আকাশ চোপড়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আকাশ চোপড়া
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামআকাশ চোপড়া
জন্ম (1977-09-19) ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭৭ (বয়স ৪৩)
আগ্রা, উত্তরপ্রদেশ, ভারত
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
ডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকাব্যাটসম্যান, ধারাভাষ্যকার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২৪৬)
৮ অক্টোবর ২০০৩ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ টেস্ট২৬ অক্টোবর ২০০৪ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০০০-০১দিল্লি ক্রিকেট দল
২০০৮কলকাতা নাইট রাইডার্স
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি এলএ টি২০
ম্যাচ সংখ্যা ১০ ১৬২ ৬৫ ২১
রানের সংখ্যা ৪৩৭ ১০,৮৩৯ ২,৪১৫ ৩৩৪
ব্যাটিং গড় ২৩.০০ ৪৫.৩৫ ৪৪.৭২ ১৮.৫৫
১০০/৫০ ০/২ ২৯/৫৩ ৭/১৭ ০/১
সর্বোচ্চ রান ৬০ ৩০১* ১৩০* ৭২*
বল করেছে ৫৪৬ ৮৪
উইকেট
বোলিং গড় ৫৩.৩৩ ৫৮.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ২/৫ ১/১৭
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৫/– ১৮৯/– ২৯/– ৪/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৯ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ চোপড়া (এই শব্দ সম্পর্কেউচ্চারণ ; হিন্দি: आकाश चोपड़ा; জন্ম: ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৭) উত্তরপ্রদেশের আগ্রা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ভারত ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০০-এর দশকের সূচনালগ্নে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন। বর্তমানে তিনি ধারাভাষ্যকারের দায়িত্ব পালন করছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে দিল্লি, হিমাচলপ্রদেশ, কলকাতা নাইট রাইডার্স, রাজস্থান, রাজস্থান রয়্যালস এবং ইংরেজ ক্রিকেটে মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা অফ ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান আকাশ চোপড়া দিল্লিভিত্তিক সনেট ক্রিকেট ক্লাবের মাধ্যমে তার খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। বর্তমানে তিনি ধারাভাষ্যকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৭-৯৮ মৌসুম থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত আকাশ চোপড়া’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ধ্রুপদী উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে কৌশল গ্রহণ ও ক্রিজের সাথে একাত্মতায় তাকে যথোপযুক্ত মনে করা হতো। ২০০২-০৩ মৌসুমে ডান পায়ের হাঁটুর আঘাত এতে বাদ সাধে।

২০০৮ ও ২০০৯ সালের আইপিএলের প্রথম ও দ্বিতীয় আসরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের পক্ষে খেলেন। তবে, দৃশ্যতঃ তিনি টি২০ খেলাগুলোর অনুপযুক্ত ছিলেন। ২০১১ সালের চতুর্থ আসরে রাজস্থান রয়্যালসের পক্ষে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন তিনি।

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সালে নিসার ট্রফিতে দিল্লি দলের পক্ষে খেলেন। পাকিস্তানের কায়েদ-ই-আজম ট্রফির শিরোপা বিজয়ী এসএনজিপিএলের বিপক্ষে ৪ ও ১৯৭ রান তুলেন।[১] দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ঐ খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়। তবে, প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবাদে এসএনজিপিএল শিরোপা লাভ করে।[২]

দীর্ঘদিন দিল্লি দলের প্রতিনিধিত্ব করার পর রঞ্জী ট্রফির প্লেট পর্বে রাজস্থান দলের অতিথি খেলোয়াড় হিসেবে অংশ নেন।[৩] তিনি রাজস্থান দলকে প্রথম প্লেট পর্বে জয়ী করতে সহায়তা করেন। এরপর, ২০১০-১১ মৌসুমের রঞ্জী ট্রফিতে দলকে আরও একটি শিরোপা লাভ জয় করান। সবমিলিয়ে দিল্লির পক্ষে একটি ও রাজস্থানের পক্ষে দুইটি শিরোপা লাভ করান। স্বল্প কয়েকজন ভারতীয় খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেব প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে আট সহস্রাধিক রান করেছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে দশটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন আকাশ চোপড়া। ৮ অক্টোবর, ২০০৩ তারিখে আহমেদাবাদে সফরকারী নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২৬ অক্টোবর, ২০০৪ তারিখে নাগপুরে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি। তাকে কোন ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেয়া হয়নি।

চোপড়া’র আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ী জীবন বেশ ভালোভাবেই শুরু হয়। ২০০৩-০৪ মৌসুমে সফরকারী নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে মোহালিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের উভয় ইনিংসে তিনি অর্ধ-শতরানের ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন। ২০০৩ সালের শেষদিকে সফরকারী নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে আহমেদাবাদ টেস্টের মাধ্যমে তার অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এ পর্যায়ে ভারত দলে তিনি ভারতের উদ্বোধনী জুটিতে দিল্লির দলীয় সঙ্গী বীরেন্দ্র শেওয়াগের সাথে যুক্ত হন।[৪] ২০০৩-০৪ মৌসুমের শুরুতে নিজ দেশে সফরকারী নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তার অসাধারণ ব্যাটিং সবিশেষ লক্ষ্যণীয় ছিল।

অস্ট্রেলিয়া গমন[সম্পাদনা]

এরফলে, অস্ট্রেলিয়া গমনার্থে তাকে ভারত দলে রাখা হয়। এ পর্যায়ে তাকে দিল্লির সতীর্থ বীরেন্দ্র শেওয়াগের সাথে উদ্বোধনী জুটির সুন্দর সূচনার স্বাক্ষর রাখতে দেখা যায়। ২০০৩-০৪ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া গমনার্থে তাকে ভারত দলে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। বীরেন্দ্র শেওয়াগের সাথে বেশ কয়েকটি দূর্দান্ত উদ্বোধনী জুটি গড়েন। তন্মধ্যে, মেলবোর্ন ও সিডনিতে দুইটি শতরানের জুটি গড়েছিলেন। নতুন বলে সুন্দরভাবে মোকাবেলার মাধ্যমে বড় ধরনের জুটি গড়ার কল্যাণে রাহুল দ্রাবিড়, ভিভিএস লক্ষ্মণ, শচীন তেন্ডুলকরসৌরভ গাঙ্গুলী নিয়মিতভাবে মাঝারিসারিতে বেশ রান তুলতে পেরেছিলেন।[৪]

পরবর্তী সফরে পাকিস্তান গমন করেন। বীরেন্দ্র শেওয়াগের সাথে আরও একটি শতরানের জুটি গড়ে দলের প্রথম ইনিংসে ৬০০-এর অধিক সংগ্রহে ভূমিকা রাখেন। চীর প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে মুলতানে সিরিজের প্রথম টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত করে তার দল। তবে, দ্বিতীয় টেস্টে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় পরাজয়বরণ করে। এ পর্যায়ে নিয়মিত অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর আঘাতের কারণে স্থলাভিষিক্ত হওয়া যুবরাজ সিং শতরান করেছিলেন।[৫] চূড়ান্ত টেস্টে সৌরভ গাঙ্গুলী দলে ফিরে আসলে আকাশ চোপড়াকে দলের বাইরে রাখা হয় ও যুবরাজ সিংয়ে বহাল রাখা হয়।

অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি[সম্পাদনা]

২০০৪ সালের বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতে বীরেন্দ্র শেওয়াগের সাথে জুটি গড়তে তাকে পুণরায় দলে নেয়া হয়। ব্যাঙ্গালোরে সিরিজের প্রথম টেস্টের পূর্বে শচীন তেন্ডুলকরের আঘাতের ফলে তিনি এ সুযোগ পান। তবে, দলের শোচনীয় পরাজয়ের ফলে চেন্নাইয়ে পরবর্তী টেস্টে তাকে বাদ দেয়া হয় ও তেন্ডুলকর ফিরে আসেন। অন্যদিকে যুবরাজ সিংকে ইনিংস উদ্বোধনে দলে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। তবে, যুবরাজ সিংও হিমশিম খেলে নাগপুরে তৃতীয় টেস্টে আকাশ চোপড়াকে দলে ফিরিয়ে আনা হয়। উভয় ইনিংসেই ব্যর্থ হলে অস্ট্রেলিয়া দল ৩৫ বছরের মধ্যে ভারতের মাটি থেকে সিরিজ জয়ে সমর্থ হয়। এরফলে, শেষবারের মতো তাকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়। তার খেলোয়াড়ী জীবনের গড়ও ৪৬.২৫ থেকে ২৩-এ নেমে আসে। তাসত্ত্বেও, দিল্লির দলীয় সঙ্গী গৌতম গম্ভীরওয়াসিম জাফরকে পাশ কাটিয়ে টেস্টে শেওয়াগের অংশীদার হতে এগিয়ে আসেন। তবে, নিম্নমূখী গড় থাকায় তাকে একদিনের আন্তর্জাতিক দলে রাখার জন্যে বিবেচনায় আনা হয়নি।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চার টেস্টে অংশ নিয়ে কোনটিতেই পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস খেলতে পারেননি। তাসত্ত্বেও, মাঝারিসারিতে অসম্ভব ধৈর্য্যগুণে মূল্যবান সময় ব্যয়ের দিকে সচেতন হন। নতুন বলের মুখোমুখি হন ও শক্তিশালী মাঝারিসারিতে ভিত্তি আনয়ণে সচেষ্ট হন। এছাড়াও, ক্রিজের কাছাকাছি এলাকায় অসাধারণ ফিল্ডারের পরিচয় দেন। অনেকাংশেই তাকে কিংবদন্তীতুল্য একনাথ সোলকারের সাথে তুলনায় নিয়ে আসে।

দূর্ভাগ্যজনকভাবে ২০০৪ সালের পাকিস্তান সফরে খেলায় মোড় ঘুরানো ব্যাটসম্যান হিসেবে যুবরাজ সিংয়ের আবির্ভাবে তাকে মাঠের বাইরে রাখতে বাধ্য করা হয়। ২০০৪ সালে নিজ দেশে সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিস্প্রভ খেলা উপস্থাপনায় দলের বাইরে রাখা হয়। এর তিন বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ভারত এ দলের পক্ষে অনানুষ্ঠানিক টেস্টে তাকে ব্যাটিং উদ্বোধনে নামানো হয়। একটিমাত্র পরিপূর্ণ খেলায় তিনি অপরাজিত দ্বি-শতক হাঁকান।

২০০৭-০৮ মৌসুমেও আকাশ চোপড়া তার খেলার ধারা অব্যাহত রেখেছিলেন। ৭৮৩ রান তুলে রঞ্জী ট্রফিতে দিল্লির শিরোপা বিজয়ে সহায়তা করেন; একদিনের খেলায় ১০০-এর অধিক স্ট্রাইক রেটে ৩৩২.০০ গড়ে তিন শতক সহযোগে ৩৩২ রান তুলেন। দিলীপ ট্রফিতে ৩১০ রান তুলে উত্তর অঞ্চলকে বিজয়ী করেন।

অবসর[সম্পাদনা]

তিনি নিয়মিতভাবে মিড-ডে ও ক্রিকইনফোয় প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বর্তমানে তিনি স্টার স্পোর্টস, সনি ও সনি ইএসপিএনে ধারাভাষ্যকার ও খেলা বিশ্লেষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। এছাড়াও, ২০১৮-১৯ মৌসুমের অস্ট্রেলিয়া বনাম ভারতের মধ্যকার টেস্ট সিরিজে সেভেন নেটওয়ার্কসের পক্ষে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০০৯ সালে ২০০৭-০৮ মৌসুমকে ঘিরে দিনপঞ্জী আকারে বিয়ন্ড দ্য ব্লুজ: এ ফার্স্ট-ক্লাস সিজন লাইক নো আদার শীর্ষক গ্রন্থ প্রকাশ করেন। হার্পার কলিন্স থেকে এটি প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটি বেশ সমাদৃত হয় ও ক্রিকইনফো’র ক্রীড়া লেখক সুরেশ মেনন মন্তব্য করেছেন যে, কোন ভারতীয় টেস্ট ক্রিকেটারের লিখিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে এটি সেরা।[৬] নভেম্বর, ২০১১ সালে হার্পার কলিন্স থেকে দ্বিতীয় গ্রন্থ প্রকাশ করেন। রঞ্জী ট্রফিতে রাজস্থানের শিরোপা বিজয়কে ঘিরে আউট অব দ্য ব্লু লিখেন। এরপর, ২০১৫ সালে দি ইনসাইডার উইদ ইএসপিএন ক্রিকইনফো এবং ২০১৭ সালে নাম্বার্স ডু লাই উইদ ইমপ্যাক্ট ইনডেক্স প্রকাশ করেন। এ পর্যন্ত তার রচিত সর্বগুলো গ্রন্থই হার্পার কলিন্স থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

মে, ২০২০ সালে জনপ্রিয় মোবাইল ক্রিকেট খেলা ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশীপে নিজের কণ্ঠ ব্যবহার্থে ধারাভাষ্যকার হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হন।[৭][৮] এরফলে, ডিজিটাল জগতে প্রথম ধারভাষ্যকার হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।[৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Chopra and Kohli stretch lead to 384" 
  2. "Mohammad Nissar Trophy at Delhi, Sep 15-18 2008" 
  3. Aakash Chopra to represent Rajasthan ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৪ নভেম্বর ২০১০ তারিখে
  4. "Aakash Chopra"Cricinfo। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ 
  5. Vasu, Anand (৮ এপ্রিল ২০০৪)। "Yuvraj or Chopra? India's selectorial dilemma"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ 
  6. Cricinfo review of Beyond the Blues
  7. Bureau, BW Online। "Commentator Aakash Chopra Joined World Cricket Championship"BW Disrupt (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-০৮ 
  8. Miller, George (২০২০-০৪-২৭)। "Aakash Chopra joins online cricket with the world's No.1 cricket game, World Cricket Championship"European Gaming Industry News (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-০৮ 
  9. "With IPL suspended due to Pandemic, Aakash Chopra to commentate on digital matches"Hindustan Times (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২০-০৪-২৮। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-০৮ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]