বিষয়বস্তুতে চলুন

আজুরান সালতানাত

এটি একটি ভালো নিবন্ধ। আরও তথ্যের জন্য এখানে ক্লিক করুন।
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

আজুরান সালতানাত

Dawladdii Ajuuraan (সোমালি)
دولة الأجورانية (আরবি)
Ajuran Sultanate জাতীয় পতাকা
(মোগাদিশু অঞ্চলের) পতাকা, ১৫৭৬ সালের পর্তুগিজ মানচিত্র অনুসারে
১৫৭৬ সালের পর্তুগিজ মানচিত্রে মোগাদিশু অঞ্চল
১৫৭৬ সালের পর্তুগিজ মানচিত্রে মোগাদিশু অঞ্চল
রাজধানী
প্রচলিত ভাষা
ধর্ম
সুন্নি ইসলাম (রাষ্ট্র)
সরকাররাজতন্ত্র
সুলতান, ইমাম 
 ১৬শ শতাব্দী
রাসুল ইবনে আলী
ইতিহাস 
 প্রতিষ্ঠিত
১৩শ শতাব্দী
১৬শ শতাব্দী
১৬শ শতাব্দী
মুদ্রা
পূর্বসূরী
উত্তরসূরী
মোগাদিশু সালতানাত
তুন্নি সালতানাত
গেলেদি সালতানাত
হিরাব ইমামাত
বর্তমানে যার অংশসোমালিয়া
ইথিওপিয়া

আজুরান সালতানাত (সোমালি: Saldanadda Ajuuraan, আরবি: سلطنة الأجورانية), স্থানীয়ভাবে আজুরান নামে পরিচিত,[] এবং প্রায়শই শুধু আজুরান/আজুর[] বলা হয়, ছিল হর্ন অফ আফ্রিকা-র একটি মুসলিম সাম্রাজ্য যা মধ্যযুগের শেষভাগ ও প্রারম্ভিক আধুনিক যুগে উন্নতি লাভ করেছিল।[] সোমালি সুলতানদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত[][] এর উত্থান ১৩শ ও ১৪শ শতাব্দীতে শুরু হয় এবং ১৫শ শতাব্দীর মধ্যে এটি আফ্রিকার একমাত্র ‘জলসম্পদ-ভিত্তিক সাম্রাজ্য’ হয়ে ওঠে।[] শক্তিশালী কেন্দ্রীয় প্রশাসন এবং আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক সামরিক অবস্থানের মাধ্যমে আজুরান সাম্রাজ্য পশ্চিম থেকে ওরোমো সম্প্রসারণ এবং পূর্ব থেকে পর্তুগিজ আক্রমণ প্রতিরোধে সফল হয়।[][১০][১১]

আজুরানরা সমকালীন আফ্রিকান ও ইসলামি বিশ্বের বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল।[১২] প্রাচীন ও প্রারম্ভিক মধ্যযুগীয় সোমালি সমুদ্র বাণিজ্যের পথগুলো শক্তিশালী ও পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়; উপকূলীয় প্রদেশগুলোতে বিদেশি বাণিজ্য ও বাণিজ্য উন্নতি লাভ করে—জাহাজগুলো নিকট প্রাচ্য, পূর্ব এশিয়া এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের রাজ্য ও সাম্রাজ্যে যাতায়াত করত।[১৩][১৪] আজুরানরা বিশ্বাস করা হয় আফ্রিকানদের মধ্যে প্রথম যারা চীন-এর সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেছিল।[১৫]

নামকরণ

[সম্পাদনা]

আজুরান সাম্রাজ্যের নাম আরবি শব্দ إيجار (Ījārā) থেকে এসেছে, যার অর্থ ভাড়া বা কর—সম্ভবত সাম্রাজ্যকে দেওয়া করের সাথে সম্পর্কিত।[১৬]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

আজুরানকে তার অধিক প্রভাবশালী পূর্বসূরি আদাল সালতানাত-এর উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[১০] আজুরানের সঠিক উৎপত্তি ঐতিহ্যবাহী সোমালি লোককথায় নিহিত। ১৩শ শতাব্দীতে আজুরান প্রথম আবির্ভূত হয় এবং ক্ষমতা লাভ করতে শুরু করে। কয়েক শতাব্দী ধরে তারা অভ্যন্তরীণ যাযাবরদের উপর শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে এবং উপকূলীয় বাণিজ্য ও অবকাঠামো গ্রহণ করে।[১৭] সালতানাতটি প্রায় তিন শতাব্দী কার্যকর ছিল।[]

উৎপত্তি ও গারেন রাজবংশ

[সম্পাদনা]
গারেন রাজবংশ
পরিচিত সদস্যরা
  • আজুরান
  • বায়দান
  • বাদবেয়দান
  • ওয়ালমুগে
  • সানলে
  • সানলে মাগে
  • তুরে
  • ধাকসুরে

গারেন রাজবংশ ছিল আজুরান সাম্রাজ্যের শাসক বংশ।[১৮][১৯] এর উৎপত্তি ১৩শ শতাব্দীতে ইথিওপিয়ার সোমালি অঞ্চল-এর গারেন রাজ্যে।[২০] উত্তর হর্ন অঞ্চল থেকে দক্ষিণে সোমালিদের অভিবাসনের সাথে নতুন সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়, যা বংশের প্রশাসনিক কাঠামোকে প্রভাবিত করে।[২১]

শাসনব্যবস্থা একটি ইসলামি সরকারে রূপান্তরিত হতে শুরু করে। তাদের বংশগত বারাকা-র মাধ্যমে, যা বালাদ নামক সাধকের কাছ থেকে এসেছিল (যিনি রাজ্যের বাইরে থেকে এসেছিলেন বলে জানা যায়)।[২২][২৩][২৪]

উত্থান ও প্রভাব বিস্তার

[সম্পাদনা]

আজুরানরা ধীরে ধীরে একটি উল্লেখযোগ্য ও সম্মানিত সাম্রাজ্যে পরিণত হয়।[১০] ১৩০০-এর দশকের শেষের দিকে তারা বানাদির অঞ্চলের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করে এবং প্রায় তিন শতাব্দী ধরে আধিপত্য বজায় রাখে। সাম্রাজ্যের সাথে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন যুক্ত—যেমন শেবেলে নদী-তে বাঁধ ও জলাধার ব্যবস্থা, বড় বাড়ি ও পাথরের দুর্গ, এবং বড় পাথরের কূপ—যার অনেকগুলো ২০শ শতাব্দী পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে আজুরানরা প্রথম নিয়মিত কর ব্যবস্থা চালু করে আশেপাশের জনগোষ্ঠীর উপর।[২৫] সাম্রাজ্যের শেষ দিকে তারা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারকারী একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তোলে। ‘জল রাজবংশ’ হিসেবে আজুরানরা জুব্বা নদীশেবেলে নদী-র উপর জলসম্পদ প্রকৌশলের মাধ্যমে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।[]

ঐতিহাসিকভাবে মোগাদিশু সালতানাত উত্তরে আদাল সালতানাত-এর দ্বারা সীমাবদ্ধ ছিল।[২৬][২৭] মধ্যযুগ জুড়ে আজুরানরা রাজনৈতিকভাবে আদালিদের সাথে নিয়মিত জোটবদ্ধ ছিল।[২৮][২৯] ইবন বতুতা একে একটি দেশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন; জেইলা থেকে মোগাদিশু যেতে তাঁর আট সপ্তাহ লেগেছিল।[৩০][৩১] হর্ন অফ আফ্রিকায় আজুরান সাম্রাজ্যের প্রভাব অঞ্চল ছিল অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে বড়দের একটি।[৩২][৩৩] এর সর্বোচ্চ পর্যায়ে সাম্রাজ্য দক্ষিণ সোমালিয়ার অধিকাংশ অংশ এবং পূর্ব ইথিওপিয়া জুড়ে বিস্তৃত ছিল,[১৩][৩৪] উত্তরে হোবিও থেকে দক্ষিণে কিসমায়ো এবং পশ্চিমে কেলাফো পর্যন্ত।[৩৫][৩৬][৩৭]

আজুরান-পর্তুগিজ যুদ্ধ

[সম্পাদনা]

ইউরোপ-এর আবিষ্কারের যুগ-এ তৎকালীন মহাশক্তি পর্তুগিজ সাম্রাজ্য পূর্ব আফ্রিকার উপকূলে আসে, যেখানে বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সাথে সমৃদ্ধ বাণিজ্য চলছিল। দক্ষিণ-পূর্বের কিলওয়া, মোম্বাসা, মালিন্দি, পাতেলামু শহরগুলো পর্তুগিজদের দ্বারা পদ্ধতিগতভাবে লুণ্ঠিত ও ধ্বংস হয়।[৩৮] ট্রিস্তাও দা কুনহা তখন আজুরান অঞ্চলের দিকে নজর দেন, যেখানে বারাওয়ার যুদ্ধ সংঘটিত হয়।[৩৯][৪০] দীর্ঘ লড়াইয়ের পর পর্তুগিজ সৈন্যরা শহরটি পুড়িয়ে লুণ্ঠন করে।[৪১][৪২] স্থানীয় জনগণ ও সৈন্যদের তীব্র প্রতিরোধের ফলে পর্তুগিজরা শহরটি স্থায়ীভাবে দখল করতে ব্যর্থ হয়। পালিয়ে যাওয়া বাসিন্দারা পরে ফিরে এসে শহরটি পুনর্নির্মাণ করে।[৪৩][৪৪][৪৫]

ওটোমানরা ভারত মহাসাগরে পর্তুগিজদের বিরুদ্ধে আজুরানদের নিয়মিত সাহায্য করত।
যুদ্ধের সময় বারাওয়ার যুদ্ধ-এ ট্রিস্তাও দা কুনহা আহত হন এবং আলফোনসো দে আলবুকার্ক-এর কাছে নাইট উপাধি চান।[৪৬]

পরবর্তী কয়েক দশকে উত্তেজনা অব্যাহত থাকে। সোমালি নাবিক ও ওটোমান প্রাইভেটিয়ার-দের মধ্যে বাড়তি যোগাযোগ পর্তুগিজদের উদ্বিগ্ন করে। তারা জোয়াও দে সেপুলভেদার নেতৃত্বে একটি শাস্তিমূলক অভিযান পাঠায়, যিনি মোগাদিশুতে গোলাবর্ষণ করেন এবং তুর্কি জাহাজ দখল করেন, ফলে শাসককে পর্তুগিজদের সাথে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেন। বারাওয়াও লুণ্ঠনের পর শান্তি স্বাক্ষর করে।[৪৭][৪৮] ভারত মহাসাগরে ওটোমান-সোমালি সহযোগিতা ১৫৮০-এর দশকে চরমে পৌঁছায় যখন উপকূলীয় শহরগুলোর আজুরান ক্লায়েন্টরা পর্তুগিজ শাসনাধীন আরব ও সোয়াহিলিদের সাথে সহযোগিতা করে এবং তুর্কি প্রাইভেটিয়ার মির আলি বে-কে পর্তুগিজদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযানের জন্য দূত পাঠায়। তিনি সম্মত হন এবং দক্ষিণ-পূর্ব আফ্রিকায় পর্তুগিজ উপনিবেশ আক্রমণের জন্য একটি সোমালি নৌবহর-এর সাথে যোগ দেন।[৪৯]

১৬৯৮ সালে মোম্বাসা-র ফোর্ট জেসাসের অবরোধ-এ পর্তুগিজরা যৌথ সোমালি-ওমানি বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।[৫০]
জান হুইঘেন ভ্যান লিনশোটেনের ১৬শ শতাব্দীর মানচিত্র।[৫১]

সোমালি-ওটোমান আক্রমণে পর্তুগিজরা পাতে, মোম্বাসাকিলওয়া-সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর থেকে বিতাড়িত হয়। কিন্তু পর্তুগিজ গভর্নর ভারতীয় পর্তুগিজদের কাছে বড় নৌবহরের অনুরোধ জানান। এই অনুরোধ পূরণ হয় এবং মুসলিমদের আক্রমণ প্রতিরক্ষায় রূপান্তরিত হয়। পর্তুগিজ নৌবহর হারানো অধিকাংশ শহর পুনরুদ্ধার করে এবং তাদের নেতাদের শাস্তি দেয়, কিন্তু তারা মোগাদিশু আক্রমণ থেকে বিরত থাকে, ফলে শহরটি ভারত মহাসাগরে স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখে।[৫২][৫৩] ওটোমান সাম্রাজ্য অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে থেকে যায়।[১৩] ১৬শ ও ১৭শ শতাব্দী জুড়ে আজুরানরা ওটোমান ধাঁচের নতুন মুদ্রা প্রচলন করে ভারত মহাসাগরে পর্তুগিজ আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করে এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতার মনোভাব প্রকাশ করে।[৫৪][৫৫][৫৬][৫৭]

মুসলিম অভিবাসন

[সম্পাদনা]

১৫শ শতাব্দীর শেষ থেকে ১৭শ শতাব্দী পর্যন্ত আরব, পারস্য, ভারতস্পেন থেকে মুসলিম পরিবার আজুরান অঞ্চলে আসে, যাদের অধিকাংশ উপকূলীয় প্রদেশে বসতি স্থাপন করে। কেউ কেউ নিজ অঞ্চলের অস্থিরতার কারণে আসে—যেমন ইয়েমেন-এর হাদরামি পরিবার এবং স্প্যানিশ ইনকুইজিশন থেকে পালিয়ে আসা স্পেনের মুসলিমরা।[৫৮][৫৯] অন্যরা ব্যবসা বা ধর্মীয় উদ্দেশ্যে আসে। ধর্মীয় শিক্ষায় তাদের দক্ষতার কারণে নতুন মুসলিম সম্প্রদায় সোমালি শাসক অভিজাত ও সাধারণ মানুষের কাছে উচ্চ মর্যাদা লাভ করে।[৬০][৬১]

শেখ হুসেইনের সমাধি।

আজুরান যুগের সবচেয়ে বিখ্যাত সোমালি ইসলামী পণ্ডিত হলেন শেখ হুসেইন, যিনি আজুরান সাম্রাজ্যের ক্ষমতা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র মেরকা-য় জন্মগ্রহণ করেন।[৬২] তিনি বর্তমান বালে প্রদেশ, ইথিওপিয়া অঞ্চলের সিদামোদের ইসলাম-এ ধর্মান্তরিত করেন।[৬৩] তিনি বালে সালতানাত প্রতিষ্ঠার জন্যও কৃতিত্ব পান।[৬৪][৬৫]

যদিও বালে সালতানাত সরাসরি আজুরান শাসনাধীন ছিল না, দুটি রাজ্য গভীরভাবে সংযুক্ত ছিল এবং বালে আজুরানের দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছিল। তাঁর সমাধি শেখ হুসেইন শহরে অবস্থিত, যা ইথিওপিয়ার মুসলিমদের—বিশেষ করে ওরোমো বংশোদ্ভূতদের—জন্য দেশের সবচেয়ে পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত।[৬৬][৬৭]

গাল মাদো যুদ্ধ

[সম্পাদনা]

১৭শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ওরোমো জনগোষ্ঠী তাদের মূল ভূমি থেকে সম্মিলিতভাবে দক্ষিণ সোমালি উপকূলের দিকে সম্প্রসারণ শুরু করে—যখন আজুরানরা তাদের ক্ষমতার শীর্ষে ছিল।[৬৮] গারেন শাসকরা ওরোমো আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে একাধিক সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন, যা গাল মাদো যুদ্ধ নামে পরিচিত। এই অভিযানে বন্দীদের ইসলাম-এ ধর্মান্তরিত করা হতো।[৬৯][৭০][৭১][৭২]

বেনাদির ও দক্ষিণ সোমালিয়ার পতন

[সম্পাদনা]

১৭শ শতাব্দীর শেষের দিকে আজুরান সাম্রাজ্যের ক্ষমতা ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে থাকে। এই সময়ে সাম্রাজ্যের শাসকরা শরিয়া পরিত্যাগ করেন, অত্যাচারী হয়ে ওঠেন এবং ভারী কর আরোপ করেন।[] মোগাদিশু ও অন্যান্য উপকূলীয় শহরে মুজাফফর ক্লায়েন্টদের ক্ষমতাচ্যুত করে আবগাল ইমাম হিরাব ইমামাত প্রতিষ্ঠা করেন এবং মোগাদিশুতে বসবাস শুরু করেন—যা ছিল একটি বড় ধাক্কা।[৭৩] অভ্যন্তরে প্রাক্তন আজুরান জেনারেল ইব্রাহিম আদির সিলসিস ভাসালদের পরাজিত করে গোবরুন রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন।[৭৪][৭৫] ১৭০০-এর দশকের শুরুতে বেনাদির-এ আজুরানের কোনো চিহ্ন আর অবশিষ্ট ছিল না।[২৫]

কর আরোপ ও প্রাইমা নক্টিস (ius primae noctis) প্রথা আজুরান শাসকদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের প্রধান কারণ ছিল।[৭৬] বন্দর শহর ও উর্বর কৃষিভূমি হারানোর ফলে বিদ্রোহীদের কাছে প্রয়োজনীয় রাজস্বের উৎস হারিয়ে যায়।[৭৫] আজুরান সাম্রাজ্যের পতনের পর সোমালি সমুদ্র বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। তবে ইসাক সালতানাত, ওয়ারসাঙ্গালি সালতানাত, মাজেরতিন সালতানাত এবং হোবিও সালতানাত-এর মতো অন্যান্য রাজ্যগুলো এর ধারাবাহিকতা কিছুটা বজায় রাখে।[৭৭]

প্রশাসন

[সম্পাদনা]
মেরকা শহর ছিল আজুরানদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র

আজুরান অভিজাতরা সোমালি অভিজাত ও দরবারের সাধারণ উপাধিগুলো ব্যবহার করতেন। গারেন শাসকরা ইমাম উপাধি ধারণ করতেন।[৭৮] এই নেতারা সাম্রাজ্যের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ছিলেন এবং একাধিক সুলতান, আমিররাজাদের ক্লায়েন্ট বা ভাসাল হিসেবে গণ্য করতেন। গারেন শাসকদের মৌসুমি প্রাসাদ ছিল মারেগ, কেলাফোমেরকা-তে। সাম্রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ শহর ছিল মোগাদিশুবারাওয়া। রাষ্ট্রধর্ম ছিল ইসলাম, এবং আইন ভিত্তি ছিল শরিয়া[৭৯][৮০][৮১]

  1. ইমাম – রাষ্ট্রপ্রধান[৮২]
  2. আমির – সশস্ত্র বাহিনী ও নৌবাহিনীর অধিনায়ক
  3. নায়েব – উপ-রাজা[৮৩]
  4. ওয়াজির – কর ও রাজস্ব সংগ্রাহক
  5. কাজি – প্রধান বিচারক

নাগরিক সমাজ

[সম্পাদনা]

কূপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে গারেন শাসকরা তাদের যাযাবর প্রজাদের উপর কার্যত একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন—কারণ তারা আফ্রিকার একমাত্র জলসম্পদ-ভিত্তিক সাম্রাজ্য ছিল। রাজ্যজুড়ে চুনাপাথর-এর তৈরি বড় কূপ নির্মাণ করা হয়, যা সোমালিওরোমো যাযাবরদের পশুসম্পদ নিয়ে আকর্ষণ করত।[৮৪] কূপের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ যাযাবরদের জন্য বিরোধ নিষ্পত্তি সহজ করে দিত—তারা সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ নিয়ে যেত, যারা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করত। হর্ন অফ আফ্রিকায় দীর্ঘদূরত্বের কাফেলা বাণিজ্য আজুরান যুগে অপরিবর্তিত থাকে। আজও সোমালিয়া ও হর্ন অফ আফ্রিকার অভ্যন্তরে অসংখ্য ধ্বংসপ্রাপ্ত ও পরিত্যক্ত শহর মধ্যযুগীয় অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য নেটওয়ার্কের সাক্ষ্য বহন করে।[৮৫]

জুব্বা নদী

আজুরানদের কেন্দ্রীয় তত্ত্বাবধানে আফগোয়ে, কিসমায়ো এবং জুব্বাশেবেলে উপত্যকার অন্যান্য অঞ্চলের খামারগুলো উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। স্থানীয়ভাবে কেলিয়ো নামে পরিচিত সেচ খাল ব্যবস্থা শেবেলেজুব্বা নদী থেকে সরাসরি খামারে পানি সরবরাহ করত। এখানে গু (সোমালি বসন্ত) ও খাগা (সোমালি গ্রীষ্ম) মৌসুমে সর্গম, ভুট্টা, শিম, শস্য ও তুলা চাষ হতো। এই সেচ ব্যবস্থা অসংখ্য বাঁধজলাধার দ্বারা সমর্থিত ছিল। খামারের গড় আকার নির্ধারণের জন্য মুস, তারাবগুলদিদ নামে ভূমি পরিমাপ ব্যবস্থাও উদ্ভাবিত হয়।[৮৬]

কর ব্যবস্থা

[সম্পাদনা]
মোগাদিশু মুদ্রা

রাষ্ট্র কৃষকদের কাছ থেকে ফসলের আকারে কর সংগ্রহ করত—যেমন দুররা, সর্গম ও বুন। যাযাবরদের কাছ থেকে গবাদি পশু, উট ও ছাগল সংগ্রহ করা হতো। কর সংগ্রহের দায়িত্বে থাকতেন একজন ওয়াজির। বিদেশ থেকে আমদানি করা বিলাসবহুল পণ্য উপকূলীয় সুলতানরা গারেন শাসকদের উপহার হিসেবে প্রদান করতেন।

গারেন শাসকরা তাদের রাজ্যে ইউস প্রাইমা নক্টিস (ius primae noctis) নামে একটি রাজনৈতিক কৌশল প্রয়োগ করতেন,[৮৭] যার মাধ্যমে তারা বিবাহের মাধ্যমে সাম্রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ গোষ্ঠীগুলোর উপর হেজিমনি প্রতিষ্ঠা করতেন। শাসকরা কনের সম্পদের বড় অংশ দাবি করতেন—যা তখন ১০০ উট ছিল।[৮৪]

বাণিজ্যের জন্য আজুরান সাম্রাজ্য নিজস্ব আজুরান মুদ্রা প্রচলন করে।[৮৮] এছাড়া মোগাদিশু সালতানাত-এর মূল মোগাদিশু মুদ্রাও ব্যবহার করা হতো, যা পরে আজুরান সাম্রাজ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়।[৫২] মোগাদিশু মুদ্রা বর্তমান সংযুক্ত আরব আমিরাত-এর মতো মধ্যপ্রাচ্যের অঞ্চলেও পাওয়া গেছে।[৮৯]

সামরিক বাহিনী

[সম্পাদনা]

আজুরান রাষ্ট্রের একটি স্থায়ী সেনাবাহিনী ছিল, যার মাধ্যমে গভর্নররা প্রজাদের শাসন ও সুরক্ষা করতেন। সেনাবাহিনীর বেশিরভাগ ছিল নিয়োগপ্রাপ্ত সৈন্য, যাদের ঐতিহ্যবাহী সোমালি গোত্র ব্যবস্থার প্রতি কোনো আনুগত্য ছিল না—এতে তারা আরও নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠেছিল।[৯০][৯১][৯২] সৈন্যরা নদীবিধৌত অঞ্চল থেকে নিয়োগ করা হতো; অন্যরা আশেপাশের যাযাবর অঞ্চল থেকে আসত। আরব, পারস্যতুর্কি ভাড়াটে সৈন্যও মাঝে মাঝে নিয়োগ করা হতো।[৯৩][৯৪]

সোমালিয়ার প্রাচীন আলমনারা প্রতিরক্ষা টাওয়ার।

প্রাথমিক সময়ে সেনাবাহিনীর অস্ত্র ছিল ঐতিহ্যবাহী সোমালি অস্ত্র—তলোয়ার, ছুরি, বর্শা, যুদ্ধকুঠারধনুকওটোমান সাম্রাজ্য থেকে সাহায্য পাওয়া যায় এবং মোগাদিশু-র মুজাফফর বন্দর দিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র আমদানির ফলে সেনাবাহিনী মাস্কেটকামান সংগ্রহ করতে শুরু করে।[৯৫][৯৬]

ওটোমানরা আজুরান-পর্তুগিজ যুদ্ধ-এ গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ছিল।

ওটোমানরা আজুরান-পর্তুগিজ যুদ্ধ-এ মূল মিত্র হিসেবে থেকে যায়। সামরিক ব্যবহারের জন্য ঘোড়া অভ্যন্তরে পালন করা হতো এবং উপকূলীয় জেলায় সেনাবাহিনীর আশ্রয়ের জন্য অসংখ্য পাথরের দুর্গ নির্মাণ করা হয়।[৯৭] প্রতিটি প্রদেশে সৈন্যরা একজন সামরিক অধিনায়কের অধীনে ছিলেন, যাকে আমির বলা হতো।[৯১] উপকূলীয় অঞ্চল ও লাভজনক ভারত মহাসাগর বাণিজ্য একটি নৌবাহিনী দ্বারা সুরক্ষিত ছিল।[৪৯]

নগর ও সমুদ্রকেন্দ্র

[সম্পাদনা]

মেরকা, মোগাদিশু, বারাওয়া এবং তাদের বন্দরগুলো অভ্যন্তরীণ পণ্যের লাভজনক বাণিজ্য কেন্দ্রে পরিণত হয়।[৯৮] অভ্যন্তরের কৃষি সম্প্রদায় তাদের পণ্য উপকূলীয় শহরে নিয়ে আসত, যেখানে স্থানীয় বণিকরা আরব, ভারত, ভেনিস, পারস্য, মিশর, পর্তুগাল এবং চীন পর্যন্ত জাহাজ চলাচলের মাধ্যমে বিদেশি বাণিজ্য পরিচালনা করত।[৯৯][১০০][১০১][১০২]

১৬শ শতাব্দীর মিলার আটলাস-এ প্রাচীরঘেরা মোগাদিশু শহর।

১৫শ শতাব্দীতে ভাস্কো দা গামা মোগাদিশু পার হয়ে যান এবং লক্ষ্য করেন যে এটি একটি বড় শহর—চার-পাঁচ তলা বাড়ি, কেন্দ্রে বড় প্রাসাদ এবং অনেক মসজিদ যার সিলিন্ডার মিনার ছিল।[১০৩][১০৪][১০৫] ১৬শ শতাব্দীতে দুয়ার্তে বারবোসা লক্ষ্য করেন যে কাম্বায়া থেকে অনেক জাহাজ মোগাদিশুতে কাপড় ও মশলা নিয়ে আসত এবং বিনিময়ে সোনা, মোমহাতির দাঁত নিয়ে যেত।[১০৬][১০৭] বারবোসা উপকূলীয় বাজারে প্রচুর মাংস, গম, যব, ঘোড়া ও ফলের প্রাচুর্য উল্লেখ করেন, যা বণিকদের জন্য বিপুল সম্পদ সৃষ্টি করত।[১০৮][১০৯]

গন্ডারশে-র দুর্গ ধ্বংসাবশেষ।

মোগাদিশু ছিল তুব বেনাদির নামে একটি সমৃদ্ধ বয়ন শিল্পের কেন্দ্র (যা মিশর ও সিরিয়ার বাজারের জন্য বিশেষায়িত ছিল),[১১০] যেখানে মেরকা ও বারাওয়া মোম্বাসামালিন্দি-র সোয়াহিলি বণিকদের এবং কিলওয়া থেকে সোনার বাণিজ্যের ট্রানজিট স্টপ হিসেবে কাজ করত।[১১১] হরমুজ-এর ইহুদি বণিকরা ভারতীয় কাপড় ও ফল নিয়ে সোমালি উপকূলে আসত এবং বিনিময়ে শস্য ও কাঠ নিয়ে যেত।[১১২][১১৩]

১৫শ শতাব্দীতে মালাক্কা-র সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক স্থাপিত হয়,[১১৪] যেখানে কাপড়, অ্যাম্বারগ্রিস ও চীনামাটির বাসন প্রধান পণ্য ছিল।[১১৫] এছাড়া জিরাফ, জেব্রা ও ধূপ চীনের মিং রাজবংশ-এ রপ্তানি করা হতো।[১১৬] সুরাত-এর হিন্দু বণিক ও পাতে-এর দক্ষিণ-পূর্ব আফ্রিকান বণিকরা পর্তুগিজ অবরোধ ও ওমানি হস্তক্ষেপ এড়াতে মেরকা ও বারাওয়া বন্দর ব্যবহার করত (যা দুই শক্তির এখতিয়ারের বাইরে ছিল)।[১১৭]

প্রধান শহর

[সম্পাদনা]

আজুরান সাম্রাজ্য ছিল মধ্যযুগে মধ্য ও দক্ষিণ সোমালিয়ার বিভিন্ন শহর ও নগরীর উপর প্রভাব বিস্তারকারী একটি প্রভাবশালী সোমালি রাজ্য।[১১৮] সালতানাতের পতনের পর এর অনেক বসতি সমৃদ্ধি অব্যাহত রাখে এবং বর্তমান সোমালিয়ার প্রধান শহর-এ পরিণত হয়।[১১৯][১২০] কয়েকটি পরিত্যক্ত বা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে যায়:

মধ্যযুগীয় বারাওয়া শহর। রাজধানী
  • মারেগ (প্রাথমিকভাবে) (গালগুদুদ অঞ্চলের শহর, সোমালিয়া)
  • কেলাফো (শহর, সোমালি অঞ্চল, ইথিওপিয়া)
  • মেরকা (বন্দর শহর, লোয়ার শেবেলে অঞ্চল, সোমালিয়া)
  • মোগাদিশু (বন্দর শহর এবং বর্তমান সোমালিয়ার রাজধানী)
বন্দর শহর
  • হোবিও (বন্দর শহর, মুদুগ অঞ্চল, সোমালিয়া)
  • এইল (বন্দর শহর, নুগাল অঞ্চল, সোমালিয়া)
  • এল বুর (শহর, গালগাদুদ অঞ্চল, সোমালিয়া)
  • কিসমায়ো (বন্দর শহর, লোয়ার জুব্বা অঞ্চল, সোমালিয়া)
  • বারাওয়া (বন্দর শহর, লোয়ার শেবেলে অঞ্চল, সোমালিয়া)
  • ওয়ারশেইখ (বন্দর শহর, মিডল শেবেলে অঞ্চল, সোমালিয়া)
অন্যান্য শহর
  • আফগোয়ে (শহর, লোয়ার শেবেলে অঞ্চল, সোমালিয়া)
  • বাইদোয়া (শহর, বাই অঞ্চল, সোমালিয়া)
  • গন্ডারশে (পরিত্যক্ত, বর্তমানে জনপ্রিয় পর্যটন স্থান)
  • হান্নাসা (পরিত্যক্ত)
  • রাস বার বল্লা (পরিত্যক্ত)

অর্থনীতি

[সম্পাদনা]

আজুরান সাম্রাজ্যের আয়ের প্রধান উৎস ছিল কৃষি ও বাণিজ্য। প্রধান কৃষি শহরগুলো শেবেলে নদীজুব্বা নদী-র তীরে অবস্থিত ছিল—যেমন কিসমায়োআফগোয়ে। মধ্যযুগীয় বাণিজ্যপথের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় আজুরান ও তাদের ক্লায়েন্টরা পূর্ব আফ্রিকার সোনা বাণিজ্য, সিল্ক রোড বাণিজ্য, ভারত মহাসাগর বাণিজ্য এবং পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত বাণিজ্যে সক্রিয় অংশগ্রহণ করত।[১৩][১২১]

মোগাদিশু ভেনিস সাম্রাজ্য থেকে মূল্যবান সোনার সেকুইন আমদানি করত।

আজুরান সাম্রাজ্য নিজস্ব আজুরান মুদ্রা প্রচলন করে। বেনাদির উপকূলে আজুরান সুলতানদের নামাঙ্কিত অনেক মধ্যযুগীয় ব্রোঞ্জ মুদ্রা পাওয়া গেছে, এছাড়া দক্ষিণ আরব ও পারস্যের মুসলিম শাসকদের মুদ্রাও পাওয়া যায়।[৮৮]

বাণিজ্যিক জাহাজ, কম্পাস, একাধিক বন্দর শহর, আলোকবর্তিকা ও অন্যান্য প্রযুক্তির ব্যবহারে আজুরান বণিকরা নিম্নলিখিত রাষ্ট্রগুলোর সাথে ব্যবসা করত:

এশিয়ার বাণিজ্যিক দেশআমদানিরপ্তানি
মিং সাম্রাজ্যসেলাডন পাত্র ও মুদ্রাঘোড়া, বিদেশি প্রাণী ও হাতির দাঁত
মুঘল সাম্রাজ্যকাপড়মশলাসোনা, মোমকাঠ
মালাক্কা সালতানাতঅ্যাম্বারগ্রিসচীনামাটির বাসনকাপড়সোনা
মালদ্বীপকাউরিমাস্কভেড়া
জাফনা রাজ্যদারুচিনি ও মুদ্রাকাপড়
নিকট প্রাচ্যের বাণিজ্যিক দেশ
ওটোমান সাম্রাজ্যমাস্কেটকামানবস্ত্র
সাফাভিদ পারস্য সাম্রাজ্যবস্ত্রফলশস্যকাঠ
ইউরোপের বাণিজ্যিক দেশ
পর্তুগিজ সাম্রাজ্যসোনাকাপড়
ভেনিস সাম্রাজ্যসেকুইন
ডাচ সাম্রাজ্য
আফ্রিকার বাণিজ্যিক দেশ
মামলুক সালতানাত (কায়রো)কাপড়
আদাল সালতানাত
ইথিওপিয়ান সাম্রাজ্য
সোয়াহিলি উপকূল
মোনোমোপাটাসোনাহাতির দাঁতমশলাকাপড়
গন্ডারিন ইথিওপিয়ান সাম্রাজ্যসোনাগবাদি পশুকাপড়
মেরিনা রাজ্য

কূটনীতি

[সম্পাদনা]
আজুরান সাম্রাজ্য মিং রাজবংশ-এর সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রেখেছিল।[১২২]

সমুদ্রপথে বাণিজ্যের মাধ্যমে আজুরান সাম্রাজ্য পুরাতন বিশ্বজুড়ে—বিশেষ করে এশিয়ায়—বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। ওটোমান সাম্রাজ্য-এর মহান শক্তির সাথে ঘনিষ্ঠ মিত্রতা থেকে শুরু করে মিং রাজবংশ-এর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক—এসবের ফলে আজুরান বণিকরা জাভাভিয়েতনাম পর্যন্ত দূরবর্তী সমুদ্র অভিযানে যাত্রা করতে পারত।[১২৩][১২৪]

আজুরান সাম্রাজ্যের শাসক চীনের কাছে রাষ্ট্রদূত পাঠান কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য। এর ফলে চীনে প্রথম আফ্রিকান সম্প্রদায় গড়ে ওঠে। মধ্যযুগীয় চীনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সোমালি রাষ্ট্রদূত ছিলেন মোগাদিশুর সাঈদ, যিনি মধ্যযুগীয় ইতিহাসে চীনে পা রাখা প্রথম আফ্রিকান ব্যক্তি।[১২৫][১২৬] প্রতিদানে মিং রাজবংশ-এর তৃতীয় সম্রাট ইয়ংলে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় নৌবহরগুলোর একটি পাঠান সোমালি জাতির সাথে বাণিজ্যের জন্য। বিখ্যাত হুই মুসলিম ঝেং হে-র নেতৃত্বে এই নৌবহর মোগাদিশুতে পৌঁছায়—যখন শহরটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতির শীর্ষে ছিল। সোনা, ধূপবস্ত্র-এর পাশাপাশি ঝেং হে চীনে প্রথম আফ্রিকান বন্যপ্রাণী নিয়ে যান—জলহস্তী, জিরাফগজেল[১২৭][১২৮][১২৯][১৩০]

সংস্কৃতি

[সম্পাদনা]
১৪শ শতাব্দীর সোমালি-আরবি পাথরের ফলক

আজুরানরা বিভিন্ন ধরনের সোমালি সংস্কৃতি-কে ইসলামি স্থাপত্য, জ্যোতির্বিজ্ঞান ও শিল্পের সাথে মিলিয়ে একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ সংস্কৃতি গড়ে তোলে। এই সময়ে সমাজ বিকশিত ও সমৃদ্ধ হয়। অধিকাংশ বাসিন্দা ছিলেন জাতিগত সোমালি, তবে ইয়েমেনী, পারস্যতুর্কি সংখ্যালঘুও ছিল।[১৩১][১৩২][১৩৩] জনসংখ্যার বিপুল অংশ ছিল সুন্নি ইসলাম-এর অনুসারী, তবে শিয়া সংখ্যালঘুও ছিল। সবচেয়ে বেশি কথিত ভাষা ছিল সোমালি ভাষা, আর আরবি বাণিজ্য ও ধর্মীয় কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো।[১৩৪][১৩৫][১৩৬][১৩৭]

মোগাদিশু থেকে প্রাপ্ত ঐতিহাসিক সোমালি ফিগারহেড-এর উদাহরণ।

ঐতিহ্যবাহী যুদ্ধকলা ইস্তুনকা, যা দাবশিদ নামেও পরিচিত, আজুরান শাসনামলে উদ্ভূত হয়। এর জন্য প্রতি বছর আফগোয়ে-তে একটি বার্ষিক প্রতিযোগিতা এখনও অনুষ্ঠিত হয়।[১৩৮] উপকূলীয় শহরগুলোতে কোরিস নামে কাঠখোদাই শিল্প চর্চা হতো। মধ্যযুগে অনেক ধনী নগরবাসী সোমালিয়ার শ্রেষ্ঠ কাঠ ও মার্বেল খোদাইকারীদের নিয়োগ করতেন তাদের বাড়ি ও অভ্যন্তর সাজানোর জন্য। প্রাচীন সোমালি মসজিদ-এর মিহরাবস্তম্ভ-এর খোদাই মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীনদের মধ্যে অন্যতম; ফখর আদ-দিন মসজিদ আফ্রিকার প্রাচীনতম মসজিদগুলোর একটি।[১৩৯]

শিল্পকর্ম খোদাইকে পুরুষদের কারিগরি হিসেবে বিবেচনা করা হতো—যেমন সোমালি বস্ত্র শিল্প মূলত নারীদের ব্যবসা ছিল। যাযাবরদের মধ্যে খোদাই, বিশেষ করে কাঠের কাজ, ব্যাপক ছিল এবং চামচ, চিরুনি ও বাটির মতো সাধারণ বস্তু থেকে শুরু করে জটিল কাঠামো যেমন চলমান যাযাবর তাঁবু আকাল-এও দেখা যেত।[১৪০]

মেরকা এলাকায় বিভিন্ন স্তম্ভ-সমাধি এখনও বিদ্যমান, যা স্থানীয় ঐতিহ্য অনুসারে ১৬শ শতাব্দীতে নির্মিত—যখন আজুরান সাম্রাজ্যের নায়েবরা এই জেলা শাসন করতেন।[১৪১][১৪২]

উত্তরাধিকার

[সম্পাদনা]

সাম্রাজ্যটি বিস্তৃত স্থাপত্যগত উত্তরাধিকার রেখে গেছে। এটি মধ্যযুগীয় সোমালি শক্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম যারা দুর্গ ও কেল্লা নির্মাণে নিয়োজিত ছিল। দক্ষিণ সোমালিয়ার ল্যান্ডস্কেপে ছড়িয়ে থাকা অনেক ধ্বংসপ্রাপ্ত দুর্গ আজুরান সাম্রাজ্যের প্রকৌশলীদের কাজ বলে মনে করা হয়,[১৪১] যার মধ্যে রয়েছে স্তম্ভ-সমাধি ক্ষেত্র, নেক্রোপলিস ও ধ্বংসপ্রাপ্ত শহর। আজুরান যুগে হর্ন অফ আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের অনেক অঞ্চল ও জনগোষ্ঠী সরকারের ধর্মতান্ত্রিক প্রকৃতির কারণে ইসলাম গ্রহণ করে।[১৪৩] রাজপরিবার, গারেন রাজবংশ, যুদ্ধ, বাণিজ্য সম্পর্ক ও সামরিক জোট-এর দক্ষ সমন্বয়ের মাধ্যমে তাদের অঞ্চল সম্প্রসারণ করে এবং হেজিমনিক শাসন প্রতিষ্ঠা করে।[১৯][১৪৪]

পনেরো শতকে আজুরান সাম্রাজ্য ছিল তখন আফ্রিকার একমাত্র জলসম্পদ-ভিত্তিক সাম্রাজ্য।[৮৪] জল রাজবংশ হিসেবে আজুরান রাষ্ট্র শেবেলে নদীজুব্বা নদী-র জলসম্পদের উপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।[১৪৫] জল প্রকৌশল-এর মাধ্যমে তারা রাজ্যের অসংখ্য চুনাপাথর কূপজলাধার নির্মাণ করে—যা আজও ব্যবহৃত হয়।[১৪৬] শাসকরা নতুন কৃষি ও কর ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেন, যা ১৯শ শতাব্দী পর্যন্ত হর্ন অফ আফ্রিকার কিছু অংশে ব্যবহৃত হয়।[১০] পরবর্তী আজুরান শাসকদের শাসনের ফলে সাম্রাজ্যের মধ্যে একাধিক বিদ্রোহ দেখা দেয় এবং ১৭শ শতাব্দীর শেষে আজুরান বিভিন্ন উত্তরসূরি রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়—যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গেলেদি সালতানাত[১৪৭]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Caulfield, J. Benjamin (১৮৫০)। Mathematical & physical geography (ইংরেজি ভাষায়)। Edwards & Hughes, 12, Ave Maria Lane। পৃ. ১৯০।
  2. Reid, Hugo (১৮৫৩)। A System of Modern Geography ... with Exercises of Examination. To which are Added Treatises on Astronomy and Physical Geography (ইংরেজি ভাষায়)। পৃ. ১৬৬।
  3. "Ajuran | historical state, Africa"Encyclopedia Britannica
  4. Mukhtar, Mohamed Haji (১৯৮৯)। "The Emergence and Role of Political Parties in the Inter-River Region of Somalia from 1947–1960"Ufahamu১৭ (2): ৯৮। ডিওআই:10.5070/F7172016882
  5. Luling, Virginia (২০০২)। Somali Sultanate: the Geledi city-state over 150 years। Transaction Publishers। পৃ. ১৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৭৪২০৯-৯৮-০
  6. Luc Cambrézy, Populations réfugiées: de l'exil au retour, p.316
  7. 1 2 Guo, Rongxing (১৬ মে ২০১৮)। Human-Earth System Dynamics: Implications to Civilizations (ইংরেজি ভাষায়)। Springer। পৃ. ৮৩। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮১-১৩-০৫৪৭-৪
  8. 1 2 3 Abdurahman, Abdullahi (১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭)। Making Sense of Somali History: Volume 1 (ইংরেজি ভাষায়)। Adonis and Abbey Publishers। পৃ. ৬৪। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৯০৯১১২-৭৯-৭
  9. 1 2 3 4 Njoku 2013, পৃ. 40।
  10. Furlow, Richard Bennett (২০১৩)। The spectre of colony: colonialism, Islamism, and state in Somalia (প্রতিবেদন) (ইংরেজি ভাষায়)। Arizona State University। পৃ. ৭।
  11. McManus, Robert M.; Perruci, Gamaliel (৯ ডিসেম্বর ২০১৯)। Understanding Leadership: An Arts and Humanities Perspective (ইংরেজি ভাষায়)। Routledge। পৃ. ১৫১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪২৯-৬২১৩৮-৩
  12. 1 2 3 4 Shelley, Fred M. (২০১৩)। Nation Shapes: The Story behind the World's Borders। ABC-CLIO। পৃ. ৩৫৮। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬১০৬৯-১০৬-২
  13. Rodriguez, Jorge de Torres (১৮ মে ২০২২), "The Medieval Archaeology of Somaliland", Oxford Research Encyclopedia of Anthropology (ইংরেজি ভাষায়), আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-০৮৫৪৫৮-৪
  14. Abidde, Sabella; Ayoola, Tokunbo A. (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১)। China in Africa: Between Imperialism and Partnership in Humanitarian Development (ইংরেজি ভাষায়)। Rowman & Littlefield। পৃ. ১৪২। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৭৯৩৬-১২৩৩-৫
  15. Mukhtar, Mohamed Haji (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৩)। Historical Dictionary of Somalia (ইংরেজি ভাষায়)। Scarecrow Press। পৃ. ৩৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১০৮-৬৬০৪-১
  16. Pearce, Jeff (১৫ এপ্রিল ২০২২)। The Gifts of Africa: How a Continent and Its People Changed the World (ইংরেজি ভাষায়)। Rowman & Littlefield। পৃ. ৬০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬৩৩৮৮-৭৭১-৮
  17. Lewis, I. M. (১৯৮৮)। A Modern History of Somalia: Nation and State in the Horn of Africa (2nd, revised সংস্করণ)। Westview Press। পৃ. ২৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১৩৩-৭৪০২-৪
  18. 1 2 Pouwels, Randall L. (২০০৬)। Horn and Crescent: Cultural Change and Traditional Islam on the East African Coast, 800–1900। African Studies। খণ্ড ৫৩। Cambridge University Press। পৃ. ১৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-৫২৩০৯-৭
  19. Pouwels, Randall L.; Pouwels, Randall Lee (৬ জুন ২০০২)। Horn and Crescent: Cultural Change and Traditional Islam on the East African Coast, 800-1900 (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge University Press। পৃ. ১৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-৫২৩০৯-৭
  20. Mondes en développement (ফরাসি ভাষায়)। Éditions techniques et économiques.। ১৯৮৯। পৃ. ৮৭।
  21. Cassanelli, Lee V. (১৯৭৩)। The Benaadir Past: Essays in Southern Somali History (ইংরেজি ভাষায়)। University of Wisconsin--Madison। পৃ. ৩৪–৪৪।
  22. Lewis, I. M. (৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)। Islam in Tropical Africa (ইংরেজি ভাষায়)। Routledge। পৃ. ২৭৪। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩১৫-৩১১৩৯-৫
  23. Nelson, Harold D. (১৯৮২)। Somalia, a Country Study (ইংরেজি ভাষায়)। U.S. Government Printing Office। পৃ. ১১। …led by the Arab influenced Hawiye, a Samaale clan-family that had entered the region from the Ogaden
  24. 1 2 Cassanelli, Lee V. (১৯৭৫)। "Migrations, Islam, and politics in Somali Benaadir, 1500-1843"। Marcus, Harold G.; Schoonmaker, Kathleen M. (সম্পাদকগণ)। Proceedings of the First United States Conference on Ethiopian Studies, Michigan State University, 2-5 May, 1973 (ইংরেজি ভাষায়)। African Studies Center, Michigan State University। পৃ. ১০১–১১৫।
  25. Clark, Desmond (১৯৭৫)। The Cambridge History of Africa Volume 3। Cambridge University Press। পৃ. ১৫৫। আইএসবিএন ৯৭৮০৫২১২০৯৮১৬
  26. Landmann, George (১৮৩৫)। A universal gazetteer; or, Geographical dictionary of the world (ইংরেজি ভাষায়)। Longman and Company [and others]।
  27. Jr, Everett Jenkins (৭ মে ২০১৫)। The Muslim Diaspora (Volume 2, 1500-1799): A Comprehensive Chronology of the Spread of Islam in Asia, Africa, Europe and the Americas (ইংরেজি ভাষায়)। McFarland। পৃ. ৪৯। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৭৬৬-০৮৮৯-১
  28. Fage, J. D.; Oliver, Roland (১৯৭৫)। The Cambridge History of Africa (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge University Press। পৃ. ১৫৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-২০৯৮১-৬
  29. Pouwels, Randall L.; Pouwels, Randall Lee (৬ জুন ২০০২)। Horn and Crescent: Cultural Change and Traditional Islam on the East African Coast, 800-1900 (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge University Press। পৃ. ২১৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-৫২৩০৯-৭
  30. Loughran, Katheryne S. (১৯৮৬)। Somalia in Word and Image (ইংরেজি ভাষায়)। Foundation - University of Michigan। পৃ. ১৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-২৫৩-৩৫৩৬০-৩
  31. Marchal, Roland (১৯৯৭)। Studies on Governance (ইংরেজি ভাষায়)। United Nations Development Office for Somalia। পৃ. ১৮।
  32. Ylönen, Aleksi (২৫ জানুয়ারি ২০২৪)। The Horn Engaging the Gulf: Economic Diplomacy and Statecraft in Regional Relations (ইংরেজি ভাষায়)। Bloomsbury Academic। পৃ. ১১২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৫৫৬-৩৫১৫-৩
  33. Northeast African Studies। খণ্ড ১১। African Studies Center, Michigan State University। ১৯৮৯। পৃ. ১১৫।
  34. Cassanelli (1982), পৃ. 102।
  35. Delahaye, Guillaume-Nicolas (১৭৫৩)। Nouvelle Mappe Monde: dediée auf progres de nos connoissances (ফরাসি ভাষায়)। R. J. Julien।
  36. Fage, J. D.; Oliver, Roland (১৯৭৫)। The Cambridge History of Africa (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge University Press। পৃ. ১৩৭। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-২০৯৮১-৬
  37. Boxhall, Peter (১৯৯২)। "Portuguese seafarers in the Indian Ocean"Asian Affairs (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ (3): ৩২২–৩৩০। ডিওআই:10.1080/714041196আইএসএসএন 0306-8374
  38. MAHAMUD, ABDURAHMAN SHARIF (২৪ জানুয়ারি ২০১৬)। One Man's Influence on Somalia: The Life of Al-Sheikh Al-Sharif Mahamud Al-Sarrmann (ইংরেজি ভাষায়)। Lulu.com। পৃ. ২১। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩২৯-৮৫৪৪৪-৪
  39. Turley, Jeffrey S.; Souza, George Bryan (১ জানুয়ারি ২০১৭), "[First Attempt to Return to Spain and Forced Return from Mozambique to Goa. Account of Loss of Qeshm and Hormuz. D. García de Silva y Figueroa's Final Departure from Goa. 19 December 1620–28 April 1624]", The Commentaries of D. García de Silva y Figueroa on his Embassy to Shāh ʿAbbās I of Persia on Behalf of Philip III, King of Spain (ইংরেজি ভাষায়), Brill, পৃ. ৭৭০–৮৬১, আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-০৪-৩৪৬৩২-১
  40. Bridges, Peter (২০০০)। Safirka: An American Envoy (ইংরেজি ভাষায়)। Kent State University Press। পৃ. ২১৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৭৩৩৮-৬৫৮-৬
  41. Guidance, Somalia Ministry of Information and National (১৯৭৫)। Somalia Today: Facts and General Information (ইংরেজি ভাষায়)। Ministry of Information and National Guidance, Somali Democratic Republic।
  42. Köse, Mehmet (২০২১)। A Decade Transformed Revival of Turkey and Somalia's Multilayer Relations (ইংরেজি ভাষায়)। afrika vakfı yayınları। আইএসবিএন ৯৭৮-৬০৫-৭০৮১৯-৩-৩
  43. Njoku 2013, পৃ. 14।
  44. The book of Duarte Barbosa – Page 30
  45. Maritime Discovery: A History of Nautical Exploration from the Earliest Times pg 198
  46. Schurhammer, Georg (১৯৭৭)। Francis Xavier: His Life, his times - vol. 2: India, 1541-1545 (English ভাষায়)।{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  47. "Letter from João de Sepúlveda to the King, Mozambique, 1542 August 10", in Documents on the Portuguese in Mozambique and Central Africa 1497-1840 Vol. III (1540-1560). National Archives of Rhodesia, Centro de Estudos Históricos Ultramarinos. Lisbon, 1971 p.133
  48. 1 2 Welch (1950), পৃ. 25।
  49. Tanzania notes and records: the journal of the Tanzania Society pg 76
  50. Linschoten, Jan Huyghen van (১৬৪৪)। Beschrijvinge vande gantsche custe van Guinea, Manicongo, Angola, Monomotapa, ende tegenover de Cabo de S. Augustijn in Brasilien ... midtsgaders de voorder beschrijvinge op de caerten van Madagascar, ander 't eylant S. Laurens ghenoemt ... noch volght de beschrijvinge van West-Indien int langh, met hare caerte (ওলন্দাজ ভাষায়)।
  51. 1 2 Stanley, Bruce (২০০৭)। "Mogadishu"। Dumper, Michael; Stanley, Bruce E. (সম্পাদকগণ)। Cities of the Middle East and North Africa: A Historical Encyclopedia। ABC-CLIO। পৃ. ২৫৩। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৭৬০৭-৯১৯-৫
  52. Four centuries of Swahili verse: a literary history and anthology – p. 11
  53. COINS FROM MOGADISHU, c. 1300 to c. 1700 by G. S. P. Freeman-Grenville pg 36
  54. King, Joe (১ ডিসেম্বর ১৯৮৬)। Süleyman the Magnificent (ইংরেজি ভাষায়)। Marine Publishing।
  55. Loimeier, Roman (১৭ জুলাই ২০১৩)। Muslim Societies in Africa: A Historical Anthropology (ইংরেজি ভাষায়)। Indiana University Press। পৃ. ২২৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-২৫৩-০২৭৩২-০
  56. Christopher, A. J. (৩ মে ২০২৩)। Colonial Africa (ইংরেজি ভাষায়)। Taylor & Francis। আইএসবিএন ৯৭৮-১-০০০-৮৫৫৯০-৬
  57. Jr, Everett Jenkins (৭ মে ২০১৫)। The Muslim Diaspora (Volume 2, 1500-1799): A Comprehensive Chronology of the Spread of Islam in Asia, Africa, Europe and the Americas (ইংরেজি ভাষায়)। McFarland। পৃ. ১২০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৭৬৬-০৮৮৯-১
  58. Reese, Scott Steven (২০০৮)। Renewers of the Age: Holy Men and Social Discourse in Colonial Benaadir (ইংরেজি ভাষায়)। BRILL। পৃ. ৪১। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-০৪-১৬৭২৯-২
  59. Russell, William (২৪ মার্চ ২০১৭)। Islam: A Threat to Civilization 2nd Edition (ইংরেজি ভাষায়)। First Edition Design Pub.। পৃ. ১৫০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫০৬৯-০৪১০-৮
  60. Martin, B. G. (১৯৭৪)। "Arab Migrations to East Africa in Medieval Times"The International Journal of African Historical Studies (3): ৩৬৭–৩৯০। ডিওআই:10.2307/217250আইএসএসএন 0361-7882জেস্টোর 217250
  61. C., O. G. S.; de Almeida, Manuel; Bahrey; Beckingham, C. F.; Huntingford, George Wynn Brereton (জুন ১৯৫৫)। "Some Records of Ethiopia, 1593–1646: Being Extracts from 'The History of High Ethiopia or Abassia' by Manoel de Almeida, Together with Bahrey's 'History of the Galla'"The Geographical Journal১২১ (2): ২২০। বিবকোড:1955GeogJ.121..220Cডিওআই:10.2307/1791718আইএসএসএন 0016-7398জেস্টোর 1791718
  62. Gish, Steven; Thay, Winnie; Latif, Zawiah Abdul (২০০৭)। Ethiopia (ইংরেজি ভাষায়)। Marshall Cavendish। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৬১৪-২০২৫-৫
  63. Kitagawa, Joseph M. (মার্চ ১৯৫৩)। "Contemporary Ethiopia. By David A. Talbot. New York: Philosophical Library. 1952. xxi+267 pages. – Islam in Ethiopia. By J. Spencer Trimingham. London: Geoffrey Cumberlege, Oxford University Press, 1952. iv+299 pages."Church History২২ (1): ৫৫–৫৬। ডিওআই:10.2307/3161117আইএসএসএন 0009-6407জেস্টোর 3161117এস২সিআইডি 162230535
  64. Adam, Hussein Mohamed; Geshekter, Charles Lee (১৯৯২)। The Proceedings of the First International Congress of Somali Studies (ইংরেজি ভাষায়)। Scholars Press। পৃ. ১৫৪–১৫৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৯১৩০-৬৫৮-০
  65. Braukamper, Ulrich; Braukämper, Ulrich (২০০২)। Islamic History and Culture in Southern Ethiopia: Collected Essays। LIT Verlag Münster। পৃ. ১৫৫। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৮২৫৮-৫৬৭১-৭
  66. Andrzejewski, B. W. (১৯৭৫)। "A Genealogical Note Relevant To The Dating Of Sheikh Hussein Of Bale"Bulletin of the School of Oriental and African Studies (ইংরেজি ভাষায়)। ৩৮ (1): ১৩৯–১৪০। ডিওআই:10.1017/S0041977X00047091আইএসএসএন 1474-0699
  67. Cassanelli (1982), পৃ. 114।
  68. Cerulli, Somalia 1: 65–67
  69. Luling, Virginia (২০০২)। Somali Sultanate: The Geledi City-state Over 150 Years (ইংরেজি ভাষায়)। Transaction Publishers। পৃ. ৫২। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৭৪২০৯-৯৮-০
  70. Lewis, I. M.; Samatar, Said S. (১৯৯৯)। A Pastoral Democracy: A Study of Pastoralism and Politics Among the Northern Somali of the Horn of Africa (ইংরেজি ভাষায়)। James Currey Publishers। পৃ. ১১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৫২৫৫-২৮০-৩
  71. Ali, Abdulkadir (৪ ডিসেম্বর ২০২৩)। The Covert Genocide: Tragedy of a Nation Downtrodden (ইংরেজি ভাষায়)। Fulton Books, Inc.। আইএসবিএন ৯৭৯-৮-৮৮৭৩১-৬৭১-০
  72. Lewis (1988), পৃ. 37।
  73. Bassi, Marco (২০০৪)। "Review of Somali Sultanate: The Geledi City-State over 150 Years"The Journal of the Royal Anthropological Institute১০ (2): ৪৪৬–৪৪৮। আইএসএসএন 1359-0987জেস্টোর 3804163
  74. 1 2 Lewis, I. M. (১৯৬০)। "The Somali Conquest of the Horn of Africa"The Journal of African History (ইংরেজি ভাষায়)। (2): ২১৩–২৩০। ডিওআই:10.1017/S0021853700001808আইএসএসএন 1469-5138
  75. Pearce, Jeff (১৫ এপ্রিল ২০২২)। The Gifts of Africa: How a Continent and Its People Changed the World (ইংরেজি ভাষায়)। Rowman & Littlefield। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬৩৩৮৮-৭৭১-৮
  76. Hassig, Susan M.; Latif, Zawiah Abdul; Bjorklund, Ruth (১৫ এপ্রিল ২০১৭)। Somalia (ইংরেজি ভাষায়)। Cavendish Square Publishing, LLC। পৃ. ২২। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫০২৬-২৬০৭-৩
  77. Chen duo fen tong ming xie zhenphotobook (ইংরেজি ভাষায়)। Soffer Publishing। ২০২১। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৬-০৬২৪৬-৩-২
  78. Fage, J. D.; Oliver, Roland (১৯৭৫)। The Cambridge History of Africa (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge University Press। পৃ. ১৩৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-২০৯৮১-৬
  79. Abdullahi, Abdurahman (২০২১)। "The Conception of Islam in Somalia: Consensus and Controversy"Bildhaan
  80. Ahmed, Akbar S. (২০১৩)। The Thistle and the Drone: How America's War on Terror Became a Global War on Tribal Islam (ইংরেজি ভাষায়)। Brookings Institution Press। পৃ. ১৪৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১৫৭-২৩৭৮-৩
  81. Abdurahman, Abdullahi (১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭)। Making Sense of Somali History: Volume 1 (ইংরেজি ভাষায়)। Adonis and Abbey Publishers। পৃ. ৫৮। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৯০৯১১২-৭৯-৭
  82. Mukhtar, Mohamed Haji (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৩)। Historical Dictionary of Somalia (ইংরেজি ভাষায়)। Scarecrow Press। পৃ. ৩৪–৩৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১০৮-৬৬০৪-১
  83. 1 2 3 Siedlak, Monique Joiner (২৬ অক্টোবর ২০২৩)। Exploring the Rich and Diverse World: of African Spirituality (ইংরেজি ভাষায়)। Oshun Publications, LLC। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৯৬১৩৬২-০৫-৫
  84. Cassanelli (1982), পৃ. 149।
  85. Cassanelli, Lee V. (১৯৯৭), "Somali Land Resource Issues in Historical Perspective", Learning From Somalia, Routledge, পৃ. ৬৫–৭৬, ডিওআই:10.4324/9780429499289-6, আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪২৯-৪৯৯২৮-৯
  86. The Shaping of Somali Society: Reconstructing the History of a Pastoral People, 1600-1900 - Page 95
  87. 1 2 Ali, Ismail Mohamed (১৯৭০)। Somalia Today: General Information। Ministry of Information and National Guidance, Somali Democratic Republic। পৃ. ২০৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০১৪
  88. Chittick, H. Neville (১৯৭৬)। An Archaeological Reconnaissance in the Horn: The British-Somali Expedition, 1975। British Institute in Eastern Africa। পৃ. ১১৭–১৩৩।
  89. UK, BLAM (৬ ডিসেম্বর ২০২৩)। Global Black Narratives for the Classroom: Africa, the Americas and the Caribbean: Practical Lesson Plans, Worksheets and Activities for Ages 7-11 (ইংরেজি ভাষায়)। Taylor & Francis। আইএসবিএন ৯৭৮-১-০০০-৯৯২৮০-৯
  90. 1 2 Cassanelli (1982), পৃ. 90।
  91. Macpherson, David (১৮১২)। The History of the European Commerce with India: To which is Subjoined a Review of the Arguments for and Against the Trade with India ... (ইংরেজি ভাষায়)। Longman, Hurst, Rees, Orme, and Brown। পৃ. ১৬।
  92. Cassanelli (1982), পৃ. 104।
  93. Welch, Sidney R. (১৯৫০)। Portuguese rule and Spanish crown in South Africa, 1581–1640। Juta। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৪২৬-১৫৮৮-৪ {{বই উদ্ধৃতি}}: আইএসবিএন / তারিখের অসামঞ্জস্যতা (সাহায্য)
  94. Soucek, 2008, p.48.
  95. Köse, Mehmet (২০২১)। A Decade Transformed Revival of Turkey and Somalia's Multilayer Relations (ইংরেজি ভাষায়)। afrika vakfı yayınları। পৃ. ১১। আইএসবিএন ৯৭৮-৬০৫-৭০৮১৯-৩-৩
  96. Cassanelli (1982), পৃ. 92।
  97. Roe, Sir Thomas; Fryer, John (১৯৯৩)। Travels in India in the Seventeenth Century (ইংরেজি ভাষায়)। Asian Educational Services। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২০৬-০৮৬৭-২
  98. Sullivan, Bobby (৪ ডিসেম্বর ২০১৮)। Revolutionary Threads: Rastafari, Social Justice, and Cooperative Economics (ইংরেজি ভাষায়)। Akashic Books। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬১৭৭৫-৬৯৭-৯
  99. Defoe, Daniel (১১ মে ২০১২)। A General History of the Pyrates (ইংরেজি ভাষায়)। Courier Corporation। পৃ. ৫৪৩–৫৫৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪৮৬-১৩১৯৪-৮
  100. Warah, Rasna (২০১২)। Mogadishu Then and Now: A Pictorial Tribute to Africa's Most Wounded City (ইংরেজি ভাষায়)। AuthorHouse। পৃ. ২০০৯। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৭৭২-২৯০৩-৩
  101. Hegde, Dr P. D. (৯ সেপ্টেম্বর ২০২১)। A brief History of Great Inventions (ইংরেজি ভাষায়)। K.K. Publications। পৃ. ২১১।
  102. Mukhtar, Mohamed Haji (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৩)। Historical Dictionary of Somalia (ইংরেজি ভাষায়)। Scarecrow Press। পৃ. ৭৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১০৮-৬৬০৪-১
  103. Towle, George Makepeace (১৮৭৮)। The Voyages and Adventures of Vasco Da Gama (ইংরেজি ভাষায়)। Lothrop, Lee & Shepard Company। পৃ. ২৫৭।
  104. E. G. Ravenstein (২০১০)। A Journal of the First Voyage of Vasco Da Gama, 1497–1499। Cambridge University Press। পৃ. ৮৮। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১০৮-০১২৯৬-৬
  105. Jama, Ahmed Dualeh (১৯৯৬)। The Origins and Development of Mogadishu AD 1000 to 1850: A Study of the Urban Growth Along the Benadir Coast of Southern Somalia (ইংরেজি ভাষায়)। Department of Archaeology, Uppsala University। পৃ. ৮৮। আইএসবিএন ৯৭৮-৯১-৫০৬-১১২৩-৬
  106. Asante, Molefi Kete (৩১ জানুয়ারি ২০২৪)। The History of Africa: The Quest for Eternal Harmony (ইংরেজি ভাষায়)। Taylor & Francis। আইএসবিএন ৯৭৮-১-০০৩-৮১৬১৫-৭
  107. East Africa and its Invaders pg.38
  108. Alpers, Edward A. (১৯৭৬)। "Gujarat and the Trade of East Africa, c. 1500-1800"The International Journal of African Historical Studies (1): ২২–৪৪। ডিওআই:10.2307/217389আইএসএসএন 0361-7882জেস্টোর 217389
  109. Alpers, Edward A. (১৯৭৬)। "Gujarat and the Trade of East Africa, c. 1500–1800"। The International Journal of African Historical Studies (1): ৩৫। ডিওআই:10.2307/217389জেস্টোর 217389
  110. Harris, Nigel (২০০৩)। The Return of Cosmopolitan Capital: Globalization, the State and War। I.B.Tauris। পৃ. ২২। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৬০৬৪-৭৮৬-৪
  111. Barendse, Rene J. (২০০২)। The Arabian Seas: The Indian Ocean World of the Seventeenth Century: The Indian Ocean World of the Seventeenth Century। Taylor & Francis। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩১৭-৪৫৮৩৫-৭
  112. Asante, Molefi Kete (৩১ জানুয়ারি ২০২৪)। The History of Africa: The Quest for Eternal Harmony (ইংরেজি ভাষায়)। Taylor & Francis। আইএসবিএন ৯৭৮-১-০০৩-৮১৬১৫-৭
  113. Ruibal, Alfredo González (৩১ জানুয়ারি ২০২৩), "Long Distance Trade in Somalia, 1st–19th Centuries AD", Oxford Research Encyclopedia of African History (ইংরেজি ভাষায়), আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-০২৭৭৭৩-৪
  114. Chinese Porcelain Marks from Coastal Sites in Kenya: aspects of trade in the Indian Ocean, XIV-XIX centuries. Oxford: British Archaeological Reports, 1978 pg 2
  115. East Africa and its Invaders pg.37
  116. Gujarat and the Trade of East Africa pg.45
  117. Köse, Mehmet (২০২১)। A Decade Transformed Revival of Turkey and Somalia's Multilayer Relations (ইংরেজি ভাষায়)। afrika vakfı yayınları। পৃ. ১১–১২। আইএসবিএন ৯৭৮-৬০৫-৭০৮১৯-৩-৩
  118. A short system of polite learning: being a concise introduction to the arts and sciences, and other branches of useful knowledge. Adapted for schools (ইংরেজি ভাষায়)। W. Bent। ১৭৮৯। পৃ. ৬২।
  119. Ogilby, John (১৬৭০)। Africa: Being Accurate Description of the Regions of Aegypt, Barbary, Lybia, and Billendulgerid, the Land of Negroes, Guinee, AEthiopia, and the Abyssines; with All the Adjacent Island (ইংরেজি ভাষায়)। T. Johnson। পৃ. ৪৮৮।
  120. Abidde, Sabella; Ayoola, Tokunbo A. (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১)। China in Africa: Between Imperialism and Partnership in Humanitarian Development (ইংরেজি ভাষায়)। Rowman & Littlefield। পৃ. ১৪২। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৭৯৩৬-১২৩৩-৫
  121. Dening, Nie (৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭)। "CHINESE MERCHANTS AND THEIR MARITIME ACTIVITIES UNDER THE BAN ON MARITIME TRADE IN THE MING DYNASTY (1368–1567)"Ming Qing Yanjiu (1): ৬৯–৯২। ডিওআই:10.1163/24684791-90000366আইএসএসএন 2468-4791
  122. Kusimba, Chapurukha M.; Zhu, Tiequan; Kiura, Purity Wakabari (২ ডিসেম্বর ২০১৯)। China and East Africa: Ancient Ties, Contemporary Flows (ইংরেজি ভাষায়)। Rowman & Littlefield। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৯৮৫-৭৬১৫-৪
  123. Abegunrin, Olayiwola; Manyeruke, Charity (২০২০), Abegunrin, Olayiwola; Manyeruke, Charity (সম্পাদকগণ), "Sino-Africa Relations: An Overview", China’s Power in Africa: A New Global Order (ইংরেজি ভাষায়), Cham: Springer International Publishing, পৃ. ৯–২৫, ডিওআই:10.1007/978-3-030-21994-9_2, আইএসবিএন ৯৭৮-৩-০৩০-২১৯৯৪-৯
  124. Pearce, Jeff (১৫ এপ্রিল ২০২২)। The Gifts of Africa: How a Continent and Its People Changed the World (ইংরেজি ভাষায়)। Rowman & Littlefield। পৃ. ৬১। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬৩৩৮৮-৭৭১-৮
  125. Jackson, Peter (১৯৯৬)। "The Travels of Ibn Baṭṭūṭa, a.d. 1325–1354. Vol. IV. Translated, with revisions and notes, from the Arabic text edited by C. Defrémery and B. R. Sanguinetti, by H. A. R. Gibb and C. F. Beckingham. (Works issued by the Hakluyt Society, Second Series, 178). London, The Hakluyt Society, 1994."Journal of the Royal Asiatic Society (ইংরেজি ভাষায়)। (2): ২৬২–২৬৫। ডিওআই:10.1017/S1356186300007434আইএসএসএন 1474-0591
  126. Wilson, Samuel M. (ডিসেম্বর ১৯৯২)। "The Emperor's Giraffe"Natural History১০১ (13)। ২ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০১২
  127. Rice, Xan (২৫ জুলাই ২০১০)। "Chinese archaeologists' African quest for sunken ship of Ming admiral"The Guardian
  128. "Could a rusty coin re-write Chinese-African history?"BBC News। ১৮ অক্টোবর ২০১০।
  129. "Zheng He'S Voyages to the Western Oceans 郑和下西洋"। People.chinese.cn। ৩০ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১২
  130. Lewis, I. M. (২০০৮)। Understanding Somalia and Somaliland: Culture, History, Society (ইংরেজি ভাষায়)। Hurst। পৃ. ৯। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৫০৬৫-৮৯৮-৬
  131. Reese, Scott Steven (২০০৮)। Renewers of the Age: Holy Men and Social Discourse in Colonial Benaadir (ইংরেজি ভাষায়)। BRILL। পৃ. ৬৫। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-০৪-১৬৭২৯-২
  132. Reese, Scott Steven (১৯৯৬)। Patricians of the Benaadir: Islamic Learning, Commerce and Somali Urban Identity in the Nineteenth Century (ইংরেজি ভাষায়)। University of Pennsylvania। পৃ. ১৭৬।
  133. Laitin, David D. (১৯৭৭)। Politics, Language, and Thought: The Somali Experience (ইংরেজি ভাষায়)। University of Chicago Press। পৃ. ৪৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-২২৬-৪৬৭৯১-৭
  134. Simpson, Edward; Kresse, Kai (২০০৮)। Struggling with History: Islam and Cosmopolitanism in the Western Indian Ocean (ইংরেজি ভাষায়)। Columbia University Press। পৃ. ৬২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-২৩১-৭০০২৩-৮
  135. Scikei, Nuredin Hagi (২৩ জানুয়ারি ২০১৮)। Exploring the Old Stone Town of Mogadishu (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge Scholars Publishing। পৃ. ২৩। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫২৭৫-০৬৮৫-৫
  136. Meirison, Meirison; Bukhari, Bukhari; Saharuddin, Desmadi; Muhammadi, Qasem; Mistarija, Mistarija (১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪)। "THE ROLE OF ISLAMIC DA'WAH AND THE IMPLEMENTATION OF SHARIA ON THE EXISTENCE OF MUSLIMS IN THE MALDIVES ISLANDS PAST AND PRESENT"Jurnal Ilmiah Islam Futura (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ (1): ৮৫–১০১। ডিওআই:10.22373/jiif.v24i1.18005আইএসএসএন 2407-7542
  137. Mukhtar, Mohamed Haji (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৩)। Historical Dictionary of Somalia (ইংরেজি ভাষায়)। Scarecrow Press। পৃ. ২৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১০৮-৬৬০৪-১
  138. "Fakhr al-Din Mosque"। ৭ জুন ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০১৩ ArchNet – Masjid Fakhr al-Din
  139. Culture and customs of Somalia By Mohamed Diriye Abdullahi pg 97
  140. 1 2 Cassanelli (1982), পৃ. 101
  141. Cassanelli (1982), পৃ. 97।
  142. Ramsamy, Edward, সম্পাদক (২০১২)। Cultural Sociology of the Middle East, Asia, and Africa: An Encyclopedia। খণ্ড ২: Africa। SAGE Publications। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪১২৯-৮১৭৬-৭
  143. Cassanelli, Lee V. (১৯৭৩)। The Benaadir Past: Essays in Southern Somali History (ইংরেজি ভাষায়)। University of Wisconsin--Madison।
  144. Human-Earth System Dynamics Implications to Civilizations By Rongxing Guo Page 83
  145. Firmin, Toleve K. (১৪ মে ২০২০)। The Untold Story Of Slavery (ইংরেজি ভাষায়)। Djovi Yom Joel Hounakey।
  146. Njoku 2013, পৃ. 41।

উল্লিখিত উৎস

[সম্পাদনা]