আকরকাঁটা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Alangium
Alangium platanifolium
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae
(unranked): Angiosperms
(unranked): Eudicots
(unranked): Asterids
বর্গ: Cornales
পরিবার: Cornaceae (Alangiaceae)
গণ: Alangium
Lam.
আদর্শ প্রজাতি
Alangium salviifolium
Lamarck
Species

about 24 species. (See text)

আকরকাঁটা (বৈজ্ঞানিক নাম:Alangium salvifolium) যা আঙ্কুরা নামেও পরিচিত একধরনের স্বল্পকালীন ফুলেল উদ্ভিৎ। এই গাছের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, স্বভাবে এরা কষ্টসহিষ্ণু এবং যেখানে-সেখানে জন্মাতে পারে। ফলের আকার পেয়ারার মতো,কিন্তু ছোট। নরম শাঁস সুস্বাদু, কিন্তু অপ্রীতিকর উগ্র গন্ধযুক্ত।[১][২]

আকার[সম্পাদনা]

Alangium salviifolium.

আকরকাঁটার অধিকাংশ গাছই ছোটখাটো ও এলোমেলো শাখা-প্রশাখায় ঝোপঝাড়েরই সমতুল্য। তবে কোনো কোনোটি আবার মাঝারি উচ্চতারও হতে পারে। কাণ্ড ম্লান-ধূসর, বাকল আঁশযুক্ত, স্থূল এবং শাখা-প্রশাখা পত্রাচ্ছন্ন। এর পাতা ঘন সবুজ। এই গাছ ছায়া-সুনিবিড়, তাই পথতরু হিসেবেও আদর্শ শ্রেণীর। শীতে সব পাতা ঝরে পড়ে। বসন্তের শুরুতেই নিষ্পত্র ডালপালায় পুষ্প-প্লাবন নামে। অসংখ্য সরু পাপড়িতে ফুলের গড়ন নান্দনিক।[১][২]

ব্যবহার[সম্পাদনা]

উৎকৃষ্ট জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার্য। আয়ত সীমিত বিধায় এই কাঠে চাষের যন্ত্রপাতি, গরুর গাড়ি এবং আরও টুকিটাকি তৈরি করা যায়। বাদ্যযন্ত্রের জন্যও এই কাঠ উপযোগী। সুগন্ধি শিকড় কৃমিনাশক, চর্মরোগের প্রতিষেধক। ফলও ভক্ষ্য; জ্বর ও রক্তদোষে ব্যবহার্য। পাতার নির্যাস বাতের ব্যথায় ও বিষফোড়ায় উপকারী। কাঠ দীর্ঘস্থায়ী, রেখাচিত্রিত ও সুগন্ধি।[১][২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ আকরকাঁটা,মোকারম হোসেন, দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ২০-০৩-২০১৩ খ্রিস্টাব্দ।
  2. ২.০ ২.১ ২.২ আকরকাঁটা,মোকারম হোসেন, দৈনিক সমকাল। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ১৭ মার্চ ২০১২ খ্রিস্টাব্দ।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]