অ্যাভোগাড্রো ধ্রুবক
এই নিবন্ধে একাধিক সমস্যা রয়েছে। অনুগ্রহ করে নিবন্ধটির মান উন্নয়ন করুন অথবা আলাপ পাতায় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করুন।
|
| অ্যাভোগাড্রো ধ্রুবক | |
|---|---|
আমেদেও অ্যাভোগাড্রো, যার নামে ধ্রুবকের নামকরণ করা | |
প্রতীক | NA, L |
| SI unit | [molecule [মোল(ইউনিট)|mol]]−1 |
| মান | |
| mole (unit) | ৬.০২২১৪০৭৬×১০২৩ |
অ্যাভোগাড্রো ধ্রুবক, যাকে সাধারণত NA[১] বা L,[২] দ্বারা প্রকাশ করা হয়, হলো একটি আনুপাতিক ফ্যাক্টর যা কোনো নমুনার মধ্যে পদার্থের পরিমাণের সাথে নমুনার মূল উপাদান কণা (সাধারণত অণু, পরমাণু বা আয়ন) এর সংখ্যার সম্পর্ক। এটি এসআই ধ্রুবক মান ৬.০২২১৪০৭৬×১০২৩ /মোল।[৩][৪] স্ট্যানিস্লাও ক্যানিজারো এটি ইতালীয় বিজ্ঞানী আমাদিও আভোগাদ্রো এর নামানুসারে এর নামকরণ করে।[৫] স্ট্যানিস্লাও ১৮৬০ সালে কার্লসরুহে কংগ্রেসে থাকাকালীন আভোগাদ্রোর মৃত্যুর চার বছর পরে এই সংখ্যাটি ব্যাখ্যা করেছিলেন।[৬]
অ্যাভোগাড্রো ধ্রুবকের সাংখ্যিক মান, মাত্রাহীন সংখ্যা, মোল এককে প্রকাশ করা হয়। পুরানো সাহিত্যে, অ্যাভোগাড্রো সংখ্যা N[৭][৮] বা N0[৯][১০] দিয়ে প্রকাশ করা হয় এবং যার মান ৬.০২২১৪০৭৬×১০২৩ ।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]অ্যাভোগাড্রো সংখ্যার নামকরণ করা হয়েছে ১৯ শতকের ইতালীয় রসায়নবিদ আমাদিও আভোগাদ্রোর নামানুসারে। ১৮১১ সালে তিনি প্রথম প্রস্তাব করেন যে কোন গ্যাসের আয়তন স্থির তাপমাত্রা ও চাপে তাতে বিদ্যমান অণু বা পরমাণু সংখ্যার সমান।[১১] ১৯০৯ সালে ফরাসী বিজ্ঞানী জিন বাপটিস্ট পেরিন ধ্রুবসংখ্যাটিকে অ্যাভোগাড্রোর সম্মানে নামকরণের প্রস্তাব করেন। পেরিন বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অ্যাভোগাড্রো সংখ্যার মান নির্ণয়ের চেষ্টা করেন এবং এ কারণে ১৯২৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
১৮৬৫ সালে সর্বপ্রথম জোহান জোসেফ লসমিডট্ ধ্রুবসংখ্যাটির মান নির্দেশ করেন। তিনি একটি নির্দিষ্ট আয়তনে অণুর সংখ্যা গণনা করার মত একই ধরনের একটি প্রক্রিয়ায় বাতাসের অণুগুলোর গড় ব্যাস নির্ণয় করতে সমর্থ হন। তার সম্মানে একক আয়তনে গ্যাসের অণুর সংখ্যাকে লসমিডট্ ধ্রুবক নামকরণ করা হয়েছে যা কিনা অ্যাভোগাড্রো সংখ্যার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
অ্যাভোগাড্রো সংখ্যার নির্ভুল মান নির্ণয় করা সম্ভব হয় যখন ১৯১০ সালে আমেরিকান পদার্থবিজ্ঞানী রবার্ট মিলিকান একটা ইলেকট্রনের চার্জ পরিমাপ করেন। ১৮৩৪ সালে মাইকেল ফ্যারাডের তড়িৎ বিশ্লেষণ এর গবেষণা গুলো থেকে জানা যায় এক মোল ইলেকট্রনের চার্জ সর্বদা স্থির বা ধ্রুব, যাকে বলা হয় ১ ফ্যারাডে। এক মোল ইলেকট্রনের চার্জকে একটা ইলেকট্রনের চার্জ দিয়ে ভাগ করে অ্যাভোগাড্রো সংখ্যার মান নির্ণয় করা যায়।
পেরিন মূলত অক্সিজেনের এক গ্রাম অণুতে বিদ্যমান অণুর সংখ্যাকেই অ্যাভোগাড্রো সংখ্যা (N) নামকরণের প্রস্তাব করেছিলেন, যেটা এখনো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষত প্রাথমিক গবেষণা কাজ গুলোতে। পরবর্তীকালে ১৯৭১ সালে যখন পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক (SI) এ মোল কে একটি মৌলিক এককে রূপান্তর করা হল তখন এর নাম পরিবর্তন করে অ্যাভোগাড্রো ধ্রুবক (NA) রাখা হয়, যা কোন বস্তুতে উপস্থিত পদার্থের পরিমাণ প্রকাশ করে এবং পরিমাপের মাত্রার উপর নির্ভর করে না। এই স্বীকৃতির ফলে অ্যাভোগাড্রো সংখ্যা (NA) আর একটি বিশুদ্ধ সংখ্যা নয়, এর একক রয়েছে যা হচ্ছে মোলের বিপরীত রাশি (মোল−1)। যদিও পদার্থের পরিমাণ প্রকাশে সাধারণত মোলই ব্যবহৃত হয়, অ্যাভোগাড্রো সংখ্যাকে আরো কিছু এককের মাধ্যমেও প্রকাশ করা হয়, যেমন পাউন্ড মোল (lb-mol) কিংবা আউন্স মোল (oz-mol)।
- NA = ২.৭৩১৫৯৭৫৭(১৪)×১০২৬ (lb-mol)−১ = ১.৭০৭২৪৮৪৭৯(৮৫)×১০২৫ (oz-mol)−১
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Bureau International des Poids et Mesures (2019): The International System of Units (SI), 9th edition, English version, page 134.
- ↑ Lehmann, H. P.; Fuentes-Arderiu, X.; Bertello, L. F. (১ জানুয়ারি ১৯৯৬)। "Glossary of terms in quantities and units in Clinical Chemistry (IUPAC-IFCC Recommendations 1996)"। Pure and Applied Chemistry (ইংরেজি ভাষায়)। ৬৮ (4): ৯৫৭–১০০০। ডিওআই:10.1351/pac199668040957। আইএসএসএন 1365-3075।
- ↑ Newell, David B; Tiesinga, Eite (২০১৯)। "The international system of units (SI):"। Gaithersburg, MD। ডিওআই:10.6028/nist.sp.330-2019।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Bievre, P. de; Peiser, H. S. (১ জানুয়ারি ১৯৯২)। "'Atomic weight': The name, its history, definition, and units"। Pure and Applied Chemistry (ইংরেজি ভাষায়)। ৬৪ (10): ১৫৩৫–১৫৪৩। ডিওআই:10.1351/pac199264101535। আইএসএসএন 1365-3075।
- ↑ Perrin, Jean (1909). "Mouvement brownien et réalité moléculaire". Annales de Chimie et de Physique. 8e Série. 18: 1–114.
- ↑ "Stanislao Cannizzaro"। Science History Institute (ইংরেজি ভাষায়)। ১ জুন ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২২।
- ↑ Pauling, Linus (২৪ নভেম্বর ২০১৪)। General Chemistry (ইংরেজি ভাষায়)। Courier Corporation। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪৮৬-১৩৪৬৫-৯।
- ↑ Marvin Yelles (1971): McGraw-Hill Encyclopedia of Science and Technology, Volume 9, 3rd edition; 707 pages. আইএসবিএন ৯৭৮০০৭০৭৯৭৯৮৭
- ↑ "The Feynman Lectures on Physics Vol. II Ch. 8: Electrostatic Energy"। www.feynmanlectures.caltech.edu। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২২।
- ↑ Born, Max (২২ এপ্রিল ২০১৩)। Atomic Physics: 8th Edition (ইংরেজি ভাষায়)। Courier Corporation। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪৮৬-৩১৮৫৮-৫।
- ↑ আভোগাদ্রো, আমাদিও (১৮১১)। "Essai d'une maniere de determiner les masses relatives des molecules elementaires des corps, et les proportions selon lesquelles elles entrent dans ces combinaisons"। Journal de Physique। ৭৩: ৫৮–৭৬। ইংরেজি অনুবাদ.
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |