আব্দুল কাহির আল জুরজানি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

আবু বকর, আব্দুল কাহির ইবনে ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল জুরজানি (১০০৮-১০৭৮ বা ১০৮১ খ্রিঃ [৪০০ – ৪৭১ বা ৪৭৪ হিজরি])[১] যিনি নুহওয়া (ব্যকরনবীদ) নামে পরিচিত। তিনি ছিলেন আরবি ভাষার ইরানী প্রখ্যাত ব্যকরনবীদ। যিনি সংক্ষিপ্ত ভাবে আল জুরজানি নামে অধিক পরিচিত।

নাম ও জন্ম[সম্পাদনা]

আল জুরজানির নাম আবু বকর আব্দুল কাহির, উপনাম আবুল বারাকাত। তার পিতার নাম ছিলো আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ। আল জুরজানি তিনি তাবারিস্তানের অন্তর্গত জুরজানে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি তার জন্মস্থান জুরজানি নামে সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তা লাভ করেন।

শিক্ষা-দীক্ষা:[সম্পাদনা]

আব্দুল কাহির আল জুরজানি তার জন্মস্থান জুরজানেই অবস্থান করে শুধুমাত্র বিখ্যাত আবু আলি ফারেসি ভাগিনা মুহাম্মাদ ইবনে হুসাইন আন নাহবী-র নিকট জ্ঞান অর্জন করেন।

লেখকের বৈশিষ্ট্য:[সম্পাদনা]

আরবী ভাষার মৌলিক শাস্ত্রীয় গবেষণায় তিনি অপ্রতিদন্দ্বী ছিলেন।[২] চিন্তার সূক্ষ্মতা, গবেষণার মৌলিকতা ও বিষয়ের গূঢ়মর্মতায় তিনি ছিলেন গবেষক। আরবি ভাষার অলংকার শাস্ত্র “ইলমুল মায়ানী” তে তার বিশেষ অবদান ছিলো। তিনি সর্বপ্রথম তিনি ইলমুল মায়ানির উল্লেখযোগ্য অংশ “মাজায” এর প্রকারভেদ আবিষ্কার করেন। আরবি ভাষাবিদ তাকে “ইলমুল বায়ান” এর আবিষ্কারক বলে আখ্যায়িত করেছেন। ধর্মীয় আকীদাতাগত ভাবে তিনি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আশআরী মতবাদ গ্রহণ করেছিলেন। আর মাযহাবগতভাবে ছিলেন শাফেয়ীর মতাবলম্বী।

রচনাবলী:[সম্পাদনা]

তিনি বহু কিতাবাদী রচনা করেন।[৩] তন্মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হল-

১.ইযাজুল কুরআন

২.তাফসীরুল জুরজানী

৩.দালায়িলুল ইযাজ

৪.আল উমদাহ

৫.মিয়াতু আমেল

৬.আসারুল বালাগাত।

মৃত্যু:[সম্পাদনা]

আল জুরজানি ৪৭১ মতান্তরে ৪৭৪ হিজরীতে পরোলোক গমন করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Jurjānī, al-". Encyclopædia Britannica (15th ed.). 1978. 
  2. "মুসলিম সভ্যতা ও সংস্কৃতি-৪৪"Parstoday। ২০১৮-০১-০৩। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-২১ 
  3. "শায়েখ আবু বকর আব্দুল কাহের জুরজানী (রহ.)"Bangla Knowledge (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-২১