অ্যাসিট্রেটিন
| রোগশয্যাসম্বন্ধীয় তথ্য | |
|---|---|
| বাণিজ্যিক নাম | সোরিয়াটেন, নিওটিগাসন |
| প্রয়োগের স্থান | মৌখিকভাবে গ্রহণ |
| এটিসি কোড | |
| ফার্মাকোকাইনেটিক উপাত্ত | |
| জৈবপ্রাপ্যতা | ৬০% |
| প্রোটিন বন্ধন | >৯৯.৯% |
| বিপাক | যকৃত |
| বর্জন অর্ধ-জীবন | ৪৯ ঘণ্টা |
| রেচন | মল ও মূত্র |
| শনাক্তকারী | |
| |
| কমপটক্স ড্যাশবোর্ড (আইপিএ) | |
| ইসিএইচএ ইনফোকার্ড | 100.054.050 |
| রাসায়নিক ও ভৌত তথ্য | |
| সংকেত | C21H26O3 |
| মোলার ভর | ৩২৬.৪৪ g·mol−১ |
অ্যাসিট্রেটিন (ইংরেজি: Acitretin), যা নিওটিগাসন এবং সোরিয়াটেন ব্র্যান্ডনামে বিক্রি হওয়া [১] দ্বিতীয় প্রজন্মের রেটিনয়েড। এটি মুখে সেবনযোগ্য ওষুধ, যা সাধারণত সোরিয়াসিস রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।[২] এটি যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৯৬ সালে চিকিৎসার জন্য অনুমোদিত হয়েছিল।[৩]
অ্যাসিট্রেটিন একটি মুখে সেবনযোগ্য রেটিনয়েড, যা গুরুতর রেসিসট্যান্ট সোরিয়াসিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। সম্ভাব্য সমস্যা ও মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে এটি সাধারণত কেবল গুরুতর এবং অন্যান্য চিকিৎসায় সাড়া না দেওয়া রোগীদের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি নিউক্লিয়ার রিসেপ্টর-এর সাথে যুক্ত হয়ে জিন ট্রান্সক্রিপশন নিয়ন্ত্রণ করে। এটি কেরাটিনোসাইট কোষের পার্থক্যকরণ ঘটায় এবং অতিরিক্ত ত্বক কোষের বৃদ্ধি হ্রাস করে, ফলে কোষ বিভাজন ধীর হয়। মৌখিকভাবে গ্রহণের পর ওষুধটি দ্রুত শোষিত হয় এবং দেহে বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে পড়ে। থেরাপিউটিক প্রভাব সাধারণত দুই থেকে চার সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় পরে দেখা যায়।
যারা এই ওষুধ গ্রহণ করেছেন, তাদের অন্তত তিন বছর পর্যন্ত রক্তদান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়, কারণ এতে জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি থাকে।[৪]
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
[সম্পাদনা]অ্যাসিট্রেটিন অত্যন্ত টেরাটোজেনিক [ক] এবং গুরুতর জন্মগত ত্রুটি সৃষ্টি করতে পারে, যেমন মুখ ও করোটির বিকৃতি, মেরুদণ্ড, নিতম্ব, হাত, বাহু ও কান বিকৃতি ইত্যাদি।[৫] গর্ভবতী নারী বা যারা গর্ভধারণের পরিকল্পনা করছেন, তারা চিকিৎসা শেষে অন্তত তিন বছর পর্যন্ত এই ওষুধ ব্যবহার করতে পারবেন না। সন্তান ধারণক্ষম বয়সের যৌন সক্রিয় নারীদের অন্তত দুই ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি একসঙ্গে ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়। নারী ও পুরুষ উভয়কেই চিকিৎসা শেষে তিন বছর পর্যন্ত রক্তদান থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ তাদের রক্ত কোনো গর্ভবতী নারীর শরীরে গেলে ভ্রূণের বিকৃতি ঘটতে পারে।
এছাড়াও এটি বমি, মাথাব্যথা, চুলকানি, ত্বক শুষ্ক, লাল বা খোসা ওঠা, চোখ ও ঠোঁট শুষ্ক বা ফেটে যাওয়া, তৃষ্ণা, সিস্টিক অ্যাকনে, বা চুল পড়ার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটাতে পারে।[৬][৭]
ফার্মাকোকাইনেটিক্স
[সম্পাদনা]অ্যাসিট্রেটিন হলো এট্রেটিনেট-এর একটি মেটাবোলাইট, যা পূর্বে ব্যবহৃত হতো। এট্রেটিনেটের থেরাপিউটিক সূচক সংকীর্ণ ছিল এবং এর অর্ধ-জীবনকাল (t1/2) প্রায় ১২০ দিন, ফলে ডোজ নির্ধারণ কঠিন ছিল। এর বিপরীতে, অ্যাসিট্রেটিনের অর্ধ-জীবন প্রায় ২ দিন। তবে এটি আবার বিপরীতভাবে এট্রেটিনেট-এ রূপান্তরিত হতে পারে, যার অর্ধ-জীবন অত্যন্ত দীর্ঘ। এজন্য নারীদের ওষুধ বন্ধ করার পর অন্তত তিন বছর পর্যন্ত গর্ভধারণ এড়াতে বলা হয়।[৮] তাই সন্তান ধারণের সম্ভাবনা রয়েছে এমন নারীদের জন্য এটি সাধারণত সুপারিশ করা হয় না।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;AU Neotigasonনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ Zito PM, Mazzoni T (জানুয়ারি ২০২১)। "Acitretin"। StatPearls। Treasure Island (FL): StatPearls Publishing।
- ↑ "LiverTox: Clinical and Research Information on Drug-Induced Liver Injury Acitretin"। National Institute of Diabetes and Digestive and Kidney Diseases। ৪ নভেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ AABB Technical Manual, American Association of Blood Banks
- ↑ "Acitretin Pregnancy and Breastfeeding Warnings"। Drugs.com। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০২৫।
- ↑ "Soriatane"। WebMD। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৫।
- ↑ "Soriatane Side Effects"। Drugs.com। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৫।
- ↑ "Important Safety Information for SORIATANE"। soriatane.com। ৬ মে ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ ভ্রূণবিকৃতি ঘটাতে সক্ষম
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |