আইও আরাকি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আইও আরাকি
জাতীয়তাজাপানী
পেশানার্স এবং নার্সিং শিক্ষক
আইও আরাকি, ১৯০৯ সালের এক প্রকাশনার থেকে।
আইও আরাকি, নার্সিং প্রশিক্ষণ স্কুলে, তার ছাত্রিদের সাথে, লুকের হাসপাতাল, টোকিও, ১৯০৯ সালের প্রকাশনার থেকে।

আইও আরাকি (১৮৭৭-১৯৬৯), একজন জাপানী নার্স এবং নার্সিং শিক্ষক, তিনি আইও আরাকি সান এবং পরবর্তীকালে আইয়ো আরাকি কুবো হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯০৩ সাল থেকে তিনি টোকিওর সেন্ট লুকের আন্তর্জাতিক হাসপাতালে নার্সদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নার্স এবং শিক্ষকের অধ্যক্ষ ছিলেন।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

আরাকি টোকিওতে সেন্ট মার্গারেটস স্কুলে যোগদান করেন [১] এবং জাপানের প্রথম নার্স হিসেবে প্রশিক্ষিত হন।[২] ১৯০০ সালে, তিনি অধ্যয়ন করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রা করেন এবং ভার্জিনিয়া, রিচমন্ডের ওল্ড ডোমিনিয়ন হাসপাতাল [৩] এবং মেরিল্যান্ডের বাল্টিমোরের জনস হপকিন্স হাসপাতালে নার্সিং শিক্ষা লাভ করেন।[৪] তাকে উক্ত হাসপাতালগুলোতে ডঃ রুডলফ টিসলার, একজন মার্কিন মেডিকেল মিশনারি পাঠিয়েছিলেন। [৫]

ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

আরাকি একজন যুবতী বয়সে কোবেরের একটি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন।[৩] কোবেরের হাসপাতালে কাজ করবার সময় তিনি কিন্তু হাসপাতালের ইউনিফর্ম পরিধান করতেন না, তিনি রিচমন্ডের ওল্ড ডোমিনিয়ন হাসপাতালের ইউনিফর্মই পরিধান করতেন।[২] ১৯০৩ সালে, তিনি টোকিওর সেন্ট লুকেস ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের নার্সেস ট্রেনিং স্কুলে নার্সের সুপারিনটেনডেন্ট[৬] এবং আমেরিকান স্টাডিজে তার গবেষণার উপর ভিত্তি করে ট্রেনিং স্কুলে পাঠ্যক্রমে চালু করেন।[৭] ১৯০৮ সালে, তিনি ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক যক্ষ্মা কংগ্রেসের জন্য জাপানে যক্ষ্মারোগ সম্পর্কে একটি রিপোর্ট পেশ করেছিলেন।[৮]

১৯১৮-১৯১৯ সালে, আরাকি, রাশিয়ান দ্বীপের আমেরিকান রেড ক্রসের হাসপাতালে কার্যরত জাপানি নার্সগুলোর একটি শাখা পরিচালনা করেন।[৯] ১৯২০ সালে, তিনি সেন্ট লুইসে, তার অধ্যাপনা থেকে পদত্যাগ করেন, কিন্তু নার্সের অধ্যক্ষ পদে থেকে যান। ১৯২৩ সালে, টোকিওর গ্রেট কান্টো ভূমিকম্পের পরে তিনি হাসপাতালে যান এবং পুরো দায়িত্বে নিয়ে, রোগীদের জ্বলন্ত হাসপাতাল থেকে জীবিত বার করতে সাহায্য করেন।[১০] ১৯২৭-১৯২৮ সালে তিনি আবার আমেরিকা ভ্রমণ করেন, যেখানে তিনি মার্কিন হাসপাতাল রকফেলার ফাউন্ডেশনের ফেলোশিপে অধ্যয়ন করেন।[১১]

১৯৭২ সালে, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস লিখেছিল, "মিস আরাকি যেন তার নিজের দেশের জাতীয় নায়িকা"।[১২][১৩]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

১৯৩৫ সালে, আরাকি, ডা: টোকুটারো কুবোকে বিয়ে করেন, যিনি সেন্ট লুকের পরিচালক, রুডলফ টিসলারের সহকারী ও উত্তরাধিকারী ছিলেন[১৪] কিন্ত মাত্র ছয় বছর পর, ১৯৪১ সালে, ডা: কুবো মারা যান এবং তিনি আবার একা হয়ে যান।[১৫] ১৯৫১ সালে, চার্চ অফ জাপান, তাকে, টোকিওর "সেমিসেন্টেনেরিয়ার" হিসেবে সম্মানিত করে, যা তার বাপ্তিস্মের ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিহ্নিত করেছিল।[১৬] ১৯২৬ সালে, তিনি ৯২ বছর বয়সে মারা যান।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Margaret Ernestine Burton, The Education of Women in Japan (Fleming H. Revell 1914): 97.
  2. "At the Hospital" Staunton Spectator and Vindicator (June 29, 1900): 1. via Newspapers.comউন্মুক্ত প্রবেশাধিকারযুক্ত প্রকাশনা - বিনামূল্যে পড়া যাবে
  3. "Around the World" The Spirit of Missions (September 1900): 600.
  4. "A Surgeon's Mission" The Churchman (October 2, 1909): 490.
  5. "A Japanese Nurse in America" The Spirit of Missions (November 1900): 748-750.
  6. R. B. Teusler, "Present-Day Medical Work in Japan" The Spirit of Missions (September 1909): 786.
  7. Aya Takahashi, The Development of the Japanese Nursing Profession: Adopting and Adapting Western Influences (Psychology Press 2004): 137. আইএসবিএন ৯৭৮০৪১৫৩০৫৭৯২
  8. Iyo Araki San, "Tuberculosis in Tokyo and Vicinity" Proceedings of Section V: Hygienic, Social, Industrial and Economic Aspects of Tuberculosis (W. F. Fell 1908): 573.
  9. American National Red Cross, History of American Red Cross Nursing (Macmillan 1922): 913.
  10. Garrett L. Washington, "St. Luke's Hospital and the Modernisation of Japan, 1847-1928" Health and History 15(2)(2013): 14.
  11. "Miss Iyo Araki Will Visit U. S. In August" The News Leader (June 15, 1927): 3. via Newspapers.comউন্মুক্ত প্রবেশাধিকারযুক্ত প্রকাশনা - বিনামূল্যে পড়া যাবে
  12. "Japanese Heroine is Here for Study" New York Times (September 14, 1927): 23.
  13. Iyo Araki, "Nursing in Japan: Its Origin and Development" American Journal of Nursing 28(10)(October 1928): 1003-1006.
  14. Elisheva Avital Perelman, "The Exponent of Breath: The Role of Foreign Evangelical Organizations in Combating Japan’s Tuberculosis Epidemic of the Early 20th Century" (Ph.D. dissertation, University of California, Berkeley, 2011): 148-149.
  15. Tokutaro Kubo (1876?-1941), Jane Addams Digital Edition.
  16. "Semicentenarian Churchpeople" The Living Church (September 2, 1951): 9.