আইবেরীয়-ককেশীয় ভাষাসমূহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আইবেরীয়-ককেশীয়
ককেশীয়
(বিলুপ্ত)
ভৌগলিক বিস্তারককেশাস
ভাষাগত শ্রেণীবিভাগপ্রস্তাবিত ভাষা পরিবার
উপবিভাগ
গ্লোটোলগঅজানা

আইবেরীয়-ককেশীয় ভাষাপরিবারের ধারণাটি সর্বপ্রথম প্রস্তাব করেন জর্জীয় ভাষাবিদ আর্নল্ড চিকোবাভা। তিনি ককেশীয়ার নিম্নলিখিত তিনটি ভাষাপরিবারকে একটি ভাষাগোষ্ঠীতে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন,

আইবেরীয়-ককেশীয় গোষ্ঠীতে আরও তিনটি বিলুপ্ত ভাষা অন্তর্ভুক্ত করা হয়: হাত্তীয় ভাষা, যেটিকে কিছু ভাষাবিদ উত্তরপশ্চিম ককেশীয় পরিবারে অন্তর্ভুক্ত করেন, এবং হুরীয়উরার্তীয় ভাষা, যেটিকে উত্তরপূর্ব পরিবারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

ভাষাপরিবারের মর্যাদা[সম্পাদনা]

তিনটি পরিবারের মধ্যে জ্ঞাতিত্ব বিতর্কিত। উত্তরপশ্চিম এবং উত্তরপূর্ব ককেশীয়কে ভিন্ন উত্তর ককেশীয় ভাষাপরিবারের অন্তর্গত হিসাবে গণ্য করা হয়ে থাকে। সের্গেই স্তারোস্তিন এবং সের্গেই নিকোলায়েভের মত ভাষাবিদরা মনে করেন যে এই দুটি ভাষাগোষ্ঠী প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে একটি ভাষা থেকে উদ্ভূত হয়েছিল। তবে এই প্রস্তাবটি মূল্যায়ন করা কঠিন, এবং ফলত এটি এখনও বিতর্কিত।

অপরদিকে দক্ষিণ এবং উত্তর ককেশীয় গোষ্ঠীগুলির মধ্য কোন প্রতিভাত জ্ঞাতিত্ব নেই, এবং তাই দক্ষিণ ককেশীয় বা কার্টভেলীয় ভাষাপরিবারকে বর্তমানে উত্তর ককেশীয়ের থেকে জাতিগতভাবে ভিন্ন হিসাবে গণ্য করা হয়। এমনকি জোসেফ গ্রিনবার্গের ভাষাশ্রেণীবিন্যাসেও এই দুটিকে ভিন্ন সম্পর্কহীন ভাষাপরিবার ধরা হয়েছে। তাই "আইবেরীয় ককেশীয়" আখ্যাটি উপযুক্ত ভৌগলিক সংজ্ঞা হিসাবেই রয়ে গেছে।

ভাষাপরিবারের নামকরণ[সম্পাদনা]

পরিবারের নামের "আইবেরীয়" বলতে আইবেরিয়া রাজ্য (প্রাচীন) বোঝায় - পূর্ব জর্জিয়া কেন্দ্রিক একটি রাজ্য যেটি খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী থেকে খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দী অবধি ছিল এবং আইবেরীয় উপদ্বীপের সাথে সম্পর্কিত নয়।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

প্রধান গবেষণা কেন্দ্র[সম্পাদনা]