আরওয়া দু টেনেরে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: ১৭°৪৫′০০″ উত্তর ১০°০৪′০০″ পূর্ব / ১৭.৭৫০০০° উত্তর ১০.০৬৬৬৭° পূর্ব / 17.75000; 10.06667

আরওয়া দু টেনেরে (১৯৬১)

ল'আরওয়া দু টেনেরে বা টেনেরে বৃক্ষ (ফরাসি: Arbre du Ténéré বা ইংরেজি: Tree of Ténéré) ছিল বাবলা[১] বা একাশিয়াজাতীয়[২] এক ধরনের বৃক্ষ। নাইজারের সাহারা মরুভূমির বুকে জন্ম নেওয়া ওটাই ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে নিঃসঙ্গ গাছ[৩] এবং একাশিয়া গোত্রের এ গাছটিই ছিল সম্ভবত ওই প্রজাতির শেষ বংশধর। এর আশেপাশে ৪০০ কি.মি. এর মধ্যে কোন গাছ ছিল না। এই গাছের শিকর মাটির গভীরে প্রায় ৩৬ মিটার বা ১২০ ফুট পর্যন্ত নেমে গিয়েছিল। ১৯৭৩ সালের ৮ নভেম্বর এক লিবীয় ট্রাক ড্রাইভার ট্রাক দিয়ে ধাক্কা দিলে গাছটি ভেঙ্গে যায়।

ধংস্ব ও স্থানান্তর[সম্পাদনা]

গাছটির ধাতব স্থাপনা (১৯৮৫)

১৯৭৩ সালে এক মাতাল লিবীয় ট্রাক ড্রাইভার ট্রাক দিয়ে ধাক্কা দিলে গাছটি ভেঙ্গে যায়। এরপর ৮ নভেম্বর, ১৯৭৩ সালে এই গাছটিকে নাইজেরিয়ার জাতীয় জাদুঘরে নিয়ে যাওয়া হয়।[৪] বর্তমানে গাছটির জায়গায় গাছের স্মৃতি রক্ষার্থে একটি ধাতব স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Riedacker, A. (১৯৯৩)। Physiologie des arbres et arbustes en zones arides et semi-arides: séminaire, Paris-Nancy, 20 mars-6 avril 1990 (French ভাষায়)। John Libbey Eurotext। পৃ: ৪০৬। আইএসবিএন 2-7420-0019-4। সংগৃহীত ২০০৯-০৮-১১। "L'Hote (1961) note dans son article sur l'arbre du Ténéré (Acacia raddiana) que l'on aurait retrouvé ses racines à 30 métres de profondeur."  একের অধিক |author= এবং |last= উল্লেখ করা হয়েছে (সাহায্য)
  2. Le Roy, Robert (১৯৯৮)। Méhariste au Niger: souvenirs sahariens (French ভাষায়)। Karthala Editions। পৃ: ১০৮। আইএসবিএন 2-86537-778-4। সংগৃহীত ২০০৯-০৮-১১। "It avait fallu à cet acacia tortilis une belle vigueur et une fameuse chance pour subsister là, seul, jusqu'à élever son feuillage hors de portée des gazelles."  একের অধিক |author= এবং |last= উল্লেখ করা হয়েছে (সাহায্য)
  3. Wagensonner, Eric (২০০৭-০১-১৫)। "Eastern Mali to Niger to Timbuktu - 2-19 September 06"Border-Crossings  একের অধিক |author= এবং |last= উল্লেখ করা হয়েছে (সাহায্য)
  4. L'Arbre du Ténéré, Part 2

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]