আমলকী
| আমলকী Phyllanthus emblica | |
|---|---|
| আমলকী গাছ | |
| আমলকী | |
| বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ: | উদ্ভিদ |
| বিভাগ: | সপুষ্পক উদ্ভিদ |
| শ্রেণী: | Magnoliopsida |
| বর্গ: | Malpighiales |
| পরিবার: | Phyllanthaceae |
| গোত্র: | Phyllantheae |
| উপগোত্র: | Flueggeinae |
| গণ: | Phyllanthus |
| প্রজাতি: | P. emblica |
| দ্বিপদী নাম | |
| Phyllanthus emblica L.[২] | |
| প্রতিশব্দ[৩] | |
| |
আমলকী (বৈজ্ঞানিক নাম: Phyllanthus emblica) ফাইলান্থাসি পরিবারের ফাইলান্থুস গণের একপ্রকার ভেষজ ফল।[৪] সংস্কৃত ভাষায় এর নাম 'আমলক'। ইংরেজি নাম amla বা Amloki,[২][৫] Malacca tree, emblic myrobalan,[২] বা emblic [২][৫],myrobalan[৫] এরা রোমশ বিহীন বা রোমশ পর্ণমোচী বৃক্ষ। বাংলাদেশে সহ উপ ভারতীয় মহাদেশে বেশি পাওয়া যায়। এই ফলটির গুণ অপরিসীম। এটি অনেক ধরনের উপকার করে শরীরের জন্য প্রায় সাতটির মত, এটিকে "মাদার অফ ফ্রুট" বা "Mother of Fruit" বলে।
বর্ণনা
[সম্পাদনা]

আমলকী গাছ ৮ থেকে ১৮ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট হতে পারে, পাতা ঝরা প্রকৃতির। হালকা সবুজ পাতা, যৌগিক পত্রের পত্রক ছোট, ১/২ ইঞ্চি লম্বা হয়। হালকা সবুজ স্ত্রী ও পুরুষফুল একই গাছে ধরে। ফল হালকা সবুজ বা হলুদ ও গোলাকৃতি ব্যাস ১/২ ইঞ্চির কম বেশি হয়। কাঠ অনুজ্জ্বল লাল বা বাদামি লাল। বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলে ই দেখা যায়। গাছ ৪/৫ বছর বয়সে ফল দেয়। আগস্ট - নভেম্বর পর্যন্ত ফল পাওয়া যায়। বীজ দিয়ে আমলকীর বংশবিস্তার হয়। বর্ষাকালে চারা লাগানোর উপযুক্ত সময়।
বিস্তার
[সম্পাদনা]আমলকী গাছ প্রায় সারাদেশে দেখা যেতে পারে। এটি প্রধানত বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, সিরিয়া ইত্যাদি দেশে চাষ করা হয়। প্রাকৃতিক পরিবেশে অনেক স্থানেই এই গাছগুলি জন্মাতে দেখা যেতে পারে। পার্ক, উদ্যান, বাগান, প্রাকৃতিক অরণ্য ইত্যাদি স্থানে এই গাছগুলি চারা দেওয়া হয়। ফলে পার্ক, উদ্যান, বাগান গুলোতেও আমলকী গাছ পার্কের শোভা বৃদ্ধিতে দেখা যায়।
চিকিৎসা-গবেষণা
[সম্পাদনা]আমলকী নিয়ে প্রাথমিক গবেষণা সম্পন্ন হয়েছে। এতে দেখা গেছে যে, এটি ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে পারে। [৬] প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, রিউমেটয়েড আর্থ্রাইটিস এবং অস্টিওপোরোসিস রোগে আমলকির রস কিছু কাজ করে।[৭] কয়েক ধরনের ক্যান্সারের বিরুদ্ধেও এর কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। [৮] প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগেও আমলকি কার্যকর বলে ইঁদুরের উপর চালিত গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে। প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগের পরে ক্ষতিগ্রস্ত প্যানক্রিয়াস (অগ্ন্যাশয়) -এর ক্ষত সারাতে আমলকী কার্যকর। [৯] আমলকীর ফল, পাতা ও ছাল থেকে তৈরি পরীক্ষামূলক ওষুধে কিছু রোগ নিরাময়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে যেমন- ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, প্রদাহ এবং কিডনি-রোগ। [১০][১১][১২] আমলকি মানুষের রক্তের কোলেস্টেরল-মাত্রা হ্রাস করতে পারে বলে প্রমাণ রয়েছে [১৩]
ডায়াবেটিক ইঁদুরের উপর চালানো এক গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকির রস রক্তের চিনির মাত্রা কমাতে পারে এবং লিভারের কর্মক্ষমতা পুনরোদ্ধারে সাহায্য করতে পারে। [১৪] আমলকীতে প্রচুর ভিটামিন-সি বা এস্করবিক এসিড থাকে (৪৪৫ মিগ্রা/১০০ গ্রাম) [১৫]। তা সত্ত্বেও আরো অন্যান্য উপাদান নিয়ে মতভেদ আছে এবং আমলকির 'এন্টি-অক্সিডেন্ট'রূপে কার্যকারিতার পেছনে মূল ভূমিকা ভিটামিন-সি এর নয়, বরং 'এলাজিটানিন' নামক পদার্থসমূহের বলে মনে করা হয়। [১৬] যেমন এমব্লিকানিন-এ (৩৭%), এমব্লিকানিন-বি (৩৩%), পানিগ্লুকোনিন (১২%) এবং পেডাংকুলাগিন (১৪%).[১৭] এতে আরো আছে পানিক্যাফোলিন, ফিলানেমব্লিনিন-এ, বি, সি, ডি, ই এবং এফ। [১৮] এই ফলে অন্যান্য 'পলিফেনল'ও থাকে। যেমন- ফ্ল্যাভোনয়েড, কেমফেরল, এলাজিক এসিড ও গ্যালিক এসিড। [১৬][১৯]
ব্যবহার
[সম্পাদনা]আমলকীর ভেষজ গুণ রয়েছে অনেক। ফল ও পাতা দুটিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। আমলকীতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে।[৪] পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকীতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে ৩ গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকীতে কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।[৪] একজন বয়স্ক লোকের প্রতিদিন ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ দরকার। দিনে দুটো আমলকী খেলে এ পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যায়। আমলকী খেলে মুখে রুচি বাড়ে।[২০] স্কার্ভি বা দন্তরোগ সারাতে টাটকা আমলকী ফলের জুড়ি নেই। এছাড়া পেটের পীড়া, সর্দি, কাশি ও রক্তহীনতার জন্যও খুবই উপকারী।[২০]
লিভার ও জন্ডিস রোগে উপকারী বলে আমলকী ফলটি বিবেচিত। আমলকী, হরিতকী ও বহেড়াকে একত্রে ত্রিফলা বলা হয়। আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে ত্রিফলা স্বাস্থ্যের জন্য বহুমাত্রিক উপকারী।[২১] এ তিনটি শুকনো ফল একত্রে রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালবেলা ছেঁকে খালি পেটে শরবত হিসেবে খেলে পেটের অসুখ ভালো হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] বিভিন্ন ধরনের তেল তৈরিতে আমলকী ব্যবহার হয়। কাঁচা বা শুকনো আমলকী বেটে একটু মাখন মিশিয়ে মাথায় লাগালে খুব তাড়াতাড়ি ঘুম আসে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] কাঁচা আমলকী বেটে রস প্রতিদিন চুলে লাগিয়ে দুতিন ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। এভাবে একমাস মাখলে চুলের গোড়া শক্ত, চুল উঠা এবং তাড়াতড়ি চুল পাকা বন্ধ হবে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
ঔষধি গুণ
[সম্পাদনা]- আমলকী কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের উপর কাজ করে।
- বমি বন্ধে কাজ করে।
- দীর্ঘমেয়াদি কাশি সর্দি হতে উপকার পাওয়ার জন্য আমলকীর নির্যাস উপকারী।
- এটি হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধক।
- এটি দাঁত, চুল ও ত্বক ভাল রাখে।
- এটি খাওয়ার রুচি বাড়ায়।
- কোষ্ঠকাঠিন্য, মাথাব্যথা, অম্ল, রক্তশূন্যতা, বমিভাব দূর করতে সাহায্য করে।
- বহুমূত্র রোগে এটি উপকারী।
- চোখ উঠলে কাঁচা আমলকীর রস দিনে ২ ফোটা করে দুই বার দিলে ভাল আরাম পাওয়া যায়।
- চুল ওঠা দূর করতে আমলকী বেশ উপকারী।[২২]
- চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে।
ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে
[সম্পাদনা]- আমলকীর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ক্যান্সার প্রতিরোধী গুণ। গবেষণায় বলা হয়, আমলকী ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।
- প্রতিদিন সকালে আমলকীর জুস খাওয়া পেপটিক আলসার প্রতিরোধে কাজ করে।[৪]
- আমলকী শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সাহায্য করে এবং ওজন কমায়।
- উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আমলকী খুব দ্রুত কাজ করে। আমলকীর গুঁড়ো মধু দিয়ে প্রতিদিন খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।[৪][২৩]
স্থানীয় নাম
[সম্পাদনা]- সংস্কৃত ভাষায় amalika (अमलिक)
- মৈথিলী ভাষায় Dhatric (𑒡𑒰𑒞𑓂𑒩𑒱𑒏/धात्रिक)
- হিন্দী ভাষায় āmlā (आमला)
- গুজরাটী ভাষায় āmla (આમળાં)
- উর্দূ ভাষায় aavnlaa (awla)
- মারাঠী ভাষায় āvaḷā (आवळा)
- গারো ভাষায় ambare (अमबरे)
- কন্ংকনী ভাষায় āvāḷo (आवाळो)
- মিজো ভাষায় sunhlu
- নেপালী ভাষায় amalā (अमला)
- বাংলা ভাষায় amloki (আমলকী)
- ছিলটি ভাষায় Ewla
- উড়িয়া ভাষায় anlaa (ଅଁଳା)
- চট্রগ্রামের ভাষায় "অলতি"
- পাঞ্জাবী ভাষায় Aula (ਔਲਾ)
- মালায়ালম ভাষায়nellikka (നെല്ലിക്ക)
- মণিপুরী ভাষায় heikru
- আরবী ভাষায়
halïlaj or ihlïlaj (اهليلج هليلج)
- খাসি ভাষায় sohmylleng
- তেলুগু ভাষায় rasi usiri ( రాశి ఉసిరి కాయ)
- তামিল এবং কানাড়া ভাষায় nellikkaai or nellikaayi
- থাই ভাষায় ma kham pom (มะขามป้อม)
- চীনা ভাষায় anmole (庵摩勒)
চিত্রশালা
[সম্পাদনা]- ঢাকার রাজপথে টিপাফল ও আমলকি বিক্রি হচ্ছে
- টিপাফল ও আমলকি
- টিপাফল ও আমলকি বিক্রেতা। মালিবাগ, ঢাকা, বাংলাদেশ
- গাছে ঝুলে আছে আমলকি, ঢাকা।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Roland, C. (২০২০)। "Phyllanthus emblica"। বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২০। আইইউসিএন: e.T১৪৯৪৪৪৪৩০A১৪৯৫৪৮৯২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২১।
- 1 2 3 4 "Phyllanthus emblica", জার্মপ্লাজম রিসোর্স ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক (জিআরআইএন), কৃষি গবেষণা পরিসেবা (এআরএস), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ), সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০০৮
{{citation}}: অবৈধ|mode=CS1(সাহায্য) - ↑ "The Plant List: A Working List of All Plant Species"। ৯ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০১৪।
- 1 2 3 4 5 "আমলকী খাওয়ার উপকারিতা: স্বাস্থ্যরক্ষায় প্রতিদিন খেতে পারেন আমলকী"। feminaera.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ অক্টোবর ২০১৮।
- 1 2 3 Lim, T.K. (২০১২)। "Phyllanthus emblica"। Edible Medicinal And Non-Medicinal Plants। Springer Netherlands। পৃ. ২৫৮–২৯৬। ডিওআই:10.1007/978-94-007-4053-2_37। আইএসবিএন ৯৭৮৯৪০০৭৪০৫২৫।
- ↑ Saeed S, Tariq P (২০০৭)। "Antibacterial activities of Emblica officinalis and Coriandrum sativum against Gram negative urinary pathogens"। Pak J Pharm Sci। ২০ (1): ৩২–৫। পিএমআইডি 17337425।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|month=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ দৃষ্টি আকর্ষণ: এই টেমপ্লেটি ({{cite doi}}) অবচিত। doi দ্বারা চিহ্নিত প্রকাশনা উদ্ধৃত করার জন্য:10.1186/1472-6882-8-59, এর পরিবর্তে দয়া করে
|doi=10.1186/1472-6882-8-59সহ {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}} ব্যবহার করুন। - ↑ দৃষ্টি আকর্ষণ: এই টেমপ্লেটি ({{cite doi}}) অবচিত। doi দ্বারা চিহ্নিত প্রকাশনা উদ্ধৃত করার জন্য:10.1002/ptr.3127, এর পরিবর্তে দয়া করে
|doi=10.1002/ptr.3127সহ {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}} ব্যবহার করুন। - ↑ PMID 21138365 (PubMed)
কয়েক মিনিটের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উদ্ধৃতি সম্পন্ন করা হবে। Jump the queue বা expand by hand - ↑ Ganju L, Karan D, Chanda S, Srivastava KK, Sawhney RC, Selvamurthy W (২০০৩)। "Immunomodulatory effects of agents of plant origin"। Biomed Pharmacother.। ৫৭ (7): ২৯৬–৩০০। ডিওআই:10.1016/S0753-3322(03)00095-7। পিএমআইডি 14499177।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|month=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Yokozawa T, Kim HY, Kim HJ; এবং অন্যান্য (২০০৭)। "Amla (Emblica officinalis Gaertn.) attenuates age-related renal dysfunction by oxidative stress"। J Agric Food Chem.। ৫৫ (19): ৭৭৪৪–৫২। ডিওআই:10.1021/jf072105s। পিএমআইডি 17715896।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}:|লেখক=-এ "et al." এর সুস্পষ্ট ব্যবহার (সাহায্য); অজানা প্যারামিটার|month=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Rao TP, Sakaguchi N, Juneja LR, Wada E, Yokozawa T (২০০৫)। "Amla (Emblica officinalis Gaertn.) extracts reduce oxidative stress in streptozotocin-induced diabetic rats"। J Med Food। ৮ (3): ৩৬২–৮। ডিওআই:10.1089/jmf.2005.8.362। পিএমআইডি 16176148।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Jacob A, Pandey M, Kapoor S, Saroja R (১৯৮৮)। "Effect of the Indian gooseberry (amla) on serum cholesterol levels in men aged 35-55 years"। Eur J Clin Nutr। ৪২ (11): ৯৩৯–৪৪। পিএমআইডি 3250870।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|month=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Qureshi SA, Asad W, Sultana V (২০০৯)। "The Effect of Phyllantus emblica Linn on Type — II Diabetes, Triglycerides and Liver — Specific Enzyme" (পিডিএফ)। Pakistan Journal of Nutrition.। ৮ (2): ১২৫–১২৮। ডিওআই:10.3923/pjn.2009.125.128। ২৩ আগস্ট ২০০৯ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০১২।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|month=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Tarwadi K, Agte V (২০০৭)। "Antioxidant and micronutrient potential of common fruits available in the Indian subcontinent"। Int J Food Sci Nutr। ৫৮ (5): ৩৪১–৯। ডিওআই:10.1080/09637480701243905। পিএমআইডি 17558726।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|month=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - 1 2 Dharmananda S. Emblic Myrobalans: Amla, Institute of Traditional Medicine
- ↑ PMID 10522157 (PubMed)
কয়েক মিনিটের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উদ্ধৃতি সম্পন্ন করা হবে। Jump the queue বা expand by hand - ↑ PMID 11754604 (PubMed)
কয়েক মিনিটের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উদ্ধৃতি সম্পন্ন করা হবে। Jump the queue বা expand by hand - ↑ Habib-ur-Rehman, Yasin KA, Choudhary MA; এবং অন্যান্য (২০০৭)। "Studies on the chemical constituents of Phyllanthus emblica"। Nat. Prod. Res.। ২১ (9): ৭৭৫–৮১। ডিওআই:10.1080/14786410601124664। পিএমআইডি 17763100।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}:|লেখক=-এ "et al." এর সুস্পষ্ট ব্যবহার (সাহায্য); অজানা প্যারামিটার|month=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - 1 2 আমলকির গুণাগুণ, জাগো নিউজ টুয়েন্টি ফোর ডটকম, ২০ জানুয়ারি ২০১৬
- ↑ "স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ত্রিফলা, ইত্তেফাক, ১৫ জুলাই ২০১৫"। ২৯ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০২০।
- ↑ আঃ খালেক মোল্লা সম্পাদিত;লোকমান হেকিমের কবিরাজী চিকিৎসা; আক্টোবর ২০০৯; পৃষ্ঠা- ৮৬-৮৭
- ↑ আমলকি খাওয়ার ১০টি উপকারিতা, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]১. Winston, David; Maimes, Steven (২০০৭)। Adaptogens: Herbs for Strength, Stamina, and Stress Relief। Healing Arts Press। আইএসবিএন ১-৫৯৪৭৭-১৫৮-৮। Contains a detailed monograph on Emblica officinalis (Amla; Amloki) as well as a discussion of health benefits.
২. KR, Dr. (২০০২)। "Amloki (Phyllanthus emblica)"। Rasayana: Ayurvedic Herbs for Longevity and Rejuvenation। Traditional Herbal Medicines for Modern Times, Vol. 2। Boca Raton: CRC। পৃ. ২২–৪২। আইএসবিএন ০-৪১৫-২৮৪৮৯-৯।
৩. Caldecott, Todd (২০০৬)। Ayurveda: The Divine Science of Life। Elsevier/Mosby। আইএসবিএন ০-৭২৩৪-৩৪১০-৭। Contains a detailed monograph on Phyllanthus emblica (Amla; Amloki) as well as a discussion of health benefits and usage in clinical practice. Available online at https://web.archive.org/web/20101013033603/http://www.toddcaldecott.com/index.php/herbs/learning-herbs/397-amalaki
- আইইউসিএন লাল তালিকার ন্যূনতম উদ্বেগজনক প্রজাতি
- অসম্পূর্ণ পিএমআইডি তথ্যছকসহ পাতাসমূহ
- উদ্ধৃতি শৈলী ত্রুটি: et al. এর সুস্পষ্ট ব্যবহার
- বাংলাদেশের ফল
- বাংলার ফল
- ঔষধি উদ্ভিদ
- ভারতের উদ্ভিদ
- শ্রীলঙ্কার উদ্ভিদ
- মিয়ানমারের উদ্ভিদ
- মালয়েশিয়ার উদ্ভিদ
- চীনের উদ্ভিদ
- ক্রান্তীয় এশিয়ার উদ্ভিদকুল
- বেরি
- ভারতীয় মসলা
- ১৭৫৩-এ বর্ণিত উদ্ভিদ
- আয়ুর্বেদে ব্যবহৃত উদ্ভিদ
- মসলা
- কার্ল লিনিয়াস কর্তৃক নামকরণকৃত উদ্ভিদের ট্যাক্সা