আইসে সেকিব ইনসেল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আইসে সেকিব ইনসেল
Şekibe İnsel.jpg
ফতেমা সেকিব এনসেল (১৯৩৫)
গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সদস্য
কাজের মেয়াদ
৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৫ – ৩ এপ্রিল, ১৯৩৯
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মফতেমা সেকিব
১৮৮৬
কনস্টান্টিনোপল, উসমানীয় সাম্রাজ্য
মৃত্যু২৯ মার্চ ১৯৭০(1970-03-29) (বয়স ৮৩–৮৪)
জাতীয়তাতুর্কি
রাজনৈতিক দলরিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি)
প্রাক্তন শিক্ষার্থীডয়চে সুলে ইস্তাম্বুল
পেশাকৃষক

আইসে সেকিব ইনসেল (১৮৮৬ - ২৯ মার্চ, ১৯৭০) ছিলেন মূলত একজন তুর্কি কৃষক। তিনি রাজনীতিতেও প্রবেশ করেছিলেন এবং সংসদে প্রথম বারের জন্য নির্বাচিত ১৮ জন মহিলা সদস্যের মধ্যে একজন ছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

আইসে সেকিব ১৮৮৬ সালে ইস্তাম্বুলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তখন এটি ছিল উসমানীয় সাম্রাজ্য। তার পিতা ও মাতার নাম যথাক্রমে ড. সেকিপ বে এবং ফাতমা হানাম। তিনি তার যৌবনকাল ইস্তাম্বুলে কাটিয়েছিলেন। তিনি পড়াশোনা করেছিলেন প্রথমে মেয়েদের ইস্তাম্বুল ভোকেশনাল স্কুলে এবং তারপর ডয়চে সুলে ইস্তাম্বুলে[১]

১৯০৫ সালে, তিনি মেহমেট কেমালেটিন বেকে বিবাহ করেন এবং একটি পুত্র সন্তানের জননী হন।[১] জার্মান ভাষা সম্পর্কে তার জ্ঞান ছিল। নিজের মাধ্যমিক শিক্ষার সময় এবং তার ছেলের পড়াশোনার কারণে জার্মানিতে কিছুদিন থাকার সময় তিনি এই ভাষা শিখেছিলেন॥ তিনি বুরসা প্রদেশের ইনেগল জেলার ইসাওরেন গ্রামে গিয়ে বসতি স্থাপন করেছিলেন, সেখানে তিনি সম্পূর্ণভাবে কৃষিকাজ নিয়ে থাকতেন।[১]

আইসে সেকিব ইনসেল ১৯৭০ সালের ২৯শে মার্চ মারা যান। [১]

রাজনীতি[সম্পাদনা]

১৯৩৪ সালে তুরস্কে মহিলাদের ভোটাধিকার আইন চালু হয়। এর পর তুর্কি নারীরা সংসদে ভোট দেওয়ার এবং সেইসঙ্গে ভোটে দাঁড়িয়ে নির্বাচিত হওয়ার অধিকার প্রাপ্ত হন।[২] [৩] }}[৩] কৃষিতে উন্নতির লক্ষ্য নিয়ে আইসে সেকিব রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং ১৯৩৫ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রার্থীতা করার জন্য রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি) দ্বারা মনোনীত হন। এই নির্বাচন ৮ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি তুর্কির গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে একটি আসনে জয়লাভ করেন।[২] তিনি এই সংসদের ইতিহাসে প্রথমবারের মত প্রবেশ করা ১৮ জন মহিলা রাজনীতিবিদদের মধ্যে একজন ছিলেন। তিনি ৫ম সংসদে বুরসা নির্বাচনী জেলার একজন ডেপুটি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি "কৃষি সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির" সদস্য ছিলেন, এবং কৃষি ও কৃষি নীতিতে নিজের কাজকে কেন্দ্রীভূত করেছিলেন, কারণ তাঁর কৃষকদের মধ্যে বিশ বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল। ১৯৩৫ সালে তিনি যে রিপোর্ট জমা দিয়েছিলেন, তাতে তিনি পর্যটনের জন্য ইজনিক, বুরসার (ঐতিহাসিকভাবে নাইকিয়া) ঐতিহাসিক গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছিলেন। তিনি ১৯৩৯ সালের ৩রা এপ্রিল পর্যন্ত সংসদে দায়িত্ব পালন করেন।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Duroğlu, Sibel (২০০৭)। Türkiye'de İlk Kadın Milletvekilleri (PDF) (গবেষণাপত্র)। Ankara Üniversitesi Sosyal Bilimler Enstitüsü। পৃষ্ঠা 77–79। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-১০-৩১ 
  2. Myron E. Weiner, Ergun Özbudun (1987) Competitive Elections in Developing Countries, Duke University Press, p337
  3. "This Day in World History: February 6, 1935 – Turkey Holds First Election That Allows Women to Vote"OUP Blog। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-১০-৩১