আব্দুল মাজিদ আল-জিনদানি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আব্দুল মাজিদ আল-জিনদানি
স্থানীয় নামعبد المجيد الزنداني
জন্ম (১৯৪২-০১-০১) ১ জানুয়ারি ১৯৪২ (বয়স ৭৬)
ইয়েমেন ইব্ব, ইয়েমেন
জাতীয়তাইয়েমেন ইয়েমেনি
জাতিসত্তাআরব
পেশাপান্ডিত্য  ও রাজনীতিবিদ

আব্দুল মাজিদ আল-জিনদানি (আরবি: عبد المجيد الزنداني‎‎, ʿআব্দুল মাজিদ ; ১৯৪২ সালে ইয়েমেনের ইব্ব শহরে জন্ম গ্রহণকারী আধুনিক বিশ্বের এক পরিচিত পন্ডিত ও রাজনৈতিক।[১] যিনি লালদাড়ি বিশিষ্ট সিএনএন এর ধর্মীয় বক্তা।[২] তিনি ইসলামিক সেনা-অধিনায়ক এবং ইয়েমেনের ঈমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান। রাজনৈতিক আন্দলোন ইয়েমেন মুসলিম ব্রাদারহুড এর র্শীষ নেতা ও সৌদি আরব ভিত্তিক কুরআন ও সুন্নাতের বৈজ্ঞানিক দর্শন কমিশনের প্রতিষ্ঠাতা।[৩]

২০০৪ সালে মার্কিন রাজস্ব বিভাগ নির্বাহী আদেশে যুক্তরাষ্ট্রে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জিনদানির নামে, বলা হল জিনদানি বিশেষ শ্রেণীর বিশ্ব সন্ত্রাস[৪]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

আল-জিনদানি কলেজ জীবন কাটান মিশর।সেখানে তিনি আইন শামস বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন। উল্লেখ করা যেতে পারে প্রথমে তিনি জীব বিজ্ঞানরসায়ন নিয়ে পড়া লেখা শুরু করলেও কিছু দিন পর ইসলাম শিক্ষা নেন। যেখানে তিনি পাশ করতে ব্যর্থ হন। এর পর তিনি এডেন ফিরে আসেন ১৯৬৬ সালে। তিনি সৌদি আরব যান ১৯৬৭ সালে। যেখানে তিনি ইসলামিক দাওয়াহ সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিয়ুক্ত হন। ১৯৬ সালে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয় যখন তিনি মিশর সরকার কর্তৃক গ্রেফতার হন।১৯৭০ সালে তিনি ইয়েমেন ফেরেন এবং ইয়েমেনি মুসলিম ব্রাদারহুড প্রতিষ্ঠা করেন আর জীবনকে রাজনীতিতে নিযুক্ত করন।[৫]

ঈমান বিশ্ববিদ্যালয়[সম্পাদনা]

আল-জিনদানি হলেন ইয়েমেনের সানায় অবস্থিত ইমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি। এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৫ সালে ইয়েমেন সরকারের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়। যদিও এটি বিদেশি সাহায্য গ্রহণ করেছে, রক্ষণশীল ওহাবী সমাজ, সৌদি আরবের ঐতিহ্যগত রাষ্ট্রিয় সম্পদ ও কাতার থেক, বাছরে ৪০০ জন ছাত্র নিচ্ছে করছেI [৩][৬]

মার্কিন অর্থ বিভাগ[৪] বিবৃতি প্রদান করে, জিনদানি বিন লিদেনের দেশে খুবই বিশ্বস্ত, আবার ঈমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কিছু ছাত্রকে গ্রফতার করা হয়েছে, রাজনৈতিকধর্মীয় হত্যাযজ্ঞের জন্য। কিছু সংখ্যক বিশ্বাস করে বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম আধিকাংশই বন্টিত, এটা কোন একচাটিয়া বিষয় নয়। মূলত ইসলাম শিক্ষা, এবং এটা একটি প্রগতিবাদ (ইনকিউবেটর) অণ্ডস্ফুটন যন্ত্র। [৭][৮]

সান্ডে টাইমস বলছে, ২০০৯ সালে বড় দিনে   ওমর ফারুখ আব্দুল মুত্তালিবকে ২৫৩ উত্তরপশ্চিম বিমান ফ্লাইট, বোমারু বিমান সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়। ২০০৫ সালের সে দিনেও প্রভাষক আল-আওলাকি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন।[৯]

রাজনৈতিক কার্যক্রম[সম্পাদনা]

আল-জিনদানি, শান্তিতে ২০১১ সালে নোবেল পুরুষ্কার প্রাপ্ত  তাওয়াক্কোল কারমান এর ইয়েমেন আল-ইসলাহ স্বাধীনতার জন্য আন্দলোনের একজন নেতৃস্থানীয় সদস্য।

কুরআন ও হাদিসেল বৈজ্ঞানিক নিদর্শন কমিশন[সম্পাদনা]

জিনদানি সৌদি সরকারের তটস্থ হন বৃহত্তর সাহায্যের জন্যে, আর বিশ্ব মুসলিম লিগ ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠা করে সৌদি আরব ভিত্তিক কুরআন ও সুন্নাহের বৈজ্ঞানিক নিদর্শন কমিশন। আর তিনি এর সাধারণ সম্পাদক হিসেব প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন, ১৯৯৫ সালে পদবিন্যাস না করা পর্যন্ত। যদিও বিশ্ব মুসলিম লীগের সাথে তার কোন দাফতরিক সম্পর্ক নেই, তবু তিনি এর সকল অনুষ্ঠান গুলোতে আমন্ত্রিত হয়েছে।

কমিশন নিয়ে তৈরী হয় উধ্যম সমালোচনা। এটা প্রমাণ করতে যে, সাখ্য তথ্য ও দলিলগুলো কতটুকু পক্ষপাতহীন বৈজ্ঞানিক বিস্ময় কর কুরআন এটা কি স্পষ্ট ও স্বচ্ছ অথবা কোন এক অমুসলিম পন্ডিত শত্রু চক্র  আলাদা ক্ষেত্রে এটা সাক্ষ্য দিয়েছে।[১০] বিভিন্ন অমুসলিম পন্ডিত এ প্রসঙ্গে বিবৃতি দিয়েছেন, যে কমিশনের  বিস্তার ছিল বিভ্রান্তিকর।[১]  ১৯৮৪ সালে কমিশনের একজন সদস্য, মুসতাফা আব্দুল বাছিত আহমেদ যুক্তরাষ্ট্রে যান। আমুসলিম পশ্চিমা বিজ্ঞানিদের নিকট থেকে তথ্য নিতে, এবং কুরআনের অলৌকিক নিদর্শন বের করতে। যদিও এটা ছিল ২০০২ সালের ঘটনা।[১] যুক্তরাষ্ট্রের খবরের কাগজ ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, জানায় বিভিন্ন আমুসলিম অবিশ্বস্য জনক বক্তব্য ও বিবৃতি দিয়েছিল কমিশনের জন্য। সবচেয়ে বেশি শাইখ আব্দুল মাজিদ আল-জিনদানির সাক্ষাৎকারে, আর তাদের মিথ্যা আশা হবে হুবহু দেওয়া হল।

কমিশন দৃঢ় ভাবে আশা করে, বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে প্রথম শ্রেণীর সমতল টিকিট তাদের ও তাদের স্ত্রীদের জন্য। হোটেলের সুন্দর কামরার জন্যে সম্মানী $১,০০০ এছাড়া রয়েছে মুসলিম নেতাদের সাথে ভোজ সভার ব্যবস্থা, যেমন ইসলামাবাদের রাজপ্রসাদে সন্ধ্যভোজের ব্যবস্থা ছিল পাকিস্তানি রাষ্ট্রপতি জিয়া উল-হকের সাথে। যদিও তিনি বিমান দুর্ঘটনায় কিছু দিনের মধ্যেই মারা যান। এছাড়াও আহম্মেদ বিজ্ঞানীদের সব শেষে একটি করে কাঁচের ঘড়ি দিয়েছিলেন।[১]

সামুদ্রিক জাহাজ বিজ্ঞানী উইলিয়াম হাই অভিযোগ করেন, সাক্ষাৎকারে মধ্য ফাঁদ পাতা রয়েছে, যেখানে প্রতিদিন যাত্রীরা পা দিচ্ছে বলে দাবি জানান। পারস্পরিক হাতের কৌশল বিজ্ঞানি ও সম্মেলন আয়োজকদের সাথে।মেইনজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞানি আধ্যাপক আলফ্রেড করোনার ফিরে এসে একটি মান সম্মত ই-মেইল জবাব পাঠিয়ে তার এর বাইরের মন্তব্য পরিস্কার করেন।যাতে সম্মেলনকালিন সময়ের কর্যবিবরণী বর্ণিত হয়েছে এবং এর ফলাফল বহন করছে মুসলিম কৈফিয়তকারিদের মাঝে।  তিনি একটি ভিডিও রেকর্ড সাক্ষাতকারের ঘটনা বর্ণনা করেছেন, কিভাবে তিনি প্রকল্পিত বিশুদ্ধরূপে জিজ্ঞাসা করেছিলেন প্রশ্নউত্তর, এবং এটা তাদের উত্তর যেটা তিনি পরবর্তিকালে খুঁজেপেয়ে ছিলেন, যদিও মিথ্যা পরিচয় দিয়ে। এই সাক্ষাতকারটি গ্রহণ করেছেন অ্যালিস (পিটার) পালমার, আধ্যাপক টম আমর্স্টং এবং আলফ্রেড করোনার।[১১]

এইডস গবেষণা[সম্পাদনা]

আল-জিনদানি একটি বক্তৃতা দেন ঈমান বিশ্ববিদ্যালয়ে, যেখানে তিনি বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা গবেষণার গুনগত মান প্রকাশ করেন। তাদের দাবি যে, তারা অনেকাংশেই এইডসের চিকিৎসায় সফলতা লাভ করেছেন।[১২][১৩] 20 স্থানে জিনদানি বলেন যে, এইডস এর জীবাণু সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়েছে কোন পার্শ পতিক্রিয়া ব্যতিত। আর তিনি জাতি সংঘকে আহব্বান করেন, যেন তারা এই রোগ থেকে বাচতে বিপুল পরিমাণে আর্থ ব্যয় করে। এই আবিষ্কার পুনরায় পর্যালোচনা করে দেখার জন্য, তারা প্রবীণ বিজ্ঞানীদের নিকট পাঠিয়ে দেন।

ডা. জামিল আল-মুঘালেস, যিনি বাদশা আব্দুল আজিজবিশ্ববিদ্যালের ক্লিনিক্যাল রোগপ্রতিরোধ সেবার প্রধান, তিনি জিনদানির তথ্যেকে বিতর্কিত করেন। তিনি বলেন ব্যক্তিগতভাবে গভীর পর্যবেক্ষণ মাধ্যমে রক্ত পরীক্ষা করেছেন, এবং তিনি জিনদানির সম্পূর্ণ বিপরিত দাবি করেন।[১৪]  জনাব আল-মুঘালেছ আরো বলেন, যদি তিনি স্বাস্থ মন্ত্রী হতেন তাহলে জিনদানিকে কারাগারে পাঠাতেন।তিনি বলেন আমি আশা করি যে, গণমাধ্যম তাকে নিয়ে আর সংবাদ প্রচার করবে না, সে তার উদ্দেশ্য থেকে কিছু গোপন করতে চায়, কারণ সে সেই তালিকায় রয়েছে যেটা সন্ত্রাসীদের তালিকা।[১৫]

অপর দিকে, আল-জিনদানি একটি রোগিকে হারবাল পদ্ধতি প্রয়োগ করতে চান, যেটা তার বানানো এইডস এর চিকিসৎসা শাস্ত্র; এই আবেদনটি প্রকাশ হয়েছিল বিশ্ব আধ্যাত্মিক সম্পদ সংগঠন এর ওয়েবসাইটে ২০১১ সালের এপ্রিল মাসে।[১৬]

পাপ ত্যগ ও পূর্ণ অর্জন আন্দোলন[সম্পাদনা]

২০০৮ সালের জুলাই মাসে জিনদানি যোগ দেন ইসলামিক আলেম সমাজের দলে, এবং সৃষ্টি সম্পর্কে তাদের ক্ষুদ্র কর্তৃপক্ষ প্রধান হতে ঘোষণা দেওয়া হয় নতুন নৈতিকতার। আলোচনা সভায় ঘোষণা করা হয়, পাপ ত্যাগ ও পূর্ণ আর্জন করতে গিয়ে তারা ইসলামি আইন শাস্ত্রের লঙ্ঘন করছে কিনা, ও তাদের উদ্দেশ্য কি, ইয়েমেন পুলিকে তা জানতে হবে এবং বাধা দিতে হবে। আরো বলা হয়, গোয়েন্ধা সদস্যকে নজরদারি করতে ও 'নৈতিকতার অভিভাবকত্ব' স্বরূপ পৎপরতার সাথে আত্ম-নিয়োগ করতে  হোদাইদাহ, এডেনসানায়[১৭]

জয়লানডস-পোসটেন ব্যঙ্গ কার্টুন প্রতিবাদ[সম্পাদনা]

২০০৬ সালে জিনদানি চাপে পড়ে যান, কারণ ২০ আগস্ট তাদের খবরের কাগজ ও সম্পাদক বিতর্কিত মোহাম্মদ কার্টুন পুনরায় ছাপানোর মামলায়।মূলত এটি এঁকেছিলেন জয়লানডস-পোসটেন ২০০৫ সালে। ২৫ শে নভেম্বর ২০০৬ সালে জিনদানি প্রথম মামলায় বিজয়ী হন আল রাই-আ'ম কাগজের বিরুদ্ধে। আর পত্রকাটি ছয় মাসের জন্য স্থগিত হয়ে যায় ও তার সম্পাদক এক বছরের জন্য যায় কারাগারে।

যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ[সম্পাদনা]

আনোয়ার আল-আওলাকি, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক ও বক্তা ছিলেন।

২০০৪ সালের ২৪ শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব বিভাগ একটি নির্দেশ জারি করে, জিনদানিকে "বিশেষ সন্ত্রাসী আখ্যা দেয়"। এই বিভাগ থেকে আরো দাবি করা হয় লাদেনের সাথে জিনদানির একটা দীর্ঘ সময় কাজ করার ইতিহাস রয়েছে। উল্লেখ করা হয় জিনদানি তাদের আধ্যাত্মিক নেতা আর তিনি যোগাযোগ করিয়ে দেন আল-কায়দার সাথে সম্পর্কিত ইরাকসিরিয়া ভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন আনসার আল-ইসলাম (এ এল) কে। রাজস্ব বিভাগ আরো সন্দেহ প্রকাশ করে, যে তিন যুক্তরাষ্ট্রীয় ধর্ম প্রচারকে গুপ্তহত্যা করেছে তার আল ইমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এবং ইয়েমেন সমাজতন্ত্রবাদী দলের দ্বিতীয় নম্বর নেতা জারাল্লাহ ওমর কেউ হত্যা করেছে।[৪]"[১৮] আল আওলাকি, জানদানি কর্তৃক ইমান বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার ও ক্লাসের নেতৃত্ব গ্রহন করে।[১৯]

জন ওয়াকার লিন্ড ছিলেন ইমান বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন ছাত্র, তারও সন্ত্রাসী চক্রের সাথে সম্পর্ক ছিল।[৭][২০]

পরবর্তিতে জিনদানির নাম দাখিল করা হয়েছিল মার্কিন ১২৬৭ সভার তালিকায়[২১]  আল কায়দার অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তি বা যুক্ত ব্যক্তি হিসেবে। এই কারনে গুয়ান্তানামো বন্দি আব্দুর রহমান মোহাম্মদ সালেহ নাসে কে প্রশাসনিক পর্যালোচনা পরিষদ, ন্যায্যতা যাচাই করার জন্যে ধারাবাহিক ভাবে বিচারবহির্ভুত গ্রেফতার করে, যেখানে:[২২]

  1. "বন্দিরি সিদ্ধান্ত নেয় শুনানির পর তারা আফগানিস্তান যাবে আর শাইখ আল-জিন্দানির সাথে কথা বলবে।
  2. "আব্দুল মাজিদ আল জিনদানি লাদেনের একজন সক্রিয় সমর্থক ছিলেন। জিনদানি লাদেনের সংগঠনের জন্য স্বচ্ছাসৈনিকদেরকে পুনরায় সংগঠিত করার কাজে জড়িত ছিলেন। এছাড়াও তিনি ওসামা বিন লাদেনের ধর্মীও এবং বৈধ বিশেষজ্ঞ।
  3. "১৩২২৪ নির্বাহী আদেশ শাইখ আব্দুল মাজিদ আল জিনদানিকে আখ্যা দেয় যে, তিনি একজন ব্যক্তি যিনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, আসন্ন হয়েছেন সন্ত্রাসীদের নিকট বা সমর্থন করেন।"[৪]

২০১০ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে যখন যুক্তরাষ্ট্র তাদের সৈন্য ইয়েমেনে পাঠায়, আল কায়দার সাথে যুদ্ধ করার জন্য, তখন জিনদানি জিহাদের ডাক দেন।[২৩]

ইয়েমেনে প্রতিবাদ[সম্পাদনা]

১৩ ই সেপ্টম্বর ২০১২ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের পাশে প্রতিবাদ সমাবেশ করা হচ্ছে। এটা শুরুর ঘন্টা খানেক পর জিনদানির সমর্থকেরাও তাদের অনুকরণ করে লিবিয়ামিশরে একই ধরনের প্রতিবাদ করে। রাজধানি সানার কিছু আবাসিক এলাকায়ও প্রতিবাদ করা হয়। প্রতিবাদ কারীরা এসময় নবী মোহাম্মদইসলামের ব্যঙ্গাত্মক একটি ভিডিও রেকর্ড নিয়ে নিন্দা করে।[২৪]

বহিসংযোগ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Daniel Golden (জানুয়ারি ২৩, ২০০২)। "Strange Bedfellows: Western Scholars Play Key Role in Touting `Science' of the Quran"Wall Street Journal 
  2. Yemeni leader lashes out at U.S. as protests continue আর্কাইভকৃত ২০১২-০৩-০১ ওয়েব্যাক মেশিনে. CNN. March 1, 2011
  3. "Yemeni Sheikh of Hate"National Review। অক্টোবর ৩১, ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৫, ২০০৭ 
  4. "United States Designates bin Laden Loyalist; February 24, 2004"। মার্চ ১৪, ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০২-০৭ 
  5. Islamic fundamentalism। Westview Press। পৃষ্ঠা 218। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৭, ২০১০ 
  6. Yemeni Sheikh al-Zindani's New Role as a Healer Publication: Terrorism Focus Volume: 4 Issue: 8 Date: April 6, 2007 By: Andrew McGregor
  7. Raghavan, Sudarsan (ডিসেম্বর ১০, ২০০৯)। "Cleric linked to Fort Hood attack grew more radicalized in Yemen"The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ১০, ২০০৯ 
  8. Glenn R. Simpson, "Terror Probe Follows the Money," The Wall Street Journal, April 2, 2004. Retrieved January 21, 2010.
  9. Leppard, David   (January 3, 2010 )। "MI5 knew of Umar Farouk Abdulmutallab's UK extremist links"The Sunday Times । সংগ্রহের তারিখ January 2, 2010  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  10. Abdul Majeed al-Zindani in an interview in the May 2001 issue of a magazine published by the Commission on Scientific Signs
  11. YouTube.com: What those scientists really thought of the Quran; By TheRationalizer; 21 March 2011
  12. Yemen Post আর্কাইভকৃত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১২ ওয়েব্যাক মেশিনে.; Sheikh Al-Zindani Surprises Medical Experts by Officially Announcing AIDS Medication; Hakim Almasmari; April 14, 2008
  13. ইউটিউবে Zindani claims cure for AIDS during TV interview
  14. http://armiesofliberation.com/archives/2006/12/12/who-to-test-zindani’s-aids-herbal-cure/[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  15. Ghaleb, Thuria, "Controversial sheikh claims AIDS cure," Yemen Observer, December 19, 2006, accessed November 19, 2009[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  16. THE USE OF A HERBAL COMPOSITION FOR THE TREATMENT OF A PERSON INFECTED WITH HIV
  17. "Pulitzer Centre on Crisis Reporting, August 11, 2008"। Pulitzercenter.org। জুন ২১, ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৭, ২০১০ 
  18. "Microsoft Word - nefabackgrounder_alawlaki.doc" (PDF)। এপ্রিল ১৪, ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা (PDF)। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৭, ২০১০ 
  19. "Chucmach, Megan, and Ross, Brian, "Al Qaeda Recruiter New Focus in Fort Hood Killings Investigation Army Major Nidal Hasan Was In Contact With Imam Anwar Awlaki, Officials Say," ''ABC News'', November 10, 2009, accessed November 12, 2009"। USA : ABC। নভেম্বর ১০, ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৭, ২০১০ 
  20. Schmidt, Susan; Imam From Va. Mosque Now Thought to Have Aided Al-Qaeda; The Washington Post, February 27, 2008. Retrieved November 20, 2009.
  21. "UN 1267 Committee banned entity list"। United Nations। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৭, ২০১০ 
  22. [[[:টেমপ্লেট:DoD detainees ARB]] Factors for and against the continued detention (.pdf)] of Abdul Rahman Mohamed Saleh Naser Administrative Review Board May 18, 2005 – p. 35
  23. Worth, Robert (জানুয়ারি ১৪, ২০১০)। "Yemen: Clerics Oppose U.S. Troops"The New York Times। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ১৫, ২০১০ 
  24. Nasser Arrabee and Alan Cowell, "Turmoil spreads to US embassy in Yemen," The New York Times, 13 September 2012.