আফ্রিকান পাকড়াধনেশ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

আফ্রিকান পাকড়াধনেশ
Tockus fasciatus -Potawatomi Zoo, South Bend, Indiana, USA-8a.jpg
পোটাওয়াটোমি চিড়িয়াখানা, ইন্ডিয়ানা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: কর্ডাটা
শ্রেণী: পক্ষী
বর্গ: Coraciiformes
পরিবার: Bucerotidae
গণ: Tockus
প্রজাতি: T. fasciatus
দ্বিপদী নাম
Tockus fasciatus
(Shaw, 1811)
Tockus fasciatus - Distribution.png
Range in blue

আফ্রিকান পাকড়াধনেশ, (Tockus fasciatus), হল একপ্রকারের ধনেশ প্রজাতির পাখি।

আফ্রিকান পাকড়াধনেশ প্রধানত বসবাস করে আফ্রিকা থেকে গাম্বিয়া এবং পশ্চিমী উগান্ডা এবং উত্তুরে অ্যাঙ্গোলা। এরা প্রধানত বনে জঙ্গলে থাকতে ভালোবাসে। প্রজনন কালে মহিলারা গাছের গর্তে ৩ থেকে ৪ টে ছোটো ছোটো সাদা ডিম পাড়ে। এরা নিজ বাসার মধ্যে ঢুকে গিয়ে বাসাকে বন্ধ করে দেয় কাদা, মল-মূত্র, ফলের খোলস ইত্যাদির মাধ্যমে যাতে বাইরের কেউ তাদের বাসায় ঢুকতে না পারে। এদের বন্ধ বাসার সামনে এক জায়গায় একটা ছোট ছিদ্র থাকে যেখান থেকে স্ত্রী ধনেশ মল-মূত্র ত্যাগ করে এবং পুরুষদের থেকে খাদ্য নেয়। পুরুষেরাই সমস্ত খাবার নিয়ে আসে মহিলা এবং তরূণ ধনেশদের জন্য।

অঙ্গসংস্থানবিদ্যা[সম্পাদনা]

এটা হল বড় আকারের পাখি, লম্বায় ৫৪ সেমি। এদের পাখনা দেখতে কালো রঙের হয়, এদের পেট হয় সাদা রঙের এবং লম্বা লেজের ডগার রঙ হয় সাদা রঙের। এদের কালো ও হলুদ রঙের ঠোঁট থাকে এবং তা বাঁকানো হয় এবং ঠোঁটের ওপরে মাঝারি আকারের শিরস্ত্রাণ থাকে।

মহিলা ও পুরুষদের দেখতে একইরকম হয় কিন্তু মহিলাদের শিরস্ত্রাণের আকার হয় ছোটো। অপ্রাপ্তবয়স্কদের গায়ের রঙ হয় ফ্যাকাশে, অপেক্ষাকৃত ছোটো ঠোঁট থাকে এবং কোন শিরস্ত্রাণ থাকে না। এদের উড়ান ঢেউ খেলানো হয়।

ব্যবহার[সম্পাদনা]

আফ্রিকান পাকড়াধনেশরা সাদারণত সর্বগ্রাসী হয় এবং এরা প্রধানত পোকামাকড় এবং ফল-মূল খেয়ে বেঁচে থাকে। এরা প্রধানত গাছেই খাদ্য গ্রহণ করে এবং এরা তেল পামের প্রতি আকৃষ্ট হয়।

যখন বাচ্চারা বড়ো হয়ে যায় তখন বাসা ভেঙ্গে তারা বেরিয়ে আসে এবং তখন উভয় মিলেই তাদের বাচ্চাদের খাওয়ায়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. BirdLife International (২০১২)। "Tockus fasciatus"বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা। সংস্করণ 2013.2প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৩ 

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

বহির্সংযোগ[সম্পাদনা]