বিষয়বস্তুতে চলুন

আব্দুলআজিজ খোজা মাদ্রাসা

স্থানাঙ্ক: ৩৮°৫২′১৩″ উত্তর ৬৫°৪৮′২৪″ পূর্ব / ৩৮.৮৭০১৯৯° উত্তর ৬৫.৮০৬৬৭৮° পূর্ব / 38.870199; 65.806678
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আব্দুল আজিজ খোজা মাদ্রাসা

আব্দুল আজিজ খোজা মাদ্রাসা (উজবেক: Abdulazizxoʻja madrasasi) হলো একটি ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ। ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮-এর প্রেসিডেন্সিয়াল ডিক্রি (PQ-4068) "বস্তুগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ কার্যক্রমের আমূল উন্নতির ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে" অনুযায়ী, এটি উজবেকিস্তানের স্থাবর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বস্তুর জাতীয় নিবন্ধনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং বর্তমানে এটি রাষ্ট্রীয় সুরক্ষাধীন।[][]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

মাদ্রাসাটি ১৯০৯ সালে খোজা আব্দুল আজিজবয় দ্বারা নির্মিত হয়েছিল, যিনি কারশির অন্যতম ধনী, উদার এবং শিক্ষিত ব্যক্তি ছিলেন। মাদ্রাসাটি বর্তমানে কারশি শহরের "পুরাতন শহর" অংশের ওদিনা বাগানে অবস্থিত।

স্থাপত্য

[সম্পাদনা]

মাদ্রাসাটি প্রথাগত স্থাপত্যশৈলী অনুযায়ী নির্মিত হয়েছে। ভবনটি দুই তলা বিশিষ্ট এবং এর একটি সুন্দর সম্মুখভাগ রয়েছে। প্রথম এবং দ্বিতীয় তলার কক্ষগুলোর আকার ভিন্ন ভিন্ন। প্রবেশপথে একটি উঁচু খিলান বা তোরণ রয়েছে, যা ভবনটিকে গাম্ভীর্য প্রদান করে। খিলানের পাশগুলো গম্বুজ দিয়ে সজ্জিত, যাতে অলঙ্কারিক নকশা রয়েছে। মাদ্রাসার অভ্যন্তরে তেমন কোনো সাজসজ্জা নেই। ভবনটি তৈরিতে ব্যবহৃত ইটগুলোও সব একই ধরনের নয়। ভবনের নিচের অংশের তুলনায় উঁচুতে অবস্থিত গম্বুজটি ছোট আকারের ইট দিয়ে তৈরি। খিলান এবং এর পার্শ্ববর্তী অংশগুলো বিভিন্ন আকৃতির ইট দিয়ে ঢাকা। ভবনটির দেওয়ালগুলো বেশ পাতলা। মাদ্রাসার পুরনো অংশে বিশেষ কোনো অলঙ্করণ না থাকলেও এর একটি নিজস্ব আকর্ষণ রয়েছে।[]

মাদ্রাসাটির দৈর্ঘ্য ২৬ মিটার এবং প্রস্থ ২৪ মিটার। এতে মোট ২৭টি কক্ষ রয়েছে। এর আঙিনাটি ১৪ মিটার বর্গাকার, যার মাঝখানে একটি নর্দমা বা জলনির্গমন পথ রয়েছে যেখানে জমা হওয়া পানি প্রবাহিত হয়। কেন্দ্রীয় খিলানের ভেতরে একটি সিঁড়ি রয়েছে যা দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যায়। বর্তমানে আঞ্চলিক "খুয়ারমান্দ" সমিতি এই মাদ্রাসায় অবস্থিত।[]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Моддий маданий мероснинг кўчмас мулк объектлари миллий рўйхатини тасдиқлаш тўғрисида Ўзбекистон Республикаси Вазирлар Маҳкамасининг 846-сон 04.10.2019 й. қарори"Lex.uz (উজবেক ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০
  2. National Encyclopedia of Uzbekistan. Volume 1. Tashkent, 2000
  3. Ravshanov, Poyon (২০১১)। Qarshi tarixi (উজবেক ভাষায়)। Tashkent: Yangi asr avlodi। পৃ. ৩০–৩৩।
  4. Nasriddinov, K; Xujayarov, U (২০১১)। Qarshi shahrining meʼmoriy yodgorliklari (উজবেক ভাষায়)। Tashkent: Yangi asr avlodi। পৃ. ৩০–৩৩।

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]