বিষয়বস্তুতে চলুন

আইএনএ যুদ্ধ জাদুঘর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

আইএনএ ওয়ার মিউজিয়াম (মৈতৈ:আইএনএ ল্যান-গি পুকেই ল্যাঙ্কেই শাংলেন) অথবা ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি ওয়ার মিউজিয়াম (মৈতৈ:ভারত লেইপাক-কি লানমি-গি পুকেই ল্যাঙ্কেই শাংলেন) হলো মণিপুরের মইরাং- এ অবস্থিত একটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জাদুঘর। এটি মণিপুরের একমাত্র সরকারী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সম্পর্কিত জাদুঘর, যদিও রাজ্যে আরও অনেক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জাদুঘর খোলা আছে। এই জাদুঘরটি আইএনএ মেমোরিয়াল কমপ্লেক্সের ভেতরে অবস্থিত। এই জাদুঘরটি মূলত ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনীর (আইএনএ) উত্থান এবং ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে সুভাষ চন্দ্র বসুর অবদানের উপর আলোকপাত করে। [][][] এই জাদুঘরটি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর প্রতি নিবেদিত একমাত্র সরকারী জাদুঘর। []

আইএনএ যুদ্ধ জাদুঘর
২২ নভেম্বর, ২০১৭ তারিখে, ভারতের রাষ্ট্রপতি শ্রী রামনাথ কোবিন্দ এবং তৎকালীন মণিপুরের রাজ্যপাল ডঃ নাজমা হেপতুল্লা, মণিপুর-এর মইরাং-এ অবস্থিত আইএনএ জাদুঘর পরিদর্শন করছেন।
স্থাপিত1985[]
অবস্থানআইএনএ শহীদ স্মৃতি কমপ্লেক্স, মইরাং, বিষ্ণুপুর জেলা, মণিপুর
ধরনযুদ্ধ জাদুঘর
মূল ধারণনেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর শত শত দুর্লভ ছবি এবং আইএনএ মানচিত্র, প্রতীক, মুদ্রা নোট, নেতাজির চিঠি, আইএনএ ব্যাজ এবং জাপানি তাবিজ
সংগ্রহের আকারদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সম্পর্কিত ১০০০ টিরও বেশি বস্তু এবং নথি[]
তত্ত্বাবধায়কমৃণাশ্রী মাইরেম্বাম
মালিকমণিপুর সরকার

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

ভারতীয় ভূখণ্ডে মৈরাংয়েই প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। এটাই সেই স্থানে যেখানে আইএনএ যুদ্ধ জাদুঘর এবং আইএনএ শহীদ স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হয়েছিল।[] আইএনএ যুদ্ধ জাদুঘরটি ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামে সুভাষ চন্দ্র বসুর ভূমিকার জন্য এই যাদুঘর তৈরির মাধ্যমে তার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়। []

সংগ্রহ এবং বৈশিষ্ট্য

[সম্পাদনা]

ভারতীয় জাতীয় সেনা যুদ্ধ জাদুঘরে মণিপুরের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নিদর্শন এবং ধ্বংসাবশেষের সংগ্রহশালা। ১৯৪৪ সালের এই ধ্বংসাবশেষের মধ্যে রয়েছে অস্ত্র ও গোলাবারুদ, বেয়নেট, হেলমেট এবং অন্যান্য নথি। [][] এটি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু এবং আইএনএ-এর শত শত দুর্লভ ছবি, মানচিত্র, প্রতীক, মুদ্রা নোট, নেতাজির চিঠি, আইএনএ ব্যাজ এবং জাপানি তাবিজ প্রদর্শন করে। [][][][]

প্রদর্শনী

[সম্পাদনা]

আইএনএ জাদুঘরে মণিপুরের ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের একটি গ্যালারি প্রদর্শিত হয়, যার মধ্যে ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনীতে থাকা মণিপুরী সৈন্যরাও অন্তর্ভুক্ত। [][]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "INA Museum, Moirang"www.battleofimphal.com। ২০ মে ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২২
  2. 1 2 Laveesh, Bhandari (২০০৯)। Indian States At A Glance 2008-09: Performance, Facts And Figures - North-East And Sikkim (ইংরেজি ভাষায়)। Pearson Education India। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৩১৭-২৩৪৮-৭। ২১ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২২
  3. 1 2 Deshpande, Abhijeet (১৯ ডিসেম্বর ২০১৭)। Backpacking North East India: A Curious Journey (ইংরেজি ভাষায়)। Notion Press। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৯৪৬৫৫৬-৮০-৬। ২১ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২২
  4. 1 2 3 Subir (১৭ অক্টোবর ২০২০)। Story of Bengal and Bengalis: Ancient to Contemporary Era Of Bangladesh & West Bengal: Genesis of Hindu-Muslim Discord (ইংরেজি ভাষায়)। Notion Press। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬৪৯৮৩-৭২২-৬। ২১ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২২
  5. 1 2 3 "INA Martyrs' Memorial"artnculturemanipur.gov.in। ১৬ জুন ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২২
  6. Sharma, G. Amarjit (৫ জুলাই ২০২১)। State vs. Society in Northeast India: History, Politics and the Everyday (ইংরেজি ভাষায়)। SAGE Publishing India। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৩-৯১৩৭০-৪৫-৯। ২১ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২২
  7. 1 2 3 NAIR, N. V. (১৮ ডিসেম্বর ২০১৯)। ON THE GRASS TRAIL: Of Mountains, Valleys and Fabled Islands (ইংরেজি ভাষায়)। Notion Press। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬৪৭৩৩-৯২৭-২। ২১ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২২

বাহ্যিক সূত্র

[সম্পাদনা]