আবদুল করিম শাহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আবদুল করিম শাহ
আবদুল করিম শাহ.png
জন্ম(১৯২৯-০৭-১০)১০ জুলাই ১৯২৯
অঞ্জনগাছি, মিরপুর উপজেলা, কুষ্টিয়া জেলা, ব্রিটিশ ভারত (বর্তমান বাংলাদেশ)
মৃত্যু১০ জুন ২০১৪(2014-06-10) (বয়স ৮৪)
চৌড়হাস চ্যানেলপাড়া, কুষ্টিয়া জেলা, বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাংলাদেশী
পরিচিতির কারণলালন গীতি
দাম্পত্য সঙ্গীরিজিয়া খাতুন
পিতা-মাতাঝুমুর আলী জোয়ার্দার (পিতা)
পুরস্কারএকুশে পদক

আবদুল করিম শাহ (বাউল করিম শাহ নামে পরিচিত; [১০ জুলাই, ১৯২৯ – ১০ জুন, ২০১৪) ছিলেন একজন বাংলাদেশী বাউল গায়ক।[১] তার বাবার কাছে লালন গীতি গাওয়ার হাতেখড়ি হয় এবং আমৃত্যু লালনের আদি গানের সাধনা করে গেছেন৷[২] শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০১১ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকে ভূষিত হন।[৩] তিনিই প্রথম বাউল হিসেবে এই পদকে ভূষিত হন।[১]

সংক্ষিপ্ত জীবনী[সম্পাদনা]

করিম শাহ ১০ জুলাই, ১৯২৯ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার অঞ্জনগাছি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ঝুমুর আলী জোয়ার্দার। তিনিও একজন বাউলশিল্পী ছিলেন৷ মাত্র সাত বছর বয়সে বাবার কাছ থেকেই লালনের গানের চর্চা শুরু করেন৷ তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, লন্ডন, ভারতসহ অনেক দেশে গান করেছিলেন৷[২]

দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগা বাউল করিম শাহ ২০১৪ সালের ১৯ এপ্রিল শ্বাসকষ্ট নিয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখান থেকে ৩১ মে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৭ জুন হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে যান। ১০ জুন, ২০১৪ সকালে তিনি নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন।[৪] জানাজা শেষে তাকে জানাজা কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার কামারপাড়া গ্রামে দাফন করা হয়।[৫]

সম্মাননা[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Baul Abdul Karim Shah passes away"দ্য ডেইলি স্টার। ১০ জুন ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  2. "বাউল করিম শাহ আর নেই"দৈনিক প্রথম আলো। ১১ জুন ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  3. "Ekushey Padak goes to 13"দ্য ডেইলি স্টার। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  4. "বাউল করিম শাহ আর নেই"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। জুন ১০, ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  5. "বাউল করিম শাহ আর নেই"। দ্য রিপোর্ট। জুন ১০, ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  6. "একুশে পদক ঘোষণা"দৈনিক প্রথম আলো। ২০১১-০২-১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭