বিষয়বস্তুতে চলুন

আপ্পেমিডি আম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আপ্পেমিডি আম
গণম্যাঙ্গিফেরা
প্রজাতিম্যাঙ্গিফেরা ইন্ডিকা
চাষকৃত উদ্ভিদ'আপ্পেমিডি'
উৎসভারত

আপ্পেমিডি আম হলো একটি আমের জাত, যা মূলত ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের মালেনাডু অঞ্চলে উৎপাদিত হয়।[][] 'আপ্পে মিডি' হলো একই নামের একটি ভিন্ন রূপভেদ। আপ্পেমিডির বিভিন্ন জাতের মধ্যে রয়েছে অনন্ত ভট্টনা, কাঞ্চাপ্পা এবং কর্ণকুণ্ডলা।[][][]

নামকরণ

[সম্পাদনা]

কন্নড় ভাষা "আপ্পে মিডি" শব্দের অর্থ "কচি আম"। দক্ষিণ এশীয় আচার শিল্পে এর ব্যাপক ব্যবহারের কারণে একে সব ধরনের কচি আমের রাজা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[][] অঘনাশিনী, বেদতি এবং শরাবতী নদীর অববাহিকায় উৎপাদিত আপ্পেমিডি আমগুলো 'আপ্পে মিডি উপ্পিনাকায়ি' নামে পরিচিত ও সুস্বাদু আচার তৈরির জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত।[][][১০]

বিবরণ

[সম্পাদনা]

এই আমটি বনাঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায় এবং আকারে ছোট ও শাঁসযুক্ত হয়। এটি মূলত এর চমৎকার স্বাদ, সুগন্ধ এবং দীর্ঘদিন তাজা থাকার জন্য পরিচিত।[১১]

ভৌগোলিক নির্দেশক

[সম্পাদনা]

৪ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে ভারত সরকারের অধীনস্থ ভৌগোলিক নির্দেশক রেজিস্ট্রি থেকে এই আমটিকে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) মর্যাদা প্রদান করা হয় (যা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত বৈধ)।

বেঙ্গালুরুর উদ্যানপালন বিভাগ, আপ্পেমিডি আমের জিআই নিবন্ধনের প্রস্তাব করেছিল। ২০০৯ সালে আবেদন করার পর, ২০০৯ সালেই চেন্নাইয়ের ভৌগোলিক নির্দেশক রেজিস্ট্রি এই ফলটিকে জিআই ট্যাগ প্রদান করে, যার ফলে "আপ্পেমিডি" নামটি এই অঞ্চলে উৎপাদিত আমের জন্য একচেটিয়া বা সংরক্ষিত হয়ে যায়। এর মাধ্যমে এটি কারি ইশাদ আমের পূর্বে কর্ণাটকের প্রথম আমের জাত হিসেবে জিআই ট্যাগ অর্জন করে।[১২]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Kole, Chittaranjan (২৭ মার্চ ২০২১)। The Mango Genome (ইংরেজি ভাষায়)। Springer Nature। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-০৩০-৪৭৮২৯-২। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০২৪
  2. B.P, Darshan Devaiah (৫ এপ্রিল ২০২৩)। "IIHR to hold exclusive 'appe midi' fair where 100 varieties to be on display"The Hindu (ভারতীয় ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০২৪
  3. Sen, Piyali (১১ জুন ২০২৩)। "10 Indian Mangoes With GI Tags"Outlook Traveller (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০২৪
  4. "Revival of scarce mango variety on track"The Times of India। ২ মার্চ ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০২৪
  5. "In a pickle"Bangalore Mirror (ইংরেজি ভাষায়)। ১২ এপ্রিল ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০২৪
  6. "Appemidi Brochure" (পিডিএফ)। পৃ. । সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০২৪
  7. Sthapit, Bhuwon; Lamers, Hugo; Rao, Ramanatha; Bailey, Arwen (১২ মে ২০১৬)। Tropical Fruit Tree Diversity: Good practices for in situ and on-farm conservation (ইংরেজি ভাষায়)। Routledge। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩১৭-৬৩৬২২-৯। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০২৪
  8. Agrawal, Chitra (২১ মার্চ ২০১৭)। Vibrant India: Fresh Vegetarian Recipes from Bangalore to Brooklyn [A Cookbook] (ইংরেজি ভাষায়)। Clarkson Potter/Ten Speed। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬০৭৭৪-৭৩৫-২। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০২৪
  9. Karnataka State Gazetteer: Uttara Kannada (ইংরেজি ভাষায়)। Director of Print, Stationery and Publications at the Government Press। ১৯৮৫। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০২৪
  10. Kalamkar, Dr S. S.; Sharma, Dr Hemant (১৭ ডিসেম্বর ২০১৯)। Emerging Global Economic Situation: Impact on Trade and Agribusiness in India (ইংরেজি ভাষায়)। Allied Publishers। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৯৪৩৪৪৪-৬-৯। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০২৪
  11. Chetan, R. (১২ ডিসেম্বর ২০১৫)। "Looking into the Appe Midi mango mystery"Bangalore Mirror (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০২৪
  12. "Geographical Indications Intellectual Property India"Official website of Intellectual Property India। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০২৪