আন্তর্জাতিক সংহতি আন্দোলন
| গঠিত | আগস্ট ২০০১ |
|---|---|
| প্রতিষ্ঠাতা | গাসসান আন্দোনী, নেতা গোলান, হুওয়াইদা আরাফ, জর্জ রিস্মায়ি |
স্বেচ্ছাকর্মী | ৩,৫০০ (2007) |
| ওয়েবসাইট | https://palsolidarity.org/ |

আন্তর্জাতিক সংহতি আন্দোলন ( আরবি: حركة التضامن العالمية) বা আইএসএম হল একটি ফিলিস্তিন নেতৃত্বাধীন আন্দোলন, যা ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাতে ফিলিস্তিনিদের স্বার্থ রক্ষা করার প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। আইএসএম শুধুমাত্র অহিংস প্রতিবাদ ও পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য নিবেদিতপ্রাণ। সংগঠনটি পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে অহিংস প্রতিবাদে অংশগ্রহণের জন্য বিশ্বজুড়ে বেসামরিক নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানায়। [১] আইএসএম গাজা মুক্ত আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে। [২]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]২০০১ সালে গাসসান আন্দোনি নামে এক ফিলিস্তিনি কর্মী; তৃতীয় প্রজন্মের ইসরায়েলি কর্মী নেতা গোলান; ফিলিস্তিনি-আমেরিকান নাগরিক হুওয়াইদা আরাফ এবং ফিলিস্তিনি কর্মী জর্জ এন. রিশ্মায়ী দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। অ্যাডাম শাপিরো নামে একজন মার্কিন নাগরিক প্রতিষ্ঠার পরপরই এই আন্দোলনে যোগ দেন এবং প্রায়শ তাকে প্রতিষ্ঠাতাদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। [৩][৪][৫]
ওসামা কাশুকেও একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। [৬]
২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত এই আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারী স্পেশাল ডেমোনস্ট্রেশন স্কোয়াডের সদস্য 'রব হ্যারিসন'-এর মাধ্যমে যুক্তরাজ্য দলটির উপর নজরদারি চালিয়ে আসছে [৭]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Wounded man killed by Israeli sniper on camera identified"। PAL Solidarity। ২২ জুলাই ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৫।
- ↑ Ravid, Barak (২৮ জুলাই ২০০৮)। "Israel concerned leftists plan to send ship from Cyprus to break Gaza blockade"। Haaretz। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০০৯।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ Bernstein, David (১৫ এপ্রিল ২০১৫)। "Is the International Solidarity Movement "pro-terrorist?""। Washington Post (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৯।
- ↑ Group, ISM Media (১০ মে ২০০৭)। "Profiles of Peace: Faces of Hope campaign"। International Solidarity Movement (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৯।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ "George N. Rishmawi"। Bethlehem University। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০২২।
- ↑ "En bøn for jorden"। Dagbladet। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০২। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ "Undercover officer rekindled relationship seven years later, inquiry told"। TheGuardian.com। ৯ নভেম্বর ২০২০।