আরতি রানা
আরতি রানা | |
|---|---|
| জন্ম | আনু. ১৯৭৬ |
| পেশা | সামাজিক উদ্যোক্তা |
| পরিচিতির কারণ | মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠী |
আরতি রানা (জন্ম আনু. ১৯৭৬) একজন ভারতীয় সামাজিক উদ্যোক্তা। তিনি সহযোগী থারু মহিলাদের হস্তশিল্প তৈরি এবং বিক্রি করার জন্য দল গঠন করতে সাহায্য করেন। ২০২২ সালে, তিনি ভারতের নারীদের জন্য সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার, নারী শক্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন।
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]আরতি রানা ১৯৭৬ সাল নাগাদ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন থারু মহিলা। তিনি দুধওয়া টাইগার রিজার্ভ এবং নেপাল সীমান্তের কাছে তরাইতে বাস করেন।[১] জাতীয় গ্রামীণ জীবিকা মিশনের অধীনে, তিনি কার্পেট, ঝুড়ি এবং ব্যাগের মতো জিনিসপত্র তৈরির জন্য গৌতম স্ব-কর্মসংস্থান স্থাপন করেছিলেন।[১] গোষ্ঠীটি মুঞ্জ ঘাস এবং পাটের মতো উপকরণ নিয়ে কাজ করত।[২][৩]

২০১৬ সালের মধ্যে, আরতি প্রায় ৮০০ জন থারু মহিলাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন।[৪] এরপর ব্যবসা প্রসারিত হয় এবং ২০২২ সালের মধ্যে তিনি হস্তশিল্প তৈরির জন্য শত শত মহিলাকে নিয়োগ করেন।[১] তিনি স্বনির্ভর গোষ্ঠী থারু হাত করগাঘরেলু উদ্যোগ-এর সভাপতি ছিলেন। এই সংস্থা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফাণ্ড ফর নেচার থেকে সহায়তা পেয়েছিল। যাতে তাঁর তাঁতগুলি আরও কার্যকর হয়ে ওঠে।[৫] ২০১৯ সালে, থারু ঐতিহ্য সম্পর্কে পর্যটকদের অবহিত করার জন্য এবং স্থানীয় পণ্য বিক্রির জন্য দুধওয়া টাইগার রিজার্ভে একটি দর্শনার্থী কেন্দ্র তৈরির ঘোষণা করা হয়েছিল; আরতি এই প্রকল্পের অন্যতম সমন্বয়কারী ছিলেন।[৬]
পুরস্কার এবং স্বীকৃতি
[সম্পাদনা]আরতি তাঁর উদ্যোগের জন্য ২০১৬ সালে রানী লক্ষ্মীবাঈ সাহসিকতা পুরস্কার এবং গ্রাম স্বরাজ পুরস্কার লাভ করেন।[১][৪]
২০২২ সালে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে, সামাজিক উদ্যোক্তা হিসেবে আরতি ভারতের নারীদের জন্য সর্বোচ্চ পুরস্কার,[৭] নারী শক্তি পুরস্কার,[১] পেয়েছিলেন। যা ২০২০ সালে ভারতে কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হয়েছিল।[৭]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 "President fetes Kheri tribal woman with Nari Shakti Award"। Hindustan Times (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ মার্চ ২০২২। ৯ মার্চ ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০২২।
- ↑ "'Vocal for Local': UPIDR helps local women weavers, artisans gain global exposure"। Business Today (ইংরেজি ভাষায়)। ৯ জানুয়ারি ২০২২। ১০ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০২২।
- ↑ "Skilled artisans who don't know where to sell products"। Hindustan Times। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০২২।
- 1 2 "Meet Rani Laxmi Bai awardees, the women who won't give up"। Hindustan Times (ইংরেজি ভাষায়)। ৯ মার্চ ২০১৬। ৩০ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০২২।
- ↑ "Women weavers from Dudhwa Tiger Reserve profit from technological interventions for their looms"। India Education। ২ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৫ জুন ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০২২।
- ↑ Singh, Kanwardeep (২৬ ডিসেম্বর ২০১৯)। "Now, enjoy rich Tharu tradition, food near Dudhwa Tiger Reserve"। The Times of India (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০২২।
- 1 2 Rumi, Faryal। "Bhojpur Entrepreneur Among 29 Feted"। The Times of India (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০২২।