আনন্দ স্কুল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
আনন্দস্কুলের শিক্ষার্থী

আনন্দ স্কুল বাংলাদেশের আট থেকে চৌদ্দ বছরের যেসব শিশুর বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ হয়নি বা প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করতে পারেনি অর্থাৎ নানা কারণে ঝরে পড়েছে, তাদের জন্য কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এবং রস্ক কর্তৃক অণুমোদিত শিখন কেন্দ্র। আনন্দ স্কুল অর্থাৎ রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন (রস্ক) প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু হয় ২০০৫ সাল থেকেও। বর্তমানে এই প্রকল্প আরবান স্লাম সমূহেও কাজ করছে যার আওতায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন খুলনা সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন, রংপুর সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনে ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থী[সম্পাদনা]

উপজেলা শিক্ষা কমিটি কর্তৃক তালিকাভুক্ত এবং সিএমসি কর্তৃক চুক্তিবদ্ধ একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে শিখন-শেখানোর জন্য আনন্দ স্কুলের শিক্ষক নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন। মেয়েদের জন্য এসএসসি পাশ এবং ছেলেদের জন্য এইচএসসি পাশ, ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী যে কেউ আনন্দস্কুলের শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা রাখেন।

আনন্দ স্কুলের শিক্ষার্থী হবে ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু যারা কখনও বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়নি অথবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গণ্ডি পার হতে পারেনি, অর্থাৎ ঝরেপড়া শিক্ষার্থীরা হবে আনন্দ স্কুলের শিক্ষার্থী। একটি আনন্দস্কুলে ২৫-এর চেয়ে কম এবং ৩৫ জনের বেশি শিক্ষার্থী থাকবে না।

পাঠ্যসূচী[সম্পাদনা]

উপানুষ্ঠানিক পদ্ধতিতে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা দেওয়াই আনন্দস্কুলের উদ্দেশ্য। অর্থাৎ বিদ্যালয়ের সময়সূচী হবে নমনীয়। স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে এ সময়সূচী নির্ধারণ করা হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যবই অণুসারে আনন্দ স্কুলের পাঠদান প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে। একই পাঠ্যক্রম অণুসরণ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাথে একই প্রশ্নে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। আনন্দ স্কুলের একজন শিক্ষার্থী পঞ্চম শ্রেণীর পাবলিক পরীক্ষা সমাপনী পরীক্ষা সম্পন্ন করে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে। একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন শিক্ষার্থীকে যে সময়টুকু বিদ্যালয়ে থাকতে হয়, তার চেয়ে কম সময় আনন্দ স্কুলে শিক্ষার্থীকে কাটাতে হবে। এই সময়কাল হবে তিন ঘণ্টা।

সহযোগী প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

জাতীয় পর্যায়ের বেসরকারি সংস্থা যারা সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের নিবন্ধনপ্রাপ্ত এবং এনজিও ব্যুরোতে নিবন্ধিত তারা রস্ক প্রকল্পে পার্টনার অর্গানাইজেশন বা পিও হিসেবে বিবেচিত হবে। প্রকল্প কর্তৃক তালিকাভুক্ত পিও আনন্দ স্কুলের সিএমসির সাথে চুক্তির মাধ্যমে কাজে নিযুক্ত হবে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]