আজিম হাফিজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আজিম হাফিজ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামরাজা আজিম হাফিজ
জন্ম (1963-07-29) ২৯ জুলাই ১৯৬৩ (বয়স ৫৮)
ঝিলম, পাকিস্তান
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনবামহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৯৫)
১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৮৩ বনাম ভারত
শেষ টেস্ট৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫ বনাম নিউজিল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৪৪)
১০ সেপ্টেম্বর ১৯৮৩ বনাম ভারত
শেষ ওডিআই১০ মার্চ ১৯৮৫ বনাম ভারত
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১৮ ১৫ ৮৫
রানের সংখ্যা ১৩৪ ৪৫ ৯২৩
ব্যাটিং গড় ৮.৩৭ ১৫.০০ ১১.৩৯
১০০/৫০ -/- -/- -/১
সর্বোচ্চ রান ২৪ ১৫ ৬৯
বল করেছে ৪৩৫১ ৭১৯ ১৩,৭৯৩
উইকেট ৬৩ ১৫ ২৩৫
বোলিং গড় ৩৪.৯৮ ৩৯.০৬ ৩৩.৩২
ইনিংসে ৫ উইকেট -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৬/৪৬ ৪/২২ ৭/৫৪
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১/- ৩/- ১৭/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৭ অক্টোবর, ২০২০

রাজা আজিম হাফিজ (উর্দু: عظیم حفیظ‎‎; জন্ম: ২৯ জুলাই, ১৯৬৩) ঝিলম এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক পাকিস্তানি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।[১] পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানি ক্রিকেটে অ্যালাইড ব্যাংক, করাচি, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স, পাকিস্তান ন্যাশনাল শিপিং কর্পোরেশন দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ বামহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন আজিম হাফিজ

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৮২-৮৩ মৌসুম থেকে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম পর্যন্ত আজিম হাফিজের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। দীর্ঘকায় গড়নের সবল বামহাতি ফাস্ট বোলার ছিলেন আজিম হাফিজ। স্বল্প কয়েকটি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অভিজ্ঞতাপুষ্ট অবস্থাতেই টেস্ট ক্রিকেট অঙ্গনে আবির্ভাব ঘটে তার।

বামহাতি ফাস্ট বোলার আজিম হাফিজ তার জন্মগত ত্রুটির কারণে পরিচিতি পেয়ে আসছেন। তার ডানহাতের দুই আঙ্গুল কম ছিল। তবে, তিনি ঐ হাতে বোলিং করতেন না।[২]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে আঠারোটি টেস্ট ও পনেরোটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন আজিম হাফিজ। ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৩ তারিখে বেঙ্গালুরুতে স্বাগতিক ভারত দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৫ তারিখে ডুনেডিনে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

১৯৮৩-৮৪ মৌসুমে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয় তার। পায়ের আঘাতের কারণে দলের বাইরে থাকা ইমরান খানের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন তিনি। এরপর তিনি অস্ট্রেলিয়া গমনের সুযোগ পান। সেখানে তিনি অবিরাম বোলিং করে গেছেন। ঐ সফরে ১৯ উইকেট পান তিনি। তন্মধ্যে অ্যাডিলেড ও পার্থ টেস্টে পাঁচ-উইকেট পান। নিজ দেশে সফরকারী ভারত দলের বিপক্ষে লাহোরের নিষ্প্রাণ পিচের ৬/৪৬ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন। এটিই পরবর্তীতে তার সেরা বোলিং হিসেবে চিত্রিত হয়ে যায়। এরপর, কিউইদের বিপক্ষে ধারাবাহিকভাবে ছয় টেস্টে অংশ নিয়ে ২২ উইকেট পান।

পাকিস্তান দলে নিজেকে কখনো প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি। ঐ সময়ে পাকিস্তান দলের বোলিং স্তম্ভ ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনুসের সাথে তাকে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হতে হয়েছে। বামহাতি উদীয়মান পেস ওয়াসিম আকরামের কাছে স্থানচ্যূতি ঘটে তার। সবমিলিয়ে ১৮ টেস্টে ৬৩ উইকেট পেয়েছেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Cricinfo.com Bio
  2. "And they went on and on"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১৮ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]