্রাসাদ
ধরনআরবোরেটুম ও পাবলিক পার্ক
অবস্থানসুইডেন
স্থানাঙ্ক৬৩°৫০′২৪.৪১″ উত্তর ২০°৬′৫৮.১২″ পূর্ব / ৬৩.৮৪০১১৩৯° উত্তর ২০.১১৬১৪৪৪° পূর্ব / 63.8401139; 20.1161444স্থানাঙ্ক: ৬৩°৫০′২৪.৪১″ উত্তর ২০°৬′৫৮.১২″ পূর্ব / ৬৩.৮৪০১১৩৯° উত্তর ২০.১১৬১৪৪৪° পূর্ব / 63.8401139; 20.1161444
আয়তন২০ একর
নির্মিত১৯৭৫ (1975)
খোলাসারা বছর
ওয়েবসাইটwww.arboretum-norr.se

আরবোরেটুম নর (সুয়েডীয়: Arboretum Norr) বা উত্তর আরবোরেটুম সুইডেনের উমিয়া শহর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত বাগবোলে প্রাসাদের একটি আরবোরেটুম

বর্ণনা[সম্পাদনা]

আরবোরেটুম নর ২০ একর জায়াগার ওপর গড়ে উঠেছে। এই বিশাল অঞ্চলে প্রায় ২৮০ প্রজাতির ১৬০০ ধরনের গাছ আছে। এগুলো ১৯৮১ সাল হতে লাগানো হয়েছে। এগুলো মূলন স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশগুলোর চারাগাছ। এর প্রধান তিনটি উদ্দেশ্যর একটি হল কোন কোন প্রজাতির গুল্মবৃক্ষ চরম আবহাওয়াসম্পন্ন উত্তর স্ক্যান্ডিনেভিয়ারর উত্তর অক্ষাংশে অভিযোজিত হয়ে টিকে থাকতে পারে। পার্কের মাঝের প্রাসাদটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র যা ঊনবিংশ শতাব্দির উপড়ে পড়া গাছগুলোকে করাতকলের জন্য কাজে লাগায়।[১] আরবোরেটুমের অন্য দুটো উদ্দেশ্য হল বৃক্ষ ও গুল্ম সম্পর্কে গবেষণা (ডেনড্রোলজি) চালিয়ে যাওয়া এবং বাগবোলে গ্রামের কাছে একটি পর্যটক আকর্ষণ কেন্দ্র সৃষ্টি করা।[১]

আরবোরেটুম নর

১৯৭৫ সালে উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয়উমিয়ার সুইডীয় কৃষিবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়-এর সাথে একত্রে আরবোরেটুম নর প্রতিষ্ঠিত হয়।[২] বর্তমানে একটি ফাউন্ডেশন কর্তৃক আরবোরেটুম চলছে এবং বিভিন্ন মিউনিসিপ্যালিট, কোম্পানি এবং প্রতিষ্ঠান এরজন্য আর্থিক অবদান রাখছে। এটি উমিয়ার উত্তর কৃষিবিজ্ঞান বিভাগাধীন সুইডেন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত হয়।

প্রাসাদকে ঘিরে উমিয়া নদীর তীরবর্তী প্রায় এক মাইল দীর্ঘ এই পার্ক। বাগবোলে প্রাসাদ পৃথক বাণিজ্য হিসেবে পরিচালিত হওয়া ছাড়াও একটি সম্মেলন কেন্দ্র এবং রেস্তঁরা হিসেবেও পরিচালিত হয়।[১] উরে নদীর উত্তর তীরে এটি অবস্থিত (র্যাপিড থেকে)[৩]

২০১৪ সালে পার্কটি চারটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের একটি হিসেবে স্বীকৃতি পায় যেগুলো "ফোর্টফ্লাইটনিঙ্গার" ("আন্দোলন") এর অংশ হিসেবে নকশা করা হয়েছিল। এই প্রজেক্টটি তিনজন শিল্পীর মাধ্যমে পরিচালিত হয় যারা শিল্পের সাথে প্রকৃতির সম্পর্ক ঘটাতে চেয়েছিলেন। ২০১৪ সালে উমিয়াকে ইউরোপের সাংস্কৃতিক রাজধানী করায় এটি আর্থিক বৃত্তি লাভ করে।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Welcome to the Arboretum North!, arboretun-norr.se, retrieved 7 May 2014
  2. "7 Aboretum Norr"। Digital Umeå। ৩১ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০১৪ 
  3. Arboretum North, umea.se, retrieved 7 May 2014
  4. Art project combines art and nature, Umea2014, retrieved 7 May 2014