আব তুমহারে হাওয়ালে ওয়াতান সাথিয়ো

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আব তুমহারে হাওয়ালে ওয়াতান সাথিয়ো
আব তুমহারে হাওয়ালে ওয়াতান সাথিয়ো পোস্টার.jpg
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পোস্টার
পরিচালকঅনিল শর্মা
প্রযোজকঅনিল শর্মা
চিত্রনাট্যকারশক্তিমান তলওয়ার
কাহিনিকারশক্তিমান তলওয়ার
শ্রেষ্ঠাংশেঅমিতাভ বচ্চন
ববি দেওল
অক্ষয় কুমার
দিব্যা খোসলা কুমার
সন্দলি সিনহা
নাগমা
সুরকারআনু মালিক
চিত্রগ্রাহককবীর লাল
সম্পাদকবল্লু সালুজা
পরিবেশকমুভি ওয়ার্ল্ড
মুক্তি
  • ২৪ ডিসেম্বর ২০০৪ (2004-12-24)
দৈর্ঘ্য১৯৩ মিনিট
দেশভারত
ভাষাহিন্দি
নির্মাণব্যয়২০০ মিলিয়ন[১]
আয়১৯১.৬৬ মিলিয়ন[১]

আব তুমহারে হাওয়ালে ওয়াতান সাথিয়ো (অনু. হে দেশবাসী, এই দেশকে তোমাদের হাতে অর্পণ করে গেলাম) হল ২০০৪ সালের একটি ভারতীয় যুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র, যার পরিচালক ছিলেন অনিল শর্মা এবং অভিনয় করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন, ববি দেওল, অক্ষয় কুমার, দিব্যা খোসলা, সন্দলি সিনহা এবং নাগমা[২][৩][৪]

ঘটনা[সম্পাদনা]

মেজর জেনারেল অমরজিৎ সিং (অমিতাভ বচ্চন) ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন নিবেদিত-প্রাণ কর্মকর্তা। তার পুত্র ক্যাপ্টেন বিক্রমজিৎ সিং (ববি দেওল) তার পদানুসরণ করে সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়। ১৯৭১ সালের ভারত-পাক যুদ্ধ এবং বাংলাদেশ গঠনের সময়, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিক্রমজিৎ সিংয়ের অধীনে একটি জাহাজ ছিল এবং তার বাবা মেজর জেনারেল অমরজিৎ সিংয়ের নেতৃত্বে ছিল ভারতীয় সেনাবাহিনীর সৈন্যদের একটি দল। জাহাজটি পাকিস্তানি নৌবাহিনীর ডুবোজাহাজের আক্রমণের শিকার হয়, জাহাজটির ক্ষতি হয়, এবং বিক্রমজিৎকে সাথে নিয়ে ডুবে যায়। কিন্তু তার আগেই সে সাহস করে প্রায় এক শতাধিক আটকা পড়া সেনাকে উদ্ধার করেছিল।

কয়েক বছর পরে, বিক্রমজিতের ছেলে কুনালজিৎ ক্যাপ্টেন হিসাবে সেনাবাহিনীতে যোগদান করে, কিন্তু নিঃস্বার্থভাবে দেশের সেবা করার বিষয়ে তার বাবা ও দাদুর যে মূল্যবোধ ছিল, সেটি তার ছিলনা। সে চেয়েছিল কেবলমাত্র কয়েক বছর সেনাবাহিনীতে কাজ করে, তারপরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে, ব্যবসা করে ধনী হতে। এটি সম্পাদন করার জন্য সে সর্বদা যুদ্ধক্ষেত্রে না যাওয়ার অজুহাত দেখাত। সে শ্বেতা বনসালীর প্রেমে পড়ে এবং তার কাছাকাছি থাকার জন্য সেনাবাহিনীতে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। একটি পদক অর্জনের জন্য, সে বীরত্বের ভান করে; তারপরে অসাবধানী হয়ে সন্ত্রাসীদের উপর পরিকল্পিত আক্রমণকে ঝুঁকির মুখে ফেলে এবং তার ফলস্বরূপ বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী তাদের আস্তানায় পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং শাস্তিপ্রাপ্ত, আহত ও হতমান কুনালজিৎ তার প্রণয়ীর সাথে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করে - কিন্তু আবিষ্কার করে যে সে তার বরিষ্ঠ অফিসার মেজর রাজীব সিংহকে (অক্ষয় কুমার) ভালোবাসে এবং তাকে বিবাহ করেছে। আগে তাকে মৃত বলে ধারণা করা হয়েছিল কিন্তু সে ছিল যুদ্ধবন্দী। কুনালজিৎ সেনাবাহিনীর সঙ্গে যে সূত্রে আবদ্ধ ছিল সেটি ছিঁড়ে যায়। এরপরেই কুনালজিৎ জানতে পারে যে বিদ্রোহী পাকিস্তানী অফিসারদের সমন্বয়ে সন্ত্রাসীরা সাম্প্রদায়িক কলহ ছড়িয়ে দেবার উদ্দেশ্যে জম্মু ও কাশ্মীরের ভগবান শিবজির অমরনাথ মন্দির বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেবার পরিকল্পনা করছে। কুনালজিৎ সবাইকে বাঁচায় এবং দাদুর হৃদয় জয় করে।

চরিত্র চিত্রণ[সম্পাদনা]

সাউন্ডট্র্যাক[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্রে সুর করেছিলেন আনু মালিক। গানের কথা লিখেছিলেন সমীর। "হামেঁ তুমসে হুয়া হ্যায় প্যার" গানট অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।

ট্র্যাক তালিকায়ন[সম্পাদনা]

নং.শিরোনামগায়কদৈর্ঘ্য
১."আব তুমহারে হাওয়ালে ওয়াতান সাথিয়ো"অলকা ইয়াগনিক, কৈলাশ খের, সোনু নিগম, উদিত নারায়ণ৭:৩৮
২."আব তুমহারে হাওয়ালে ওয়াতান সাথিয়ো - ২"সোনু নিগম, উদিত নারায়ণ৬:৫১
৩."চলি আ চলি আ"অলকা ইয়াগনিক, সোনু নিগম৭:১২
৪."দিল রোতা হ্যায় বার বার"সোনু নিগম৪:৩৮
৫."হামেঁ তুমসে হুয়া হ্যায় প্যার"অলকা ইয়াগনিক, উদিত নারায়ণ৬:০৩
৬."কুর্তি মলমল দি"অনুরাধা পৌডওয়াল, কৈলাশ খের, স্নেহা পন্ত, সোনু নিগম, সুদেশ ভোঁসলে৭:১১
৭."মেরে সরপে দোপাট্টা"অলকা ইয়াগনিক, জসপিন্দর নরুলা, উদিত নারায়ণ৫:৩০
৮."মুঝে প্যার দো"অনুরাধা পৌডওয়াল, কারসান সরগঠিয়া, সোনু নিগম৬:০৪
৯."শিবজি সত্য হ্যায়"সোনু নিগম, সুখবিন্দর সিং৭:৩৮

তথ্যসূত্রs[সম্পাদনা]

  1. "Ab Tumhare Hawale Watan Saathiyo"। Box Office India। সংগ্রহের তারিখ ৪ অক্টোবর ২০১৮ 
  2. http://www.boxofficeindia.com/2004.htm
  3. "Amitabh: I'm trying to improve" 
  4. Hungama, Bollywood। "Ab Tumhare Hawale Watan Sathiyo Review – Bollywood Hungama"Bollywood Hungama 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]