আবু মাশার আল-সিন্দি
আবু মাশার আল-সিন্দি | |
|---|---|
| ব্যক্তিগত তথ্য | |
| জন্ম | আব্দুর রহমান বিন আল-ওয়ালিদ বিন হিলাল আল-সিন্দি আনু. ৯০ হিজরি / ৭০৯ খ্রিস্টাব্দ ইয়েমেন, উমাইয়া খিলাফত |
| মৃত্যু | রমজান ১৭০ হিজরি / ফেব্রুয়ারি–মার্চ ৭৮৭ খ্রিস্টাব্দ বাগদাদ, ইরাক, আব্বাসীয় খিলাফত |
| ধর্ম | ইসলাম |
| সন্তান | মুহাম্মদ |
| যুগ | প্রয়াত উমাইয়া এবং প্রাথমিক আব্বাসীয় যুগ |
| প্রধান আগ্রহ | হাদিস, সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ |
| শিক্ষক | সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব, Abū Umāma As'ad bin Ḥanīf, Abu Barda bin Abi Musa al-Asha'ari, হিশাম ইবনে উরওয়াহ, Sa'id Al-Maqbari, Muhammad bin Ka'b al-Qarzi, মুসা বিন ইয়াসার আল-উর্দানি |
| পেশা | দর্জি |
| আরবি নাম | |
| ব্যক্তিগত (ইসম) | নাজীহ نجيح |
| পৈত্রিক (নাসাব) | বিন আব্দুর রহমান بن عبد الرحمٰن |
| ডাকনাম (কুনিয়া) | আবু মাশার أبو معشر |
| স্থানীয় (নিসবা) | আল-সিন্দি আল-মাদানি السندي المدني |
| ঊর্ধ্বতন পদ | |
শিক্ষার্থী | |
| পেশা | দর্জি |
আবু মাশার নাজীহ বিন আব্দুর রহমান আল-সিন্দি আল-মাদানি (আরবি: أبو معشر نجيح بن عبد الرحمن السندي المدني) যিনি সাধারণত আবু মাশার আল-সিন্দি নামে পরিচিত, ছিলেন একজন মুসলিম ইতিহাসবিদ এবং হাদিস পণ্ডিত। ইবনে ইসহাকের সমসাময়িক এই পণ্ডিত 'কিতাব আল-মাগাজি' লিখেছিলেন, যার কিছু অংশ আল-ওয়াকিদি এবং ইবনে সাদের কর্মে সংরক্ষিত আছে। আল-তাবারী তার কাছ থেকে ইসরায়েলি বর্ণনা এবং ইসলামি নবী মুহাম্মদ (সা.) ও পরবর্তী মুসলিম বিজয় সম্পর্কে কালানুক্রমিক তথ্য উদ্ধৃত করেছেন। হাদিস বর্ণনাকারী হিসেবে, জীবনী মূল্যায়ন (আরবি: ʿIlm al-rijāl) বিশারদরা সাধারণত তাকে অবিশ্বস্ত বলে মনে করেন।
জীবনী
[সম্পাদনা]প্রাথমিক জীবন ও পটভূমি
[সম্পাদনা]তার এক নাতির মতে, আবু মাশার মূলত ইয়েমেনের বাসিন্দা ছিলেন এবং আনুমানিক ৯৭ হিজরি / ৭১৫-৬ খ্রিস্টাব্দের দিকে আল-ইয়ামামা বা আল-বাহরাইনে ইয়াজিদ ইবনুল মুহাল্লাবের এক অভিযানের সময় শিশু অবস্থায় বন্দী হন। তার আসল নাম ছিল আব্দুর রহমান বিন আল-ওয়ালিদ বিন হিলাল আল-সিন্দি, এবং তিনি শুরুতে তামিম গোত্রের একটি শাখা বানু হানজালার একজন মাওলা (দাস) হন। পরবর্তীতে মদিনায় তাকে বানু আসাদের এক ব্যক্তি কিনে নেন, যিনি তাকে নাজীহ ('উত্তম পরামর্শদাতা') নাম দেন। তবে ইবনে সাদের একটি বিকল্প বিবরণ অনুযায়ী, আবু মাশার ছিলেন বানু মাখজুমের একজন মুকাতাব (মুক্তির চুক্তিবদ্ধ দাস), যাদেরকে তিনি তার স্বাধীনতার বিনিময়ে নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করতেন।[১][২]
দাস থাকা অবস্থায় আবু মাশারকে আব্বাসীয় খলিফা আল-মনসুরের স্ত্রী উম্মে মুসা আল-হাশিমিয়া কিনে নেন এবং পরে তাকে মুক্ত করে দেন। এভাবে তিনি বানু হাশিমের একজন মাওলা হন। বলা হয় যে, তিনি বানু হানজালার তুলনায় এই মাওলা হওয়াকেই বেশি পছন্দ করতেন।[২]
তার নিসবাত আল-সিন্দি ('সিন্ধ থেকে আসা') নির্দেশ করে যে উপসাগরীয় অঞ্চলে বসতি স্থাপনের আগে তার পরিবার মূলত সিন্ধ (বর্তমান পাকিস্তান) থেকে এসেছিল। জোসেফ হোরোভিৎসের মতে, আবু মাশারের বাবা ইয়েমেন থেকে সিন্ধে স্থানান্তরিত হয়ে থাকতে পারেন। তার নিসবাত আল-মাদানি হওয়ার কারণ হলো তিনি দীর্ঘকাল মদিনায় বসবাস করেছিলেন। বলা হয় যে তিনি আবু উমামা আসাদ বিন সাহল বিন হানিফের (মৃত্যু ১০০ হিজরি/৭১৮-৭১৯ খ্রিস্টাব্দ) ছাত্র ছিলেন, যাকে অধিকাংশ পণ্ডিত একজন সাহাবী হিসেবে গণ্য করেন, তাই আবু মাশারকে একজন তাবেয়ী হিসেবে গণ্য করা হয়।[১][৩][২]
পরবর্তী জীবন
[সম্পাদনা]মদিনায় থাকাকালীন তিনি তার মনিবের বাড়িতে আলোচিত মাগাজি (যুদ্ধাভিযান) ঐতিহ্যগুলো শুনতেন এবং মুখস্থ করতেন। শুরুতে তিনি দর্জির কাজ শিখতে শুরু করেন, যেখানে মুহাম্মদ বিন কাব আল-কুরাজি, মুহাম্মদ বিন কায়েস এবং সাঈদ আল-মাকবুরির মতো বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট তাবেয়ী তার কাছে যেতেন। বলা হয় যে তিনি তাদের কাছ থেকে বর্ণিত হাদিস ও প্রতিবেদনগুলো শিখেছিলেন। তার ছাত্র আবু নুয়াইম (মৃত্যু ২১৯/৮৩৪-৫) তাকে বুদ্ধিমান এবং ভালো স্মৃতির অধিকারী হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যদিও তিনি আরবি ভুলভাবে বলতেন, যেমন তিনি 'কাফ' (kāf) অক্ষরটিকে 'ক্বাফ' (qāf) হিসেবে উচ্চারণ করতেন।[১][২]
যখন আব্বাসীয় খলিফা আল-মাহদী তার খিলাফতের দ্বিতীয় বছরে (১৬০ হিজরি / ৭৭৬–৭ খ্রিস্টাব্দ) মদিনা সফরে আসেন, তখন তিনি আবু মাশারকে এক হাজার স্বর্ণের দিনার উপহার দেন এবং তাকে বাগদাদে এসে মানুষকে ফিকহ (ইসলামি আইনশাস্ত্র) শেখানোর আমন্ত্রণ জানান। আবু মাশার এই প্রস্তাব গ্রহণ করেন এবং পরের বছর ১৬১ হিজরি/৭৭৭-৮ খ্রিস্টাব্দে বাগদাদে চলে যান এবং জীবনের বাকি সময় সেখানেই কাটান।[১][৩][২][৪]
মৃত্যু
[সম্পাদনা]আবু মাশার ১৭০ হিজরির রমজান মাসে (ফেব্রুয়ারি–মার্চ ৭৮৭ খ্রিস্টাব্দ) বাগদাদে মারা যান। কিছু বর্ণনা অনুযায়ী, মৃত্যুর আগে তিনি মানসিক বিপর্যয় এবং মারাত্মক অসুস্থতায় ভুগেছিলেন। আব্বাসীয় খলিফা হারুন আল-রশিদ (শাসনকাল ৭৮৬–৮০৯) তার জানাজার নামাজের নেতৃত্ব দেন। তাকে পশ্চিম বাগদাদের "গ্রেট সেমেটারি"-তে সমাহিত করা হয়।[১][৩][২]
রচনাবলি
[সম্পাদনা]মুহাম্মদ বিন কাব আল-কুরাজি (মৃত্যু ১১৭–২০/৭৩৫–৮), নাফে মাওলা ইবনে উমর (মৃত্যু ১১৭–২০/৭৩৫–৮) এবং হিশাম ইবনে উরওয়াহ (মৃত্যু ১৪৬/৭৬৩–৪) সহ বেশ কয়েকজন পণ্ডিতকে তার প্রধান কর্তৃপক্ষ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আবু মাশারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছাত্রদের মধ্যে ছিলেন তার ছেলে মুহাম্মদ, যিনি তার 'কিতাব আল-মাগাজি' এবং সম্পূর্ণ 'তারিখ' বর্ণনা করেছেন; আল-ওয়াকিদি, যিনি একটি বিশেষ অভিযান সম্পর্কে তথ্য আলোচনার জন্য আবু মাশারের সাথে দেখা করেছিলেন; এবং ইসহাক বিন ঈসা আল-তাব্বা (মৃত্যু ২১৫/৮৩০-১), যিনি তার 'তারিখ আল-খুলাফা' বর্ণনা করেছেন।[১]
- মাগাজি
আবু মাশার মাগাজি বিষয়ের ওপর অন্যতম প্রাচীনতম গ্রন্থের রচয়িতা। তার ছেলে মুহাম্মদের মতে, তিনি এই ঐতিহ্যগুলো মুহাম্মদ বিন কায়েস আল-কাস (মৃত্যু আনুমানিক ১২৫/৭৪৩), সাঈদ বিন আবি সাঈদ আল-মাকবুরি (মৃত্যু ১২৩/৭৪১–২), শারাহবিল বিন সাদ (মৃত্যু ১২৩/৭৪১–২) সহ অন্যান্য মদিনার পণ্ডিতদের কাছ থেকে পেয়েছিলেন।[১][৩][২][৫][৪]
তার 'মাগাজি' মূলত তার ছেলে মুহাম্মদ এবং তার ছাত্র মুহাম্মদ ইবনে বাহরাম আল-মারওয়াজি (মৃত্যু ২১৩–২১৫ হিজরি / ৮২৮–৮৩০ খ্রিস্টাব্দ) এর মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে। জোসেফ হোরোভিৎসের মতে, এটি নবীর পুরো জীবনকে কভার করেছিল। তার 'মাগাজি' এখন আর টিকে নেই এবং কেবল পরবর্তী সময়ের উদ্ধৃতিতে এটি সংরক্ষিত আছে। 'মাগাজি'-র অধিকাংশ তথ্য আল-ওয়াকিদির কাজে পাওয়া যায় এবং আল-বালাজুরিও বেশ কয়েকবার এটি উদ্ধৃত করেছেন। উপরন্তু, আল-মাআরি এই কাজের একটি ছোট অংশ উল্লেখ করেছেন এবং ব্যবহার করেছেন যা আল-মাবআস নামে পরিচিত।[১][২][৫][৪]
ইবনে ইসহাকের 'সিরাত'-এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং আবু মাশারের বর্ণনার নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে হাদিস বিশারদদের সংশয়ের কারণে তার 'মাগাজি' খুব বেশি জনপ্রিয়তা পায়নি। তা সত্ত্বেও, পণ্ডিত আহমদ ইবনে হাম্বল মাগাজি বিষয়ে তার জ্ঞানের প্রশংসা করেছেন।[১][২]
- আল-তারিখ এবং তারিখ আল-খুলাফা
আবু মাশারের নামে থাকা সব কাজের মধ্যে তিনি তার ঐতিহাসিক লেখনীর জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, বিশেষ করে 'আল-তারিখ' এবং 'তারিখ আল-খুলাফা'। বলা হয় যে এই কাজগুলোতে রাজনৈতিক ঘটনা, খলিফাদের শাসনকাল এবং বার্ষিক হজ পালনের নেতৃত্বের বিশদ বিবরণ রয়েছে। তবে কোনো লেখাই সম্পূর্ণ আকারে টিকে নেই।[১][২]
উভয় কাজেরই খণ্ডিতাংশ পরবর্তী ঐতিহাসিক এবং সংকলকদের মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়েছে, যার মধ্যে আল-ওয়াকিদি, ইবনে সাদ, আল-ফারিসি, আল-বালাজুরি, আল-ইয়াকুবি, আল-তাবারী এবং ইবনে আসাকির রয়েছেন। যেমন, ইবনে আসাকির সিরিয়া বিজয় সংক্রান্ত দুটি বর্ণনা এবং বেশ কিছু কালানুক্রমিক তথ্য লিপিবদ্ধ করেছেন। আল-ফাসাওয়ি আবু মাশারের কাছ থেকে বেশ কিছু বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন, যার মধ্যে খলিফাদের ক্ষমতা গ্রহণ এবং হজের নেতাদের নিয়োগের তারিখ সংক্রান্ত পাঁচটি প্রতিবেদন রয়েছে।[১][২]
আল-তাবারী আবু মাশারের একশোরও বেশি খণ্ডিতাংশ উদ্ধৃত করেছেন, যার অনেকগুলোই খলিফা এবং হজের কমান্ডারদের সম্পর্কে। তার 'তারিখ'-এর শুরুতে আল-তাবারী আবু মাশারের কাছ থেকে সৃষ্টিতত্ত্ব এবং আদম ও হাওয়ার কাহিনী সম্পর্কিত বর্ণনাও সংরক্ষণ করেছেন। আবু মাশারের সবচেয়ে বড় খণ্ডিতাংশের সংগ্রহ (প্রায় দুইশত) ইবনে আসাকিরের 'তারিখ দিমাস্ক'-এ পাওয়া যায়, যা ত্রিশটিরও বেশি পৃথক বর্ণনাকারী ধারার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এই খণ্ডিতাংশগুলো মূলত ঐতিহাসিক ঘটনার তারিখ এবং খলিফা বা হজের নেতাদের উত্তরাধিকারের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।[১][৩][২]
আবু মাশারের 'তারিখ আল-খুলাফা'-তে সংরক্ষিত সর্বশেষ তথ্যটি হলো ৭৮৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আব্বাসীয় খলিফা আল-হাদীর মৃত্যু সম্পর্কে, যা আবু মাশারের নিজের মৃত্যুর মাত্র কয়েক মাস আগের ঘটনা।[১]
আবু মাশার আল-হাররার যুদ্ধ নিয়ে একটি পৃথক কাজও লিখেছিলেন, যা তার এক নাতি দাউদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি মাশার বর্ণনা করেছিলেন। যদিও মূল কাজটি টিকে নেই, তবে আবু আল-আরব, আল-বাইহাকী এবং ইবনে কুতাইবাহ-র লেখায় এর কিছু অংশ সংরক্ষিত আছে।[১]
হাদিস
[সম্পাদনা]হাদিস বর্ণনাকারী মূল্যায়নের অনেক পণ্ডিত তাকে অবহেলার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন এবং তার বর্ণনাকে 'দুর্বল' (দ্বয়ীফ) বলেছেন। ইয়াহিয়া ইবনে মাঈন সহ অনেক প্রখ্যাত পণ্ডিত তাকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বর্ণনাকারী মনে করেননি, তবে অন্য কিছু কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি সত্যবাদী (সাদুক) হিসেবে গণ্য ছিলেন। আল-তুসী আবু মাশারকে জাফর আস-সাদিকের অন্যতম সঙ্গী হিসেবে গণ্য করেছেন, কারণ তিনি তার সমসাময়িক ছিলেন।[১][৩][৪]
একজন মুহাদ্দিস হিসেবে, বর্ণনাকারী ধারার (আসানিদ) ঢিলেঢালা ব্যবহারের জন্য ইবনে সাদ, ইবনে হাম্বল এবং আল-বুখারী তার সমালোচনা করেছেন এবং ইয়াহিয়া ইবনে মাঈন, আবু দাউদ, ইবনে হাজার আল-আসকালানি ও আল-নাসায়ী তাকে দুর্বল বর্ণনাকারী হিসেবে বিবেচনা করেছেন।[১][২]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 Department of History (২০১৫)। "Abū Maʿshar al-Sindī"। Madelung, W.; Daftary, F. (সম্পাদকগণ)। Encyclopaedia Islamica Online। Brill। ডিওআই:10.1163/1875-9831_isla_COM_0106।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 Scheiner, Jens (২০১৫)। "Abū Maʿshar al-Sindī"। Fleet, K.; Krämer, G.; Matringe, D.; Nawas, J.; Stewart, D. J. (সম্পাদকগণ)। Encyclopaedia of Islam, Three Online। Brill। ডিওআই:10.1163/1573-3912_ei3_COM_24171।
- 1 2 3 4 5 6 Horovitz, J.; Rosenthal, F. (২০১২)। "Abū Maʿs̲h̲ar Nad̲j̲īḥ b. ʿAbd al-Raḥmān al-Sindī"। Bearman, P. (সম্পাদক)। Encyclopaedia of Islam, New Edition Online (EI-2 English)। Brill। ডিওআই:10.1163/1573-3912_islam_SIM_0230।
- 1 2 3 4 Ahmed, Shahab (২০১৭)। Before Orthodoxy: The Satanic Verses in Early Islam। Cambridge, MA: Harvard University Press। পৃ. ৭৭। আইএসবিএন ৯৭৮০৬৭৪০৪৭৪২৬। জেস্টোর j.ctv253f7h1। এলসিসিএন 2016047420। ওসিএলসি 994882970। ওএল 27235793M।
- 1 2 Horovitz, Josef (২০২১)। Conrad, Lawrence I. (সম্পাদক)। The Earliest Biographies of the Prophet and Their Authors। Gerlach Press। ডিওআই:10.2307/j.ctv1b9f5f2।