আমেরিকান ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি
ওয়াশিংটন, ডিসির মাউন্ট ভারনন ট্রায়াঙ্গেল-এ এআইপ্যাক সদর দপ্তর | |
| প্রতিষ্ঠাকাল | ১৯৫৪[১] |
|---|---|
| 53-0217164[২] | |
| আইনি অবস্থা | ৫০১(সি)(৪) সংগঠন |
| সদরদপ্তর | ওয়াশিংটন, ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র[২] |
| স্থানাঙ্ক | ৩৮°৫৪′০২″ উত্তর ৭৭°০০′৫৩″ পশ্চিম / ৩৮.৯০০৪৬৭৬° উত্তর ৭৭.০১৪৬৫৭৬° পশ্চিম |
| মাইকেল টুচিন[২] | |
| বেটসি বার্নস কর্ন[২] | |
| এলিয়ট ব্র্যান্ডট[৩] | |
| সহায়করা | ২৫১ ম্যাসাচুসেটস অ্যাভিনিউ এলএলসি, আমেরিকান ইসরায়েল এডুকেশন ফাউন্ডেশন, এআইপ্যাক-এআইইএফ ইসরায়েল আরএ, এআইপ্যাক-প্যাক, ইউনাইটেড ডেমোক্রেসি প্রজেক্ট[২] |
আয় (২০২২–২৩) | $৭৯,৪০১,০০৪[২] |
| ব্যয় (২০২২–২৩) | $৮৩,০৮১,০৬২[২] |
| ভাতা প্রদান | $১০,৫১৬,২৩২[২] |
কর্মী সংখ্যা (২০২২) | ৩৭৬[২] |
স্বেচ্ছাকর্মী (২০২২) | ৪৭[২] |
| ওয়েবসাইট | aipac |
প্রাক্তন নাম | আমেরিকান জায়নিস্ট কমিটি ফর পাবলিক অ্যাফেয়ার্স |
| প্রতিষ্ঠাকাল | ১৯৯০ |
|---|---|
| 52-1623781[৪] | |
| আইনি অবস্থা | ৫০১(সি)(৩) সংগঠন |
আয় (২০২২–২৩) | $৬৯,৯৮৫,০৮৮[৪] |
| ব্যয় (২০২২–২৩) | $৫২,২০৩,৫৬৯[৪] |
| ভাতা প্রদান | $৫৬,১৪৭,৩৩৬[৪] |
কর্মী সংখ্যা (২০২২) | ০[৪] |
স্বেচ্ছাকর্মী (২০২২) | ২০[৪] |
| প্রতিষ্ঠাকাল | ২০২১ |
|---|---|
| নিবন্ধন নং | C00797670 |
| আইনি অবস্থা | রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি |
| অবস্থান |
|
কোষাধ্যক্ষ | জাস্টিন ফিলিপস |
| ফেডারেল ইলেকশন কমিশন[৫] | |
আমেরিকান ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি (এআইপ্যাক /ˈeɪpæk/ AY-pak) হলো একটি প্রো-ইসরায়েল লবিং সংস্থা, যা যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতা ও নির্বাহী শাখার কাছে ইসরায়েলের পক্ষে নীতিগত সমর্থনের জন্য প্রচার করে থাকে।[৬] এটি যুক্তরাষ্ট্রে সক্রিয় কয়েকটি প্রো-ইসরায়েল লবিং সংস্থার একটি,[৭] এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রভাবশালী লবিং গোষ্ঠীগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত।[৮]
এআইপ্যাক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৪ সালে আইজায়াহ এল. কেনেন নামের এক ইসরায়েলি সরকারের লবিস্টের মাধ্যমে,[৯][১০] যা ইসরায়েলের কিবিয়া হত্যাকাণ্ডের পর আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার জবাবে একটি নেতিবাচক ইমেজ প্রতিহত করার লক্ষ্যে গঠিত হয়েছিল।[১] ১৯৮০-এর দশকে এআইপ্যাক সর্বাধিক প্রভাবশালী সংস্থা হিসেবে আবির্ভূত হয়।[১১]
২০০২ সালে, এআইপ্যাক যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে ইরাক যুদ্ধের জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন চেয়ে লবিং করে,[১২] এবং ২০০৩ সালে, এআইপ্যাকের অনুষ্ঠানে ইরাক যুদ্ধকে সমর্থন জানানো হয়।[১৩][১৪][১৫] ২০০৫ সালে, পেন্টাগনের এক বিশ্লেষক যুক্তরাষ্ট্রের গোপন তথ্য এআইপ্যাকের দুই শীর্ষ কর্মকর্তার কাছে সরবরাহ করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন; এ ঘটনাটি এআইপ্যাক গুপ্তচর কেলেঙ্কারি হিসেবে পরিচিত।[১৬]
২০২১ সালের আগে পর্যন্ত, এআইপ্যাক নিজে রাজনৈতিক প্রার্থীদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করত না; বরং সদস্যরা বিভিন্ন রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটির মাধ্যমে অনুদান দিতেন।[১৭] কিন্তু ২০২১ সালের শেষদিকে, সংগঠনটি নিজস্ব রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি গঠন করে এবং একটি সুপার প্যাক গঠনের ঘোষণাও দেয়।[৫][১৮][১৯] সমালোচকদের দাবি, এআইপ্যাক ইসরায়েল সরকারের এজেন্টের মতো কাজ করে এবং যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে প্রভাব বিস্তার করে থাকে।[২০] সংগঠনটি ইসরায়েলের লিকুদ পার্টি এবং যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখে বলে অভিযোগ করা হয়, যদিও এআইপ্যাকের মুখপাত্র একে "দুরভিসন্ধিপূর্ণ ভুল উপস্থাপন" বলে অভিহিত করেছেন।[১৭][২১]
এআইপ্যাক নিজেকে একটি দ্বিদলীয় (বাইপার্টিজান) সংগঠন হিসেবে বর্ণনা করে।[২২] এআইপ্যাকের দাবি অনুযায়ী, সংগঠনটির সদস্য সংখ্যা ৩০ লক্ষাধিক,[২৩] রয়েছে ১৭টি আঞ্চলিক দপ্তর এবং এক বিশাল দানদাতা নেটওয়ার্ক।[১৭] সংগঠনটির বার্ষিক সম্মেলনে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি দ্বিদলীয় চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়। যেমন ২০১৬ সালে সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন ডেমোক্র্যাট হিলারি ক্লিনটন ও রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প।[২৪][২৫] তবে সমালোচকেরা দাবি করেন, এআইপ্যাক মার্কিন ইহুদিদের বৃহত্তর অংশের প্রতিনিধিত্ব করে না এবং শুধু ডানপন্থী ইসরায়েলি নীতি ও মতাদর্শকেই সমর্থন করে।[২৬][২৭]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]গঠন (১৯৫৩–১৯৭০-এর দশক)
[সম্পাদনা]সাংবাদিক ও আইনজীবী আইজায়াহ এল. কেনেন আমেরিকান জায়নিস্ট কাউন্সিল (AZC)-এর একটি লবিং শাখা হিসেবে আমেরিকান জায়নিস্ট কমিটি ফর পাবলিক অ্যাফেয়ার্স (AZCPA) প্রতিষ্ঠা করেন, এবং ১৯৫৪ সালে এই দুটি সংস্থা পৃথক হয়।[১] কেনেন, যিনি ইসরায়েলি সরকারের একজন লবিস্ট ছিলেন,[১০] আগে ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজ করতেন। একজন লবিস্ট হিসেবে, কেনেন AZC-এর প্রচলিত জনসংযোগ কৌশলের বাইরে গিয়ে ঐতিহ্যগতভাবে অ-জায়নিস্ট গোষ্ঠীগুলোর মধ্যেও ইসরায়েলের জন্য সমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা করেন। ১৯৫৩ সালের অক্টোবর মাসে কিবিয়া হত্যাকাণ্ডে আন্তর্জাতিকভাবে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার জবাবে নতুন এই সংস্থাটি গঠিত হয়। ওই হত্যাকাণ্ডে এরিয়েল শ্যারন-এর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েলি সেনারা অন্তত ৬৯ জন ফিলিস্তিনি গ্রামবাসীকে হত্যা করে, যাদের দুই-তৃতীয়াংশই নারী ও শিশু ছিল।[১] তখন আইজেনহাওয়ার প্রশাসন সন্দেহ করেছিল যে AZC ইসরায়েল সরকার থেকে অর্থ পাচ্ছে, ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে লবিং কার্যক্রমকে একটি আলাদা আর্থিক কাঠামোসহ পৃথক সংস্থায় স্থানান্তর করা উচিত।[১]
১৯৫৯ সালে AZCPA-এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় আমেরিকান-ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি (AIPAC), যাতে এর বিস্তৃত সদস্যপদ ও উদ্দেশ্য প্রতিফলিত হয়।[১১][২৮] কেনেন ১৯৭৪ সালে অবসর নেওয়া পর্যন্ত সংস্থাটির নেতৃত্ব দেন। তাঁর উত্তরসূরি হন মরিস জে. আমিটে।[২৯] বিশ্লেষক এম. জে. রোজেনবার্গ-এর মতে, কেনেন ছিলেন "একজন সাচ্চা উদারপন্থী", যিনি রাজনৈতিক প্রচারে অনুদান বা নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে সমর্থন আদায়ে আগ্রহী ছিলেন না, বরং তিনি বলেছিলেন, "আমাদের হাতে যেটুকু আছে, সেটুকু নিয়েই খেলতে হবে।"[৩০]
উত্থান (১৯৭০-এর দশক থেকে ১৯৮০-এর দশক)
[সম্পাদনা]১৯৭০-এর দশক নাগাদ, কনফারেন্স অব প্রেসিডেন্টস অব মেজর আমেরিকান জিউইশ অর্গানাইজেশনস ও এআইপ্যাক ইসরায়েল-সম্পর্কিত লবিং কার্যক্রমের সামগ্রিক দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নেয় আমেরিকান ইহুদি সম্প্রদায়ের পরিপ্রেক্ষিতে। নির্বাহী শাখার সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্ব ছিল কনফারেন্স অব প্রেসিডেন্টস-এর, আর আইনসভা শাখার সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করত এআইপ্যাক। যদিও ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এআইপ্যাক পর্দার আড়ালে কার্যকর ভূমিকা রাখছিল, তবু ১৯৭৩ সালের যম কিপুর যুদ্ধের পরবর্তী ১৫ বছরে এটি একটি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হয়।[১১]
সাবেক ইসরায়েলি কূটনীতিক মাইকেল ওরেন-এর মতে, ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে এআইপ্যাক এমন আর্থিক ও রাজনৈতিক প্রভাব অর্জন করে, যা কংগ্রেসের মতপ্রকাশকে প্রভাবিত করার মতো ছিল।[৩১] এ সময়ে সংগঠনটির বাজেট ১৯৭৩ সালের $৩,০০,০০০ থেকে বেড়ে ১৯৮০-এর দশকের শেষভাগে সর্বোচ্চ প্রভাবের সময়ে $৭ মিলিয়নেরও বেশি হয়ে যায়। যেখানে কেনেন এসেছিলেন জায়নবাদী আন্দোলন থেকে এবং শুরুতে কর্মীরা ছিলেন দীর্ঘদিনের ইহুদি সম্প্রদায়ভুক্ত কর্মী, সেখানে পরবর্তীতে এআইপ্যাক রূপান্তরিত হয় একটি ওয়াশিংটন-ভিত্তিক লবিং ও পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানে। এ সময়ে নেতৃত্ব ও কর্মীরা নিয়োগ পেতেন আইনসভা বা ফেডারেল প্রশাসনের অভিজ্ঞ লোকদের মধ্য থেকে।[১১] কংগ্রেসের উভয় কক্ষ থেকে বিরোধিতার মুখে, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি জেরাল্ড ফোর্ড তার "পুনর্মূল্যায়ন" নীতি বাতিল করতে বাধ্য হন।[৩১] জর্জ লেঙ্কজোস্কি-ও এআইপ্যাকের উত্থানকে ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ের সঙ্গেই যুক্ত করেন: "এই সময়টি (জিমি কার্টার প্রশাসন) এআইপ্যাকের জোরালোভাবে আবির্ভাবের সঙ্গে মিলে যায়, যা মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক মার্কিন নীতিতে এক প্রধান শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।"[৩২]
১৯৮০ সালে, থমাস ডাইন এআইপ্যাকের নির্বাহী পরিচালক নিযুক্ত হন এবং তিনি সংগঠনের গ্রাসরুট আন্দোলন চালু করেন। ১৯৮০-এর দশকের শেষভাগে এআইপ্যাকের পরিচালনা পর্ষদ কার্যত নিয়ন্ত্রণ করতেন চারজন সফল ব্যবসায়ী—মায়ার (বুব্বা) মিচেল, এডওয়ার্ড লেভি, রবার্ট অ্যাশার, এবং ল্যারি ওয়েইনবার্গ।[৩৩]
১৯৮০-এর দশকের গোড়ার দিকে এআইপ্যাক দুটি বড় রাজনৈতিক বিজয় অর্জন করে, যার ফলে প্রার্থীদের কাছে এটি "উপেক্ষা করার মতো নয়" এমন একটি সংগঠনে পরিণত হয় এবং পরবর্তী তিন দশকে একটি "দৃঢ় প্রো-ইসরায়েল" কংগ্রেসের ভিত্তি স্থাপন করে।[৩৪] ১৯৮২ সালে, স্কোকি, ইলিনয়ে এআইপ্যাক-সম্পৃক্ত কর্মীরা মার্কিন প্রতিনিধি পল ফিন্ডলে (রিপাবলিকান–ইলিনয়)-কে পরাজিত করার জন্য রিচার্ড ডারবিনকে সমর্থন দেন। ফিন্ডলে পিএলও নেতা ইয়াসির আরাফাতের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছিলেন। ১৯৮৪ সালে, সিনেট পররাষ্ট্র সম্পর্ক কমিটির তৎকালীন চেয়ারম্যান এবং সৌদি আরবকে উন্নত AWACS বিমান বিক্রয়ের চুক্তির সমর্থক সেনেটর চার্লস এইচ. পার্সি (রিপাবলিকান–ইলিনয়) পরাজিত হন ডেমোক্র্যাট পল সাইমনের কাছে। শিকাগোতে এআইপ্যাক বোর্ড সদস্য রবার্ট অ্যাশার সাইমনকে পার্সির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে অনুরোধ করেন।[৩৪]
সমসাময়িক সময়কাল (১৯৮০-এর দশকের পরবর্তী সময়)
[সম্পাদনা]২০০৫ সালে, পেন্টাগনের বিশ্লেষক লরেন্স ফ্রাঙ্কলিন মার্কিন সরকারের গোপন তথ্য এআইপ্যাকের নীতিনির্ধারণ পরিচালক স্টিভ জে. রোজেন এবং এআইপ্যাকের সিনিয়র ইরান বিশ্লেষক কিথ ওয়েইসম্যান-এর কাছে সরবরাহ করার দায়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। এই ঘটনা এআইপ্যাক গুপ্তচর কেলেঙ্কারি হিসেবে পরিচিত। পরবর্তীতে রোজেন ও ওয়েইসম্যানকে এআইপ্যাক থেকে বরখাস্ত করা হয়।[১৬] ২০০৯ সালে, এআইপ্যাকের সাবেক এই দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করা হয়।[৩৫]
২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে, মার্কিন কংগ্রেসের নবনির্বাচিত প্রতিনিধি ইলহান ওমর (ডেমোক্র্যাট–মিনেসোটা), যিনি রশিদা তালিবের সঙ্গে কংগ্রেসের প্রথম দুই মুসলিম নারীর একজন, এক টুইটে লিখেন যে, হাউজ সংখ্যালঘু নেতা কেভিন ম্যাকার্থির (রিপাবলিকান–ক্যালিফোর্নিয়া) ইসরায়েল-সমর্থন “সবই বেনজামিনস নিয়ে” (অর্থাৎ অর্থসম্পর্কিত)।[৩৬] পরদিন তিনি পরিষ্কার করেন যে, তাঁর মন্তব্যের লক্ষ্য ছিল এআইপ্যাক।[৩৭] ওমর পরে দুঃখ প্রকাশ করলেও আরও একবার বক্তব্য দেন, যেখানে তিনি বলেন, “দেশে এমন রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে, যা বলে দেয় বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যের জন্য চাপ দেওয়া ঠিক।” তাঁর এই বক্তব্য এআইপ্যাক সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে, তবে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রগতিশীল অংশের মধ্যে এটি ব্যাপক সমর্থনও পায় এবং মার্কিন রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের বিতর্ককে পুনরুজ্জীবিত করে যে, এআইপ্যাক কি মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে অতিরিক্ত প্রভাব রাখছে কি না।[৩৪] এটি প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে প্রো-ইসরায়েল সংগঠনগুলোর সম্পর্কেও উত্তেজনা সৃষ্টি করে।[৩৭]
২০১৯ সালের ৬ মার্চ, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি পরিষদ-এ ডেমোক্র্যাটিক নেতৃত্ব একটি প্রস্তাব উত্থাপন করে যা অ্যান্টি-সেমিটিজম (ইহুদিবিদ্বেষ) নিন্দা করে। পরবর্তীতে সেটি সম্প্রসারিত করে বিভিন্ন ঘৃণার বিরুদ্ধে সাধারণ নিন্দা হিসেবে পাস হয় ৭ মার্চ তারিখে।[৩৮][৩৯]
২০২৪ সালের আগস্টে, ওয়াশিংটন, ডিসিতে অবস্থিত এআইপ্যাক সদর দপ্তরে ইসরায়েলবিরোধী কর্মীরা ভাঙচুর চালায়।[৪০][৪১]
উদ্দেশ্য, কার্যক্রম, পরিসর ও সাফল্য
[সম্পাদনা]এআইপ্যাকের ঘোষিত উদ্দেশ্য হলো মার্কিন কংগ্রেসে ইসরায়েল সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় ও আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে লবিং করা। এআইপ্যাক নিয়মিতভাবে কংগ্রেস সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করে এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, যেখানে তারা নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।
পরিসর
[সম্পাদনা]২০১৯ সালের শুরুর দিকে, এআইপ্যাকের ১৭টি আঞ্চলিক ও স্যাটেলাইট অফিস ছিল এবং ওয়াশিংটন ডিসির কে স্ট্রিটে নতুন সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়েছিল।[৩৪] ২০১৮ সালে, এআইপ্যাক লবিং কার্যক্রমে ৩.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করে, যা বিদেশনীতি সংশ্লিষ্ট লবিং খাতে তুলনামূলকভাবে বড় অঙ্ক (এই পরিমাণ জে স্ট্রিটের লবিং ব্যয়ের ১০ গুণেরও বেশি),[৩৭] তবে OpenSecrets অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ ১৫টি শিল্প-লবিং গোষ্ঠী প্রত্যেকেই ১৫ মিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করেছিল, ফলে এআইপ্যাক তাদের তুলনায় কম ব্যয় করেছে।[৪২] তবে শুধু অর্থমূল্য তুলনা না করে অনেক বিশ্লেষক উল্লেখ করেছেন, এআইপ্যাকের একটি “স্বতন্ত্র মডেল” রয়েছে, যেখানে তারা রাজনৈতিকভাবে "দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা" রয়েছে এমন প্রার্থীদের ক্যারিয়ারের প্রারম্ভেই সমর্থন দিতে শুরু করে।[৪২]
এআইপ্যাক বিভিন্ন “অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব বিস্তারের উপায়েও” ব্যয় করে, যার মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস সদস্যদের জন্য বিলাসবহুল ফ্লাইট ও থাকার ব্যবস্থা।[৩৭] এছাড়াও, এআইপ্যাকের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি, যারা মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে রাজনৈতিক প্রচারে অংশগ্রহণ করে থাকে।[৪৩][৪৪]
নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সমর্থন সৃষ্টি
[সম্পাদনা]
থমাস ডাইন কংগ্রেসের প্রতিটি সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। আমেরিকান ইহুদিরা, যাঁরা এআইপ্যাক সদস্যতার “মূল চালিকাশক্তি”,[৪৫] তারা যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যার ৩ শতাংশেরও কম এবং মাত্র নয়টি অঙ্গরাজ্যে ঘনীভূত ছিল।[৪৬] বর্তমানে, প্রতি বছর হাজার হাজার এআইপ্যাক সমর্থক ওয়াশিংটন, ডিসিতে অনুষ্ঠিত বার্ষিক পলিসি কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেন। দানদাতারা ও ভিআইপিরা কনফারেন্সের শেষ রাতে আয়োজিত লিডারশিপ রিসেপশনে আমন্ত্রিত হন, যেখানে শতাধিক কংগ্রেস সদস্য উপস্থিত থাকেন।[৪৭]
এআইপ্যাক প্রতিটি কংগ্রেসনাল জেলায় “ককাস” তৈরি করেছে, যেখানে সংগঠনের কর্মীরা স্থানীয় ইহুদি সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে, সম্প্রদায়টি যত ছোটই হোক না কেন। নির্বাচনী এলাকা অনুযায়ী অনুদান সংগ্রহ করে তা প্রার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়, যেখানে তা কার্যকর হবে বলে মনে করা হয়। সাংবাদিক কনি ব্রাকের মতে, ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে, এমন “ডজনখানেক” রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি ছিল যেগুলোর সঙ্গে এআইপ্যাকের আনুষ্ঠানিক কোনো সম্পর্ক ছিল না, কিন্তু যাদের নেতারা প্রায়শই এআইপ্যাক সদস্য ছিলেন।[৪৬] দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ১৯৮৭ সালে কমপক্ষে ৮০টি প্রো-ইসরায়েল প্যাকের মধ্যে ৫১টি এআইপ্যাক কর্মকর্তারা পরিচালনা করতেন।[৪৮][৪৯] কিছু কমিটি, যেমন ফ্লোরিডা কংগ্রেশনাল কমিটি, নিউ জার্সির NORPAC, শিকাগোর আশপাশের To Protect Our Heritage PAC, এবং বাল্টিমোরসংলগ্ন মেরিল্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন ফর কনসার্নড সিটিজেনস—এআইপ্যাক থেকে স্বাধীনভাবে পরিচালিত হলেও, তাদের উদ্দেশ্য ও সদস্যতা সংগঠনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।[৩৪]
দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, এআইপ্যাকের ওয়েবসাইটে কংগ্রেস সদস্যরা সংগঠনের প্রধান ইস্যুগুলোতে কীভাবে ভোট দিয়েছেন, তা বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়। এছাড়া তাদের প্রকাশিত সাময়িকী AIPAC Insider ঘনিষ্ঠ নির্বাচনী লড়াইগুলো বিশ্লেষণ করে এবং তা হাজারো সম্ভাব্য দাতার দ্বারা পর্যবেক্ষিত হয়। অ-দলীয় সংস্থা OpenSecrets অনুযায়ী, ১৯৯০ সাল থেকে প্রো-ইসরায়েল স্বার্থে ব্যক্তিগত, গোষ্ঠীগত এবং সফট মানি হিসেবে ৫৬.৮ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেওয়া হয়েছে ফেডারেল প্রার্থীদের ও পার্টি কমিটিগুলোর কাছে। ২০০০ থেকে ২০০৪ সালের নির্বাচন পর্যন্ত, এআইপ্যাক বোর্ডের ৫০ জন সদস্য গড়ে প্রত্যেকে $৭২,০০০ করে রাজনৈতিক প্রচার ও অ্যাকশন কমিটিতে দান করেছিলেন।[১৪] ডাইনের মতে, ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে এআইপ্যাক সদস্যদের দান অনেক সময় “একটি সাধারণ কংগ্রেসীয় প্রচারের বাজেটের প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ” পর্যন্ত হতো।[১৭]
এআইপ্যাক নিম্নলিখিত উপায়ে আইনপ্রণেতাদের উপর প্রভাব বিস্তার করে:
- কংগ্রেস সদস্যদের সঙ্গে মিল রেখে এআইপ্যাক সদস্যদের জোড়া লাগানো।[৫০] সাংবাদিক শেরিল গে স্টলবার্গ এই ব্যবস্থা—"কি-কন্টাক্ট"—কে এআইপ্যাকের "গোপন অস্ত্র" বলে আখ্যায়িত করেন এবং জানান, থমাস ডাইন বলেছেন এআইপ্যাকের অফিস প্রত্যেক সিনেটরের জন্য "পাঁচ থেকে পনেরো" কি-কন্টাক্ট ব্যবহার করতে পারে, এমনকি "দুর্বিনীত" সদস্যদের ক্ষেত্রেও।[৩৪]
- আইনপ্রণেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জন্য ইসরায়েল ভ্রমণের ব্যবস্থা করা, যেখানে সমস্ত ব্যয় এআইপ্যাকের দাতব্য শাখা *আমেরিকান ইসরায়েল এডুকেশন ফাউন্ডেশন* বহন করে।[৫১] কংগ্রেস সদস্যদের জন্য এই ভ্রমণগুলো প্রায় এক প্রকার প্রথাগত হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০০৫ সালেই ১০০ জনের বেশি কংগ্রেস সদস্য ইসরায়েল ভ্রমণ করেন, কেউ কেউ একাধিকবার।[৫২]
- ছাত্রনেতাদের, যেমন ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতিদের, সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলা।[৫৩] যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তারা "রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ" প্রদান করে, যার উদ্দেশ্য—"শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাইরের ছাত্রদের মধ্যে একটি শক্তিশালী প্রো-ইসরায়েল আন্দোলন গড়ে তোলা"।[৫৪]
- যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি সহানুভূতি গড়ে তোলা।[৫৫]
এআইপ্যাক নির্ভরযোগ্য বিদ্যমান প্রার্থীদের সমর্থন করে এসেছে—যেমন, রিপাবলিকান সেনেটর লোয়েল পি. ওয়েইকার জুনিয়র (কনেকটিকাট)—এমনকি প্রার্থীর বিরোধী ইহুদি হলেও। একইভাবে, সংগঠনটি ইসরায়েল-বিরোধী হিসেবে পরিচিত প্রার্থী (যেমন প্রতিনিধি পল ফিন্ডলে) বা যাদের ইসরায়েল বিষয়ে সহানুভূতি নেই বলে মনে করা হয় (যেমন সেনেটর চার্লস এইচ. পার্সি)—তাদের পরাজিত করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে।[১৭] তবে ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য জ্যান শাকাওস্কি (ইলিনয়), যিনি এআইপ্যাকের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন এবং এআইপ্যাক সদস্যদের কাছ থেকে প্রচার অনুদানও পেয়েছিলেন, ২০১০ সালের পুনর্নির্বাচনে সংগঠনটির বিরোধিতার মুখে পড়েন, কারণ তিনি জে স্ট্রিট-এর সমর্থন গ্রহণ করেছিলেন।[১৭]
সাবেক প্রতিনিধি ব্রায়ান বেয়ার্ড (ডেমোক্র্যাট–ওয়াশিংটন) বলেন, “যে কোনো কংগ্রেস সদস্য জানে, এআইপ্যাকের সঙ্গে থাকলে প্রচারণায় বিপুল পরিমাণ তহবিল আসতে পারে, আর বিরোধিতা করলে বিপুল তহবিল বিপক্ষে যায়।” তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিটি প্রচারে "এআইপ্যাক-সংশ্লিষ্ট অর্থ" ছিল প্রায় $২০০,০০০—অর্থাৎ সমর্থন পেলে $২০০,০০০ আপনার পক্ষে, আর না পেলে $২০০,০০০ আপনার বিরুদ্ধে—মোট $৪০০,০০০ পার্থক্য।[৫৬] অন্যান্য স্বার্থ-সংক্রান্ত গোষ্ঠীর মতো, এআইপ্যাক থেকে আসা অর্থের সঙ্গে থাকে "কৌশলগত দিকনির্দেশনা"। বেয়ার্ড জানান, এআইপ্যাক কর্মীরা তাকে ও অন্যান্য আইনপ্রণেতাদের বলতেন: “না, এটা আমরা এভাবে বলি না, এভাবে বলি।” বেয়ার্ড বলেন, “একটা জটিল সাংগঠনিক শব্দচয়ন শিখে ফেলতে হয়… কিছুদিন পর আপনি নিজেই তা বলছেন, এমনকি এমনভাবে বলছেন যেন ওটাই সত্য।”[১৭]
লক্ষ্য
[সম্পাদনা]এআইপ্যাক যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইসরায়েলকে প্রদত্ত ব্যাপক সামরিক সহায়তাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে। ২০০৯ সালের মার্চ মাসে, এআইপ্যাকের নির্বাহী পরিচালক হাওয়ার্ড কোহর হাউজ অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস কমিটির ফরেন অপারেশনস উপকমিটির সামনে সাক্ষ্য দেন এবং ২০১০ অর্থবছরের জন্য ইসরায়েলের জন্য ২.৭৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সামরিক সহায়তা চেয়ে আবেদন জানান। এই অনুরোধ ২০০৭ সালের সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ বছরে ৩০ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।
কোহর বলেন, “ইসরায়েলকে প্রদত্ত আমেরিকান সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ রক্ষা করে এবং গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতিগত লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করে।” তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক পেট্রোলিয়ামের দামের উল্লম্ফনের ফলে যেমন ইরানের মতো দেশগুলো তাদের সামরিক বাজেট বাড়াতে সক্ষম হয়েছে, তেমনি সন্ত্রাস ও ইসলামপন্থী চরমপন্থার হুমকি মোকাবিলায় ইসরায়েলকে যে সামরিক সরঞ্জাম কিনতে হয়, তার খরচও দ্রুত বেড়েছে।[৫৪][৫৭]
ইরাক যুদ্ধ
[সম্পাদনা]জর্জ ডব্লিউ. বুশ যখন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ইরাকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান, ঠিক পরের দিন এআইপ্যাক জিউইশ টেলিগ্রাফিক এজেন্সিকে জানায়: “যদি প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের কাছে ইরাকে সামরিক পদক্ষেপের অনুমোদন চান, তাহলে এআইপ্যাক কংগ্রেস সদস্যদের কাছে লবিং করবে যেন তাঁরা প্রেসিডেন্টকে সমর্থন করেন।”[১২]
দ্য নিউ রিপাবলিক-এ জন জুডিস লেখেন, যদিও এআইপ্যাকের লবিং কার্যক্রম ইরাক যুদ্ধের পরিকল্পনাকে ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করা থেকে আরব রাষ্ট্রগুলিকে বিরত রাখতে উল্লেখযোগ্য ছিল, তা খুব একটা প্রচার পায়নি। তবে ২০০৩ সালের জানুয়ারিতে এক এআইপ্যাক বৈঠকে নির্বাহী পরিচালক হাওয়ার্ড কোহর “নীরবে কংগ্রেসে ইরাকে সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদনের জন্য লবিং” করাকে সংগঠনের একটি সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন। পরে এআইপ্যাক মুখপাত্র জোশ ব্লক দ্য নিউ রিপাবলিক-কে জানান, সংগঠনটি কোনো লবিং করেনি এবং কোহরের বক্তব্য ভুলভাবে উদ্ধৃত হয়েছে।[৫৮]
দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট-এর প্রতিবেদনে ডানা মিলব্যাঙ্ক ও গ্লেন ফ্রাঙ্কেল লেখেন, এআইপ্যাক ও ইসরায়েল সরকার উভয়ই আনুষ্ঠানিকভাবে ইরাক যুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নেয়নি, তবে এআইপ্যাকের অনুষ্ঠানে বুশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা যুদ্ধের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ায় করতালি পান।[১৩][১৪]
দ্য নিউ ইয়র্কার-এ জেফ্রি গোল্ডবার্গ প্রতিবেদনে জানান, এআইপ্যাক কংগ্রেসে ইরাক যুদ্ধের পক্ষে লবিং করেছিল, তবে ইরাক তাদের মুখ্য অগ্রাধিকার ছিল না।[৫৯]
জে. দ্য জিউইশ নিউজ অব নর্দার্ন ক্যালিফোর্নিয়া-তে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, যদিও এআইপ্যাক কখনো সরাসরি ইরাক যুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নেয়নি বা লবিং করেনি, কিছু প্রো-ইসরায়েল মহল যুদ্ধকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে আরব ও মুসলিম চরমপন্থার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করার একটি সুযোগ হিসেবে দেখেছিল। তবে ২০০৭ সালের এআইপ্যাক বার্ষিক সম্মেলনের সময়, ইরাকে চলমান সহিংসতা সেই দৃষ্টিভঙ্গিকে দুর্বল করে দেয় এবং এক অধিবেশনে যুদ্ধকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের বৃদ্ধির জন্য দায়ী করা হয়।[১৫]
ইরান সম্পর্কিত নীতি
[সম্পাদনা]ইরান ইস্যুতে এআইপ্যাকের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হলো—যুক্তরাষ্ট্র সরকার, এর ইউরোপীয় মিত্র, রাশিয়া এবং চীনের মধ্যে সমন্বিত কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের পক্ষে কাজ করা।[১৪]
২০১২ সালে, এআইপ্যাক কংগ্রেসের প্রতিটি সদস্যকে একটি চিঠি পাঠিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে “অচল করে দেওয়ার মতো” নিষেধাজ্ঞার দাবি জানায়।[৬০] এই অবস্থানের ধারাবাহিকতায়, সংগঠনটি ইরানের উপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ এবং নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর পক্ষে লবিং করে (যা "নিউক্লিয়ার উইপন ফ্রি ইরান অ্যাক্ট অব ২০১৩" নামে পরিচিত)।[৬] তবে, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট ওবামার তীব্র বিরোধিতার কারণে এই প্রচেষ্টা থেমে যায়।[৬১][৬২]
কৃষি ও কৃষিপণ্যের বাণিজ্য নিয়ে এআইপ্যাক যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে অধিকতর সহযোগিতার পক্ষে লবিং করে থাকে।[৬৩] সংগঠনটি কৃষিকে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে বিবেচনা করে।[৬৩]
সাফল্য
[সম্পাদনা]ওয়াশিংটন ডিসিতে এআইপ্যাককে দীর্ঘদিন ধরেই একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, এবং এটি প্রায়ই আগ্নেয়াস্ত্র, ব্যাংকিং, প্রতিরক্ষা এবং জ্বালানি লবিগুলোর সঙ্গে তুলনা করা হয়। সংগঠনটির প্রচারপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, এআইপ্যাকের বার্ষিক পলিসি কনফারেন্সের সময় অনুষ্ঠিত *লিডারশিপ রিসেপশনে* কংগ্রেসের এত সদস্য উপস্থিত থাকেন যে এটি কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশন বা *স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন* ভাষণ ছাড়া অন্য কোনো অনুষ্ঠানের চেয়ে বেশি।[৬৪]
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এআইপ্যাককে "মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক মার্কিন নীতি প্রণয়নে একটি প্রধান শক্তি" হিসেবে উল্লেখ করেছে,[৬৫] যা বহু প্রস্তাব কংগ্রেসে পাস করাতে সক্ষম। এই ধরনের প্রস্তাবসমূহ সাধারণত “ঐকমত্যে গৃহীত হয়।”[৬১]
উদাহরণস্বরূপ, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সংবলিত জাতিসংঘ গোল্ডস্টোন প্রতিবেদন নিন্দা করে ২০০৯ সালে প্রতিনিধি পরিষদে গৃহীত একটি প্রস্তাব ৩৪৪–৩৬ ভোটে পাস হয়।[৬৬][৬৭]
১৯৯৭ সালে, ফরচুন ম্যাগাজিন এআইপ্যাককে ওয়াশিংটন ডিসির দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রভাবশালী লবিং গোষ্ঠী হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।[৬৮]
এআইপ্যাক কংগ্রেস সদস্যদের মধ্যপ্রাচ্যের চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদসহ বিভিন্ন সমসাময়িক ইস্যু সম্পর্কে অবহিত করে থাকে। এটি ১৯৯৫ সালের কাউন্টার-টেররিজম অ্যাক্ট-এর প্রথমদিককার সমর্থকদের মধ্যে ছিল, যার ফলে এফবিআই-এর সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে সম্পদ বৃদ্ধি পায়।[৬৯]
এছাড়াও, এআইপ্যাক যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইসরায়েলের জন্য আর্থিক সহায়তার পক্ষে লবিং করে থাকে, যা বছরে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছায়। এর ফলে ইসরায়েল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ মোট বৈদেশিক সহায়তা গ্রহণকারী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।[৭০] কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিস অনুসারে, এই সহায়তা “সম্পূর্ণ অনুদান হিসেবে নগদে প্রদান করা হয়, যা নির্দিষ্ট প্রকল্পের জন্য নয় এবং অর্থবছরের প্রথম মাসেই এককালীন হস্তান্তর করা হয়। ইসরায়েল এই সামরিক সহায়তার প্রায় এক-চতুর্থাংশ নিজ দেশেই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও গবেষণা খাতে ব্যয় করতে পারে, যা সাধারণত অন্যান্য দেশ পায় না।”[৭১]
নীতিনির্ধারণ সম্মেলন
[সম্পাদনা]
২০১৬
[সম্পাদনা]২০১৬ সালে, প্রায় ২০,০০০ প্রতিনিধি এআইপ্যাক নীতিনির্ধারণ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন; তাদের মধ্যে প্রায় ৪,০০০ জন ছিলেন আমেরিকান শিক্ষার্থী।[৭২] এই প্রথমবারের মতো, এআইপ্যাকের নীতিনির্ধারণ সম্মেলনের সাধারণ অধিবেশনসমূহ ওয়াশিংটন, ডিসির ভেরিজন সেন্টার-এ অনুষ্ঠিত হয়, যাতে বিপুল সংখ্যক প্রতিনিধিকে স্থান দেওয়া যায়।
প্রধান বক্তাদের মধ্যে ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প, গভর্নর জন কেসিক, সিনেটর টেড ক্রুজ এবং স্পিকার পল রায়ান। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, যিনি এর আগেও এআইপ্যাক সম্মেলনে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন, তিনি এই সম্মেলনের শেষ দিনে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ভাষণ দেন।
বিশিষ্ট কর্মকর্তা ও সমর্থকগণ
[সম্পাদনা]২০২৪ সালের শেষদিকে এলিয়ট ব্র্যান্ডট এআইপ্যাকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে নিয়োগ পান।[৩] তিনি হাওয়ার্ড কোহরের স্থলাভিষিক্ত হন, যিনি ১৯৯৬ সাল থেকে এআইপ্যাকের সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।[৭৩]
সভাপতিরা
[সম্পাদনা]| সভাপতি | দায়িত্বকাল | সংক্ষিপ্ত পরিচিতি |
|---|---|---|
| রবার্ট অ্যাশার | ১৯৬২–১৯৬৪ | শিকাগোর আলোকসজ্জা সামগ্রী ব্যবসায়ী |
| লারি ওয়েইনবার্গ | ১৯৭৬–১৯৮২[৭৪] | লস অ্যাঞ্জেলেসের রিয়েল এস্টেট ব্রোকার ও পোর্টল্যান্ড ট্রেইল ব্লেজার্স-এর সাবেক মালিক |
| এডওয়ার্ড লেভি জুনিয়র | শেষ করেছেন ১৯৮৮[৭৫] | ডেট্রয়েটের বিল্ডিং-সাপ্লাইস নির্বাহী |
| মায়ার "বুব্বা" মিচেল | ১৯৯০–১৯৯২[৭৬] | মোবাইল, আলাবামার রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার |
| ডেভিড স্টেইনার | পদত্যাগ করেন ১৯৯২[৭৭] | নির্মাণ ও রিয়েল এস্টেট নির্বাহী |
| স্টিভেন গ্রোসম্যান | ১৯৯২–১৯৯৬[৭৮] | যোগাযোগ নির্বাহী ও ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান |
| মেলভিন ডাও | শুরু ১৯৯৬[৭৯] | হিউস্টনের অ্যাটর্নি |
| লনি কাপলান | ১৯৯৮–২০০০[৮০] | নিউ জার্সির বীমা নির্বাহী |
| টিম উলিগার | শেষ করেছেন ২০০১[৮১] | ক্লিভল্যান্ডের বিনিয়োগকারী |
| এমি ফ্রিডকিন | ২০০২–২০০৪[৮২][৮৩] | সান ফ্রান্সিসকোর অধিবাসী, গ্রাসরুট ইহুদি সংগঠনে সক্রিয় |
| বার্নিস মানোচেরিয়ান | ২০০৪–২০০৬[৮৩] | |
| হাওয়ার্ড ফ্রিডম্যান | ২০০৬–২০১০[৮৪] | |
| লিলিয়ান পিঙ্কাস | শুরু ২০১৬[৮৩] | |
| বেটসি বার্নস কর্ন | ২০২০–বর্তমান[৮৫][৮৬] | এআইপ্যাকের সাবেক সহ-সভাপতি ও এনএফএল-এর সাবেক কর্মী |
সমর্থকগণ
[সম্পাদনা][হালনাগাদ প্রয়োজন]এআইপ্যাকের কংগ্রেসের ভেতর ও বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই বিস্তৃত সমর্থকভিত্তি রয়েছে।
- কংগ্রেস সদস্যদের মধ্যে এআইপ্যাকের সমর্থন ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান উভয় দলের সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের মধ্যেই পরিলক্ষিত হয়। এআইপ্যাকের মতে, তাদের বার্ষিক নীতিনির্ধারণ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ফেডারেল কর্মকর্তার সংখ্যা স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণের পরেই সর্বাধিক, সংগঠিত কোনো অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে।[৮৭][৮৮]
আমেরিকান ইসরায়েল এডুকেশন ফাউন্ডেশন
[সম্পাদনা]আমেরিকান ইসরায়েল এডুকেশন ফাউন্ডেশন (AIEF) হচ্ছে এআইপ্যাকের একটি সহগোষ্ঠী,[৮৯] যা লবিংয়ের পরিবর্তে শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। এটি একটি ৫০১(সি)(৩) ধরণের অলাভজনক শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান, যা শিক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করে, যার মধ্যে ইসরায়েল ভ্রমণ অন্তর্ভুক্ত থাকে। এই সফরগুলোতে মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য ও অন্যান্য রাজনীতিকরা অংশগ্রহণ করেন।[৯০][৯১]
কংগ্রেস সদস্যদের জন্য AIEF-এর সফর প্রতি দুই বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয় এবং সেই বছরগুলোতে এটি কংগ্রেসীয় ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে বড় অর্থ ব্যয়কারী প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠে।[৯২] ২০১৯ সালের আগস্টে, ফাউন্ডেশনটি এক সপ্তাহব্যাপী সফরের আয়োজন করে, যেখানে ৭২ জন কংগ্রেস সদস্য অংশ নেন—যার মধ্যে ৪১ জন ছিলেন ডেমোক্র্যাট এবং ৩১ জন রিপাবলিকান।[৯৩] তাঁরা ইসরায়েল এবং পশ্চিম তীর সফর করেন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।[৯৪][৯৫] অন্যান্য শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে কংগ্রেসীয় কর্মীদের জন্য নিয়মিত সেমিনার।[৯৬]
সমালোচকরা দাবি করেন, এই সফরগুলো প্রকৃতপক্ষে শিক্ষার বদলে প্রচারমূলক (প্রোপাগান্ডা) উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয় এবং সেখানে ফিলিস্তিনিদের দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করা হয় না।[৯৭] অনেকে আরও অভিযোগ করেন, এগুলো কংগ্রেস সদস্যদের ব্যক্তিগত ভ্রমণে লবিং গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে উপহার দেওয়া নিষিদ্ধ থাকায় এটি নৈতিক বিধি লঙ্ঘন করে।[৯৮]
রাজনৈতিক কার্যকমিটি
[সম্পাদনা]২০২১ সালের আগে পর্যন্ত এআইপ্যাক সরাসরি কোনো রাজনৈতিক প্রার্থীর জন্য তহবিল সংগ্রহ করত না, তবে এর সদস্যরা এআইপ্যাকের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত নয়—এমন পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (PAC) এবং অন্যান্য উপায়ে প্রার্থীদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতেন।[১৭] ২০২১ সালের শেষ দিকে, এআইপ্যাক নিজস্ব একটি রাজনৈতিক কার্যকমিটি গঠন করে। সংগঠনটি একটি সুপার প্যাক (Super PAC) গঠনের ঘোষণাও দেয়, যা প্রার্থীদের পক্ষে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারে।[৫][১৮][১৯][৯৯]
এই পদক্ষেপ ব্যাখ্যা করে এআইপ্যাক সভাপতি বেটসি বার্নস কর্ন এক চিঠিতে লেখেন: "ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক পরিবেশে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। চরম দলীয় বিভক্তি, কংগ্রেসে উচ্চ হারে সদস্য পরিবর্তন, এবং নির্বাচনী ব্যয়ের দ্রুত বৃদ্ধি এখন বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।"[৯৯] ইউসিএলএর ইয়াঙ্কেলভিচ ও নজারিয়ান ইসরায়েল স্টাডিজ কেন্দ্রের পরিচালক ডভ ওয়াক্সম্যান বলেন: “দীর্ঘদিন ধরে এআইপ্যাক প্রো-ইসরায়েল PAC-এর সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক সম্পর্ক রাখলেও, এটি কখনো নিজস্ব PAC গঠন করেনি।” তিনি আরও বলেন: “নিজস্ব PAC ও সুপার PAC গঠনের সিদ্ধান্ত এটাই বোঝায় যে এআইপ্যাক কংগ্রেসে প্রভাব বজায় রাখতে এখন প্রচারাভিযানে অর্থায়নকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে দেখছে।”[১৯]
এআইপ্যাকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক টম ডাইন এবং সাবেক আইনপ্রণয়ন পরিচালক ডগলাস ব্লুমফিল্ড এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেন, এতে সংগঠনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।[১০০]
২০২২ সালের মার্চে, এআইপ্যাকের PAC প্রথমবারের মতো প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের ১৩০ জন প্রার্থীর জন্য সমর্থন প্রকাশ করে।[১০১][১০২] এই তালিকায় সিডিশন ককাসের ৩৭ জন কংগ্রেস সদস্য ছিলেন, যারা ২০২০ সালের নির্বাচনে জো বাইডেনের বিজয় প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।[১০৩]
এই সমর্থনের ফলে নানামুখী সমালোচনা ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েলে সাবেক রাষ্ট্রদূত ড্যানিয়েল কার্টজার বলেন, “এটা অত্যন্ত হতাশাজনক যে এআইপ্যাক এমন ব্যক্তিদের ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডকে উপেক্ষা করেছে, যারা আমাদের গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ইসরায়েলের প্রতি তাদের সমর্থন সেই ক্ষতির চেয়ে বড় হতে পারে না।” প্রভাবশালী প্রো-ইসরায়েল রক্ষণশীল কলাম লেখক জেনিফার রুবিন এ ঘটনাকে “অত্যন্ত ভয়ংকর” বলে আখ্যায়িত করেন।[১০৪]
এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল ইস্যুতে দ্বিদলীয় সমর্থন দুর্বল হয়ে পড়ছে। জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, বিশেষ করে তরুণ ডেমোক্র্যাটদের (এমনকি আমেরিকান ইহুদি তরুণদের) মধ্যে ইসরায়েল নিয়ে সমালোচনা বাড়ছে, ইসরায়েলের ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে আচরণকে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবৈষম্যের সঙ্গে তুলনার নিষেধাজ্ঞা ভেঙে পড়েছে, এবং বয়কট, নিষেধাজ্ঞা ও প্রত্যাহার (BDS) আন্দোলনের প্রতি সমর্থনও বেড়েছে।[৪৩]
ইউনাইটেড ডেমোক্রেসি প্রজেক্টের ব্যয়
[সম্পাদনা]২০২২ সালের মে মাসে প্রকাশিত হয় যে, এআইপ্যাক একটি সহায়ক সংগঠন ইউনাইটেড ডেমোক্রেসি প্রজেক্ট (UDP)-এর মাধ্যমে কয়েক মিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে, যার মাধ্যমে প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট এবং বিশেষ করে এমন নারীদের পরাজিত করার চেষ্টা চলছে, যারা সম্ভবত কংগ্রেসের প্রগতিশীল সদস্যদের দল "দ্য স্কোয়াড"-এর (যার মধ্যে আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ, ইলহান ওমর, এবং রাশিদা তালিব রয়েছেন) সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে একমত হতে পারেন।[৪৩]
UDP ২৩ লাখ ডলার ব্যয় করে পেনসিলভানিয়ার ডেমোক্রেটিক প্রাইমারিতে প্রগতিশীল প্রার্থী সামার লি-এর বিরুদ্ধে প্রচারণা চালায়। লি মার্কিন সহায়তার শর্ত নির্ধারণের পক্ষে ছিলেন এবং গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে "নৃশংসতা" হিসেবে বর্ণনা করে তা যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ তরুণদের সঙ্গে আচরণের সঙ্গে তুলনা করেন।[৪৩] একইভাবে, উত্তর ক্যারোলিনার একটি সিনেট প্রাইমারিতে UDP বর্তমান প্রার্থী ভ্যালেরিয়া ফুসি-কে সমর্থন দিতে ২০ লাখ ডলার ব্যয় করে, যেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নিদা আল্লাম—উত্তর ক্যারোলিনায় নির্বাচিত হওয়া প্রথম মুসলিম আমেরিকান নারী এবং ২০১৬ সালে বার্নি স্যান্ডার্সের প্রেসিডেন্সিয়াল প্রচারাভিযানের রাজনৈতিক পরিচালক। উভয়কেই দ্য স্কোয়াড সমর্থন করেছিল।[৪৩]
UDP আনুমানিক ২.৮ লাখ ডলার ব্যয় করে ওহাইও ১১তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্ট-এ বর্তমান সদস্য শন্টেল ব্রাউন-কে প্রগতিশীল প্রার্থী নিনা টার্নার-এর বিরুদ্ধে সমর্থন দেয়।[১০৫][১০৬]
UDP আরও ১২ লাখ ডলার ব্যয় করে টেক্সাসের কংগ্রেস সদস্য হেনরি কুয়েলার-কে প্রগতিশীল অভিবাসন আইনজীবী ও স্কোয়াড-সমর্থিত জেসিকা সিসনারোস-এর বিরুদ্ধে সমর্থন দেয়।[৪৩] যখন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী শাসন আরোপের অভিযোগ তোলে, কুয়েলার বলেন, "[এই ভুল তথ্য] ইহুদিবিদ্বেষী আচরণকে উস্কে দেয়" এবং এই ধরনের আখ্যাকে "বিপজ্জনক মিথ্যাচার" হিসেবে আখ্যায়িত করেন।[৪৩][১০৭]
এআইপ্যাকের সাবেক কর্মী ডেরিয়াস জোন্স "ন্যাশনাল ব্ল্যাক এমপাওয়ারমেন্ট ফান্ড (NBEAF)" গঠন করেন, যা প্রো-ফিলিস্তিনি কৃষ্ণাঙ্গ প্রার্থীদের যেমন জামাল বোম্যান[১০৮] ও কোরি বুশ[১০৯] পরাজিত করার জন্য অর্থায়ন করে। এই ফান্ডের নেতৃত্বে রয়েছেন রিচার্ড সেন্ট পল, যিনি এআইপ্যাকের জাতীয় পরিষদের সদস্য। কয়েকটি কৃষ্ণাঙ্গ সংগঠন দাবি করে, NBEAF কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের পক্ষে নয়, বরং ইসরায়েলের পক্ষে কাজ করছে।[১১০]
জে স্ট্রিট-এর মুখপাত্র লগান বায়রফ বলেন, এআইপ্যাক হলো "একটি রিপাবলিকান-সমর্থিত সংগঠন", যা এই পরিচয় গোপন রেখে ডেমোক্রেট ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন: “ইউনাইটেড ডেমোক্রেসি প্রজেক্ট নামটি নিরীহ শোনালেও, এটি যেসব প্রার্থীদের সমর্থন করছে, তারা মূলত ইসরায়েল-সম্পর্কিত কঠোর অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেই এই সমর্থন।”[৪৩]
২০২৪ সালের মার্চ মাসে জানা যায়, এআইপ্যাক ও UDP প্রগতিশীল হাউজ ডেমোক্র্যাটদের হারানোর জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা করছে। এর প্রতিক্রিয়ায় একাধিক সংগঠন "রিজেক্ট এআইপ্যাক" (Reject AIPAC) নামে একটি জোট গঠন করে, যার লক্ষ্য “গণতন্ত্র ও ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষা করা।”[১১১][১১২] এই জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে রয়েছে: ডেমোক্রেটিক সোশালিস্টস অব আমেরিকা (DSA), Gen-Z for Change, IfNotNow, জাস্টিস ডেমোক্র্যাটস, ন্যাশনাল ইরানিয়ান আমেরিকান কাউন্সিল, আওয়ার রেভল্যুশন, প্রগ্রেসিভ ডেমোক্র্যাটস অব আমেরিকা (PDA), RootsAction, সানরাইজ মুভমেন্ট, এবং ওয়ার্কিং ফ্যামিলিজ পার্টি।[১১৩][১১৪]
সমালোচনা
[সম্পাদনা]একজন সমালোচক, সাবেক কংগ্রেস সদস্য ব্রায়ান ব্যার্ড, যিনি বলেন যে "আমি ছোটবেলা থেকেই ইসরায়েলকে সম্মান করতাম", কিন্তু পরবর্তীতে এআইপ্যাক থেকে বিচ্ছিন্ন হন, দাবি করেন: "যখন গুরুত্বপূর্ণ ভোট হয়, তখন প্রতিনিধি পরিষদের মেঝেতে প্রায়শই প্রশ্ন হয় না ‘আমেরিকার জন্য সঠিক কাজটি কী?’, বরং হয় ‘এআইপ্যাক এই বিষয়ে কী মত দেবে?’” তিনি ২০০৯ সালে একটি প্রস্তাবনার কথা উল্লেখ করেন, যা তিনি বিরোধিতা করেছিলেন। প্রস্তাবনাটি ছিল গোল্ডস্টোন প্রতিবেদন-এর সমালোচনামূলক। তিনি বলেন, “ভোটের দিন আমি বলেছিলাম, ‘আমরা একের পর এক সদস্যদের দেখছি যারা একটি প্রস্তাবনায় ভোট দিচ্ছেন যা তারা পড়েননি, একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যা তারা দেখেননি, এমন একটি স্থানের বিষয়ে যা তারা কখনো যাননি।’”[১৭]
ব্যার্ড আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এআইপ্যাকের অনেক সদস্য ও সমর্থক বিশ্বাস করেন তারা “ইসরায়েলকে সমর্থন করছেন”, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা এমন নীতিগুলোকে সমর্থন করছেন—যেমন গাজায় বেসামরিক লোকদের হত্যা—যা ইসরায়েলের সর্বোচ্চ মূল্যবোধের পরিপন্থী এবং শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলের জন্য ধ্বংসাত্মক।[১৭]
ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার পক্ষে এআইপ্যাকের অবস্থানের সমালোচনাও হয়েছে। সমালোচকরা বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধে P5+1 আলোচকরা প্রধান প্রণোদনা হিসেবে যে নিষেধাজ্ঞা শিথিলতার প্রস্তাব দিতে পারতেন, কঠোর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে সেটি বাতিল হয়ে যায়। ওবামা প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, প্রশাসন এআইপ্যাক নেতৃত্বকে বলেছিল যে তাদের কঠোর নিষেধাজ্ঞা “আলোচনা প্রক্রিয়া ধ্বংস করবে—ইরান আলোচনার টেবিল থেকে উঠে যাবে।” ওই কর্মকর্তা প্রশ্ন তোলেন: “আপনারা কীভাবে বিশ্বাস করেন যে আমাদের চেয়েও ভালো জানেন কোন কৌশলে আমাদের অবস্থান মজবুত হয়? আলোচনায় যুক্ত কেউ-ই তা বিশ্বাস করে না।”[৩০]
সাংবাদিক কনি ব্রুকের কাছে এক সাবেক কংগ্রেস স্টাফার অভিযোগ করেন, “সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল বার্তাটি কতটা জোরালো ছিল।” এআইপ্যাকের দৃষ্টিকোণ ছিল: “‘আপনি কীভাবে এমন একটি প্রস্তাব পাস না করে পারেন, যা প্রেসিডেন্টকে জানিয়ে দেয় আলোচনার ফলাফল কী হতে হবে?’”[১১৫]
এআইপ্যাকের সমালোচনা করা হয়েছে এই কারণে যে এটি ইসরায়েলকে সমর্থনকারী মার্কিন ইহুদি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করে না, বরং শুধুমাত্র ডানপন্থী ইসরায়েলি নীতি ও মতাদর্শের পক্ষে অবস্থান নেয়।[২৬] PEW গবেষণা কেন্দ্র পরিচালিত একটি জরিপে দেখা গেছে, কেবলমাত্র ৩৮% মার্কিন ইহুদি বিশ্বাস করেন যে ইসরায়েল সরকার আন্তরিকভাবে শান্তির সন্ধান করছে; ৪৪% মনে করেন নতুন বসতি নির্মাণ ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর।[১১৬][১১৭]
এআইপ্যাককে নিয়ে সমালোচনামূলক বিখ্যাত লেখাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো দ্য ইসরায়েল লবি অ্যান্ড ইউ.এস. ফরেন পলিসি, যা লিখেছেন শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জন মিয়ারশেইমার ও হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের অধ্যাপক স্টিফেন ওয়াল্ট। এই প্রবন্ধ ও পরবর্তী গ্রন্থে তাঁরা দাবি করেন, এআইপ্যাক হলো বৃহত্তর প্রো-ইসরায়েল লবির "সবচেয়ে শক্তিশালী ও পরিচিত" উপাদান, যা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিকে বিকৃত করে।[১১৮]
["এআইপ্যাকের"] সফলতার কারণ হলো, এটি এমন আইনপ্রণেতা ও কংগ্রেস প্রার্থীদের পুরস্কৃত করতে পারে যারা তাদের এজেন্ডাকে সমর্থন করে, এবং যারা তা চ্যালেঞ্জ করে তাদের শাস্তি দিতে পারে। ... এআইপ্যাক নিশ্চিত করে যে, তাদের মিত্ররা বহু প্রো-ইসরায়েল পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (PAC) থেকে শক্তিশালী আর্থিক সহায়তা পায়। কেউ যদি ইসরায়েলের বিরোধিতা করছে বলে চিহ্নিত হয়, তাহলে এআইপ্যাক নিশ্চয়ই তার প্রতিদ্বন্দ্বীর জন্য তহবিল সংগ্রহ করবে। ... সারকথা হলো, এআইপ্যাক, যেটি কার্যত একটি বিদেশি সরকারের প্রতিনিধি, কংগ্রেসের ওপর প্রভাব বিস্তার করেছে, যার ফলে ইসরায়েল-সম্পর্কিত মার্কিন নীতি সেখানে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে না, যদিও এই নীতির বৈশ্বিক প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এআইপ্যাকের সমালোচনা করেছেন বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ। ডেমোক্র্যাট দলের জে. উইলিয়াম ফুলব্রাইট,[১১৯] ডেভ ওবি[১২০] এবং মাইক গ্র্যাভেল[১২১]—তিনজনই এআইপ্যাকের কঠোর সমালোচনা করেন। রিপাবলিকান দলের জন হোস্টেটলার[১২২] এবং থমাস ম্যাসি[১২৩]-ও এ বিষয়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন।
উত্তর ভার্জিনিয়ার ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান জিম মরান ২০০৭ সালে জাতীয় বিতর্কের জন্ম দেন যখন তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার ইহুদি সাময়িকী টিকুন-এ বলেন যে এআইপ্যাক "প্রথম থেকেই [ইরাক যুদ্ধকে] সমর্থন করেছে," এবং বলেন, “আমি মনে করি না তারা মার্কিন ইহুদি জনমতের মূলধারার প্রতিনিধিত্ব করে, কিন্তু তারা এতটাই সংগঠিত, এবং তাদের সদস্যরা অত্যন্ত প্রভাবশালী—তাদের বেশিরভাগই ধনী—ফলে তারা বিশাল প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে।”[১২৪][১২৫]
একজন রক্ষণশীল কলামিস্ট জেনিফার রুবিন বলেন, এআইপ্যাকের সদস্যরা "অত্যধিকভাবে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সমর্থক"।[১২৬]
২০২০ সালে ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য বেটি ম্যাককলাম এআইপ্যাককে ঘৃণাত্মক বক্তব্য ছড়ানোর অভিযোগ এনে এটিকে একটি "ঘৃণার সংগঠন" হিসেবে আখ্যা দেন।[১২৭][১২৮]
একই বছরে সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বলেন, এআইপ্যাক একটি বিদ্বেষপূর্ণ ভাষার প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে এবং তিনি তাদের সম্মেলনে অংশ নেবেন না।[১২৭] ২০২৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি, CBS-এর ফেস দ্য নেশন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, একসময় দ্বিদলীয় অবস্থানে থাকা এআইপ্যাক এখন প্রগতিশীল আন্দোলনকে "ধ্বংস" করার চেষ্টা করছে।[১২৯]
কথিত ইহুদিবিদ্বেষে সহায়ক ভূমিকা
[সম্পাদনা]সমালোচকরা অভিযোগ করেছেন যে, এআইপ্যাক ইহুদিবিদ্বেষী, অথবা ইহুদিবিদ্বেষে সহায়ক কিংবা এই বিষয়ে নীরব, বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও অন্যান্য দক্ষিণপন্থী রাজনীতিবিদদের ইহুদিবিদ্বেষী বক্তব্যের ক্ষেত্রে।[১৩০] দ্য নেশন পত্রিকায় ইভা বর্গওয়ার্ট লিখেছেন, এআইপ্যাকের বিরুদ্ধে তিনি এই অভিযোগ তুলেছেন যে সংগঠনটি "ট্রাম্প ও তাঁর প্রধান দাতাদের উষ্ণভাবে গ্রহণ করেছে, অথচ তাঁর প্রকাশ্য ইহুদিবিদ্বেষী মন্তব্যগুলোর নিন্দা জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।"[১৩১]
২০২২ সালের আগস্টে, এআইপ্যাক এক টুইটে লেখে: "জর্জ সোরোস বহুদিন ধরেই ইসরায়েল-বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর পৃষ্ঠপোষক... এখন তিনি @jstreetdotorg-কে $১ মিলিয়ন দিচ্ছেন ইসরায়েল-বিরোধী প্রার্থীদের সমর্থন ও প্রো-ইসরায়েল ডেমোক্র্যাটদের আক্রমণ করতে। এআইপ্যাক মূলধারার প্রো-ইসরায়েল ডেমোক্র্যাটদের শক্তিশালী করতে কাজ করে। জে স্ট্রিট ও সোরোস তাদের দুর্বল করতে কাজ করে।” এই টুইটের প্রতিক্রিয়ায় বামপন্থী ইহুদি সংগঠন ইফনটনাউ (IfNotNow) এআইপ্যাককে ইহুদিবিদ্বেষী আখ্যা দিয়ে লেখে: “এআইপ্যাক হলো ইহুদিবিদ্বেষী কট্টর ডানপন্থীদের সংগঠন... তারা কোনো ইহুদি সংগঠন নয়, এমনকি তা দাবি করাও করে না।”[১৩২][১৩৩]
বিতর্ক
[সম্পাদনা]১৯৭০-এর দশকে সাবেক সিনেটর উইলিয়াম ফুলব্রাইট এবং ১৯৮০-এর দশকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ)-র সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ভিক্টর মারকেত্তি দাবি করেন যে, এআইপ্যাকের উচিত ছিল ফরেন এজেন্টস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট (FARA)-এর আওতায় নিবন্ধন করা।[১৩৪] FARA অনুযায়ী, যারা কোনো বিদেশি সরকারের পক্ষ থেকে অর্থ গ্রহণ করে বা তৎপরতা চালায়, তাদের বিদেশি এজেন্ট হিসেবে নিবন্ধন করতে হয়। তবে, এআইপ্যাক জানায় যে তারা একটি নিবন্ধিত মার্কিন লবিস্ট সংগঠন, যা ব্যক্তিগত অনুদানে পরিচালিত হয় এবং তারা ইসরায়েল বা অন্য কোনো বিদেশি সত্ত্বা থেকে "কোনো আর্থিক সহায়তা" গ্রহণ করে না।[১৩৫]
২০০৬ সালে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের ডিএফএল দলের কংগ্রেস সদস্য বেটি ম্যাককলাম এআইপ্যাকের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। কারণ, তিনি দাবি করেন, এআইপ্যাকের একজন প্রতিনিধি তাঁর পক্ষ থেকে প্যালেস্টাইন অ্যান্টি-টেররিজম অ্যাক্ট, ২০০৬-এর বিরোধিতাকে “সন্ত্রাসীদের পক্ষে সমর্থন” হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। ম্যাককলাম জানান, লিখিতভাবে দুঃখপ্রকাশ না করা পর্যন্ত এআইপ্যাক প্রতিনিধিদের তাঁর অফিসে প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।[১৩৬] এআইপ্যাক ম্যাককলামের অভিযোগ অস্বীকার করে, এবং পরবর্তীতে ম্যাককলাম জানান যে ঘটনাটি সমাপ্ত হয়েছে।[১৩৭]
স্টেইনারের পদত্যাগ
[সম্পাদনা]১৯৯২ সালে, এআইপ্যাক সভাপতি ডেভিড স্টেইনার পদত্যাগ করতে বাধ্য হন, কারণ তিনি ইসরায়েলের জন্য সহায়তা আদায়ে নিজের রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে গর্ব করে কথা বলার সময় গোপনে রেকর্ড হয়ে পড়েন। স্টেইনার দাবি করেন, “আমি (তৎকালীন এইচ.ডব্লিউ. বুশ প্রশাসনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী) জিম বেকার-এর সঙ্গে দেখা করেছি এবং তার সঙ্গে একটি চুক্তি করেছি। আমি ৩ বিলিয়নের বাইরে আরও সুবিধা আদায় করেছি, জানোই তো, তারা ইহুদি ভোট চায়, আমি তাকে যা শুনতে চায় তাই বলব... ১০ বিলিয়ন ডলারের ঋণ জামানত যা দারুণ ছিল, ৩ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা, আর প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত সুবিধা পেয়েছি যেগুলোর কথা মানুষ জানেই না।”[১৩৮]
স্টেইনার আরও দাবি করেন যে তিনি আসন্ন ক্লিনটন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন, যাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সির প্রধান পদে কারা নিয়োগ পাবে তা নিয়ে প্রভাব বিস্তার করা যায়। তিনি বলেন, এআইপ্যাকের “ডজনখানেক লোক রয়েছে [ক্লিনটনের] প্রচার অভিযানে, লিটল রকের প্রধান কার্যালয়ে... এবং তারা সবাই বড় বড় পদ পাবে।”[১৩৮]
নিউ ইয়র্কের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী হাইম ক্যাটজ দ্য ওয়াশিংটন টাইমস-কে বলেন, তিনি কথোপকথনটি রেকর্ড করেন কারণ, “একজন ইহুদি হিসেবে, আমি উদ্বিগ্ন যখন একটি ছোট গোষ্ঠী অতিমাত্রায় প্রভাব বিস্তার করে। আমি মনে করি এটি সবার জন্য, এমনকি ইহুদিদের জন্যও ক্ষতিকর। ডেভিড স্টেইনার যদি এআইপ্যাকের অতিমাত্রায় প্রভাব সম্পর্কে কথা বলেন, তবে জনগণের তা জানা উচিত।”[১৩৯]
গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ
[সম্পাদনা]২০০৫ সালের এপ্রিল মাসে, এআইপ্যাকের নীতিনির্ধারক পরিচালক স্টিভেন রোজেন এবং ইরান-বিষয়ক সিনিয়র বিশ্লেষক কিথ ওয়েইসম্যান-কে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এর পেছনে ছিল এফবিআই পরিচালিত একটি তদন্ত, যেখানে অভিযোগ ছিল—তারা লরেন্স ফ্র্যাঙ্কলিন থেকে প্রাপ্ত মার্কিন শ্রেণিবদ্ধ তথ্য ইসরায়েল সরকারকে সরবরাহ করেছেন কি না। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত শ্রেণিবদ্ধ তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ ও ফাঁস করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়।[১৪০][১৪১] এআইপ্যাক ওয়েইসম্যানের পক্ষে আপিল পর্যন্ত প্রয়োজনে আইনগত খরচ বহনের প্রতিশ্রুতি দেয়।[১৪২]
২০০৫ সালের মে মাসে, মার্কিন বিচার বিভাগ জানায় যে, লরেন্স অ্যান্থনি ফ্র্যাঙ্কলিন, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর রিজার্ভ কর্নেল এবং পেন্টাগনের ডগলাস ফেইথ-এর দপ্তরে কর্মরত প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ছিলেন, তাকে এফবিআই গ্রেফতার করেছে। তার বিরুদ্ধে শ্রেণিবদ্ধ জাতীয় প্রতিরক্ষা তথ্য ইসরায়েলকে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। ছয় দফা অভিযোগে এআইপ্যাকের নাম উল্লেখ করা হয় এবং একটি মধ্যাহ্নভোজের সময় ফ্র্যাঙ্কলিন কর্তৃক দুইজন এআইপ্যাক কর্মকর্তাকে শীর্ষ-গোপন তথ্য প্রদান করার দাবি করা হয়।[১৪৩][১৪৪]
ফ্র্যাঙ্কলিন স্বীকার করেন যে, তিনি রোজেন ও ওয়েইসম্যানকে সরকারিভাবে গোপন তথ্য দিয়েছেন এবং প্রথমবারের মতো প্রকাশ করেন যে, তিনি ওয়াশিংটনে কর্মরত একজন ইসরায়েলি সরকারি কর্মকর্তাকেও সরাসরি শ্রেণিবদ্ধ তথ্য দিয়েছেন। ২০০৬ সালের ২০ জানুয়ারি, তাকে ১৫১ মাস (প্রায় ১৩ বছর) কারাদণ্ড ও $১০,০০০ জরিমানা করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ফ্র্যাঙ্কলিন একটি স্বীকারোক্তি প্রদান করেন এবং তদন্তে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। ২০০৯ সালে, এআইপ্যাকের সাবেক দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়।[১৪৫]
২০২০ সালের নির্বাচন অস্বীকারকারীদের প্রতি সমর্থন
[সম্পাদনা]২০২২ সালের মার্চ মাসের শুরুতে এআইপ্যাক তাদের প্রথম রাজনৈতিক কর্ম তহবিল (PAC) গঠন করার পর, সংগঠনটি সমালোচনার মুখে পড়ে। কারণ, তারা এমন ৩৭ জন রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্যকে সমর্থন জানায়, যারা ২০২১ সালের ক্যাপিটল হামলার পর জো বাইডেনের ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন জয়ের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিলেন।[১৪৬][১৪৭][১৪৮]
কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস-এর প্রেসিডেন্ট রিচার্ড হাস এই সমর্থনকে "নৈতিকভাবে দেউলিয়া ও সংকীর্ণদৃষ্টিসম্পন্ন" বলে মন্তব্য করেন। অ্যান্টি-ডিফামেশন লীগ-এর সাবেক প্রধান অ্যাবে ফক্সম্যান একে “দুঃখজনক একটি ভুল” আখ্যা দেন। আর সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান কার্টজার এআইপ্যাককে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।[১৪৬]
জিউইশ ডেমোক্রেটিক কাউন্সিল অফ আমেরিকা-এর হেইলি সোইফার বলেন, এআইপ্যাকের এই পদক্ষেপ “মনে করিয়ে দেয় যেন ইসরায়েলের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের প্রতি সমর্থন বিসর্জন দিতে হয়।”[১৪৬] হারেৎজ-এ প্রকাশিত একটি মতামালে তিনি বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত একটি "স্পষ্ট মিথ্যা দ্বৈততার" জন্ম দেয়, যা অধিকাংশ মার্কিন ইহুদিদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত।[১৪৬][১৪৯]
এআইপ্যাক সমর্থনের পক্ষে যুক্তি দেয় যে, "প্রো-ইসরায়েল আন্দোলনের জন্য এখন এমন কোনো সময় নয় যে বন্ধু নির্বাচনে বাছ-বিচার করা যায়।"[১৪৬][১৪৭][১৪৮] তবে ক্নেসেট সদস্য আলন তাল এআইপ্যাকের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন এবং এটিকে "বিরক্তিকর" আখ্যা দেন। টাইমস অফ ইসরায়েল-এর মতে, তাল বলেন যে এই ধরনের সমালোচনা "ইসরায়েল ও মার্কিন ইহুদি সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি সুস্থ সম্পর্ক" বজায় রাখতে সহায়ক।[১৫০]
২০২২ সালে প্রো-ইসরায়েল ডেমোক্র্যাটদের জন্য অর্থায়ন
[সম্পাদনা]জো বাইডেনের নির্বাচন জয়কে প্রত্যয়িত করতে ভোট না দেওয়া ১০০-র বেশি রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্যকে সমর্থনের পর, এআইপ্যাক তাদের রাজনৈতিক কর্ম তহবিল ইউনাইটেড ডেমোক্রেসি প্রজেক্ট (UDP)-এর মাধ্যমে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনে এমন প্রার্থীদের পরাজিত করতে $২৪ মিলিয়ন ব্যয় করে, যাদের যথেষ্ট প্রো-ইসরায়েল মনে করা হয়নি। এই অর্থের একটি বড় অংশ আসে রিপাবলিকান ট্রাম্প-সমর্থক অর্থদাতাদের কাছ থেকে, যেমন পল সিঙ্গার এবং বার্নি মার্কাস,[১৫১] এদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ইসরায়েলি-আমেরিকান ধনকুবের হাইম সাবান।[১৫২]
সংগঠনটি হেইলি স্টিভেন্সকে সমর্থন দিতে এবং ইহুদি কংগ্রেসম্যান অ্যান্ডি লেভিনকে পরাজিত করতে $৪ মিলিয়ন ব্যয় করে; লেভিন এআইপ্যাকের কঠোর ইসরায়েল-সমর্থক নীতির সমালোচক হিসেবে পরিচিত।[১৫১] এআইপ্যাক ডোনা এডওয়ার্ডসকে পরাজিত করতে $৭ মিলিয়ন ব্যয় করে, যিনি ২০১২ সালে গাজা যুদ্ধের সময় ইসরায়েল সমর্থনে প্রস্তাবনার পক্ষে অবস্থান নেননি।[১৫১][১৫২]
এআইপ্যাকের সমর্থকরা দাবি করেন, যারা এআইপ্যাকের এই ধরনের অর্থায়নকে লক্ষ্য করে প্রতিবেদন তৈরি করেন, তারা ইহুদি বিদ্বেষে জড়িত হচ্ছেন।[১৫১]
চলচ্চিত্রে এআইপ্যাক
[সম্পাদনা]দ্য কিংস অব ক্যাপিটল হিল শিরোনামের একটি ইসরায়েলি প্রামাণ্যচিত্রে এআইপ্যাকের বর্তমান ও সাবেক ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে এবং এতে দেখানো হয়েছে যে, কিভাবে সংগঠনটি তার দ্বিদলীয় আদর্শিক ভিত্তি থেকে ডানে সরে গিয়ে এমন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছে, যা অধিকাংশ মার্কিন ইহুদিদের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।[১৫৩]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 Rossinow, Doug (২০১৮)। ""The Edge of the Abyss": The Origins of the Israel Lobby, 1949–1954"। Modern American History। ১ (1)। Cambridge University Press (CUP): ২৩–৪৩। ডিওআই:10.1017/mah.2017.17। আইএসএসএন 2515-0456।
সংস্থাটির প্রাথমিক নাম ছিল আমেরিকান জায়নিস্ট কমিটি ফর পাবলিক অ্যাফেয়ার্স (AZCPA), এবং এটি ১৯৫৪ সালে কার্যক্রম শুরু করে।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 "আয়কর থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত সংস্থার জন্য ফর্ম ৯৯০। আমেরিকান ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি। ProPublica। হিসাব বছর শেষ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
- 1 2 "AIPAC names Elliot Brandt as next CEO amid uncertain future for US-Israel relations"। The Times of Israel (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৫ জুন ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২২ এপ্রিল ২০২৫।
- 1 2 3 4 5 6 ফর্ম ৯৯০: আয়কর থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত সংস্থার বার্ষিক বিবরণী। আমেরিকান ইসরায়েল এডুকেশন ফাউন্ডেশন। ProPublica। হিসাব বছর শেষ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
- 1 2 3 "American Israel Public Affairs Committee Political Action Committee"। Federal Election Commission। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২২।
- 1 2 "What We've Accomplished"। AIPAC। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
- ↑ Bennis, Phyllis (১৫ জুলাই ২০১৪)। "Why Opposing the Israel Lobby Is No Longer Political Suicide"। The Nation। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- ↑ Hussain, Murtaza (১৮ নভেম্বর ২০২৩)। "Meet the Secret Donors Who Fund AIPAC's Israel Trips for Congress"। The Intercept (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ Nelson, Nancy Jo (1980) The Zionist Organizational Structure, Journal of Palestine Studies, 10:1, 80–93, ডিওআই:10.2307/2536485. p.84.
- 1 2 "The pro-Israel groups planning to spend millions in US elections"। The Guardian। ২২ এপ্রিল ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০২৪।
- 1 2 3 4 Wertheimer, Jack (১৯৯৫)। "Jewish Organizational Life in the United States Since 1945"। The American Jewish Year Book। ৯৫: ৩–৯৮।
- 1 2 Berger, Matthew E. (১৩ সেপ্টেম্বর ২০০২)। "Jewish Groups Laud Bush's Words in Clearest Statement Yet on Iraq"। Jewish Telegraphic Agency (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৬ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৪।
- 1 2 Milbank, Dana (১ এপ্রিল ২০০৩)। "For Israel Lobby Group, War Is Topic A, Quietly"। The Washington Post। ৪ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৪।
- 1 2 3 4 Frankel, Glenn (১৬ জুলাই ২০০৬)। "A Beautiful Friendship?"। The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৪।
- 1 2 Kampeas, Ron (১৬ মার্চ ২০০৭)। "AIPAC meeting wasn't supposed to be partisan, but"। J. The Jewish News of Northern California। Jewish Telegraphic Agency। ৮ জুন ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৪।
- 1 2 "Guilty plea entered in Pentagon Spy Case"। Ynetnews। Associated Press। ১০ জুন ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২২।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Bruck, Connie (১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Friends of Israel"। The New Yorker। পৃ. ৫০–৬৩। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
- 1 2 Kampeas, Ron (১৬ ডিসেম্বর ২০২১)। "After 70 years on the sidelines, AIPAC will now officially fundraise for politicians"। The Times of Israel (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২২।
- 1 2 3 Nahmias, Omri (২১ ডিসেম্বর ২০২১)। "What's behind the AIPAC strategy shift?"। The Jerusalem Post (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২২।
- ↑ Mearsheimer, John (২৩ মার্চ ২০০৬)। "The Israel Lobby"। The Israel Lobby and the US Foreign Policy। খণ্ড ২৮ নং 6। London Review of Books। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩।
- ↑ Terris, Ben (২৬ মার্চ ২০১৫)। "Jeremy Ben-Ami, winning a place at the table for J Street"। The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "About AIPAC"। ২৪ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০১১।
- ↑ "Home"। AIPAC। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "Biden Tells AIPAC Two-state Solution the 'Only Way' to Security"। VOA News (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ মার্চ ২০১৬। ১২ মে ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২১।
- ↑ Sen. Kamala Harris, Sen. Bob Menendez (২৮ মার্চ ২০১৭)। AIPAC Policy Conference, Senators Harris and Menendez। C-SPAN। AIPAC Policy Conference, Washington D.C.। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২১।
- 1 2 Greenwald, Glenn (১২ ডিসেম্বর ২০০৭)। "New poll reveals how unrepresentative neocon Jewish groups are"। Salon। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Kornbluh, Jacob (৮ এপ্রিল ২০২৫)। "AIPAC attacks Democrats who voted to stop arms sales to Israel"। The Forward (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৩ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ Rossinow, Doug (২০১৮)। ""The Edge of the Abyss": The Origins of the Israel Lobby, 1949–1954"। Modern American History (ইংরেজি ভাষায়)। ১ (1): ২৩–৪৩। ডিওআই:10.1017/mah.2017.17। আইএসএসএন 2515-0456।
In 1959, the AZCPA was renamed AIPAC, 'Israel' replacing 'Zionist.' The new name acknowledged ostensibly non-Zionist participants in the committee.... American Jews redefined Zionism to mean providing staunch and generally unquestioning support for the State of Israel, so long as the leaders of Jewish Israel maintained respect for the legitimacy and integrity of American Jewry as a Jewish community.
- ↑ Langer, Emily (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। "Morris Amitay, ardent advocate for Israel, dies at 86"। The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০২৩।
- 1 2 Bruck, Connie (১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Friends of Israel"। The New Yorker। পৃ. ৫৩। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
- 1 2 Michael Oren (2007)। Power, Faith, and Fantasy: America in the Middle East 1776 to the Present (নিউ ইয়র্ক: W.W. Norton & Company), পৃ. ৫৩৬। "ফোর্ড ও রবিনের অনাকাঙ্ক্ষিত সমন্বয় আমেরিকা-ইসরায়েল সম্পর্কের ক্ষেত্রে সুয়েজ সংকটের পর সবচেয়ে বড় সংকট সৃষ্টি করেছিল। ফোর্ড তখন ইসরায়েলকে সমর্থন পুনর্মূল্যায়নের ঘোষণা দেন। এর জবাবে, ইসরায়েলপন্থী লবি এআইপ্যাককে সক্রিয় করা হয় রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে। ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও, এআইপ্যাক এই সময়েই প্রথম রাজনৈতিক ও আর্থিকভাবে যথেষ্ট প্রভাবশালী হয়ে ওঠে যাতে কংগ্রেসের মত পরিবর্তনে সক্ষম হয়। কংগ্রেসের বিরোধিতার মুখে ফোর্ড তাঁর 'পুনর্মূল্যায়ন' নীতি প্রত্যাহার করেন।"
- ↑ Lenczowski, George (১৯৯০)। American Presidents and the Middle East। Duke University Press। পৃ. ১৫৭। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮২২৩-০৯৭২-৭।
- ↑ Bruck, Connie (১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Friends of Israel"। The New Yorker। পৃ. ৫৩–৪। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
- 1 2 3 4 5 6 Stolberg, Sheryl Gay (৪ মার্চ ২০১৯)। "Ilhan Omar's Criticism Raises the Question: Is Aipac Too Powerful?"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৯।
- ↑ Lewis, Neil A.; Johnston, David (২ মে ২০০৯)। "U.S. to Drop Spy Case Against Pro-Israel Lobbyists"। The New York Times।
- ↑ Bade, Rachael; Phillips, Kristine; DeBonis, Mike; Flynn, Meagan (১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯)। "Democratic leaders call Ilhan Omar's Israel tweets 'deeply offensive'"। The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৯।
- 1 2 3 4 Yglesias, Matthew (৬ মার্চ ২০১৯)। "The controversy over Ilhan Omar and AIPAC money, explained"। Vox। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৯।
- ↑ Stolberg, Sheryl Gay (৭ মার্চ ২০১৯)। "House Votes to Condemn All Hate as Anti-Semitism Debate Overshadows Congress"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৯।
- ↑ Friedman, Thomas L. (৬ মার্চ ২০১৯)। "Ilhan Omar, Aipac and Me"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৯।
- ↑ Starr, Michael (২৭ আগস্ট ২০২৪)। "AIPAC headquarters vandalized by anti-Israel activists"। Jerusalem Post। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ Strack, Haley (৭ আগস্ট ২০২৪)। "Anti-Israel Radicals Vandalize AIPAC Headquarters in Washington"। National Review। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৪।
- 1 2 Rosen, Armin (৬ মার্চ ২০১৯)। "How Influential Is AIPAC? Less Than Beer Sellers, Public Accountants, and Toyota"। Tablet Magazine।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 McGreal, Chris (১৭ মে ২০২২)। "Pro-Israel lobbying group Aipac secretly pouring millions into defeating progressive Democrats"। The Guardian।
- ↑ Zamora, Karen; Woods, Jeanette; Chang, Ailsa (৭ আগস্ট ২০২৪)। "Why Pro-Israel PACs are helping oust Democrats in their primaries"। NPR News। সংগ্রহের তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ Bruck, Connie (১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Friends of Israel"। The New Yorker। পৃ. ৫২ column ৩। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
- 1 2 Bruck, Connie (১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Friends of Israel"। The New Yorker। পৃ. ৫৪ column ১। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
- ↑ Rosenberg, M. J. (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯)। "This Is How AIPAC Really Works"। The Nation (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0027-8378। ৩ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ The Wall Street Journal, June 24, 1987, p.1
- ↑ Thomas, Michael (২০০৭)। American Policy Toward Israel: The Power and Limits of Beliefs। Routledge। পৃ. ১০০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৫-৯৮৩৪৫-১।
- ↑ Bruck, Connie (১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Friends of Israel"। The New Yorker। পৃ. ৫৩। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
AIPAC representatives tried to match each member of Congress with a contact who shared the congressman's interests. If a member of Congress rode a Harley-Davidson, AIPAC found a contact who did, too. The goal was to develop people who could get a member of Congress on the phone at a moment's notice.
- ↑ Bruck, Connie (১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Friends of Israel"। The New Yorker। পৃ. ৫৩। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
Soon after taking office, Baird went on a "virtually obligatory" trip to Israel: a freshman ritual in which everything—business-class flights, accommodations at the King David or the Citadel—is paid for by AIPAC's charitable arm. The tours are carefully curated. "They do have you meet with the Palestinian leaders, in a sort of token process", Baird said. "But then when you're done with it, they tell you everything the Palestinian leaders said that's wrong. And, of course, the Palestinians don't get to have dinner with you at the hotel that night."
- ↑ Jewish Telegraphic Agency, January 13, 2006
- ↑ Bruck, Connie (১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Friends of Israel"। The New Yorker। পৃ. ৫৪। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
local AIPAC staffers, in the manner of basketball recruiters, befriend some members when they are still serving on the student council. "If you have a dream about running for office, AIPAC calls you", one House member said. Certainly, it's a rarity when someone undertakes a campaign for the House or the Senate today without hearing from AIPAC.
- 1 2 Usa, Ibp (২ জুন ২০১৯)। Jewish Lobby in the United States Handbook: Organization, Operations ...। International Business Publications.। পৃ. ২৬। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৩৮৭-২৬১১-৩।
- ↑ Bruck, Connie (১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Friends of Israel"। The New Yorker। পৃ. ৫০–৬৩। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
In the early days, Howard Berman said, "AIPAC was knocking on an unlocked door." Most Americans have been favorably disposed toward Israel since its founding, and no other lobby spoke for them on a national scale. Unlike other lobbies—such as the N.R.A., which is opposed by various anti-gun groups—AIPAC did not face a significant and well-funded countervailing force.
- ↑ Bruck, Connie (১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Friends of Israel"। The New Yorker। পৃ. ৫৮ column ১। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
- ↑ AIPAC head testifies on Israel aid by Eric Fingerhut, Jewish Telegraphic Agency (JTA), March 27, 2009.
- ↑ Judis, John B. (১ অক্টোবর ২০০৭)। "Moran Down"। The New Republic (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৪।
- ↑ Goldberg, Jeffrey (৪ জুলাই ২০০৫)। "Real Insiders"। The New Yorker। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৪।
- ↑ US-Israel group demands "crippling" Iran sanctions March 10, 2010| AFP
- 1 2 Landler, Mark (৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪)। "Potent Pro-Israel Group Finds Its Momentum Blunted"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
- ↑ "AIPAC Clarifies Position on Iran Sanctions Bill in Letter to Supporters"। www.algemeiner.com। algemeiner.com। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪।
- 1 2 Heiberger, Richard (২০২২)। "Capturing the Changing Nature of the "Jewish Enterprise""। Contemporary Jewry। ৪২ (3–4)। Springer Nature Switzerland AG: ৩৮৫–৪১১। ডিওআই:10.1007/s12397-022-09456-9। ইআইএসএসএন 1876-5165। আইএসএসএন 0147-1694। এস২সিআইডি 254658652।
- ↑ Bruck, Connie (১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Friends of Israel"। The New Yorker। পৃ. ৫০। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
- ↑ Shipler, David K. (৬ জুলাই ১৯৮৭)। "On Middle East Policy, A Major Influence"। The New York Times।
- ↑ "House Vote On Passage: H. Res. 867: Calling on the President and the Secretary of State to"। GovTrack। ৩ নভেম্বর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০০৯।
- ↑ Bruck, Connie (১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Friends of Israel"। The New Yorker। পৃ. ৫৮। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
- ↑ Kurtzman, D (১১ নভেম্বর ১৯৯৮)। "AIPAC listed 2nd most powerful group on Fortune list"। Jewish News of Greater Phoenix। ১৬ জুলাই ২০০১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ Bruck, Connie। "Friends of Israel"। নং September 1, 2014। The New Yorker। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ Sharp, Jeremy M.: "U.S. Foreign Aid to Israel", Introduction, "CRS Report for Congress", Order Code RL33222
- ↑ Migdalovitz, Carol: "Israel: Background and Relations with the United States", page 29. "CRS Report for Congress", Order Code RL33476
- ↑ Reznik, Ethan (২৭ এপ্রিল ২০১৬)। "Special Report: AIPAC Policy Conference strengthens American-Israel alliance"। Webb Canyon Chronicle। খণ্ড VIII। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০১৬।[যাচাইকরণ ব্যর্থ হয়েছে]
- ↑ Sharon, Jeremy (৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "32. Howard Kohr"। The Jerusalem Post। The Jerusalem Post’s 50 Most Influential Jews of 2021। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০২২।
- ↑ "In Memoriam: AIPAC Trailblazer Larry Weinberg" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। AIPAC।
- ↑ Rosenberg, Howard (২২ ডিসেম্বর ১৯৮৮)। "Reported Shake-ups at Aipac Put Lobby Back in the Headlines"। Jewish Telegraphic Agency।
- ↑ Hoffman, Roy (২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৭)। "Mitchell 'lived the American dream'"। Alabama.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২১।
- ↑ Mann, Cynthia (৫ নভেম্বর ১৯৯২)। "Aipac President Quits After Boasting of Influence over Baker and Clinton"। Jewish Telegraphic Agency।
- ↑ "AIPACs Steve Grossman takes Democratic Party post"। jweekly। ১৭ জানুয়ারি ১৯৯৭।
- ↑ Lewis, Neil A. (১০ ডিসেম্বর ১৯৯৬)। "Court Again Casts Doubt On Status of Israeli Lobby"। The New York Times।
- ↑ Orland, Max (৩ জুন ২০১৭)। "Lionel (Lonny) Kaplan"। Funeral Home Orlands Memorial Chapel Ewing New Jersey।
- ↑ "Arafat, intifada giving AIPAC new direction"। jweekly। ২৩ মার্চ ২০০১।
- ↑ "An Interview with Amy Friedkin"। The iCenter। ১ মার্চ ২০১২। ২০ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- 1 2 3 "AIPAC To Appoint First Woman President in Over a Decade"। JTA। The Forward। ২০ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০২১।
- ↑ "Howard E. Friedman Director Biography"। Sinclair Broadcast Group। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০২১।
- ↑ Kampeas, Ron (২৫ মার্চ ২০১৯)। "AIPAC names 'female football fan' entrepreneur next president of lobby"। Times of Israel (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০২২।
- ↑ Tabachnick, Toby; Kampeas, Ron (৪ মার্চ ২০২০)। "Question of bipartisanship dominated AIPAC Policy Conference"। Pittsburgh Jewish Chronicle (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০২২।
Betsy Berns Korn, the newly installed president of AIPAC, took the podium Sunday night....
- ↑ Milbank, Dana (২৪ মে ২০০৫)। "AIPAC's Big, Bigger, Biggest Moment"। The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১৬।
- ↑ Bruck, Connie (১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Friends of Israel"। The New Yorker। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১৬।
- ↑ Abourezk, Jim (২৬ জানুয়ারি ২০০৭)। "The hidden cost of free congressional trips to Israel"। csmonitor.com। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৪।
- ↑ "AIEF Israel Seminar: Motley Rice member travels with other leaders interested in U.S.-Israel relations"। Motley Rice। ১ মার্চ ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০।
- ↑ "American Israel Education Foundation"। Charles and Lynn Schusterman Family Foundation। নভেম্বর ১৮, ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ২৭, ২০১১।
- ↑ Becker, Amanda; Bade, Rachael (৯ সেপ্টেম্বর ২০১১)। "Members Flock to Israel With Travel Loophole"। Roll Call। ৮ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০১১।
- ↑ Traiman, Alex (১১ আগস্ট ২০১৯)। "72 representatives don't #skipthetrip, join largest-ever delegation to Israel"। JNS.org (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০২০।
- ↑ Keinon, Herb (৮ আগস্ট ২০১১)। "81 Congressmen to Visit Israel in Coming Weeks"। The Jerusalem Post। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০১১।
- ↑ Steinhauer, Jennifer (১৫ আগস্ট ২০১১)। "A Recess Destination With Bipartisan Support: Israel and the West Bank"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০১১।
- ↑ "Hill Staff"। AIPAC। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০১১।
- ↑ Abourezk, Jim (২৬ জানুয়ারি ২০০৭)। "The hidden cost of free congressional trips to Israel"। csmonitor.com। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৪।
These trips are defended as "educational". In reality, as I know from my many colleagues in the House and Senate who participated in them, they offer Israeli propagandists an opportunity to expose members of Congress to only their side of the story. The Israeli narrative of how the nation was created, and Israeli justifications for its brutal policies omit important truths about the Israeli takeover and occupation of the Palestinian territories.
- ↑ Bowden, John (১৪ আগস্ট ২০১৯)। "Activist group files ethics complaint against AIPAC over congressional Israel trips"। The Hill। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০।
Antiwar activist group Codepink has filed a claim with the Office of Congressional Ethics (OCE) arguing that yearly trips to Israel for freshman lawmakers hosted by the lobbying group American Israel Public Affairs Committee (AIPAC) are unconstitutional.
- 1 2 Shapiro, Dimitriy (১৯ ডিসেম্বর ২০২১)। "AIPAC joins political finance arena with launch of 2 PACs"। Israel Hayom। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২২।
- ↑ Samuels, Ben (১০ জানুয়ারি ২০২২)। "Former AIPAC Officials Warn Against Organization's New Political Moves"। Haaretz (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২২।
- ↑ "America's Pro-Israel PAC, First Wave of Candidates, March 2022"। AIPAC PAC (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ মার্চ ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২২।
- ↑ "AIPAC PAC release first slate of endorsements"। Jewish News Syndicate (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৩ মার্চ ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২২।
- ↑ Samuels, Ben (৬ মার্চ ২০২২)। "AIPAC's Endorsement List: Dozens of Republicans Who Deny Biden's Election Win"। Haaretz (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২২।
- ↑ Samuels, Ben (৮ মার্চ ২০২২)। "'Truly Horrifying': AIPAC Criticized for Endorsing GOP 'Election Deniers'"। Haaretz (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২২।
- ↑ "Progressive Champion Nina Turner Falls to Establishment Incumbent Shontel Brown"। www.commondreams.org (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০২৪।
- ↑ "Pro-Israel groups wade into Dem primary fights"। Axios। ২৭ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ Klein, Zivka (৬ জুন ২০২২)। ""Calling Israel 'apartheid' is plain antisemitic" - VP of European Parliament"। The Jerusalem Post (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ "Jamaal Bowman finds himself in the crosshairs of a Black voter group"। POLITICO।
- ↑ Cheeseman, Abbie; Sotomayor, Marianna (৫ আগস্ট ২০২৪)। "Pro-Israel interests pour millions into defeating a second 'Squad' member"। Washington Post।
- ↑ JONES, DAMON K. (৪ জুন ২০২৪)। "WBPC responds to NBEAF: 'You can't speak for Black people in CD 16 when you have done No Work for Black people in CD16"। Black Westchester।
- ↑ Herman, Alice (১১ মার্চ ২০২৪)। "Progressive campaign launched to counter Aipac's influence in US politics"। The Guardian (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0261-3077। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০২৪।
- ↑ Dayen, David (১১ মার্চ ২০২৪)। "Progressive Groups Form Counterweight to AIPAC's Electoral Push"। The American Prospect (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০২৪।
- ↑ Harb, Ali। "'Reject AIPAC': US progressives join forces against pro-Israel lobby group"। Al Jazeera (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০২৪।
- ↑ "Groups Form 'Reject AIPAC' Coalition to Fight Israel Lobby's Attacks on Progressives"। www.commondreams.org (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০২৪।
- ↑ Bruck, Connie (১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Friends of Israel"। The New Yorker। পৃ. ৬০। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
- ↑ "A PORTRAIT OF JEWISH AMERICANS Chapter 5: Connection With and Attitudes Toward Israel"। Pew Research, Religion and Public Life Project। Pew। ১ অক্টোবর ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
- ↑ Bruck, Connie (১ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Friends of Israel"। The New Yorker। পৃ. ৫২। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
- ↑ Mearsheimer, John; Walt, Stephen (২৩ মার্চ ২০০৬)। "The Israel Lobby"। London Review of Books (ইংরেজি ভাষায়)। খণ্ড ২৮ নং 6। আইএসএসএন 0260-9592। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
- ↑ Ori Nir, Leaders Fear Probe Will Force Pro-Israel Lobby To File as ‘Foreign Agent’ ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত জানুয়ারি ২৭, ২০১২ তারিখে, The Forward, December 31, 2004.
- ↑ Edsall, Thomas B.; Moore, Molly (৫ সেপ্টেম্বর ২০০৪)। "Pro-Israel Lobby Has Strong Voice"। The Washington Post। ২৪ মার্চ ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০০৮।
- ↑ "Gravel Discusses Campaign Funding, Relations with Iran"। The NewsHour with Jim Lehrer। ১ অক্টোবর ২০০৭। ১৯ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০১৭।
- ↑ Marans, Daniel (৬ মে ২০২৪)। "Why Pro-Israel Groups Are Targeting An Indiana Republican"। Huffington Post।
- ↑ Magid, Jacob (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১)। "GOP Rep. lashes AIPAC for 'foreign interference' after Iron Dome vote attack ad"। Times of Israel।
- ↑ Hearn, Josephine (১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭)। "Dems slam Moran's tying AIPAC to Iraq war"। Politico। ২৫ এপ্রিল ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০১০।
- ↑ Gardner, Amy (১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৭)। "Moran Upsets Jewish Groups Again"। The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০১০।
- ↑ Rubin, Jennifer (১৫ জুন ২০১১)। "AIPAC weighs in: All is not well with the U.S. approach to Israel"। The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মে ২০১৩।
- 1 2 Siddiqui, Usaid (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Sanders accuses pro-Israel group of giving platform to 'bigotry'"। Al Jazeera। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- ↑ "McCollum Statement: Hate Speech Makes AIPAC a Hate Group"। Congresswoman Betty McCollum। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
- ↑ Sanders, Bernie, interviewed by Margaret Brennan, February 19, 2023, Face the Nation, CBS, retrieved February 19, 2023
- ↑ Friedman, Gabe; Kampeas, Ron (২৫ অক্টোবর ২০২২)। "AIPAC, GOP silent on Trump warning US Jews to 'get their act together' on Israel"। The Times of Israel। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৫।
- ↑ Borgwardt, Eva (১ নভেম্বর ২০২৪)। "Let's Call the ADL What It Is: an Ally of Fascists"। The Nation। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৫।
- ↑ Tamkin, Emily (২৯ আগস্ট ২০২২)। "AIPAC accused George Soros of undermining American politics. Is that antisemitic?"। The Forward। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ Starr, Michael (২৬ আগস্ট ২০২২)। "In ridiculous claim, left-wing Jewish group calls AIPAC 'antisemitic'"। The Jerusalem Post। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ Ori Nir, Leaders Fear Probe Will Force Pro-Israel Lobby To File as ‘Foreign Agent’, The Jewish Daily Forward, December 31, 2004.
- ↑ "What is AIPAC? A Voice for the U.S.-Israel Relationship"। aipac.org। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮।
- ↑ McCollum, Betty (৮ জুন ২০০৬)। "A Letter to AIPAC"। New York Review of Books। খণ্ড ৫৩ নং 10। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮।
- ↑ Forward Staff (২৬ মে ২০০৬)। "Lawmaker, Aipac Feud After Fight Over Hamas Bill"। The Jewish Daily Forward। ১০ জুন ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮।
- 1 2 "The Complete Unexpurgated AIPAC Tape"। WRMEA। ২৪ নভেম্বর ২০০৯।
- ↑ AIPAC President Resigns, Sheldon L. Richman, December/January 1992/93, Page 69.
- ↑ "2 Senior AIPAC Employees Ousted", The Washington Post, April 21, 2005
- ↑ Ticker, Bruce. AIPAC Charges Offer Opportunity, Philadelphia Jewish Voice, September 2005. Accessed March 27, 2006.
- ↑ "U.S. to drop Israel lobbyist spy case.."। Daily Kos (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০২৪।
- ↑ Rozen, Laura and Vest, Jason. Cloak and Swagger ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত এপ্রিল ১৫, ২০০৭ তারিখে, The American Prospect, November 2, 2004. Accessed March 27, 2006.
- ↑ "United States District Court for the Eastern District of Virginia, Alexandria Division, U.S. v. Lawrence Anthony Franklin" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৪ আগস্ট ২০২১ তারিখে,
- ↑ "U.S. to drop Israel lobbyist spy case"। Reuters। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০২৪।
- 1 2 3 4 5 McGreal, Chris (২৩ মার্চ ২০২২)। "'Morally bankrupt': outrage after pro-Israel group backs insurrectionist Republicans"। The Guardian।
- 1 2 Kampeas, Ron (১৯ মার্চ ২০২২)। "AIPAC defends its endorsees, including those who questioned Biden's election"। The Jerusalem Post।
- 1 2 Magid, Jacob (১৮ মার্চ ২০২২)। "AIPAC defends endorsement of Republicans who questioned 2020 election"। The Times of Israel।
- ↑ Soifer, Halie (১৩ মার্চ ২০২২)। "AIPAC's Latest 'pro-Israel' Political Stunt Endangers America"। Haaretz।
- ↑ Judah Ari Gross (২৮ মার্চ ২০২২)। "In rare rebuke, MK pans AIPAC endorsement of Republicans who disputed 2020 election"। The Times of Israel।
- 1 2 3 4 McGreal, Chris (৪ আগস্ট ২০২২)। "Pro-Israel groups denounced after pouring funds into primary race"। The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২২।
- 1 2 McGreal, Chris (১৯ জুলাই ২০২২)। "Pro-Israel hardliners spend millions to transform Democratic primaries"। The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২২।
- ↑ Hoffman, Jordan (৭ সেপ্টেম্বর ২০২০)। "New Israeli film projects AIPAC's steady drift from idealistic bipartisan roots"। The Times of Israel।
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]- কেনেন, আইজায়াহ (১৯৮১)। ইসরায়েলের ডিফেন্স লাইন: ওয়াশিংটনে তার মিত্র ও প্রতিপক্ষ। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৭৯৭৫-১৫৯-৩।
- মিয়ারশেইমার, জন জে. ও ওয়াল্ট, স্টিফেন এম. (২০০৭)। ইসরায়েল লবি ও মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩৭৪-১৭৭৭২-০।
- ওরেন, মাইকেল (২০০৭)। পাওয়ার, ফেইথ, অ্যান্ড ফ্যান্টাসি: ১৭৭৬ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩৯৩-০৫৮২৬-০।
- পেট্রাস, জেমস (২০০৬)। যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের শক্তি। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৯৩২৮৬৩-৫১-৫।
- স্মিথ, গ্রান্ট এফ. (২০০৮)। আমেরিকার ডিফেন্স লাইন: একটি বিদেশি সরকারের এজেন্ট হিসেবে ইসরায়েল লবিকে নিবন্ধনের জন্য বিচার বিভাগের লড়াই। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৯৭৬৪৪৩৭-২-৮।