বিষয়বস্তুতে চলুন

আব্দুস শহীদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
উপাধ্যক্ষ ডক্টর
আব্দুস শহীদ
বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
১১ জানুয়ারি ২০২৪  ৬ আগস্ট ২০২৪
পূর্বসূরীআব্দুর রাজ্জাক
উত্তরসূরীজাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (উপদেষ্টা)
মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
১২ জুন ১৯৯৬  ৬ আগস্ট ২০২৪[]
পূর্বসূরীশফিকুর রহমান
কাজের মেয়াদ
২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১  ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬
পূর্বসূরীআহাদ মিয়া
উত্তরসূরীশফিকুর রহমান
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মমোঃ আব্দুস শহীদ
(1948-01-01) ১ জানুয়ারি ১৯৪৮ (বয়স ৭৭)
রহিমপুর,কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
পিতামাতাআব্দুল বারী (পিতা)
সাজেদা খানম (মাতা)
শিক্ষাচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
পেশারাজনীতিবিদঅধ্যাপক

আব্দুস শহীদ (জন্ম: ১ জানুয়ারি ১৯৪৮) হলেন বাংলাদেশের একজন শিক্ষাবিদ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও রাজনীতিবিদ। তিনি মৌলভীবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।[] তিনি বাংলাদেশ সরকারের কৃষিমন্ত্রী ছিলেন।[][][]

প্রাথমিক জীবন

[সম্পাদনা]

আব্দুস শহীদ ১৯৪৮ সালের ১ জানুয়ারি মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের রহিমপুরের সিদ্বেশ্বরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আব্দুল বারী এবং মাতা সাজেদা খানম।[] ৮ ভাই ৩ বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। তার বড় মেয়ে উম্মে ফারজানা শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক। তার ছোট ভাই ইমতিয়াজ আহমেদ (বুলবুল) কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। এছাড়াও তার আরেকজন ছোট ভাই ইফতেখার আহমেদ (বদরুল) রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক সম্পন্ন করেন এবং তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২ জুলাই ২০১৮ সালে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ওপর গবেষণায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

রাজনৈতিক জীবন

[সম্পাদনা]

আব্দুস শহীদ ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১ সালের পঞ্চম,[] ১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম,[] ১ অক্টোবর ২০০১ সালের অষ্টম,[] ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ সালের নবম, ৫ জানুয়ারি ২০১৪ সালের দশম[১০] ও ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মৌলভীবাজার-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[১১]

তিনি ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ, এবং ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত জাতীয় সংসদে হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ১১শ জাতীয় সংসদে তিনি অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শ্রীমঙ্গলের সবচেয়ে প্রাচীন বিদ্যাপীঠ ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দ্বায়িত্বরত আছেন। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করলে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারান।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. রিপোর্ট, স্টার অনলাইন (৬ আগস্ট ২০২৪)। "জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত"দ্য ডেইলি স্টার Bangla (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০২৪
  2. বাংলাদেশ গেজেট : অতিরিক্ত সংখ্যা (পিডিএফ)ঢাকা: নির্বাচন কমিশন, বাংলাদেশ। ৮ জানুয়ারি ২০১৪। পৃ. ২২৫। ২৪ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
  3. "কৃষিমন্ত্রী হলেন আব্দুস শহীদ"Newsbangla24। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২৪
  4. "কৃষিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন আব্দুস শহীদ"দৈনিক ইনকিলাব। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২৪
  5. "মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি আব্দুর রাজ্জাক, নতুন কৃষিমন্ত্রী আব্দুস শহীদ"কালের কণ্ঠ। ২০ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৪
  6. "Constituency 238_10th_Bn"www.parliament.gov.bd। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
  7. "৫ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
  8. "৭ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
  9. "৮ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
  10. "৯ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা"জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ২৭ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২২
  11. "১১তম সংসদের সদস্যবৃন্দ"জাতীয় সংসদ। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯। ১৩ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১৯{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)