অ্যালোনা বেন-তাল
অ্যালোনা বেন-তাল | |
|---|---|
אלונה בן טל | |
| মাতৃশিক্ষায়তন | তেখনিয়ন, অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় |
| পরিচিতির কারণ | মানুষ ও পাখির শ্বাস-প্রশ্বাস, বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবস্থার গাণিতিক মডেলিং |
| পুরস্কার | নিউজিল্যান্ড ম্যাথমেটিক্যাল সোসাইটির ফেলো (২০১৬) |
| বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন | |
| কর্মক্ষেত্র | ফলিত গণিত |
| প্রতিষ্ঠানসমূহ | ম্যাসি বিশ্ববিদ্যালয় |
| ডক্টরেট উপদেষ্টা | ভিভিয়েন কার্ক, গ্রেইম ওয়েক, জিওফ নিকোলস |
অ্যালোনা বেন-তাল (হিব্রু ভাষায়: אלונה בן טל) একজন ইসরায়েলি। তিনি নিউজিল্যান্ডের ফলিত গণিতবিদ। ম্যাসি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক ও গণনা বিজ্ঞান স্কুলে তিনি সহযোগী অধ্যাপক এবং উপ-প্রধান হিসেবে কাজ করেন। তাঁর গবেষণা গতিশীল ব্যবস্থা এবং সেইসঙ্গে মানুষ ও পাখির শ্বাস-প্রশ্বাসের গাণিতিক মডেলিং[১][২] ও বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত।
শিক্ষা এবং কর্মজীবন
[সম্পাদনা]বেন-তাল মূলত তেখনিয়ন - ইসরায়েল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং[২][৩] অধ্যয়ন করেছেন। তিনি ১৯৯১ সালে সেখানে স্নাতক ডিগ্রি এবং ১৯৯৪ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।[২][৪] তিন বছর শিল্পক্ষেত্রে কাজ করার পর, তিনি তাঁর পরিবারের সাথে নিউজিল্যান্ডে চলে আসেন এবং গণিতে স্নাতকোত্তর অধ্যয়ন শুরু করেন।[২][৩] ২০০১ সালে তিনি অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভিভিয়েন কার্ক, গ্রেইম ওয়েক এবং জিওফ নিকোলসের তত্ত্বাবধানে পিএইচডি সম্পন্ন করেন, তাঁর গবেষণাপত্রের শিরোনাম ছিল এ স্টাডি অফ সিমেট্রিক ফোর্সড অসিলেটরস।[৫][৬]
ডক্টরেট সম্পন্ন করার পর, তিনি অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতে একজন স্থায়ী-মেয়াদী প্রভাষক হিসেবে এবং তারপর বায়োইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে নিউজিল্যান্ড বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পোস্ট-ডক্টরাল ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০০৫ সালে তিনি ম্যাসি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।[২]
অবদান
[সম্পাদনা]মানুষের শ্বাস-প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণায়, বেন-তাল রেসপিরেটরি সাইনাস অ্যারিথমিয়া নামক বিষয়টি নিয়ে কাজ করেছেন। এটি এমন একটি শারীরিক প্রক্রিয়া যেখানে শ্বাস নেওয়ার সময় হৃদস্পন্দনের গতি বেড়ে যায় এবং শ্বাস ছাড়ার সময় তা কমে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হয়েছিল যে এই পরিবর্তনশীলতা ফুসফুসে গ্যাস বিনিময়ের হারকে উন্নত করবে, কিন্তু তাঁর গবেষণায় দেখা গেছে যে এটি রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা সমান রেখে হৃৎপিণ্ডের পরিশ্রম কমিয়ে দেয়।[১][২]
পাখিদের ক্ষেত্রে, বেন-তাল পাখির ফুসফুসের কিছু নির্দিষ্ট বায়ুপথের একমুখী প্রকৃতি এবং এই পথগুলির মধ্য দিয়ে বায়ুপ্রবাহের গতি পরিবর্তন করার জন্য পাখিদের ক্ষমতা নিয়ে গবেষণা করেছেন। তাঁর গবেষণায় দেখা গেছে যে, কিছু পরিস্থিতিতে, পাখিরা শ্বাস ছাড়ার চেয়ে শ্বাস নেওয়ার ক্ষেত্রে সময় কম ব্যয় করে।[১][২]
স্বীকৃতি
[সম্পাদনা]বেন-তালকে ২০১৬ সালে নিউজিল্যান্ড ম্যাথমেটিক্যাল সোসাইটির ফেলো মনোনীত করা হয়েছিল।[৪][৭]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 Rankine, Jenny (জুন ২০১৬), "Models for breathing", NZ Images, নং 14, পৃ. ৮
- 1 2 3 4 5 6 7 McKibbin, Robert (এপ্রিল ২০১৯), "Profile" (পিডিএফ), Newsletter of the New Zealand Mathematical Society, নং 135, পৃ. ১০–১১
- 1 2 "Alona Ben-Tal", SIAM News, Society for Industrial and Applied Mathematics, সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০২০
- 1 2 "Associate Professor Alona Ben-Tal", School of Natural and Computational Sciences staff, Massey University, সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০২০
- ↑ গণিত উদ্ভববিজ্ঞান প্রকল্পে অ্যালোনা বেন-তাল
- ↑ Ben-Tal, Alona (২০০১), A Study of Symmetric Forced Oscillators (ইংরেজি ভাষায়), ResearchSpace@Auckland, এইচডিএল:2292/2323, Wikidata Q111964159
- ↑ NZMS Accreditation, New Zealand Mathematical Society, সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০২০
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- গুগল স্কলার দ্বারা সূচীবদ্ধ অ্যালোনা বেন-তালের প্রকাশনাসমূহ