বিষয়বস্তুতে চলুন

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক (১৮১৪-১৯১৯)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বিসমার্ক তিন সম্রাটকে— রাশিয়ার আলেকজান্ডার তৃতীয়, জার্মানির উইলিয়াম প্রথম এবং অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির ফ্রান্সিস জোসেফ— পুতুলনাচের শিল্পীর মতোই পরিচালনা করেন; জন টেনিয়েল, ১৮৮৪, পাঞ্চ।

এই নিবন্ধটি ১৮১৪ থেকে ১৯১৯ সাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী কূটনীতি এবং সাধারণভাবে মহাশক্তিগুলোর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।l এই যুগটি নেপোলিয়নীয় যুদ্ধের সমাপ্তি এবং ভিয়েনা কংগ্রেস (১৮১৪–১৮১৫) থেকে শুরু করে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি এবং প্যারিস শান্তি সম্মেলন (১৯১৯–১৯২০) পর্যন্ত সময়কালকে অন্তর্ভুক্ত করে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে গ্রেট ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, প্রুশিয়া/জার্মানির দ্রুত শিল্পায়ন এবং ক্রমবর্ধমান ক্ষমতা, এবং পরবর্তী সময়ে ইতালি ও জাপানের উত্থান। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রভাব ও ক্ষমতার জন্য সাম্রাজ্যবাদী এবং উপনিবেশবাদী প্রতিযোগিতা শুরু হয়, যার সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণ হলো ১৮৮০ এবং ১৮৯০ এর দশকে আফ্রিকার জন্য প্রতিযোগিতা; যার প্রতিধ্বনি ২১শ শতকেও ব্যাপকভাবে বিস্তৃত এবং তাৎপর্যপূর্ণ। ব্রিটেন একটি অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করেছিল, যা তার উপনিবেশগুলো এবং রাজকীয় নৌবাহিনীর সাথে মিলিত হয়েছিল। জার্মানির চ্যালেঞ্জ সম্মুখীন না হওয়া পর্যন্ত একটি প্রধান জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। এটি ছিল একটি বেশিরভাগই শান্তিপূর্ণ শতাব্দী, যেখানে ১৮৫৩-১৮৭১ সময়কাল ছাড়া মহাশক্তিগুলোর মধ্যে কোনো যুদ্ধ হয়নি, তবে রাশিয়া এবং অটোমান সাম্রাজ্যের মধ্যে কিছু যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। ১৯০০ সালের পর, বালকান অঞ্চলে একাধিক যুদ্ধ শুরু হয়, যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে (১৯১৪–১৯১৮) রূপ নেয়। এটি ছিল একটি ব্যাপক বিধ্বংসী ঘটনা, যা তার সময়কাল, স্থায়িত্ব, হতাহতের সংখ্যা এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবের দিক থেকে প্রত্যাশার বাইরে ছিল।

১৮১৪ সালে, কূটনীতিকরা পাঁচটি প্রধান শক্তিকে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন: ফ্রান্স, ব্রিটেন, রাশিয়া, অস্ট্রিয়া (১৮৬৭–১৯১৮ সময়কালে অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি) এবং প্রুশিয়া (১৮৭১–১৯১৮ সময়কালে জার্মান সাম্রাজ্য)। ইতালি এই দলে যুক্ত হয় তার একীকরণের পর ১৮৬০ সালে ("রিসর্জিমেন্টো"); ১৯০৫ সালের মধ্যে দুটি দ্রুত উদয়মান অ-ইউরোপীয় রাষ্ট্র, জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্র, মহাশক্তিদের তালিকায় যুক্ত হয়েছিল। রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, সার্বিয়া এবং মন্টিনিগ্রো প্রাথমিকভাবে স্বায়ত্তশাসিত ভ্যাসাল (আনুগত্যকারী রাজ্য) হিসেবে পরিচালিত হত, কারণ ১৯০৮-১৯১২ সালের দিকে তারা আইনীভাবে পতনশীল অটোমান সাম্রাজ্যের অংশ ছিল, এর পরে তারা তাদের স্বাধীনতা অর্জন করে।।

১৯১৪ সালে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে, ইউরোপে দুটি প্রধান জোট ছিল: ট্রিপল আঁতাত, যা ফ্রান্স, ব্রিটেন এবং রাশিয়া নিয়ে গঠিত ছিল, এবং ট্রিপল অ্যালায়েন্স, যা জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং ইতালির সমন্বয়ে গঠিত ছিল। ইতালি নিরপেক্ষ ছিল এবং ১৯১৫ সালে আঁতাত জোটে যোগ দেয়, অন্যদিকে অটোমান সাম্রাজ্য এবং বুলগেরিয়া কেন্দ্রীয় শক্তিতে যোগ দেয়। বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ, ডেনমার্ক, সুইডেন, নরওয়ে, গ্রীস, পর্তুগাল, স্পেন এবং সুইজারল্যান্ডের নীতি ছিল নিরপেক্ষতা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ অপ্রত্যাশিতভাবে মহাশক্তিগুলোর সামরিক, কূটনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে তাদের সীমায় ঠেলে দিয়েছিল। জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য এবং বুলগেরিয়া পরাজিত হয়েছিল; জার্মানি তার মহাশক্তির মর্যাদা হারায়, বুলগেরিয়া আরো ভূখণ্ড হারায়, এবং অন্যদের বিভিন্ন রাজ্যে বিভক্ত করে দেওয়া হয়। বিজয়ী ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি এবং জাপান নতুন সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ এর শাসন কাউন্সিলে স্থায়ী আসন লাভ করে। যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম স্থায়ী সদস্য হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু পরবর্তীতে স্বাধীনভাবে দেশ পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং কখনও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জে যোগদান করেনি।

১৮১৪–১৮৩০: পুনঃস্থাপন এবং প্রতিক্রিয়া

[সম্পাদনা]
১৮১৫ সালে কংগ্রেস ভিয়েনা কর্তৃক নির্ধারণ জাতীয় সীমানা

প্রধান চারটি ইউরোপীয় শক্তি (ব্রিটেন, প্রুশিয়া, রাশিয়া এবং অস্ট্রিয়া) নেপোলিয়নীয় যুদ্ধগুলিতে ফরাসি সাম্রাজ্যের বিরোধিতা করেছিল। ১৮১৪ সালে নেপোলিয়নের ক্ষমতা হ্রাসের ফলে যুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বের জন্য পরিকল্পনা শুরু করেছিল। ১৮১৪ সালের মার্চ মাসের চোমন্ট চুক্তিতে ইতিমধ্যেই গৃহীত সিদ্ধান্তগুলিকে ভিয়েনা কংগ্রেস দ্বারা অনুমোদিত করা হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল একটি জার্মান কনফেডারেশন প্রতিষ্ঠা যার মধ্যে অস্ট্রিয়া এবং প্রুশিয়া (এবং চেক ভূমি) অন্তর্ভুক্ত ছিল, ফরাসি নিয়ন্ত্রিত এলাকাকে স্বাধীন করে দেওয়া, স্পেনের বোরবন রাজাদের পুনঃপ্রতিষ্ঠা, নেদারল্যান্ডসের সম্প্রসারণ যা ১৮৩০ সালে আধুনিক বেলজিয়াম হিসেবে পরিচিত হয় এবং ব্রিটিশ তার মিত্রদের ভর্তুকির ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। চোমন্ট চুক্তি নেপোলিয়নকে পরাজিত করার জন্য শক্তিগুলিকে একত্রিত করেছিল এবং ইউরোপ কনসার্টের ভিত্তিপ্রস্তর হয়ে উঠেছিল, যা পরবর্তী দুই দশক ধরে ক্ষমতার ভারসাম্য গঠন করেছিল।[১][২]

এই সময়কালে কূটনীতির একটি লক্ষ্য ছিল "ক্ষমতার ভারসাম্য অর্জন করা, যাতে এক বা দুই শক্তি প্রভাবশালী হতে না পারে। [৩] যদি কোনো দেশ যুদ্ধ জিতে নতুন জমি পায়, তাহলে তার প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোও কিছু লাভ চাইতে পারে, যেমন নতুন জমি বা অন্য সুবিধা, যদিও তারা সেই যুদ্ধে ছিল না। যদি যুদ্ধের বিজয়ী পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ না দেয়, তাহলে বাইরের দেশগুলো রাগান্বিত হতে পারে। যেমন, ১৮৬৬ সালে প্রুশিয়া এবং উত্তর জার্মান রাজ্যগুলো অস্ট্রিয়া ও তার দক্ষিণ জার্মান মিত্রদের পরাজিত করেছিল, কিন্তু ফ্রান্স ক্ষুব্ধ হয়েছিল কারণ তারা প্রুশিয়ার লাভের বিপরীতে কোনো ক্ষতিপূরণ পায়নি। [৪]

ভিয়েনা কংগ্রেস ১৮১৪-১৮১৫

[সম্পাদনা]
ভিয়েনা কংগ্রেসে আলোচনাসমূহ

ভিয়েনা কংগ্রেস (১৮১৪–১৮১৫) ছিল একটি বড় সভা যেখানে ইউরোপীয় দেশগুলো নেপোলিয়নিক যুদ্ধের পর কিভাবে শান্তি ফিরিয়ে আনা যায় তা নির্ধারণ করতে একত্র হয়েছিল। নেপোলিয়ন অনেক দেশ দখল করে নিয়েছিল, এবং কংগ্রেসের লক্ষ্য ছিল তার ক্ষমতাচ্যুত রাজা-রানীদের পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। [৫] এই প্রচেষ্টার নেতৃত্বে ছিলেন অস্ট্রিয়ার ক্লেমেন্স ভন মেটারনিখ এবং গ্রেট ব্রিটেনের লর্ড ক্যাসলরেই। তারা ইউরোপের কনসার্ট নামে একটি ব্যবস্থা চালু করেছিলেন, যেখানে ব্রিটেন, রাশিয়া, প্রুশিয়া, অস্ট্রিয়া এবং পরে ফ্রান্সের মতো প্রধান শক্তিগুলো নিয়মিতভাবে একত্র হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে তাদের মতভেদ মেটানোর জন্য সম্মত হয়েছিল। এটি ছিল ইউরোপে প্রথমবারের মতো এমন একটি যৌথ প্রচেষ্টা এবং এটি ভবিষ্যতের সংস্থাগুলোর জন্য ভিত্তি স্থাপন করেছিল, যেমন সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ এবং জাতিসংঘ।[৬][৭] কিছু ইতিহাসবিদ মনে করেন যে ভিয়েনা কংগ্রেসের পরপরই গঠিত ইউরোপের কনসার্টের আরও আনুষ্ঠানিক সংস্করণটি ১৮২৩ সালের মধ্যে ভেঙে পড়েছিল।[৬][৭] অন্যদিকে, কিছু ইতিহাসবিদ মনে করেন যে ইউরোপের কনসার্ট উনবিংশ শতাব্দীর বেশিরভাগ সময় ধরে টিকে ছিল।[৮][৯] ইতিহাসবিদ রিচার্ড ল্যাংহর্ন মনে করেন যে ১৮৭১ সালে জার্মানির গঠন পর্যন্ত ইউরোপীয় শক্তিগুলির মধ্যে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কনসার্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এমনকি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর সময়ও কনসার্টের প্রক্রিয়াগুলো আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কিছুটা শিথিল হলেও স্পষ্ট প্রভাব রেখেছিল।[৮] ভিয়েনা কংগ্রেস কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধান করে, যেমন পোলিশ-স্যাক্সোন সংকট এবং লাইবাখে (লিউব্লিয়ানা) গ্রীক স্বাধীনতার প্রশ্ন। এটি তিনটি বড় ইউরোপীয় কংগ্রেসের আয়োজন করে, যার একটি ছিল ১৮১৮ সালে এক্স-লা-চাপেলের কংগ্রেস। এই কংগ্রেস ফ্রান্সের সামরিক দখলদারিত্বের সমাপ্তি ঘটায় এবং ফ্রান্সকে প্রদেয় ৭০০ মিলিয়ন ফ্রাঁর ক্ষতিপূরণ কমিয়ে দেয়। রাশিয়ার জার আলেকজান্ডার প্রথম ভিয়েনা চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত সমস্ত দেশকে নিয়ে একটি নতুন জোট গঠনের প্রস্তাব দেন। এই জোটের লক্ষ্য ছিল তার সদস্যদের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং শাসক সরকারগুলোর সুরক্ষা প্রদান করা। তিনি একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনেরও প্রস্তাব দেন, যা ইম্পিরিয়াল রাশিয়ান আর্মির নেতৃত্বে থাকবে এবং প্রয়োজনে দেশগুলোতে হস্তক্ষেপ করবে। তবে, ব্রিটেনের লর্ড ক্যাসলরেইগ এই ধারণার তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি প্রতিক্রিয়াশীল নীতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার বিষয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন এবং বিশেষ করে রাশিয়ান বাহিনী ইউরোপ জুড়ে জনসাধারণের বিদ্রোহ দমন করতে পারে এই সম্ভাবনায় অস্বস্তি বোধ করেন। এছাড়াও, ছোট দেশগুলোকে জোটে অন্তর্ভুক্ত করা হলে জটিলতা এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করা হয়েছিল। ফলস্বরূপ, ব্রিটেন অংশগ্রহণ করতে অস্বীকার করে এবং প্রস্তাবটি শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে যায়।[১০] প্রাথমিক ভিয়েনা কংগ্রেসের পর অনুষ্ঠিত অতিরিক্ত বৈঠকগুলি ধীরে ধীরে তাদের গুরুত্ব হারায়। প্রতিটি দেশ বুঝতে শুরু করে যে এই কংগ্রেসগুলি তাদের প্রত্যাশিত সুবিধা দিচ্ছে না। ফলস্বরূপ, বিরোধগুলি ক্রমবর্ধমানভাবে কম কার্যকারিতার সাথে সমাধান হতে থাকে, যা সময়ের সাথে সাথে এই বৈঠকগুলিকে ক্রমশ অর্থহীন করে তোলে। [১১][১২][১৩][১৪] স্থায়ী শান্তি অর্জনের জন্য, কনসার্ট অব ইউরোপ প্রধান দেশগুলোর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেছিল। এর অর্থ ছিল যে কোনো একটি দেশ অতিরিক্ত শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারবে না। ভিয়েনা কংগ্রেসে প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক সীমানাগুলি মূলত ১৮৬০-এর দশক পর্যন্ত সংরক্ষিত ছিল। আরো গুরুত্বপূর্ণ, এই ভারসাম্য বজায় রাখার ব্যাপারে সাধারণ গ্রহণযোগ্যতা ছিল, যা সেই সময়কালে বড় ধরনের সংঘর্ষ বা আগ্রাসন রোধে সহায়ক ছিল।[১৫] অন্যথায়, ১৮২৩ সালের মধ্যে কংগ্রেস ব্যবস্থা "ব্যর্থ" হতো।[১২][১৬]

ভ্রমণ, বাণিজ্য, এবং যোগাযোগ

[সম্পাদনা]

নাটকীয়ভাবে দূরে ভ্রমণ ও যোগাযোগের উন্নতির ফলে পৃথিবী ছোট হয়ে আসে। প্রতি দশকে আরও বেশি জাহাজ, আরও নির্ধারিত গন্তব্য, দ্রুত যাত্রা এবং যাত্রীদের জন্য কম ভাড়া ও পণ্যের জন্য সস্তা দর ছিল। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাকে সহজতর করেছিল। ১৮৬০ সালের পর, যুক্তরাষ্ট্রে গম উৎপাদনের ব্যাপক সম্প্রসারণ বিশ্ব বাজারে ঢেউ তুলেছিল, যার ফলে দাম ৪০% কমে গিয়েছিল এবং (স্থানীয় আলু চাষের সম্প্রসারণের সাথে মিলিত হয়ে) এটি গরীবদের পুষ্টির কল্যাণে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল।

ভ্রমণ

[সম্পাদনা]
হর্নেট - ১৮৫০ এর একটি আমেরিকান ক্লিপার জাহাজ

১৮৬০-এর দশকে আন্ডারওয়াটার টেলিগ্রাফ তারগুলি বিশ্বের প্রধান বাণিজ্য দেশগুলিকে সংযুক্ত করেছিল।

কার্গো পালতোলা জাহাজগুলো ধীর ছিল; ফিলিস্তিনে সমস্ত দূর-দূরত্বের ভূমধ্যসাগরীয় যাত্রার গড় গতি ছিল মাত্র ২.৮ নট। [১৭] যাত্রীবাহী জাহাজ কার্গো স্থান ত্যাগ করে বৃহত্তর গতি অর্জন করেছে।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ Frederick B. Artz, Reaction and Revolution: 1814–1832 (1934) p. 110
  2. ↑ Paul W. Schroeder, The Transformation of European Politics: 1763–1848 (1996) is an advanced history of diplomacy
  3. ↑ Paul W. Schroeder, "The nineteenth century system: balance of power or political equilibrium?" Review of International Studies 15.2 (1989): 135–53.
  4. ↑ James L. Richardson (১৯৯৪)। Crisis Diplomacy: The Great Powers Since the Mid-Nineteenth Century। Cambridge UP। পৃ. ১০৭, ১৬১, ১৬৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০৫২১৪৫৯৮৭৭।
  5. ↑ René Albrecht-Carrié, A Diplomatic history of Europe since the Congress of Vienna (1958) pp. 9–16.
  6. 1 2 Heinz Waldner, সম্পাদক (১৯৮৩)। The League of Nations in retrospect। Walter De Gruyter। পৃ. ২১। আইএসবিএন ৯৭৮-৩১১০৯০৫৮৫৪। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬।
  7. 1 2 Norman Rich, Great Power Diplomacy: 1814–1914 (1992) pp. 1–27.
  8. 1 2 Langhorne, Richard (২০১৫)। The Collapse of the Concert of Europe। London: Macmillan Education, Limited। পৃ. ৪, ১০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩৪৯-৮৬০৯২-০। ওসিএলসি 1084400309।
  9. ↑ Tsygankov, Andrei P., সম্পাদক (২০১২), "The Holy Alliance, 1815–1853", Russia and the West from Alexander to Putin: Honor in International Relations, Cambridge: Cambridge University Press, পৃ. ৬৩–৭৭, ডিওআই:10.1017/CBO9781139179072.008, আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৯-১৭৯০৭-২, সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০২১
  10. ↑ Norman Rich, Great Power Diplomacy: 1814–1914 (1992) pp. 33–35.
  11. ↑ C. W. Crawley. "International Relations, 1815–1830". In C. W. Crawley, ed., The New Cambridge Modern History, Volume 9: War and Peace in an Age of Upheaval, 1793–1830. (1965) pp. 669–71, 676–77, 683–86.
  12. 1 2 Roy Bridge. "Allied Diplomacy in Peacetime: The Failure of the Congress 'System', 1815–23". In Alan Sked, ed., Europe's Balance of Power, 1815–1848 (1979), pp' 34–53
  13. ↑ Artz, Reaction and Revolution: 1814–1832 (1934) pp. 110–18
  14. ↑ Paul W. Schroeder, The Transformation of European Politics: 1763–1848 (1996) pp. 517–82
  15. ↑ Gordon Craig, "The System of Alliances and the Balance of Power". in J. P. T. Bury, ed., The New Cambridge Modern History, Vol. 10: The Zenith of European Power, 1830–70 (1960) p. 266.
  16. ↑ Henry Kissinger' A World Restored: Metternich, Castlereagh and the Problems of Peace, 1812–22 (1957).
  17. ↑ Boats, Ships and Shipyards: Proceedings of the Ninth International Symposium on Boat and Ship Archaeology, Venice 2000। Oxbow Books। ২০১৬। পৃ. ২০৩। আইএসবিএন ৯৭৮-১৭৮৫৭০৪৬৪২।