আত্রপাতকান রাজ্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অ্যাট্রোপেটিন
আত্রপাতকান

৩২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দ–তৃতীয় শতাব্দী
ডায়াডোচি সাম্রাজ্যের মানচিত্র, উইলিয়াম আর. শেফার্ডের (১৯১১) হিস্টরিকাল অ্যাটলাস থেকে।
ডায়াডোচি সাম্রাজ্যের মানচিত্র, উইলিয়াম আর. শেফার্ডের (১৯১১) হিস্টরিকাল অ্যাটলাস থেকে।
রাজধানীগানজাক
ধর্ম
জোরাস্ট্রীয়
সরকাররাজতন্ত্র
রাজা 
ঐতিহাসিক যুগপ্রাচীন ইতিহাস
• প্রতিষ্ঠা
৩২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
• বিলুপ্ত
তৃতীয় শতাব্দী
পূর্বসূরী
উত্তরসূরী
ম্যাসেডোনীয় সাম্রাজ্য
আদুরবাদাগান

অ্যাট্রোপ্যাটিন বা আত্রপাতকান (প্রাচীন ইরানিতে: Ātṛpātakāna; গ্রীক ভাষায়: Ἀτροπατηνή), মধ্য অ্যাট্রোপ্যাটিন নামেও পরিচিত, একটি প্রাচীন রাজত্ব ছিল যা খ্রিস্টপূর্ব ৩২৩ অব্দে পারস্যের সাত্রাপ আত্রোপাতেস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমান উত্তর ইরানে রাজ্যটির অবস্থান ছিল, রাজ্যটি আত্রোপাতেসের বংশধর কর্তৃক খ্রিস্টীয় প্রথম শতাব্দী পর্যন্ত শাসিত হয়েছিল, পরে পার্থীয় আরসাসিড রাজবংশ তাদের উৎখাত করে।[১] এটি ২২৬ খ্রিস্টাব্দে সাসানীয়রা জয় করে, এবং তারা এটিকে একজন মার্জবান ("মারগ্রেভ") কর্তৃক শাসিত একটি প্রদেশে পরিণত করে।[২] আত্রপাতকান ছিল একমাত্র ইরানী অঞ্চল যা হাখমানেশিদের থেকে শুরু করে আরব বিজয় পর্যন্ত জোরাস্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে ছিল, তবে মাঝে (৩৩৬-৩২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে) ম্যাসেডোনিয়ার রাজা মহান আলেকজান্ডার এটিকে শাসন করেন।

আত্রপাতকান ছিল ইরানের ঐতিহাসিক আজারবাইজান অঞ্চলের নামত পূর্বপুরুষ।[৩]

নাম[সম্পাদনা]

স্ট্রাবোর মতে, আত্রোপাতেনের নাম আখেমেনীয় রাজবংশের কমান্ডার আত্রোপাতেসের নাম থেকে উদ্ভূত। স্ট্রাবো তার "ভূগোল" বইয়ে লিখেছেন: "মিডিয়াকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। এর একটি অংশকে বলা হত বৃহত্তর মিডিয়া, যার মহানগরী হচ্ছে সিবাতানা। অন্য অংশ হচ্ছে অ্যাট্রোপাটিয়ান মিডিয়া, যার নাম এর কমান্ডারের নামে নামকরণ করা হয়েছিল।" অ্যাট্রোপেটিস তার রাজ্যকে (বৃহত্তর মিডিয়ার অংশ) ম্যাসেডোনিয়ার অধীনস্থ হওয়া থেকে বিরত রেখেছিলেন।[৪][৫]

এট্রোপাটেসের নাম থেকে উদ্ভুত দেশের নামের বিভিন্ন রূপ যেমন- এট্রোপাটেন, অ্যাট্রোপাটিওস মেদিয়া, ট্রপাটেন, আতুরপাতাকান, আদারবাইজান ইত্যাদি বিভিন্ন স্থানে ব্যবহৃত হত। তা সত্ত্বেও, মধ্যযুগীয় আরব ভূগোলবিদরা আদোরবাদোরের (পুরোহিতের নাম) নামের সাথে যুক্ত নামের আরেকটি সংস্করণ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছিলেন, যার মানে "আগুনের অভিভাবক"।[৬]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে এট্রোপ্যাটিন এবং প্রতিবেশী দেশগুলি

৩৩১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তৃতীয় দারিউসমহান আলেকজান্ডারের মধ্যে গৌগমেলায় যুদ্ধ বাঁধে। এ যুদ্ধে অ্যাট্রোপেটস সেনাবাহিনীতে আচেমেনিদ সেনাবাহিনীর পাশাপাশি আলবান, সাকাসেন ও কাদুসিয়ানরাও যুদ্ধ করে। এই যুদ্ধের পর মহান আলেকজান্ডারের বিজয় এবং আচেমেনিদ সাম্রাজ্যের পতন হয়। ফলে আত্রোপাতেস আলেকজান্ডারের প্রতি তার আনুগত্য প্রকাশ করেন। ৩২৮-৩২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে আলেকজান্ডার তাকে মিডিয়ার গভর্নর নিযুক্ত করেন। ৩২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহান আলেকজান্ডারের মৃত্যুর পর, ম্যাসেডোনিয়ার রাজত্ব ব্যাবিলন বিভাগের মাধ্যমে ডায়াডোচিদের মধ্যে বিভক্ত হয়ে যায়। মিডিয়ার সাবেক আচেমেনিদ সাত্রাপিকে দুটি রাজ্যে বিভক্ত করা হয়: বৃহত্তর (দক্ষিণ) অংশ - মিডিয়া ম্যাগনাতে আলেকজান্ডারের অন্যতম দেহরক্ষী পেইথনকে নিযুক্ত করা হয়।

ক্ষুদ্র (উত্তর) অঞ্চলটি ছিল ম্যাটীনের উপ-সাত্রাপি। এটি আত্রোপাতেসের অধীনে মিডিয়া আত্রোপাতেনে হয়। আত্রোপাতেস ছিলেন সর্ব মিডিয়ার সাবেক আচেমেনিড, তিনি আবার পরবর্তীতে আলেকজান্ডার মনোনীত উত্তরাধিকারী পেরডিকাসের শ্বশুর হন।[৭][৮] [৯][১০] এর কিছুদিন পরেই, অ্যাট্রোপেটস সেলিউকাসের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে অস্বীকার করে এবং মিডিয়া অ্যাট্রোপাটেনকে একটি স্বাধীন রাজ্যে পরিণত করে। এন্টিওকাস তৃতীয় (২২৩-১৮৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) সেলিউসিডরাজ্যে ক্ষমতায় আসেন যিনি মহান আলেকজান্ডারের মৃত্যুর পর পূর্ব দেশে আবির্ভূত হন। খ্রিস্টপূর্ব ২২৩ অব্দে অট্রোপাটেনের দিকে আক্রমণের ফলে তার বিজয় ঘটে।

ফলশ্রুতিতে, আত্রোপাতেনের রাজা- আরতাবাজান সেলিউসিডের উত্থান মেনে নেন এবং এর অধীনস্থ হয়ে পড়েন, অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতা সংরক্ষিত ছিল... একই সময়ে, রোমান সাম্রাজ্যের ভূমধ্যসাগরীয় অববাহিকার দিকে নজর আসে এবং পূর্ব দিকে তাদের শক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা শুরু করে এবং ১৯০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ম্যাগনেসা সেলেভকিডসযুদ্ধে রোমানরা পরাজিত হয়। এরপর পার্থিয় এবং আত্রোপাতেনে রোমকে তাদের স্বাধীনতার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করেন। তাই তারা রোমের বিরুদ্ধে সংগ্রামে নিজেদের মিত্রতা বিবেচনা করেন।

৩৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোম ও পার্থীয়দের মধ্যে যুদ্ধের পর রোমানরা জয়লাভ করে এবং রোমান সেনাপতি অ্যান্টনি আত্রোপাতেনের অন্যতম কেন্দ্রীয় শহর ফ্রাস্পা (৩৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) আক্রমণ করেন। শহর শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা পরিবেষ্টিত ছিল। দীর্ঘ অবরোধের পর অ্যান্টনি পিছু হঠেন এবং প্রায় পঁয়ত্রিশ হাজার সৈন্য হারান। পার্থীয়রা আত্রোপাতেনে দখল করার চেষ্টার মুখে, আত্রোপাতেনে রোমের সাথে সম্পর্কোন্নয়ন করতে থাকে। এইভাবে, দ্বিতীয় আরিওবারজান, যিনি ২০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে অ্যাট্রোপাটেনে ক্ষমতায় আসেন, তিনি প্রায় দশ বছর রোমে বসবাস করেন। প্রতিষ্ঠিত রাজবংশ কয়েক শতাব্দী ধরে রাজ্য শাসন করে, প্রথমে স্বাধীনভাবে, তারপর পার্থীয়দের সামন্ত হিসেবে (যিনি এটিকে 'আতুরপাতাকান' বলে ডাকতেন)। পরে পার্থীয়রা এটি দখল করে নেয়।[২]

পার্থিয় যুগের শেষের দিকে, সাম্রাজ্যটি হ্রাস পেতে থাকে, যার ফলে পশ্চিম ইরানে তাঁদের নিয়ন্ত্রণও হ্রাস পায়। ইরানীয়বিদ টুরাজ দরিয়াই যুক্তি দেন যে, পার্থীয় রাজা ভোলোগাসের রাজত্ব ছিল "আরসাসিডের ইতিহাসের টার্নিং পয়েন্ট, যে সময় রাজবংশটি অনেক মর্যাদা হারায়"। পঞ্চম ভোলোগাসের ছেলের বিরুদ্ধে এবং দ্বিতীয় উত্তরসূরি আরতাবানাস চতুর্থের বিরুদ্ধে (২১৬-২২৪) যুদ্ধের সময় আত্রোপাতেনের জনগণ (অভিজাত ও কৃষক উভয়) পারস্যের সাসানীয় যুবরাজ আর্দাশিরের (২২৪-২৪২) সাথে মিত্রতা করে। ২২৬ সালে, হরমোজগান যুদ্ধে প্রথম আর্দাশির, চতুর্থ আর্তাবানাসকে পরাজিত করে হত্যা করলে, আত্রোপাতেনে সামান্য প্রতিরোধ গড়ে পরে আত্মসমর্পণ করে। প্রথম আর্দাশির এবং তার পুত্র ও উত্তরাধিকারী প্রথম শাপুরের (২৪০-২৭০) প্রতিকৃতি সালমাস শহরের কাছে একটি পাথরে চিত্রিত করা আছে, যা সম্ভবত আত্রোপাতেনে সাসানীয় বিজয়ের সাক্ষ্য। আত্রোপাতেনের অভিজাতরা, শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সক্ষম এমন একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের আকাঙ্ক্ষায় সম্ভবত সাসানিয়দের সাথে মিত্রতা করেছিল। পুরোহিত, যারা আরসাসিডদের কারণে বিচ্ছিন্ন অনুভব করছিল, তারা জরথুস্ট্রীয়বাদের সাথে তার সম্পৃক্ততার কারণে সম্ভবত সাসানীয় পরিবারকে সমর্থন করেছিল।

শাসকদের তালিকা[সম্পাদনা]

যদিও নিচের তালিকাটি অসম্পূর্ণ, তারপরও তারা মিডিয়া আত্রোপাতেনের পরিচিত শাসক রাজা ছিলেন।

  • ৩২০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে একটি অজানা তারিখ
  • আরতাবাজানেস (খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতাব্দী) খ্রিস্টপূর্ব ২২১ বা ২২০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে শাসন করেন, সেলিউসিড গ্রিক রাজা তৃতীয় এন্টিওকাস দ্য গ্রেট-এর সমসাময়িক। কথিত আছে যে তিনি গোবরিয়াসের কন্যার সাথে তাঁর বিবাহের সময় থেকে দ্বিতীয় পার্সিয়ান রাজা দারিয়াসের পিতৃপৌত্র ছিলেন।[১১][১২][১৩]
  • মিথ্রিডেটস (১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – ৬৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ৬৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৬৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত আর্মেনীয় রাজা টিগরানেস দ্য গ্রেট[১৪] এর জামাতা ছিলেন।
  • দারিয়ুস ১ (৮৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – ৬৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ), শাসিত ৬৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ[১৫]
  • আরিওবারজানেস ১ (৮৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – ৫৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ৬৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৫৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত শাসিত
  • আর্তাভাসদেস ১ (৫৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – ২০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ৫৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৩১ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত শাসন করেন। উপরে বর্ণুত পুত্র আরিওবারজানেস এবং কমাজিনের রাজা প্রথম এন্টিওকাস থিওসের জামাতা
  • আসসিন্নালাস (খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতাব্দী) খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দে থেকে ২০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের একটি অজানা তারিখ পর্যন্ত শাসন করেন।
  • দ্বিতীয় আরিওবারজানেস (৪০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ – ৪ খ্রিস্টপূর্ব) খ্রিস্টপূর্ব ২৮ থেকে ২০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত শাসন করেন এবং খ্রিস্টপূর্ব ২ থেকে ৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত আর্মেনিয়ার রাজা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[১৮]
  • দ্বিতীয় আর্তাভাসদেস, যিনি তৃতীয় (২০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ - ৬), ৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মিডিয়া অ্যাট্রোপাটেন এবং আর্মেনিয়ার রাজা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[১৬]
  • আর্টাবানাস (খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধ - ৩৮ খ্রিস্টাব্দ) ফ্রেডেটস চতুর্থের নাতি, ৬ থেকে ১০ অব্দ পর্যন্ত শাসন করেন।
  • দ্বিতীয় ভোনোনেস (খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে - ৫১ খ্রিস্টাব্দ), আরতাবানাসের ভাই এবং ১১ অব্দ থেকে ৫১ অব্দ পর্যন্ত শাসন করেন।
  • মিডিয়া অ্যাট্রোপাটেনস প্যামোরাস (১ম শতাব্দী এবং ২য় শতাব্দীর প্রথমার্ধে)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Olbrycht 2014, পৃ. 96; টেমপ্লেট:Harnvb; টেমপ্লেট:Harnvb
  2. Schippmann 1987, পৃ. 221–224।
  3. Yarshater, Ehsan (১৯৮৩), The Cambridge history of Iran, Cambridge University Press, পৃষ্ঠা 1408, আইএসবিএন 978-0-521-20092-9, Atropatene see Azarbaijan 
  4. "Strabo, Geography, Book 11"www.perseus.tufts.edu। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-৩০ 
  5. "AZERBAIJAN i. Geography – Encyclopaedia Iranica"www.iranicaonline.org। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-৩০ 
  6. "AZERBAIJAN i. Geography – Encyclopaedia Iranica"www.iranicaonline.org। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-৩০ 
  7. "ATROPATES – Encyclopaedia Iranica"www.iranicaonline.org। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-৩০ 
  8. "Strabo, Geography, Book 11, chapter 13, section 1"www.perseus.tufts.edu। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-৩০ 
  9. Cheshire, Keyne (২০০৯)। Alexander the Great। Cambridge University। পৃষ্ঠা 73। আইএসবিএন 9780521707091 
  10. F. Mirwaisi, Hamma (২০১০)। Return of the Medes: An Analysis of Iranian History। Wheatmark। পৃষ্ঠা 123। আইএসবিএন 9781604944495 
  11. ARTABAZANES, Encyclopædia Iranica
  12. García Sánchez, M (2005): "La figura del sucesor del Gran Rey en la Persia Aqueménida", in V. Troncoso (ed.), Anejos Gerión 9, La figura del sucesor en las monarquías de época helenística.
  13. Hallock, R (1985): "The evidence of the Persepolis Tablets", en I Gershevitch (ed.) The Cambridge History of Iran v. 2, p. 591.
  14. Cassius Dio, 36.14
  15. Azerbaijan iii. Pre-Islamic History, Atropates, Persian satrap of Media, made himself independent in 321 B.C. Thereafter Greek and Latin writers named the territory as Media Atropatene or, less frequently, Media Minor: Parthian period
  16. Swan, P.M. (2004), The Augustan Succession: An Historical Commentary on Cassius Dio's Roman History, Books 55-56 (9 B.C.-A.D. 14), p.114, Oxford University Press

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

  • Bosworth, C.E. (১৯৮৯), "Azerbaijan IV: Islamic History to 1941", Encyclopaedia Iranica, 3.1, London: Routledge & Kegan Paul 
  • Chaumont, M. L. (১৯৮৯), "Atropates", Encyclopaedia Iranica, 3.1, London: Routledge & Kegan Paul 
  • de Planhol, X. (১৯৮৯), "Azerbaijan I: Geography", Encyclopaedia Iranica, 3.1, London: Routledge & Kegan Paul 
  • Kia, Mehrdad (২০১৬)। The Persian Empire: A Historical EncyclopediaABC-CLIOআইএসবিএন 978-1610693912  (2 volumes)
  • Schippmann, K. (১৯৮৯), "Azerbaijan III: Pre-Islamic History", Encyclopaedia Iranica, 3.1, London: Routledge & Kegan Paul 

স্থানাঙ্ক: ৩৭° উত্তর ৪৮° পূর্ব / ৩৭° উত্তর ৪৮° পূর্ব / 37; 48