আবদুল বাসিত 'আব্দ উস-সামাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আবদুল বাসিত মুহাম্মাদ আবদুস সামাদ
Abdelbasset-abdessamad-27.jpg
জন্ম১৯২৭ (1927)
মৃত্যু৩০ নভেম্বর ১৯৮৮(1988-11-30) (বয়স ৬০–৬১)
জাতীয়তামিশরীয়
পেশাক্বারী, ইমাম, শায়খ
পরিচিতির কারণতার অসাধারণ কুরআন পড়ার জন্য
উচ্চতা৫ ফু ১০ ইঞ্চি (১৭৮ সেমি) - ৫ ফু ১১ ইঞ্চি (১৮০ সেমি)
উপাধিসোনালী কণ্ঠস্বর
সন্তান
  • ইয়াসির
  • হিশাম
  • তারিক

আবদুল বাসিত মুহাম্মাদ আব্দুস সামাদ,যিনি ক্বারী আব্দুল বাসেত নামে পরিচিত (১৯২৭ - ৩০ নভেম্বর ১৯৮৮) (আরবি; عبد الباسط عبد الصمد),তিনি ছিলেন একজন মিশরীয় ক্বারী। তিনি ১৯৭০ এর দশকের প্রথম দিকে তিনটি বিশ্ব কিরা'আত প্রতিযোগিতা জিতেছিলেন। আবদুস-সামাদ ছিলেন প্রথম হাফেজ, যিনি তার কুরআন পাঠ্যক্রমের বাণিজ্যিক রেকর্ডিং করেন, এবং তিনি ছিলেন মিশরের ক্বারী পরিষদের প্রথম সভাপতি।

ভ্রমণ[সম্পাদনা]

আবদুল বাসিত মিশরের বাইরে ব্যাপকভাবে ভ্রমণ করেছিলেন; ১৯৬১ সালে, তিনি পাকিস্তানের লাহোরে বাদশাহী মসজিদ, সেইসাথে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে অবস্থিত সবচেয়ে বড় মাদ্রাসা আল-জমিয়াতুল আহ্ লিয়া দারুল উলুম মইনুল ইসলাম ও আবৃত্তি করেন। ১৯৬৪ অথবা ১৯৬৫ সালে জাকার্তা পরিদর্শন করেন,[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এবং সেই দেশের বৃহত্তম মসজিদে কুরআন পাঠ করেন।

অসুস্থতা ও মৃত্যু[সম্পাদনা]

তিনি একটি অসুস্থতা জন্য মৃত্যুবরণ করেন, কোনো দুর্ঘটনায় তিনি মারা যান নি। যদিও বেশিরভাগ সূত্র দাবি করেছে যে, তিনি একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান। অবশ্য পরে তা প্রমাণিত হয়নি। মৃত্যুর ৭ দিন আগে, আবদুস সামাদকে লন্ডনের সেরা একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তার মৃত্যুর সঠিক তারিখ হলো ৩০ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে, যা নিশ্চিত করা হয়েছে, এবং তিনি তার তিন পুত্র (বড় থেকে ছোট ক্রম): ইয়াসির, হিশাম ও তারিক রেখে গেছেন। ইয়াসির তার পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে, ক্বারী হন।

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

  • ফরিদুদ্দিন, মুহাম্মদ (২০১৭)। মাশায়েখে হুফফায। বাংলাদেশ: তাহফীযুল কুরআন পাবলিকেশন। পৃষ্ঠা ৬৪। 

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]